Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
জলবায়ু বিপর্যয়ের বৈশ্বিক বার্তা: এল নিনো, ‘সুপার এল নিনো’ এবং বিশ্ব ও বাংলাদেশে এর বহুমাত্রিক প্রভাব
১. ভূমিকা ও এল নিনো সংজ্ঞা
আধুনিক আবহাওয়া বিজ্ঞান ও পরিবেশবিদ্যার সবচেয়ে আলোচিত শব্দগুলোর একটি হলো ‘এল নিনো’ (El Niño)। এটি কোনো কৃত্রিম বা মানবসৃষ্ট ঘটনা নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে ঘটা এক প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র। স্প্যানিশ শব্দ ‘এল নিনো’-র আক্ষরিক অর্থ “ছোট ছেলে” বা “শিশু যীশুখ্রিস্ট”। ১৭শ শতকে দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও ইকুয়েডরের জেলেরা লক্ষ্য করেন যে, প্রতি কয়েক বছর পর পর ক্রিসমাসের সময় উপকূলীয় এলাকার সাগরের পানি অস্বাভাবিক গরম হয়ে যায় এবং মাছের সংখ্যা কমে যায়। সেই থেকে এই ঘটনার নাম হয় এল নিনো।
ভৌগোলিক ও মহাসাগরীয় পরিভাষায়, বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের (Equatorial Pacific Ocean) মধ্য ও পূর্ব অংশের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা যখন দীর্ঘসময় ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি বৃদ্ধি পায়, তখন সেই অবস্থাকে এল নিনো বলা হয়।
স্বাভাবিক অবস্থায়, শক্তিশালী পুচ্ছ বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু (Trade Winds) গরম পানিকে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে (এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার দিকে) ঠেলে দেয়। ফলে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে (দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে) নিচ থেকে পুষ্টিকর শীতল পানি উপরে উঠে আসে (Upwelling)। কিন্তু এল নিনো দেখা দিলে বাণিজ্য বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে গরম পানি পশ্চিম থেকে পুনরায় পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং সাগরের উপরিভাগের আবহাওয়া ও বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রায় প্রকাণ্ড ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটায়।
[স্বাভাবিক অবস্থা]
বাণিজ্য বায়ু শক্তিশালী ──>
প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে গরম পানি ──>
এশিয়া/অস্ট্রেলিয়ায় স্বাভাবিক বৃষ্টি
[এল নিনো অবস্থা]
বাণিজ্য বায়ু দুর্বল ──>
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে গরম পানি প্রসারিত ──>
বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ায় বিপর্যয়
২. এনসো (ENSO) চক্র কী?
এল নিনো একা কাজ করে না; এটি একটি বৃহত্তর মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় চক্রের অংশ, যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা হয় ENSO (El Niño-Southern Oscillation)। এই এনসো চক্রের মূলত তিনটি ধাপ রয়েছে:
- এল নিনো (El Niño): প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের অস্বাভাবিক উষ্ণায়ন। এটি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং আবহাওয়াকে অতিমাত্রায় খামখেয়ালী করে তোলে।
- লা নিনা (La Niña): এল নিনোর ঠিক বিপরীত অবস্থা। এ সময় বাণিজ্য বায়ু আরও শক্তিশালী হয়ে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পানি অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা করে ফেলে। এর প্রভাবে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও বন্যা হয়।
- নিরপেক্ষ ধাপ (Neutral): সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা যখন স্বাভাবিক সীমার মধ্যে থাকে।
সাধারণত প্রতি ২ থেকে ৭ বছর পর পর এল নিনো ফিরে আসে এবং এটি একেকবারে ৯ থেকে ১২ মাস বা তারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে।
৩. সারা বিশ্বে এল নিনোর ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব
এল নিনো শুধু প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বায়ুমণ্ডলের জেট স্ট্রিম (Jet Stream)-এর পথ পরিবর্তন করে এটি পুরো পৃথিবীর আবহাওয়া ব্যবস্থা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ওলট-পালট করে দেয়।
ক) তীব্র তাপপ্রবাহ ও দাবানল
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড), অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলোতে এল নিনোর কারণে বৃষ্টিপাত মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে এসব অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী খরা দেখা দেয়। ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল (Wildfires) সৃষ্টি হয়, যা বায়ুমণ্ডলে কোটি কোটি টন কার্বন ডাই অক্সাইড ছড়িয়ে দেয়।
খ) নজিরবিহীন বন্যা ও অতিবৃষ্টি
অপরদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে—বিশেষ করে পেরু, ইকুয়েডর, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাংশে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বৃষ্টিপাত হয়। এর ফলে হঠাৎ বন্যা (Flash Flood), মারাত্মক পাহাড় ধস এবং নদী ভাঙন সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।
গ) মহাসাগর ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের বিনাশ
সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে সবচেয়ে বড় আঘাত আসে।
- প্রবাল প্রাচীরের ধ্বংস (Coral Bleaching): তাপমাত্রা সইতে না পেরে প্রবাল বা কোরাল তাদের দেহে থাকা রঙিন শৈবাল বের করে দেয়, ফলে প্রবাল সাদা হয়ে মারা যায়।
- মৎস্য সম্পদের সংকট: পেরু উপকূলে শীতল পানির প্রবাহ (Upwelling) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্ল্যাঙ্কটন তৈরি হয় না। ফলে কোটি কোটি মাছ খাদ্যের অভাবে মারা যায় বা অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়, যা বিশ্বমৎস্য শিল্পে বড় আঘাত হানে।
ঘ) বৈশ্বিক অর্থনীতি ও খাদ্য সংকট
কৃষি উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হওয়ায় চাল, গম, সোয়াবিন, কফি ও চিনির মতো বিশ্বপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়। খরা ও বন্যার কারণে নৌ-পরিবহন (যেমন পানামা খালের পানির স্তর কমে যাওয়া) ব্যাহত হয়, যা বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে (Global Supply Chain) স্থবির করে ফেলে।
৪. বাংলাদেশে এল নিনোর প্রভার ও ঝুঁকি
বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হলেও, বঙ্গোপসাগরীয় মৌসুমী বায়ুর (Monsoon) ওপর এল নিনোর প্রভাব অত্যন্ত সংবেদনশীল ও প্রত্যক্ষ।
এল নিনো সক্রিয়তা ──>
দুর্বল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ──>
বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি ও তাপদাহ ──>
ধান চাষ ও কৃষিতে বিপর্যয়
ক) দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক তাপপ্রবাহ
এল নিনো চলাকালীন বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল ও প্রাক-মৌসুমী সময়ে (মার্চ থেকে মে) রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তীব্র ও অতি-তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত তাপে হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতাজনিত স্বাস্থ্যঝাঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
খ) মৌসুমী বায়ুর দুর্বলতা ও অনাবৃষ্টি
বাংলাদেশের বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০-৮৫% নির্ভর করে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর ওপর। এল নিনো বায়ুমণ্ডলের বায়ুর চাপ বদলে দেয়, যার ফলে বঙ্গোপসাগরের ওপর মৌসুমী বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয় না, যা দেশের সার্বিক পরিবেশ ও জলাশয়ের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
আরি পড়ুন ›UNESCO এর সদর দপ্তর- প্যারিস,চাঁদে অভিযান চালনাকারী ৪র্থ দেশ-,কত সালে বিশ্ব মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়-,কোন দেশটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়,SAARC গঠিত হয়েছে- ১৯৮৫ সালে,এশীয় ব্যাংক এর সদর দপ্তর- ম্যানিলাবিষয়: নিয়োগ পরিক্ষার জন্য ১০০% কমন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী এক সাথে, যেকোন চাকরির…
আরি পড়ুন ›শিক্ষা কি?,শিক্ষা নীতি কি?,বর্তমান বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বতন্ত্র পর্যায় কয়টি ও কি কি? , জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ -এর শিক্ষার স্তর কয়টি?শিক্ষা কি?,শিক্ষা নীতি কি?,বর্তমান বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বতন্ত্র পর্যায় কয়টি ও কি কি? ,…- আরি পড়ুন ›মুহাম্মদ আলী আলীর শেষ কথা।। মুহাম্মদ আলী আত্মজীবনী পাঠ-১০আলীর বাংলাদেশ সফর ১৯৭৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিদেশি সংস্থা ৫ দিনের সফরে তাকে…
গ) কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে ধস
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। অনাবৃষ্টির কারণে দেশের প্রধান ফসল আমন ধান রোপণ ও ফলন মারাত্মক ব্যাহত হয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ খরচ বেড়ে যায় এবং সেচভিত্তিক বোরো ধান উৎপাদনও ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। একই সাথে চা বাগান ও পাট চাষেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
My Ads
ঘ) ভূগর্ভস্থ পানির সংকট ও সুপেয় পানির অভাব
অনাবৃষ্টি ও খরা পরিস্থিতির কারণে নদী-নালা, খাল-বিল শুকিয়ে যায়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এত নিচে নেমে যায় যে দেশের অনেক অঞ্চলে নলকূপে পানি পাওয়া যায় না। এর ফলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
৫. ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Niño): প্রকৃতি যখন অতি-আক্রমণাত্মক
