Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়: আসাম এবং রংপুরে বিশেষ এক প্রকার রেশমকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে?,সেকালে চাষা অন্ন-বস্ত্রে কাঙাল ছিল না কেন?,‘চাষার দুক্ষু’ রচনার কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
সম্প্রতি টিভিতে প্রচারিত একটি ম্যাংগো জুস কোম্পানির বিজ্ঞাপন চিত্রে দেখা যায়, কোম্পানির গাড়ি এসে কৃষকের গাছের সব আম পেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষকের স্কুল ফেরত কিশোর বালক এ ব্যাপারটি নিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে কৃষক তাকে এই বলে সান্ত্বনা দিচ্ছেন, “আমাদের আম আমাদেরই থাকব।” এর পরের দৃশ্যে দেখা যায়, সুদৃশ্য প্লাস্টিকের কৌটায় ম্যাংগো জুস নামীয় তরল পদার্থ, যাতে অর্ধেক আমেরও নির্যাস নেই, তাই কৃষক হাসিমুখে চারটি আমের দামে সন্তানকে কিনে খাওয়াচ্ছেন।
ক. আসাম এবং রংপুরে বিশেষ এক প্রকার রেশমকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে?
খ. সেকালে চাষা অন্ন-বস্ত্রে কাঙাল ছিল না কেন?
গ. উদ্দীপকটি ‘চাষার দুক্ষু’ রচনার কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘উদ্দীপকের ‘আলু তার বসুন্ধরা যার’ আর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের ‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার’ মূলত চাষার একান্ত দুঃখগাঁথা।”- মূল্যায়ন কর।
ক. জ্ঞান
রেশমকে স্থানীয় ভাষায় ‘এন্ডি’ বলে।
খ. অনুধাবন
সেকালে চাষার ঘরের পুরুষরা মাঠে অন্ন সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট থাকতো, আর রমণীরা গৃহ-অভ্যন্তরে স্বহস্তে বস্ত্র সমস্যার সমাধান করত বলে চাষা অন্ন-বস্ত্রে কাঙাল ছিল না।
সেকালে কৃষক সমাজে পুরুষ-রমণী নির্বিশেষে কারোরই বাবুয়ানা ছিল না। চাষা যেমন স্বহস্তে উৎপাদিত খাদ্যেই উদর পূর্তি করত, চাষার বউও তেমনি নিজ হাতে কাপড় বুনে হেসে-খেলে বস্ত্র সমস্যা পূরণ করত। এসব কারণে সেকালে চাষা অন্ন-বস্ত্রের কাঙাল ছিল না।
গ. প্রয়োগ
My Ads
উদ্দীপকটি ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় আমাদের বিলাসিতা অর্থাৎ সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে অনুকরণপ্রিয়তার দিকটিকে নির্দেশ করে।
মানুষের মৌলিক মানবিক চাহিদাগুলো হলো- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদন। অবশ্য বিনোদনকে কেউ কেউ প্রথমোক্ত পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মতো নিরেট ও নির্ভেজাল মৌলিক চাহিদা মনে করেন না। কেননা, প্রথম পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ হলে পরে বিনোদন নামের ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা পূরণ আবশ্যক হয়ে দাঁড়ায় মাত্র। কিন্তু বিনোদনের মতো মৌলিক চাহিদা মেটানোর পরই বিলাসিতা নামের অহেতুক কিংবা উটকো রোগ মানুষকে চেপে ধরে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশে সনাতন ব্যবস্থায় আম খাওয়ার পরিবর্তে কৃষকের মধ্যে সুদৃশ্য প্লাস্টিক কৌটায় আমের রস খাওয়ার শহুরে বিলাসিতা বা অনুকরণপ্রিয়তা জেগেছে। এর ফল হিসেবে তাকে অর্ধেক আমের নির্যাস আছে কী নেই এমনই এক তরল পদার্থ কিনে খেতে হচ্ছে চারটি আমের দামে। কৃষকের এরূপ শহুরে অনুকরণপ্রিয়তা বা বিলাসিতাকে ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় ‘অনুকরণপ্রিয়তা নামক আর একটা ভূত’ আখ্যায়িত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিচিত্র বর্ণের জুট ফ্লানেলের কারণে গ্রামীণ চাষারা আজ এন্ডি প্রতিপালন ও এন্ডি কাপড় বুনন ছেড়ে দিয়েছে। পূর্বে পলিবাসী ক্ষার প্রস্তুত করে কাপড় কাচত। এখন তাদের কাপড় ধোয়ার জন্য ধোপা প্রয়োজন হয়, নয়তো সোডা।
ঘ. উচ্চতর দক্ষতা
সভ্যতার নামে শহুরে বাবুয়ানা জীবনযাপনের বিলাসিতার অনুকরণপ্রিয়তার ঘোড়া-রোগ গ্রামবাংলার চাষাদেরকে দারিদ্র্যের জালে আবদ্ধ করে রাখছে।
My Ads
মৌলিক মানবিক চাহিদাগুলো পূরণ না হলে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষ ‘মানুষ’ হয়ে ওঠে না। সেজন্য স্থান-কাল-পাত্র নির্বিশেষে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে অবশ্য চিত্তবিনোদনকেও মৌলিক মানবিক চাহিদারূপে গণ্য করা হয়।
প্রথমোক্ত পাঁচটি মৌলিক চাহিদার পূর্বে চিত্তবিনোদনকে গুরুত্ব দিলে বিলাসিতা নামক দুরারোগ্য ব্যাধিতে সমাজজীবন আক্রান্ত হয়। উদ্দীপকে আমরা দেখি, গ্রামের কৃষককে শহুরে বিলাসিতার নিদর্শন প্লাস্টিকের কৌটায় আমের রস খাওয়ার অনুকরণ করতে গিয়ে অর্ধেক আমের নির্যাস আছে কী নেই এমন এক তরল পদার্থ কিনে খেতে হচ্ছে চারটি আমের দামে। ফলাফল আর্থিক ক্ষতি ও দারিদ্র্যপ্রবণতা বৃদ্ধি। ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে লেখিকা গরিবের এমনি উৎকট রোগকে ‘অনুকরণপ্রিয়তা নামক ভূত’ বলেছেন।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে অনুকরণপ্রিয়তার ভূত আমাদের কাঁধে চেপে বসার ফলাফল দেখাতে গিয়ে লেখিকা বলেছেন, মুটে-মজুর ট্র্রাম না হলে দু’পদ নড়তে পারে না। প্রথম দৃষ্টিতে ট্রামের ভাড়া পাঁচটা পয়সা অতি সামান্য বোধ হয়- কিন্তু যেতে আসতে যে দশ পয়সা লেগে যায়। এভাবে দুপয়সা-চারপয়সা করে ধীরে ধীরে সে সর্বস্বহারা হয়ে পড়ে। এসব বিবেচনায় সংগত কারণেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।
আরো ও সাজেশন:-
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
শীতে মরি ঠাণ্ডায়, চৈতে মরি খরায়
বৈশাখে ঝড় দিরিম দিরিম, বর্ষা বাদল ঝরায়
আমি থাকি খোলা অঙ্গে তোমার বস্ত্র বুনে
এক কাপড়ে জনম গেল বাপ ব্যাটার সনে
My Ads
এক বেলা খায় মায়ে-ঝিয়ে আরেক বেলা পুত
বাপে থাকে উপোস করে ক্ষুধার জ্বালায় ভূত।
ক. ‘ত্যানা’ শব্দের অর্থ কী?
