২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে জনাব আরাফ একটি ব্যবসায় স্থাপন করেন। জনাব আরাফকে অত্যন্ত সাবধানতার সাথে অর্থায়ন করতে হয়। অর্থায়নের কী কী নীতিসমূহ জনাব আরাফকে মেনে চলতে হবে ব্যাখ্যা করুন।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে জনাব আরাফ একটি ব্যবসায় স্থাপন করেন। জনাব আরাফকে অত্যন্ত সাবধানতার সাথে অর্থায়ন করতে হয়। অর্থায়নের কী কী নীতিসমূহ জনাব আরাফকে মেনে চলতে হবে ব্যাখ্যা করুন।

Assignment এসএসসি ডিগ্রি ও উন্মুক্ত পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১০ম/ ssc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 01 বিষয় কোডঃ 2667
বিভাগ: ব্যবসায় শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে জনাব আরাফ একটি ব্যবসায় স্থাপন করেন। জনাব আরাফকে অত্যন্ত সাবধানতার সাথে অর্থায়ন করতে হয়। অর্থায়নের কী কী নীতিসমূহ জনাব আরাফকে মেনে চলতে হবে ব্যাখ্যা করুন।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য অর্জনের অর্থায়ন ও অর্থায়ন ব্যবস্থাপনার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা রয়েছে। মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য আর্থিক ব্যবস্থাপনার নীতিমালা এবং কৌশল সম্পর্কে সার্বিক জ্ঞান লাভ ও যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা বলতে ব্যবসায়ের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী মূলধন সংগ্রহ, সেই সংগৃহীত তহবিল বা মূলধন স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করণ ও তহবিল বণ্টন- সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা বুঝায়।

অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তহবিল বন্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে অর্থায়নের নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হয়। অর্থায়নের নীতিসমূহ হলো:

(ক) ঝুঁকি-মুনাফা নীতি

(খ) তারল্য ও মুনাফানীতি

(গ) উপযুক্ততার নীতি

(ঘ) পোর্ট ফোলিও বৈচিত্রায়ণ ও ঝুঁকিবণ্টন নীতি।

নিম্নে অর্থায়নের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(ক) ঝুঁকি-মুনাফা নীতি: ঝুঁকি ও আয়ের মধ্যে বিপরিত সম্পর্ক বিদ্যমান। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একজন আর্থিক ব্যবস্থাপক ঝুঁকি ও আয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধনপূর্বক বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। বিনিয়োগ হতে প্রত্যাশিত মুনাফা অপেক্ষা প্রকৃত মুনাফা কম হওয়ার সম্ভাবনাকে ঝুঁকি বলা হয়। ঝুঁকির কারণেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে আশানুরুপ মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয় না এবং বিনিয়োগ ক্ষতির সম্মুখীন হয়। বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত নগদ অর্থ যদি ব্যয়ের জেয়ে বেশি হয় তাকে মুনাফা বলে। ঝুঁকি-মুনাফা নীতি অনুসারে বিনিয়োগ যত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে প্রত্যাশিত মুনাফার হার ততো বেশি হবে। কারণ একজন বিনিয়োগকারী যখন অধিক ঝুঁকি গ্রহণ করে তখন সে অধিক মুনাফা প্রত্যাশা করে। আর্থিক ব্যবস্থাপকের ঝুঁকি ও মুনাফার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে ব্যবসায়ের আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত যাতে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন করা যায়। ঝুঁকি ও মুনাফার মধ্যে সম্পর্ক একটি উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হলো।

ধর জনাব শামীম ব্যাক্সিমকো লিমিটেড এর আর্থিক ব্যবস্থাপক। তিনি যদি সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করেন তাহলে তা হবে একটি ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ। কারণ সরকারি বন্ড হতে প্রতি বছর নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বন্ড হতে প্রাপ্য সুদ ও আসল পরিশোধের কোন অনিশ্চয়তা বা দেওলিয়া হওয়ার আশংকা নাই। কিন্ত জনাব শামীম যদি শেয়ার বাজারে কোন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে সেক্ষেত্রে বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত আয় সুনিশ্চিত নয়।

যে কোন সময় শেয়ারের দাম হ্রাস বা বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার শেয়ারের বাজার মূল্য ক্রয় মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে মুনাফার হার অনেক বেশি হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা অতিরিক্ত ঝুঁকি গ্রহণের জন্য যে অতিরিক্ত মুনাফা প্রত্যাশা করে তাকে ঝুঁকি অধিহার বলে।