এল নিনোর তীব্রতা সর্বদা সমান থাকে না। একে সাধারণ, মাঝারি, শক্তিশালী এবং ‘সুপার এল নিনো’—এই কয়েকভাগে ভাগ করা হয়।
| এল নিনোর ধরন | সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি (স্বাভাবিকের চেয়ে) |
| সাধারণ (Weak/Moderate) | +০.৫°C থেকে +১.৪°C |
| শক্তিশালী (Strong) | +১.৫°C থেকে +১.৯°C |
| সুপার এল নিনো (Super El Niño) | +২.০°C বা তার বেশি |
ইতিহাসে ১৮৭৭-৭৮, ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালে ‘সুপার এল নিনো’ রেকর্ড করা হয়েছে।
‘সুপার এল নিনো’-র ভয়াবহ প্রভাব:
১. নজিরবিহীন বৈশ্বিক তাপমাত্রা: এটি বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রাকে এক ধাক্কায় রেকর্ড সীমানায় নিয়ে যায়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের (Global Warming) সাথে সুপার এল নিনো যুক্ত হলে জলবায়ু ব্যবস্থার ওপর দ্বিগুণ আঘাত আসে।
২. প্রলয়ঙ্করী সাইক্লোন ও ঝড়: প্র শান্ত মহাসাগরের অতি-উষ্ণ পানি শক্তিশালী টাইফুন ও সুপার সাইক্লোন তৈরির উর্বর জমিতে পরিণত হয়।
My Ads
৩. কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি ও মহামারী: ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের সুপার এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ডজন ডজন বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। খরা ও বন্যার ফলে আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও কলেরার মতো রোগ মহামারীর রূপ নেয়।
৬. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) ও এল নিনো
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দিন দিন পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও এল নিনো একে অপরকে উৎসাহিত করে। সমুদ্রের পানি এমনিতেই উষ্ণ হচ্ছে, তার ওপর এল নিনো যুক্ত হয়ে চরম আবহাওয়াগত পরিস্থিতি (Extreme Weather Events) তৈরি করছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, মানবসৃষ্ট কার্বন নির্গমন এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ‘সুপার এল নিনো’ ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং এর স্থায়িত্ব অনেক বেড়ে যাবে।
৭. সম্ভাব্য উত্তরণ ও করণীয় পদক্ষেপ
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এটিকে সম্পূর্ণ থামানো সম্ভব নয়। তবে পূর্বপ্রস্তুতি ও অভিযোজনের (Adaptation) মাধ্যমে এর ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব:
- আবহাওয়া পূর্বাভাস জোরদার করা: স্যাটেলাইট ও মহাসাগরীয় ডাটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে এল নিনোর আগাম সতর্কবার্তা অন্তত ৬-৯ মাস আগে কৃষকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা।
- খরাসহনশীল ফসলের উদ্ভাবন: বাংলাদেশে খরা ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে এমন ধান ও ফসলের জাত (যেমন- ব্রি ধান-৫৬, ব্রি ধান-৬৬ ইত্যাদি) চাষে জোর দেওয়া।
- পানি সংরক্ষণ ও সেচ ব্যবস্থাপনা: বৃষ্টি ও ভূ-উপরিস্থ পানি ধরে রাখার জন্য খাল-বিল পুনঃখনন এবং অপচয় রোধে আধুনিক সেচ প্রযুক্তির (যেমন ড্রিফ সেচ) ব্যবহার প্রসারিত করা।
- স্বাস্থ্য খাত প্রসেসর ও সচেতনতা: তাপপ্রবাহ ও পানিবাহিত রোগের বিরুদ্ধে আগাম স্বাস্থ্যসেবা প্রস্তুতি রাখা এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা।
৮. উপসংহার
এল নিনো কেবল বিজ্ঞানের পাতায় আবদ্ধ কোনো সমুদ্রীয় ঘটনা নয়; এটি পৃথিবীর প্রতিটি জীব ও মানুষের জীবনযাত্রার সাথে সরাসরি যুক্ত। একদিকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ত্বরান্বিত রূপ, আর অন্যদিকে ‘সুপার এল নিনো’-র প্রলয়ঙ্করী ক্ষমতা—দুইয়ে মিলে বিশ্ব আজ এক অভূতপূর্ব জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। বাংলাদেশ আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের অন্যতম চরম শিকার। সময় এসেছে এল নিনোর মতো প্রাকৃতিক পরিবর্তনগুলোকে গভীরভাবে বুঝে আন্তর্জাতিক সমন্বয় ও স্থানীয় অভিযোজনের মাধ্যমে নিজেদের সুরক্ষিত করার।
আজকের :
- আরি পড়ুন ›বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী জীবনি। পাঠ-৪রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবী নিয়ে প্রতিষ্ঠিত আন্দোলনে অংশ নেয়ার মাধ্যমেই শেখ…
আরি পড়ুন ›ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের কার্যকাল কত সময়ের?,কোন আইন অনুসারে গ্রাম আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়?,গ্রাম আদালত কিভাবে গঠিত হয়?ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের কার্যকাল কত সময়ের?,কোন আইন অনুসারে গ্রাম আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়?,গ্রাম…
আরি পড়ুন ›ভিডিও ইন্টারভিউতে কি করবেন চাকুরী ইন্টারভিউতেসাম্প্রতিক সময় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়ালি ইন্টারভিউ নিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বেসরকারি ব্যাংক…