খ. নিজ হাতে উৎপাদিত ফসল কৃষকের মুখে হাসি না ফোটাতে পারার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের কৃষকদের বাস্তবতার তুলনা কর।
ঘ. ‘এক কাপড়ে জনম গেল’- উক্তিটি ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধ অবলম্বনে মূল্যায়ন কর।
ক. জ্ঞান
ছেঁড়া কাপড়।
খ. অনুধাবন
আরি পড়ুন ›PDF Download বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা,‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ , রচনা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশPDF Download বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা,‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা বঙ্গবন্ধু…
আরি পড়ুন ›HSC Bangla 1st Paper SuggestionHSC Bangla 1st Paper Suggestion, Bangla 1st Paper Suggestion PDF, short suggestion HSC Bangla…
আরি পড়ুন ›সুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স ও সুদভিত্তিক মাইক্রো ফাইন্যান্স পার্থক্য, সুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স vs সুদভিত্তিক মাইক্রো ফাইন্যান্স পার্থক্য, সুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স ও সুদভিত্তিক মাইক্রো ফাইন্যান্স তুলনামূলক আলোচনা, সুদভিত্তিক মাইক্রো ফাইন্যান্স ও সুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স মধ্যে পার্থক্যসুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স ও সুদভিত্তিক মাইক্রো ফাইন্যান্স পার্থক্য, সুদমুক্ত মাইক্রো ফাইন্যান্স vs সুদভিত্তিক মাইক্রো…
সভ্যতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে কৃষকের ফসল আর কৃষকের থাকে না বলে কৃষকের ফসল কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে পারে না।
নব্য যান্ত্রিক সভ্যতা জাঁকজমক আর বিলাসিতা এনে দিলেও তা দেশীয় কুটির শিল্পকে ধ্বংস করেছে। ফলে একদিকে যেমন কৃষকদের আয় হ্রাস পেয়েছে, অন্যদিকে নিত্য ব্যবহার্য অনেক জিনিস যা সে আগে নিজ হাতে তৈরি করত, সেগুলোও তাকে কিনে আনতে হচ্ছে। তাছাড়া নতুন সভ্যতার প্রভাবে কৃষকরা বিলাসিতায় অভ্যস্ত হতে শুরু করায় উৎপাদিত পণ্যের সমস্ত চাহিদার জোগান সম্ভব হচ্ছে না। তাই উৎপাদিত ফসল আর কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে পারছে না।
My Ads
গ. প্রয়োগ
উদ্দীপকের মতো ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের কৃষকরাও একই দুরবস্থার শিকার।
ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। সুজলা, সুফলা এ দেশের মাটি ও মানুষের মন একই সুতায় গাঁথা। বর্ষায় ভিজে নরম হয়ে আবার চৈত্রে শুকিয়ে শক্ত হয়। রুক্ষ মাঠকে সোনালি ফসলে ভরে দিতে কৃষকদের রাত-দিন খাটতে হয়। অথচ অন্ন-বস্ত্রের অভাবে তারাই সবচেয়ে কষ্ট পায়।
My Ads
উদ্দীপকে কৃষক-শ্রমিকদের অনাহার-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করার কথা বলা হয়েছে। তাদের অবস্থাটা এমনই যে, ঘরে একবেলা আহার থাকে তো অন্যবেলা উনুনে পাতিল ওঠে না। শীতকালে বস্ত্রাভাবে কষ্ট পায়। যারা সভ্যতার বড়াই করে তাদের অন্নাভাব পূরণ করতে গিয়েই কৃষকরা অভুক্ত থাকে। প্রবন্ধে লেখক মাত্র কয়েকটি এলাকার কৃষকদের বর্ণনা দিয়েছেন কিন্তু এদেশের প্রতিটি জেলারই চিত্র কম-বেশি একই রকম। কৃষক রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে অতিকষ্টে ফসল ফলায়, অথচ ভোগের বেলা তাদের পেটে পান্তা ভাতের সাথে তরকারিও জোটে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অবস্থাটা এতটাই করুণ যে, অভাবের তাড়নায় কৃষককে স্ত্রী-কন্যা পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়। আলোচ্য উদ্দীপক এবং ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধ উভয়ক্ষেত্রেই কৃষকদের একই দুরবস্থার চিত্র চিত্রিত হয়েছে।
ঘ. উচ্চতর দক্ষতা
উক্তিটি আমাদের দেশের কৃষক-শ্রমিকের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি।
সভ্যতার বিবর্তনে বিত্তবানরা যেমন একদিকে বিত্তের পাহাড় গড়ছে, অন্যদিকে দরিদ্ররা আরো দরিদ্র হচ্ছে। আলোচ্য ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধ এবং উদ্দীপকে কৃষক-শ্রমিকদের দুরবস্থার এ চিত্রই পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের বর্ণনায় পোশাক শ্রমিকরা তাদের শ্রমের বিনিময়ে সভ্য মানুষকে পোশাকে আরো সভ্য করে তুলতে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। অথচ তারাই নিম্নমানের পোশাক পরে। আবার কখনো কখনো ছেঁড়া কাপড় পরে ফ্যাক্টরির কল চালায়। তেমনি কৃষকরা ফসলের সমারোহ আনলেও তাদের ঘরেই ভাতের অভাব-বস্ত্রের অভাব নিত্য দিনের ঘটনা।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে কৃষক অন্যের ক্ষুধা নিবারণ করতে গিয়ে নিজের ক্ষুধাকে বিসর্জন দেয়। সন্তানের মুখে দুবেলা- দু’মুঠো ভাত তুলে দিতে তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়।
নব্য সভ্যতার করাল গ্রাসে কৃষক আজ নিষ্পেষিত। সভ্যতার নামে ঐতিহ্য কলুষিত হচ্ছে। পরের ঘরকে আলোকিত করতে গিয়ে তাদের নিজের ঘরই পড়ে থাকে অন্ধকারে। উদ্দীপকে চাষাদের বাস্তব অবস্থার এ দিকটিই লক্ষ করা যায়। এক্ষেত্রে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি কৃষক-শ্রমিকদের বাস্তব অবস্থার চিত্র তুলে ধরার মাধ্যমে যথার্থ হয়ে উঠেছে।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
ধলুয়া গ্রামের কৃষক ফজর আলীর বড় মেয়ে নূরী রূপে-গুণে অনন্যা। এ রূপই তার আপন শত্রুতে পরিণত হলো শেষ পর্যন্ত। অভাবগ্রস্ত পিতা দুবেলা-দুমুঠো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে পারে না। তেল-সাবান তো দুর্লভ বস্তু! তাই সংসারে সচ্ছলতা আনতে ফজর আলী কন্যাকে ষাটোর্ধ্ব অবস্থাসম্পন্ন এক গৃহস্থের সাথে বিয়ে দেয়। এরূপ ঘটনা আমাদের সমাজে কত হয়! অভাবের কাছে জীবনের মূল্য বড় কম।
ক. ‘পখাল ভাত’ শব্দের অর্থ কী?
খ. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে চাষার স্ত্রী-কন্যা বিক্রি করে দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের বাস্তবতার সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উলিখিত বিহার অঞ্চলের কৃষকদের জীবন বাস্তবতার তুলনা কর।
ঘ. ‘অভাবের কাছে জীবনের মূল্য বড় কম।’- উক্তিটি ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন কর।
ক. জ্ঞান
‘পখাল ভাত’ শব্দের অর্থ পান্তা ভাত।
খ. অনুধাবন
প্রবন্ধে চাষার স্ত্রী-কন্যা বিক্রি করে দেয়ার কারণ হলো চাষার দারিদ্র্য তথা অর্থাভাব।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে চাষা অর্থাৎ কৃষকরা ছিল হতদরিদ্র। তাদের অবস্থাটা ছিল নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতোই। প্রতিনিয়ত দারিদ্র্যের কষাঘাতে পর্যুদস্ত কৃষক ক্ষুৎপিপাসা নিবৃত্তির জন্য এতটাই মুখিয়ে থাকত যে, স্ত্রী-কন্যা বিক্রি করতেও পিছপা হতো না।
গ. প্রয়োগ
উদ্দীপকের ফজর আলীর বাস্তবতা আর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উলিখিত বিহার অঞ্চলের কৃষকদের জীবন বাস্তবতা মোটামুটি একই রকম।
কৃষক-শ্রমিকদের শ্রমে-ঘামে সভ্যতার চাকা ঘুরলেও তারা সবচেয়ে বেশি শোষণ-বঞ্চনার শিকার। একদিকে যেমন তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়, অন্যদিকে বিত্তবানদের লালসার চাপে তারা পিষ্ট, যা উদ্দীপক ও ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উঠে এসেছে।
উদ্দীপকে ধনুয়া গ্রামের বাসিন্দা ফজর আলী সমাজের নিচু তলার একজন অভাবগ্রস্ত মানুষ। প্রায়ই সে দু’বেলা খেতে পায় না। তার এ অতি দারিদ্র্যের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবস্থাপন্ন এক গৃহস্থ তার এগার বছর বয়সী কন্যাকে বিয়ে করে। আলোচ্য ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে বিহার অঞ্চলের কৃষকরাও একই দুরবস্থার শিকার। তারাও অভাবের তাড়নায় মাত্র দুই সের খেসারির বিনিময়ে স্ত্রী-কন্যা বিক্রি করতে বাধ্য হতো। এভাবে দেখা যায়, পরিপ্রেক্ষিত, কার্যকারণ এবং অবস্থার বিচারে এরা একই নিয়তির শিকার।
ঘ. উচ্চতর দক্ষতা
‘অভাবের কাছে জীবনের মূল্য বড় কম’- উদ্দীপকের এ উক্তিটি ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের আলোকে যথাযথ।
ক্ষুৎপিপাসার নিবৃত্তিই যেখানে শেষকথা, সেখানে জীবনের মূল্য অনুধাবন অর্থহীন। তখনকার অনগ্রসর সমাজব্যবস্থায় তাই কৃষক-শ্রমিক তথা সমাজের নিম্নশ্রেণির মানুষ ছিল সবচেয়ে শোষিত ও বঞ্চিত। আলোচ্য উদ্দীপক এবং ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধ তারই সাক্ষ্য।
উদ্দীপকের অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থ ব্যক্তিটি সমাজের একজন প্রভাবশালী লোক। তার অর্থ-বিত্তের অভাব নেই। অর্থের জোরে সে ষাটোর্ধ্ব হয়েও লালসা চরিতার্থ করতে এগার বছরের নূরীকে বিয়ে করে। ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধেও চাষার দুঃখের জন্য দায়ী সভ্যতার বিরূপ চিত্রটি তুলে ধরা হয়েছে।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধেও বিহার অঞ্চলে কৃষকরা মাত্র দুই সের খেসারির বিনিময়ে তাদের স্ত্রী-কন্যাদের বিক্রি করতে বাধ্য হতো। কণিকা রাজ্যের কৃষকরা পান্তা ভাত জোটালেও তার সাথে তরকারি জোগাড়ের সামর্থ্য তাদের ছিল না, পখাল ভাত বা পান্তা ভাতের সাথে লবণ বা শুঁটকি মাছ ছিল তাদের উপাদেয় খাবার। অনাহারে-অর্ধাহারে কৃষক জীবন কাটাত,অনটন ছিল নিত্যদিনের ঘটনা, যার ভয়াবহতা লক্ষ করা যায় উদ্দীপকের নূরীর করুণ পরিণতির মধ্যদিয়ে। এক্ষেত্রে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথাযথ।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›বাংলা সাহিত্যপাঠ বইয়ের ‘অপরিচিতা’ গল্পে শিমুলের উল্লেখ আছেশিমুল Malvaceae পরিবারের অন্তর্গত একটি পাতাঝরা বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bombax ceiba। মালয়,…
আরি পড়ুন ›ssc /এসএসসি উচ্চতর গণিত সংক্ষিপ্ত সাজেশন ২০২১, ফাইনাল সাজেশন এসএসসি উচ্চতর গণিত ২০২১, ssc higher math suggestion 100% common guaranty, special short suggestion ssc suggestion higher math 2021বিষয়: ফাইনাল সাজেশন এসএসসি ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ২০২১ [ বি:দ্র:এই সাজেশন যে কোন সময়…
আরি পড়ুন ›মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা উল্লেখ কর,বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী ভূমিকার কারণ কী? ব্যাখ্যা করমুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা উল্লেখ কর,বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের…