সুতরাং ঝুঁকি প্রিমিয়াম হচ্ছে ঝুকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ হতে মুনাফার হার এবং ঝুঁকিমুক্ত সম্পদে বিনিয়োগ হতে মুনাফার হারের পার্থক্য। ধরা যাক, জনাব শামীম সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করেছেন এবং প্রাপ্ত মুনাফার হার ১৫%। এছাড়াও তিনি একটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেছেন এবং মুনাফার হার ২৫%। এক্ষেত্রে ঝুঁকি অধিহার হচ্ছে ১০% (২৫%-১৫)। কিন্তু তিনি যদি শুধুমাত্র সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করেন সেক্ষেত্রে ঝুঁকি অধিহার শূন্য হবে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(খ) তারল্য ও মুনাফানীতি: আর্থিক ব্যবস্থাপকগণ তারল্যতা ও মুনাফা অর্জন ক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সম্পদ ব্যবস্থাপনা করে থাকে। তারল্যতা ও মুনাফা অর্জন ক্ষমতার মর্ধে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপকগণ লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের চেষ্ট করে থাকে। তারল্য ও মুনাফা নীতি বলতে বুঝায় ব্যবসায়ের প্রতিটি আর্থিক সিদ্ধান্ত এমনভাবে গ্রহণ করা উচিত যাতে তারল্য ও মুনাফা উভয়ই বজায় থাকে। আর্থিক ব্যবস্থাপক অর্থায়নের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য এই নীতিটি অনুসরণ করে থাকে। এটি একটি সমন্বিত নীতি যা কি না তারল্যের নীতি ও মুনাফার নীতির মধ্যে উপযুক্ত সমন্বয় সাধন করে।

যে কোন দ্রব্য, সম্পদ বা সিকিউরিটি বিক্রি করে কত দ্রুত নগদ অর্থে রূপান্তর করা যায় তাকে তারল্য বলে। যে কোন প্রতিষ্ঠান তার দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক ধরনের পাওনাদার সৃষ্টি করে। ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যদি ঋণ নেয়া হয় তাহলে ঋণ সরবরাহকারিকে পাওনাদার বলে। এ সকল ঋণের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে সুদসহ ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। আর্থিক ব্যবস্থাপক যদি তারল্যের নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করে তাহলে যথা সময়ে ঋণ পরিশোধ করা যায়। পক্ষান্তরে প্রতিষ্ঠানটির যদি তারল্য কম থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানটি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যর্থ হতে পারে। সে অবস্থায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা ব্যর্থ বলে গণ্য হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মকর্তা ও কর্মচারী, শ্রমিক কাজ করে তাদের বেতন ঠিক সময়ে পরিশোধ করতে হয় সে জন্য ও তারল্য দরকার। পণ্য উৎপাদনের সময়ে যে সব কাঁচামাল ব্যবহার করা হয় সেগুলো সাধারণত ব্যবসায়ের নিয়ম অনুযায়ী বাকিতে কেনা হয়। তারল্য নীতি অনুযায়ী অর্থব্যবস্থাপক এ সকল বিষয় এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন সকল ধরনের দেনা- পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ করা যায়। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের তারল্য বলতে চলতি সম্পদ হতে চলতি দায় পরিশোধের ক্ষমতাকে বুঝায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

মুনাফা নীতি অনুসরণ করে সাধারনত লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা হয়। প্রতিটি ব্যবসায়ের সামনে বিনিয়োগের অনেক বিকল্প সুযোগ থাকে। একজন অর্থ ব্যবস্থাপক সিদ্ধান্ত নেয় কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করলে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ করতে সমর্থ হবে। মুনাফার নীতি অনুসরণ করে অর্থব্যবস্থাপক পরিমিত ঝুঁকির মধ্যে থেকেই মুনাফা বৃদ্ধি করতে পারে। তারল্য নীতিকে প্রধান্য দিলে মুনাফা ক্ষতিগ্রস্থ হয় আবার মুনাফার নীতিকে প্রাধান্য দিলে তারল্য ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সুতরাং তারল্য ও বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য রেখে আর্থিক ব্যবস্থাপনা করা আবশ্যক। অর্থাৎ একদিকে যেমন দৈনন্দিন কার্য পরিচালনার মতো নগদ অর্থ হাতে রাখা প্রয়োজন, অন্যদিকে মুনাফা অর্জনের জন্য সেই অর্থ বিনিয়োগ করাও প্রয়োজন।

