Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহঃ) এর জীবনী-বানী, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রঃ) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতীর ভারতবর্ষে আগমন ও ইসলাম প্রচার, খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী সহনশীল ইসলামের ভিত রচনা করে গেছেন
খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী (রহ.) এর জীবন থেকে নেয়া ইতিহাস ।
হযরত রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার শ্রেষ্ঠ বন্ধু আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যাবার পর ইসলামের বাণী সর্বত্র পৌঁছে দেবার জন্য সাহাবায়ে কেরাম দিগ-দিগন্তে ছড়িয়ে পড়েন, আমাদের এই বাংলাদেশেও কোনো কোনো সাহাবী এসেছিলেন বলে জানা যায়। সাহাবায়ে কেরামের যুগের পর থেকে যারা ইসলাম প্রচারে যুগ যুগ ধরে ব্যাপক অবদান রাখেন তারা হচ্ছেন সূফীয়ায়ে কেরাম বা পীর-আওলীয়া; যাদের সম্পর্কে। আল্লাহ জাল্লা শানহু ইরশাদ করেন, আলা ইন্না আওলীয়া আল্লা-হি লী খাওফুন আলায়হি ওয়া লাহুম ইয়াহ জানুন- সাবধান, তোমরা জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর ওলীগণের কোনো ভয় নেই, দুঃখ নেই (সূরা ইউনুস : আয়াত ৬২)।
হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হি আগুলীয়া কেরামদের একজন। তার গুলীত্ব না বিলায়েতের ছটা পাক-ভারত-বাংলাদেশ উপমহাদেশেতো আজো সমানভাবে বিচ্ছুরিত হচ্ছেই, এছাড়া তার গতিপ্রবাহ মুসলিম দুনিয়ার সর্বত্রই রয়েছে। তিনি সুলতানুল হিন্দ হিন্দুস্তানের সুলতান, তেমনি তিনি সুলতানুল আরিফীন আরিফগণেরও সুলতান।
আরো ও সাজেশন:-
খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী (রহ.)-এর জন্ম হয় মুসলিম দুনিয়ার এমন এক সংকট কালে; সম্মিলিত খ্রিস্টান শক্তি যখন ক্রুসেড চালিয়ে উম্মতে মুহাম্মাদিকে ধংস করার জন্য, ইসলামের জ্ঞানরাজ্যে নানা অপশক্তি অনুপ্রবেশ করবার চেষ্টায় মেতে উঠেছে। হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী (রহ.) আবির্ভূত হলেন দীন ইসলামের মুঈন রূপে। মুঈন শব্দের অর্থ সহায়ক শক্তি বা সাহায্যকারী। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১১৪১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ রজব সোমবার তদানীন্তন পারস্যের সিজিস্তানের সঞ্জর কসবায়। তার আব্বা হুযূরের নাম খাজা গিয়াসুদ্দীন এবং আম্মার নাম মাহনূর। আব্বা- আম্মা দুজনই ছিলেন তখনকার মশহুর বুযুর্গ।
হযরত মুঈনুদ্দীন চিশতীর ডাক নাম হাসান। আসলেই তিনি হাসান অর্থাৎ সুন্দর ছিলেন। সবাই তাকে আদর যেমন করতো, তেমনি সমীহও খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী তিন চার বছর বয়সেই সম্পূর্ণ কুরআন মজীদ মুখস্থ করে হাফেজ হন। প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন আব্বা- আম্মার কাছে। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রাথমি পর্যায়ের শুভ সূচনা হয় ইসফাহানে, তারপর তিনি খোরাসানে বিদ্যা অর্জন করেন। যখন তার বয়স ১৪ কী ১৫ বছর তখন তার আব্বা হুজুর ইন্তিকাল করেন।
আব্বার সম্পত্তি থেকে তিনি একটি আঙ্গুর বাগিচা ও পানিচালিত যাঁতা পান। একদিন তিনি আঙ্গুর বাগিচায় বিচরণ করছিলেন; এমন সময় এক মজযূব দরবেশ তার কাছে এসে কিছু খাবার চাইলে তিনি তাকে একগুচ্ছ আঙ্গুর খেতে দেন। মজযূব খুশি হয়ে তার জন্য দু’আ করে বলেন যে, মুঈন! তুমি অনেক বড় ওলীআল্লাহ হবে । এই বলে ঐ মজযূব দরবেশ অদৃশ্য হয়ে যান। জানা যায়, এই মজযূব দরবেশ ছিলেন ইবরাহীম কানদুযী। দরবেশের কথা শুনে কিশোর মঈনুদ্দীনের মনে আল্লাহকে একান্ত করে পাওয়ার দারুন স্পৃহা জেগে ওঠে।
