Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
চারুকলা কি ? বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্প-চারুকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ কেন ?-ব্যাখ্যা করো।
যেকোনো সহজ-সরল ও সুন্দর জিনিসই শিল্পকলা। বিশেষ কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে কোনো কিছু তৈরি করাকে শিল্পকলা বলা হয়। অন্যভাবে বলা যায় যে , যা কিছু সুন্দর , নান্দনিক , আরামদায়ক ও ত্রুটিমুক্ত তাই শিল্পকলা।
শিল্পকলা কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় –
- চারুশিল্প ও
- কারুশিল্প।
যে শিল্পকলা পরিবেশকে সুন্দর করে , মনে আনন্দ দান করে তাকে চারুশিল্প বলে। যেমন -চিত্রকলা , সংগীতকলা , নৃত্যকলা ইত্যাদি।
অন্যদিকে কারুশিল্প পরিবেশকে সুন্দর করে , মনে আনন্দ দান করে । সেই সাথে আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনও মিটিয়ে থাকে। যেমন- বয়ন শিল্প , কাঠ শিল্প , মৃৎশিল্প ইত্যাদি । পোশাক তৈরি কারুশিল্পের অন্তর্গত একটি শিল্প ।
যেকোনো শিল্প সৃষ্টিতেই শিল্পকলার কিছু উপাদান ও নীতির সাহায্য নিতে হয়। শিল্পকলা হচ্ছে মানুষের সার্বিক আনন্দের প্রধানতম মাধ্যম। একটি দেশের সংস্কৃতিকে জানার জন্য শিল্পকলার গুরুত্ব অপরিহার্য।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্প-চারুকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ।
নিচে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে শিল্পকলা চর্চার গুরুত্ব বর্ণনা করা হল-
বাংলাদেশ সংস্কৃতিক খুবই পুরনো। যুগের পর যুগ শিল্প চর্চার মাধ্যমে এই সংস্কৃতি আজ বর্তমান সময়ে এসে পৌঁছেছে।
শিল্প চর্চার মাধ্যমেই বাংলাদেশের সংস্কৃতি অর্থাৎ জাতি বা গোষ্ঠীর চিন্তাভাবনা , আচরণগত দিক-নির্দেশনা , পোশাক , ভাষা , খাদ্য , ধর্ম , সংগীত এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান প্রজন্ম। শিল্পের বিভিন্ন শাখা যেমন- সংগীত , নৃত্য , চিত্রকলা , মৃৎশিল্প , চর্মশিল্প , নাটক , ভাস্কর্য ইত্যাদি আমাদের সংস্কৃতিকে লালন করে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপনে শিল্পের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খাওয়া , শাড়ি পাঞ্জাবি পরা , মঙ্গল শোভাযাত্রা করা ইত্যাদিতে শিল্পের ছোঁয়া রয়েছে ।
যার ফলে আমরা এই উৎসবের সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি । এভাবেই আমাদের সংস্কৃতির সমৃদ্ধি হচ্ছে। আমরা সংগীতের মাধ্যমে বুঝতে পারি কোন ধরনের গান আমাদের পূর্বপুরুষদের বিনোদনের মাধ্যম ছিল। চিত্রকর্মের মাধ্যমে সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হয় ।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
আরি পড়ুন ›যে যুদ্ধে সর্বপ্রথম তুরস্ক রেড ক্রিসেন্ট প্রতীক ব্যবহার করে,জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস পালিত হয়,স্ত্রী দেহের জনন একক,বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভ করে, আর্সেনিকের দুটি বিষাক্ত যৌগবিষয়: মানব দেহের বিজ্ঞান থেকে নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমাধান, মানব দেহের বিজ্ঞান জীবনী…
আরি পড়ুন ›৭ম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সকল সমাধানশ্রেণি: ৭ম বিষয়: বিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ ১।…
আরি পড়ুন ›রচনা বিজ্ঞান ও বর্তমান প্রযুক্তি রচনা, বিজ্ঞান ও বর্তমান প্রযুক্তি রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা বিজ্ঞান ও বর্তমান প্রযুক্তি,<br>বিজ্ঞান ও বর্তমান প্রযুক্তি রচনা বাংলা ২য় পত্র রচনা, রচনা বিজ্ঞান ও বর্তমান প্রযুক্তি (PDF Download)বিষয়: PDF Download মানবকল্যাণে বিজ্ঞান রচনা, মানবকল্যাণে বিজ্ঞান একটি রচনা লিখুন, রচনা মানবকল্যাণে বিজ্ঞান…
বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্প-চারুকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ।
চিত্রের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি কিভাবে আগেকার বাঙালি জমি চাষ করতেন , কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন , কিভাবে তাদের সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন , কিভাবে নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ তারা মোকাবিলা করেছেন।
এর অন্যতম উদাহরণ হল- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা দুর্ভিক্ষের ছবি। তার আঁকা ছবি দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে অনেকেই চিত্রকলার মাধ্যমে সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন ।
এরপর রয়েছে পোশাক-পরিচ্ছদ । বিভিন্ন উৎসব ও পালা-পার্বণে বাঙালি নারীরা যে পোশাক পরিচ্ছদ শাড়ি পরিধান করেন তা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
এই সংস্কৃতিকে বুকে লালন করা সম্ভব শুধুমাত্র শিল্প চর্চার মাধ্যমে। এছাড়া মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল , খেলনা ইত্যাদি তৈরীর সংস্কৃতি এখনো বেঁচে আছে মৃৎশিল্প চর্চার মাধ্যমেই। যা আমাদের সংস্কৃতির অনন্য পরিচয় বহন করে।
My Ads
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্প-চারুকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের সমাজ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিল্পকলার অসীম গুরুত্ব রয়েছে । সমাজের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
যেসব কর্মক্ষেত্রে শিল্পীরা পেশা হিসেবে শিল্প কর্ম করে যাচ্ছেন তা হলো গ্রামের পেশাজীবী কারুশিল্পের কাজ যেমন- কামার , কুমার , তাঁতি, স্বর্ণকার , সুতার ও বাঁশ-বেতের কারুশিল্পী।
মেয়েদের তৈরি নকশি কাঁথা , শীতলপাটি , জায়নামাজ , শতরঞ্জি , পাখা ইত্যাদি ছাড়াও বুনন ও সূচিশিল্পের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরায় গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে এসব শিল্পকর্মের চর্চা আছে। যাকে আমরা নাম দিয়েছি লোকশিল্প , কারুশিল্প ও কুটির শিল্প।
বর্তমান আধুনিক জীবন যাপনে লোকশিল্প , কারুশিল্প ও কুটির শিল্পের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আধুনিক জীবনযাপনে ও বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের শিল্পীরা দায়িত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন । বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকার জন্য শিল্পী প্রয়োজন । শিল্পকলা ও সাহিত্য পরস্পর একই সূত্রে গাঁথা । শিল্প চর্চার মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারি। তাই বলা যায় , সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করতে শিল্পকলা চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম।
My Ads
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
- ক্রেতাদের নিকট থেকে ভ্যালু অর্জনের কৌশলসমূহ আলোচনা কর
- বাজারজাতকরণের মৌলিক ধারণাসমূহ আলোচনা কর
- “বাজারজাতকরণ জীবনযাত্রার মান নির্ধারক।”- ব্যাখ্যা কর, বাজারজাতকরণ কীভাবে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করে?
- ডিগ্রি ১ম বর্ষ মার্কেটিং ১ম পত্র স্পেশাল সাজেশন , ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ১০০% কমন মার্কেটিং ১ম পত্র সাজেশন
- বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাজারজাতকরণের ভূমিকা আলোচনা কর