(গ) উপযুক্ততার নীতি: স্বল্পমেয়াদি তহবিল দিয়ে চলতি মূলধন ও দীর্ঘমেয়াদি তহবিল দিয়ে স্থায়ী মূলধন সরবরাহ করা অর্থায়নের একটি নীতি। একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে রাখার জন্য যে নিত্যনৈমিত্তিক অর্থের প্রয়োজন পড়ে, সেটিই চলতি মূলধন; যেমন: কাঁচামাল ক্রয়, শ্রমিকের মজুরি প্রদান ইত্যাদি। অন্যদিকে মেশিন ক্রয়, কারবারের দালানকোঠা নির্মাণ ইত্যাদি হলো স্থায়ী মূলধন। চলতি মূলধনের পরিমাণ কম হয় বলে এর প্রাপ্যও কম হয়, ফলে এটি স্বল্পমেয়াদি উৎস হতে সংগ্রহ করা ভালো। বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিভিন্ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগ ব্যাংক, ডিবেঞ্চারহোল্ডার, এই ধরনের উৎসগুলো দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। পক্ষান্তরে বিক্রয়লধ অর্থ দিয়ে চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা করা উচিত। দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে তহবিল সংগ্রহের জন্য ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিক হারে সুদ প্রদান করতে হয়। ফলে যদি চলতি ব্যয় নির্বাহের জন্য দীর্ঘমেয়াদি উৎস হতে অর্থ সংগ্রহ করা হয়, তবে দেখা যায় উপার্জিত আয় হতে ঋণের সুদ পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে যায়।

(ঘ) পোর্ট ফোলিও বৈচিত্রায়ণ ও ঝুঁকিবণ্টন নীতি: একজন বিনিয়োগকারী তার সমস্ত অর্থ একটি সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক সম্পদে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাস করার প্রচেষ্টাকে পোর্টফলিও বৈচিত্রায়নের নীতি বলা হয়। অর্থায়নে একটি বহুল প্রচলিত মতবাদ হচ্ছে ‘উড় হড়ঃ ঢ়ঁঃ ুড়ঁৎ ধষষ বমমং রহ ড়হব নঁংশবঃ.’ সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এ নীতির ভূমিকা অপরিসীম। বৈচিত্রায়নের নীতিকে একজন ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী এবং বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। তহবিল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী পণ্য বা সেবা যতদুর সম্ভব বৈচিত্র্যপূর্ণ হলে ব্যবসায়ের ঝুঁকি বন্টিত হয় ও তা হ্রাস পায়। প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনিশ্চিত ভবিষ্যতকে কেন্দ্র করে মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করে। ফলে ব্যবসায় নানামুখী ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। এই ঝুকিগুলো বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে; যেমন- অর্থনেতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন, বাজারে নতুন পণ্যেল

উপস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আকস্মিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি। এসব পরিবর্তনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা বা এর জন্য প্রস্তুতি নেয়া ব্যবস্থাপকদের পক্ষে সাধারণত সম্ভব নয়। ফলে ঝুঁকি বন্টনের নীতি অনুসনের ফলে অনিশ্চিত বাজার পরিস্থিতিতেও প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জন সম্ভব।

সাধারনত একজন বিনিয়োগকারী তার সকল সম্পদ একটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ না করে একাধিক কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে থাকে। কারণ একটি কোম্পানিতে সকল সম্পদ বিনিয়োগ করলে সেই কোম্পানিটি পরবর্তীকালে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে। ফলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিšুÍ সব কোম্পানি একসাথে দেউলিয়া হওয়ার সম্ভবনা কম। তাই একাধিক প্রকল্পে বা সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি হ্রসা করা সম্ভব। শিক্ষার্থীর কাজ একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের নীতি সমূহ প্রয়োগ করে এ সম্পর্কে অর্জিত জ্ঞান ঝালাই করে নাও।

সারসংক্ষেপ:

অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তহবিল বন্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একজন আর্থিক ব্যবস্থাপককে অর্থায়নের নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হয়। ঝুঁকি-মুনাফা নীতি অনুসারে বিনিয়োগ যত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে প্রত্যাশিত মুনাফার হার ততো বেশি হবে। তারল্য ও মুনাফা নীতি বলতে বুঝায় ব্যবসায়ের প্রতিটি আর্থিক সিদ্ধান্ত এমনভাবে গ্রহণ করা উচিত যাতে তারল্য ও মুনাফা উভয়ই বজায় থাকে। বিনিয়োগকারী তার সমস্ত অর্থ একটি সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক সম্পদে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাস করার প্রচেষ্টাকে পোর্টফলিও বৈচিত্রায়নের নীতি বলা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *