Google Adsense Ads
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৪র্থ সপ্তাহের এস্যাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ)
৮ম শ্রেণি, বিষয়: বিজ্ঞান, ৪র্থ এসাইনমেন্ট
এ্যাসাইনমেন্টের ক্রম: নির্ধারিত কাজ-২
অধ্যায় ও বিষয়বস্তুর শিরােনাম: ষষ্ঠ অধ্যায়: পরমাণুর গঠন
পাঠ ৪-৬: পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা ও আইসােটোপ
এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:
ক) আইসােটোপ কাকে বলে?
খ) পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কী বুঝ?
গ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত Z মৌলের ১ টি পরমাণুতে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় কর।
ঘ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত X ও Y মৌলদুটির পরমাণুসমুহের মধ্যে যৌগ গঠন সম্ভব- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
নমুনা উত্তর দেখুন: পরমাণুর গঠন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা ও আইসোটোপ

মুল্যায়ন নির্দেশক:
ক. কোন মৌলের পরমাণুর ভর সংখ্যা ও প্রােটন সংখ্যা জেনে আইসােটোপ এর সংজ্ঞা সঠিকভাবে লেখার দক্ষতা।
খ. কোন মৌলের পরমাণুর প্রােটন সংখ্যা জেনে পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয় দক্ষতা।
গ. পরমাণুর মৌলিক কণিকার ধারণা, ভর সংখ্যা এবং প্রােটন সংখ্যা এবং প্রােটন সংখ্যা দিয়ে Z মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়ের সক্ষমতা।
ঘ. মৌলের ইলেক্ট্রন বিন্যাস করে বহি:স্থ স্তরে ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে দুইটি মৌলের যৌগ গঠন সম্ভব কি না তা গঠনের সক্ষমতা।
উত্তর:
ক) আইসােটোপ কাকে বলে?
উত্তর :
যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
খ) পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কী বুঝ?
উত্তর :
পারমাণবিক সংখ্যা বলতে প্রোটন সংখ্যাকে বোঝায়:
কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়।
কোনো পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা দ্বারা ঐ পরমাণু কে চেনা যায়। প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা কে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
গ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত Z মৌলের ১ টি পরমাণুতে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় কর।
উত্তর :
উদ্দীপকের উল্লিখিত Z মৌলটি হল C (কার্বন)। কার্বন মৌলের একটি পরমাণুতে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়-
দেওয়া আছে,
নিউট্রন এর পারমাণবিক সংখ্যা/প্রোটন সংখ্যা, Z =৬ এবং, ভরসংখ্যা, A =১৪
সুতরাং, নিউট্রন সংখ্যা =ভর সংখ্যা – প্রোটন সংখ্যা
=A-Z
=১৪-৬
=৮
সুতরাং, কার্বন মৌলের একটি পরমাণু তে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা ৮;
ঘ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত X ও Y মৌলদুটির পরমাণুসমুহের মধ্যে যৌগ গঠন সম্ভব- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর :
উদ্দীপকে উল্লেখিত X মৌলটি হল ক্লোরিন (Cl) এবং Y মৌলটি হল সোডিয়াম (Na)।
মৌল দুটির মধ্যে যৌগ গঠন সম্ভব।
সোডিয়াম এবং ক্লোরাইড মৌল দুটি আয়নিক যৌগ গঠন করে। দুটি মৌলের মধ্যে ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে আয়নিক যৌগ বলে।
এখানে সোডিয়াম হল ধাতু এবং ক্লোরিন হল অধাতু। ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে যৌগ গঠনকালে আয়নিক বন্ধন তৈরি হয়।
আমরা জানি, সোডিয়ামের ইলেকট্রন সংখ্যা 11 এবং ক্লোরিনের ইলেকট্রন সংখ্যা 17।
সোডিয়াম মৌলের শেষ কক্ষপথে ১টি ইলেকট্রন এবং ক্লোরিন মৌলের শেষ কক্ষপথে ৭টি ইলেকট্রন রয়েছে।
প্রত্যেকটা পরমাণুই চায় তার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন অষ্টক পূর্ণ হোক বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের কাঠামো অর্জন করুক।
তাই, সোডিয়াম তার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনটি ছেড়ে দিয়ে অষ্টক পূর্ণ হয় এবং ক্লোরিন সেই ইলেকট্রনটি গ্রহণ করে আর্গনের কাঠামো অর্জন করে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, X ও Y মৌল দুটির পরমাণুসমূহের মধ্যে আয়নিক যৌগ গঠন সম্ভব।
অর্থাৎ, সোডিয়াম ও ক্লোরিন এর সমন্বয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড(NaCl) গঠন সম্ভব। এটি খাবার লবণের সংকেত।
Google Adsense Ads
বন্ধুরা এই ছিল অষ্টম শ্রেণির পরমাণুর গঠন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা ও আইসোটোপ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর।
- ৪র্থ সপ্তাহের ৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সব উত্তর এক সাথে
- ৯ম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৪র্থ এসাইনমেন্ট সমাধান
- ৯ম শ্রেণি, বিষয়: রসায়ন, ৪র্থ এসাইনমেন্ট সমাধান
- ৯ম শ্রেণি, বিষয়: ইংরেজি, ৪র্থ এসাইনমেন্ট সমাধান
- ৯ম শ্রেণি ব্যবসায় উদ্যোগ ৪র্থ এসাইনমেন্ট সমাধান
- ৯ম শ্রেণি গণিত ৪র্থ এসাইনমেন্ট সমাধান
- ৩য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্টর সমাধান
More Assignment Answer Links==>>Click
Google Adsense Ads