Google Adsense Ads
যেকোনো মানুষের যেকোনো সময় হাঁচি আসতে পারে। এই হাঁচি আসা দোষের কিছু নয়। খাওয়ার সময়, ক্লাসের ফাঁকে, অফিসের জরুরি মিটিংয়ের মাঝে কিংবা ঘুমের মধ্যে হাঁচি একটা চরম অস্বস্তিকর, বিব্রতকর অবস্থা তৈরি করে। আর করোনাভাইরাসের এ সময় হাঁচি দেওয়া মানেই চরম আতঙ্ক, আশপাশের সবার নজরে পড়া।
এমন সময়ে চট করে হাঁচি দূর করতে কী করবেন? আসুন জেনে নেওয়া যাক হাঁচি থেকে মুক্তির ১০টি অব্যর্থ উপায় :
১. এক চামচ মাখন বা চিনি খেতে পারেন। সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে।
২. মুখের ওপরের অংশে ভালো করে মালিশ (ম্যাসাজ) করুন। প্রয়োজনে গলার পেছনের অংশে হালকা মালিশ করুন। এতেও হাঁচি কমবে।
৩. বেশি করে পানি খান। বিশেষ করে ঠাণ্ডা পানি খেলে তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যায়।
৪. যখন নাক দিয়ে নিশ্বাস নেবেন, তখন নাকে হালকা করে চাপ দিন। এটি হাঁচির সমস্যা কমাতে সহায়ক।
৫. হাঁচি বন্ধে সহায়ক আরেকটি উপায় হলো দুই কানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে কিছুক্ষণ থাকুন। দেখবেন হাঁচি নিমেষেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
৬. হাঁচি বন্ধ করতে লেবুর রসের সঙ্গে আদা কুচিও খেতে পারেন। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাবেন।
৭. যদি হঠাৎ করে হাঁচি ওঠে, তাহলে লম্বা শ্বাস নিয়ে ভেতরে অনেকক্ষণ রাখুন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই নাক বন্ধ রাখুন। সমস্যা মিটে যাবে।
৮. কাগজের ব্যাগের ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে নিশ্বাস নিন। অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাবেন।
৯. লম্বা নিঃশ্বাস নিন। হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে জড়িয়ে ধরুন এবং কয়েক মিনিট এভাবেই থাকুন। এতে তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যায়।
১০. হাঁচি বন্ধ করার জন্য জিহ্বাতে লেবুর একটি অংশ রাখুন এবং মিষ্টি মনে করে সেটি চুষুন। এটি হাঁচি বন্ধ করতে বেশ কার্যকর।
Google Adsense Ads
- পাওয়ার স্টেশনের গড় চাহিদা ও ইউটিলাইজেশন ফ্যাক্টর নির্ণয়ের (সহজ উদাহরণ)
- একটি পাওয়ার স্টেশনের ম্যাক্সিমাম ডিমান্ড ২০ MW, প্ল্যান্ট ক্যাপাসিটি ২৫ MW এবং প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ০.৪৮। প্ল্যান্টটির গড় চাহিদা (Average Demand) এবং Utilization Factor কত?
- প্রত্যয়ন পত্র কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
- BEPZA এর সাব স্টেশন এটেনডেন্ট পদের প্রশ্ন উত্তর pdf ২০২৬
- বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
Google Adsense Ads