Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
অংশীদারি কারবার কাকে বলে?,অংশীদারিত্বের সংজ্ঞা কি?,অংশীদারি ব্যবসা কী?
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে যে ব্যবসা গঠন ও পরিচালনা করে, তাকে অংশীদারি কারবার (Partnership Business) বলে।
এই ব্যবসায় অংশীদাররা নিজেদের মধ্যে মূলধন সরবরাহ করে, ব্যবসার ঝুঁকি ও লাভ-ক্ষতি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় এবং সবাই মিলে বা সবার পক্ষে যেকোনো একজন ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন।
১৯৩২ সালের ভারতীয় অংশীদারি আইন (যা বাংলাদেশেও প্রচলিত) এর ৪ ধারা অনুযায়ী:
“সকলের দ্বারা বা সকলের পক্ষে যেকোনো একজনের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসায়ের মুনাফা নিজেদের মধ্যে বন্টনের লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার সম্পর্ককে অংশীদারি কারবার বলে।”
আরি পড়ুন ›হিসাব চক্র কি? হিসাবের ডেবিট -ক্রেডিট নির্ণয়ের সূত্র ব্যাখ্যা করপ্রশ্ন: হিসাব চক্র কী? হিসাবের ডেবিট-ক্রেডিট নির্ণয়ের সূত্রসমূহ ব্যাখ্যা করো। প্রথম অংশ: হিসাব চক্র…
আরি পড়ুন ›১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল ও তাৎপর্য আলোচনা কর?,১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্য স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিলো “ আলোচনা কর?,১৯৭০ সালের নির্বাচন গুরুত্ব ও ফলাফল,’৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনই স্বাধীনতা ও মুক্তির সোপান১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল ও তাৎপর্য আলোচনা কর?,১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্য স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ…
আরি পড়ুন ›কর্পোরেট জগতের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা আলোচনা করকর্পোরেট জগতের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা আলোচনা কর কর্পোরেট জগতের চেয়ারম্যান (Chairman)…
অংশীদারি কারবারের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সদস্য সংখ্যা: সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন হতে পারে। তবে ব্যবসাটি যদি ব্যাংকিং খাতের হয়, তবে সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা হবে ১০ জন।
- চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক: চুক্তিই হলো অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি (Partnership Deed)। চুক্তি ছাড়া কোনো অংশীদারি ব্যবসা হতে পারে না। এই চুক্তি মৌখিক বা লিখিত—উভয়ই হতে পারে, তবে ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে লিখিত ও নিবন্ধিত চুক্তি হওয়া সবচেয়ে ভালো।
- মুনাফা বণ্টন: চুক্তিতে যেভাবে উল্লেখ থাকবে, সেই অনুপাতে অংশীদারদের মধ্যে লাভ-ক্ষতি বণ্টন করা হয়। চুক্তিতে কিছু বলা না থাকলে সবাই সমানভাবে লাভ-ক্ষতি ভাগ করে নেয়।
- অসীম দায়: এই ব্যবসায়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অংশীদারদের দায় অসীম। অর্থাৎ, ব্যবসায়ের দেনা বা ক্ষতি যদি ব্যবসায়ের মোট সম্পদ দিয়ে মেটানো না যায়, তবে অংশীদারদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও সেই দেনা শোধ করতে হয়।
- পারস্পরিক বিশ্বাস: এই ব্যবসা পুরোপুরি অংশীদারদের পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর টিকে থাকে। একজনের ভুল বা সিদ্ধান্তের দায় অন্য সব অংশীদারদের ওপরও বর্তায়।
সহজ কথায়, একা ব্যবসা করার ঝুঁকি ও মূলধনের সীমাবদ্ধতা দূর করতে যখন কয়েকজন বিশ্বস্ত মানুষ একত্রিত হয়ে চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে, সেটাই অংশীদারি কারবার।
উপসংহার : অংশীদারি কারবার কাকে বলে?,অংশীদারিত্বের সংজ্ঞা কি?,অংশীদারি ব্যবসা কী?,অংশীদারি কারবারের সদস্য সংখ্যা কতজন?,
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
আর্টিকেলের শেষ কথাঃ অংশীদারি কারবার কাকে বলে?,অংশীদারিত্বের সংজ্ঞা কি?,অংশীদারি ব্যবসা কী?,অংশীদারি কারবারের সদস্য সংখ্যা কতজন?,
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন
আরো পড়ুন: