Google Adsense Ads
আজকের বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম 2026, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির নিয়ম 2026, শিক্ষাবৃত্তি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের অনলাইন আবেদন 2026, উপবৃত্তির আবেদন ফরম pdf download 2026
স্কুল-কলেজ এর ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির জন্য অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের নিয়ম জানুন। স্কুল-কলেজ উপবৃত্তি আবেদন ফরম পূরণ ও তথ্য এন্ট্রি করা যাবে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ 2026 খ্রি. তারিখ পর্যন্ত।
স্কুল ও কলেজ ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির জন্য অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম 2026
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) স্কুল-কলেজের ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম পূরণের কাজ শুরু করেছে।
স্কুল-কলেজে উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন ফরম ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ ২০২৬ খ্রি. তারিখের মধ্যে এন্ট্রি করতে হবে।
উপবৃত্তি পেতে ইচ্ছুক যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের এই সময়ের মধ্যে উপবৃত্তির জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে জমা দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের তথ্য মাউশি HSP-MIS ওয়েবসাইটে এন্ট্রি করে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে থানা/উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দপ্তরে প্রেরণ করতে হবে।
৬ষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তি আবেদন ফরম পূরণ সময়সূচি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজে) অনলাইনে উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন এন্ট্রি শুরু হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। আবেদন এন্ট্রি করা যাবে ১৯ মার্চ ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত।
উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্ধারিত অপশন ব্যবহার করে যাচাই-বাছাইকৃত তথ্য HSP-PMEAT-তে প্রেরণ করবেন ২২ মার্চ ২০২৬ খ্রি. তারিখের মধ্যে।
নিচের অনুচ্ছেদে স্কুল-কলেজর ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির মাউশি উপবৃত্তির আবেদনের বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
উপবৃত্তি আবেদন ফরম 2026 pdf
মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের ৬ষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এই ফরম পূরণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে জমা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির আবেদনের পিডিএফ ফরম (চার পাতা) শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
নিচের লিংক উপবৃত্তির ফরম ডাউনলোডের পর সকল তথ্য পূরণ করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমা দিয়ে উপবৃত্তির আবেদন করতে হবে।
- উপবৃত্তির ফরম ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে।
উপবৃত্তির জন্য অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের (এন্ট্রির) নিয়ম
শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের সময়সূচি সহ আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। (নিচের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানুন)।
শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য-ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে HSP-MIS ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রিতে শিক্ষার্থীদের যে সব তথ্য প্রয়োজন হবে
উপবৃত্তির অনলাইন আবেদনে শিক্ষার্থীর ছবি প্রয়োজন হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্মসনদ প্রয়োজন হবে। জন্মসনদ নম্বর অবশ্যই ১৭ ডিজিটের হতে হবে।
পিতা/মাতা/অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (১০ অথবা ১৭ সংখ্যা)। ১৩ সংখ্যার জাতীয় পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে প্রথমে জন্মসাল বসিয়ে ১৭ সংখ্যার রুপান্তর করতে হবে।
শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যে কোন বৈধ/সচল অনলাইন ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট নম্বর। অনলাইন/এজেন্ট ব্যাংক এর ক্ষেত্রে একাউন্ট নম্বর ১৩-১৭ ডিজিট এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে একাউন্ট নম্বর ১১-১২ ডিজিট হতে হবে।
পিতা অথবা মাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে চাইলে, তাদের নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
শিক্ষার্থীর অভিভাবক হবেন পিতা অথবা মাতা। কেবল মাত্র পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য কোন ব্যক্তিকে ভাই/বোন/
দাদা/দাদী/নানা/নানী/ইত্যাদি) অভিভাবক হিসাবে নির্বাচন করা যাবে।
স্কুল-কলেজের যেসব শিক্ষার্থী উপবৃত্তির আবেদন করতে পারবে
শুধুমাত্র স্কুল-কলেজের ৬ষ্ঠ এবং ১১ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আওতায় উপবৃত্তি প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবে।
তবে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা যারা উপবৃত্তি কর্মসূচি বর্হিভূত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৮ম শ্রেণি পাস করে নতুন ভর্তি হয়েছে তারা উপবৃত্তির আবেদন করতে পারবে।
নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ম শ্রেণির কোন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে না।
শিক্ষার্থী অন্য কোনো সরকারি উৎস থেকে উপবৃত্তি অথবা অভিভাবক কর্তৃক শিক্ষাভাতা গ্রহণ করলে উপবৃত্তির জন্য যোগ্য বলে
বিবেচিত হবে না।
এছাড়াও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মেধা/সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
বাংলাদেশ সরকার থেকে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় শুধু শিক্ষার্থীই নয় বরং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবে। এই অনুদান বিশেষ অবস্থায় দেয়া হবে। মূলত বিভিন্ন সংস্কার কাজের জন্য এবং শিক্ষার জন্য দরকারি আসবাবপত্রের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা এই অনুদান পাবে। আর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে রোগগ্রস্ত ও অসহায় শিক্ষার্থীরা প্রাধান্য পাবে।
এই ব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য সহজে সরকারি সহায়তা লাভ করার পথ সুগম হয়ে গেল। পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে অনলাইনের মাধ্যমে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য এই আবেদনের সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য আবেদন করা যাবে ৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। আজকের এই পোস্টে আলোচনা করা হবে মূলত কারা এই অনুদান পাবেন এবং কীভাবে এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে হবে।
কারা ও কেন এই অনুদান পাবেন
মাইগভ অনুদানের জন্য বেশ কিছু বিবেচ্য বিষয় রয়েছে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষার্থী যোগ্য হলে তবেই উক্ত অনুদান পাওয়া যাবে। প্রথমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকেও অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। কোন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী উক্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুমোদনপ্রাপ্ত হবার পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্যই এই আর্থিক অনুদানের আবেদন করতে হবে। যেসব খাতের জন্য এই আর্থিক অনুদানের আবেদন করা যাবে সেগুলো হলঃ
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কারের জন্য
- আসবাবপত্র সংগ্রহের জন্য
- পাঠাগার স্থাপনের জন্য
- খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য
- প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী বান্ধব করবার জন্য
এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীগনও এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষক ও কর্মচারীগণের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার জন্য এই আর্থিক অনুদান পাওয়া যাবে।
এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও আর্থিক অনুদান পাবেন দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার জন্য। পাশাপাশি শিক্ষা গ্রহণ কাজের জন্য দরকারি যে কোন কাজে এই অনুদান পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই অনুদানের জন্য দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্ত, গরীব, মেধাবী ও অনগ্রসর এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা অগ্রাধিকার পাবে।
উপরে উল্লেখিত অবস্থা বা শর্তের আওতাভুক্ত হলে তবেই এই আবেদন করতে পারবেন। সকল অনুদান মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এই অনুদান ১২০ কার্যদিবস পর্যন্ত প্রদান করা হবে।
আবেদন করার নিয়ম mygov.bd
আবেদন করতে আপনাকে যে কোন ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইসের ব্রাউজারে যেতে হবে। আবেদন করতে হবে myGOV অনলাইন পোর্টালে। নিচের নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
- এই লিঙ্কে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন অথবা ব্রাউজারের আড্রেস বারে টাইপ করুন www.mygov.bd
- myGOV অনলাইন পোর্টালের হোমপেজ আপনার সামনে চলে আসবে। এই ওয়েবসাইট থেকে সরকারি বিভিন্ন সেবা এক স্থানেই পাওয়া যায়। আবেদন করতে হলে আপনাকে এই পোর্টালে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ওয়েবসাইটের ডানপাশে উপরের কোণায় রেজিস্ট্রেশন লেখা সবুজ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এবার নতুন পেজে আপনার মোবাইল নম্বর ও ইমেইল (ঐচ্ছিক) দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি কোড পাঠানো হবে যেটি প্রদান করতে হবে। এছাড়া আপনার জন্ম নিবন্ধন বা এনআইডি প্রদানের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করে নিতে পারেন।

অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে বা আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে ওয়েবসাইটের হোমপেজ থেকে উপরে রেজিস্ট্রেশন বাটনের পাশেই ‘লগইন করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

নতুন উইন্ডো থেকে ‘আবেদনকারী লগইন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এবার আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিন।

লগইন করার পর হোমপেজের অনুসন্ধান বক্সে ‘শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান’ লিখে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করতে হবে।
Google Adsense Ads

নতুন পেজে অনুদান প্রদানের তালিকা দেখতে পাবেন। প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী আপনার পছন্দমতো তালিকার উপরে ক্লিক করুন।

নতুন পেজে এই অনুদানের সময়সীমা ও কিছু তথ্য থাকবে। ডানপাশে কোণায় ‘আবেদন করুন’ নামক সবুজ বাটনে ক্লিক করে আবেদন ফর্মের পেজে চলে যেতে হবে।

এবার ফর্মে বিভিন্ন তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে দিতে হবে। লাল * চিহ্নিত বক্সের তথ্যগুলো প্রদান করতেই হবে। আপনার নাম ও পরিচয়ের সঠিক তথ্য, মাসিক পারিবারিক আয়, প্রতিষ্ঠানের তথ্য, প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে। আবেদনের যৌক্তিকতা বক্সে কেন আপনার এই অনুদান প্রয়োজন সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র ও সার্টিফিকেটের কপিও আপলোড করার প্রয়োজন হতে পারে।

সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পরে আবেদন করুন নামক নীল বাটনে ক্লিক করতে হবে।

আপনার আবেদন হয়ে যাবে এরপর। আপনাকে একটি ট্র্যাকিং নাম্বার প্রদান করা হবে। এই নাম্বার ব্যবহার করে যে কোন সময় আপনার আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন।

এছাড়া আবেদনের তথ্য পুরনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তথ্যে কোন ভুল থাকলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে। আবেদন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের স্ক্যান কপি সঙ্গে রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান/ বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতা সার্টিফিকেটের কপি আপলোড করতে হবে যদি আপনি শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য বৃত্তি সম্পর্কিত তথ্য প্রদান করতে হবে যদি আর কোন বৃত্তি আপনি পেয়ে থাকেন। চাইলে আবেদন একবারে সম্পন্ন না করে তা সংরক্ষন করে রাখতে পারেন এবং পরবর্তীতে আবেদন পূর্ণ করতে পারেন।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
- Bangla FTP server

- বিজ্ঞাপন ছাড়া ইউটিউব ভিডিও কিভাবে দেখবেন?

- How to Make Money Using Infolinks in Bangladesh,ইনফোলিংক দিয়ে কত টাকা আয় করা যায়?

- চাকরি ও ক্যারিয়ার পার্থক্য । চাকরি vs ক্যারিয়ার পার্থক্য

- World ftp server, BDIX FTP SERVER LIST,Free FTP server, All BD Ftp Server List, ftp server bd

- ফেসলেস ইউটিউব চ্যানেলের আইডিয়া

Google Adsense Ads