তিনি সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে আল্লাহকে পাওয়ার পথের সন্ধানে বাড়ী থেকে বেরিয়ে পড়েন। খোরাসান, সমরকন্দ, বুখারা গেলেন । শ্রেষ্ঠ মাদরাসাগুলোতে ভর্তি হয়ে একে একে শ্রেষ্ঠ আলিমদের কাছ থেকে ইসলামের নানা বিষয়ে বিদ্যা হাসিল করে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করলেন। তিনি শ্রেষ্ঠ আলিম, ফকীহ, মুফাসসির ও মুজতাহিদ অভিধায় অভিহিত হলেন। এক পর্যায়ে তিনি বাগদাদ শরীফে যেয়ে বড়পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)- এর খিদমতে দু’আ ও ফয়েযপ্রাপ্ত হলেন। এত বিদ্যা হাসিলের পরেও ইলম হাসিলের পিপাসা নিবারণ হলো না। নানা স্থানে যেয়ে তিনি আরো ইলম হাসিল করলেন ৫৬০ হিজরিতে তিনি নিশাপুরের হারওয়ানে এসে বিশিষ্ট সুফী খাজা উসমান হারুনী (রহ.)- এর খিদমতে এসে তার হাতে হাত রেখে মুরীদ হলেন। পীরের দরবারে আড়াই বছর কাটালেন এবং ইলমে তাসাওউফের উচ্চতর মকাম বা ডিগ্রি হাসিল করে কামালিয়তের শীর্ষে উপনীত হলেন। পীর তাকে সনদ, খিরকা ও খিলাফতনামা প্রদান করলেন। পীরের ইজাযত নিয়ে তিনি বাগদাদ শরীফের পথে রওনা হলেন।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
পথিমধ্যে সাজ্জান কসবায় সূফী নাজমুদ্দীন কুবরা (রহ.)-এর খানকায় কয়েকদিন অবস্থান করে তিনি বাগদাদ শরীফ এসে হযরত গওসুল আজম বড় পীর সৈয়দ আব্দুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহির খিদমতে হাজির হলেন। হযরত গওসুল আজম (রহ.) তাকে হিন্দুস্তানের বিলায়েতের অধিকারিত্ব লাভের জন্য ফয়েয দান দু’আ করেন। বাগদাদ শরীফ থেকে তিনি বিভিন্ন দেশ ও শহর নগর সফর করে বহু বুযুর্গের সাথে সাক্ষাৎ করে তার অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ করেন। তারপর তিনি মক্কা মুকাররমা যেয়েও বহু বুযুর্গের সাথে মিলিত হন। মক্কা মুকাররমায় তিনি বেশ কিছুদিন অবস্থান করেন এবং হজ্ব পালন করেন, তারপর তিনি মদীনা মনওয়ারায় এসে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের রওযা মুবারক যিয়ারত করেন। মদীনা মনওয়ারায় তিনি বেশ কিছুদিন অবস্থান করেন।
এখানে অবস্থানকালে তিনি স্বপ্নযোগে কারো কারো দেয়া তথ্য অনুযায়ী মুরাকাবারত অবস্থায় হিন্দুস্তানে আসবার নির্দেশপ্রাপ্ত হন। এই নির্দেশ স্বয়ং প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামই তাকে দান করেন। এরি মাধ্যমে গওসূল আজম আবদুল কাদির জিলানী আল বাগদাদী রহমাতুল্লাহী আলায়হি তাকে যে হিন্দুস্তানের রূহানী কর্তৃত্ব দান করেছিলেন তার নিশ্চিত স্বীকৃতি তিনি লাভ করলেন। তিনি লাহোরে এসে খানকা শরীফ স্থাপন করলেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে চৌহান রাজ পৃথ্বীরাজের সাথে গজনীর সুলতান শিহাবুদ্দীন মুহম্মদ ঘুরীর তরাইন নামক স্থানে যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে ঘুরী সাফল্য অর্জন করতে না পারলে ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহির দু’আর বরকতে তরাইনের ২য় যুদ্ধে তিনি বিজয় পতাকা উড্ডয়ন করেন এবং তদানীন্তন ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের সুদূরপ্রসারী বুনিয়াদ স্থাপন করেন। আর এর পেছনে যে মহান সুফীর দু’আ ছিলো তিনি হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হি।
জানা যায়, তিনি লাহোর থেকে ১১৯৩ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীতে এসে কিছুকাল অবস্থান করে ১১৯৫ খ্রিস্টাব্দে আজমীর শরীফে এসে স্থায়ী খানকা শরীফ স্থাপন করেন। দলে দলে লোক তার মুরীদ হতে থাকে; অন্যান্য ধর্মের বহুলোক ইসলাম গ্রহণ করে। অল্পদিনের মধ্যে আজমীর শরীফ সমগ্র উপমহাদেশের রূহানী রাজধানীতে পরিণত হয়। তিনি ৬৩৩ হিজরির ৬ রজব রাতের বেলায় গভীর মুরাকাবরত অবস্থায় তার হুজরা শরীফেই ইন্তিকাল করেন এবং সেখানে তাকে দাফন করা হয়। আজমীর শরীফ কালক্রমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে।
আরি পড়ুন ›Introduction to Computer Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors Introduction to Computer Suggestion PDF DownloadIntroduction to Computer Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors Introduction to Computer Suggestion…
আরি পড়ুন ›Physics 6th paper Suggestion PDF, Degree Physics 6th paper Suggestion PDF Download, Degree Physics 6th paper Final SuggestionPhysics 6th paper Suggestion PDF, Degree Physics 6th paper Suggestion PDF Download, Degree Physics…
আরি পড়ুন ›২০২১ সালের এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স ১১শ শ্রেণি হিসাব বিজ্ঞান ৮ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান 2021শ্রেণি: HSC ইন কমার্স-2021 বিষয়: হিসবা বিজ্ঞান এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 06 বিষয়…
উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ যিয়ারতগাহ হচ্ছে তার মাযার শরীফ। হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেছেন : আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ করবার জন্য শরীআতের পূর্ণ পাবন্দ হতে হবে। শরীঅত ও তরীকত বর্জন করে সূফী হওয়া যায় না। তার মাযার শরীফ সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যকরণের কাজ তার ইন্তিকালের পরপরই শুরু হয়। ১৪৫৫ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মাহমুদ খিলজী (১৪৩৬-৬৯) মাজার শরীফ প্রবেশ পথে বুলন্দ দরওয়াজা নামে এক বিশাল সুরম্য তোরণ নির্মাণ করেন। ঐখানে একটি মসজিদ ও মাযার শরীফের উপরে একটি গম্বুজও নির্মিত হয়।
My Ads
পরবর্তীকালে মুগল সম্রাট আকবর খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হির রূহানী শক্তির ফলাফল লাভ করেন, যে কারণে তিনি হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতীর (রহ.) প্রতি ভীষণভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। সম্রাটের কোনো সন্তানাদি হচ্ছিলো না, তখন তিনি একজন চিশতীয়া তরিকার পীরের কাছ থেকে সন্তান লাভের জন্য তদবীর নিয়ে সন্তান লাভ করেন। সেই পীর হচ্ছেন শাহ সেলিম চিশতী। যার মাযার সম্রাটক বাবরের মাযারের কাছেই রয়েছে।
| Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Stories | উত্তর লিংক |
| ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক |
সে যাক, সেলিম চিশতীর নামে তিনি পুত্রের নাম রাখেন নূরুদ্দীন মুহম্মদ সেলিম। এই সেলিমই পিতার মৃত্যুর পর জাহাঙ্গীর উপাধি ধারণ করে হিন্দুস্তানের বাদশাহ হয়েছিলেন। সম্রাট আকবর পুত্র সন্তান লাভ করায় এতো খুশী হয়েছিলেন যে, ১৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে আগ্রা থেকে দীর্ঘ পথ পায়ে হেটে আজমীর শরীফ এসে খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হির মাযার শরীফ যিয়ারত করেন এবং এর উন্নয়নের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেন।
তিনি দশ হাজার লোকের খাবার একটা পাত্রে রান্না করার উপযোগী একটা ডেকচি তৈরি করান এবং তা মাযারের বাইরের চত্বরে স্থাপন করেন একটি চুল্লীর উপর। তিনি বেশ কিছুদিন আজমীর শরীফে অবস্থান করেন এবং ঐ ডেকচিতে খাদ্য রান্না করিয়ে নিজ হাতে যিয়ারতকারী সবার মধ্যে খাবার পরিবেশন করেন বলে জানা যায়। পিতার ইন্তেকালের পর জাহাঙ্গীর বাদশাহ হয়ে ১৬১৪ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হির মাযার শরীফ যিয়ারত করতে আজমীর শরীফ আসেন। এবং পাঁচ হাজার লোকের খাবার রান্নার উপযোগী একটি ডেকচি এখানে স্থাপন করেন।
মুগল আমলে মাযার শরীফ এবং এর আশেপাশের সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যকরণের কাজ সবচেয়ে বেশি হয়। সম্রাট শাহজাহান ও সম্রাট আওরঙ্গজেব মসজিদ স্থাপন করেন। সম্রাট শাহজাহান সমগ্র মাযার এলাকা শ্বেত পাথর দিয়ে বেঁধে দেন । হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলায়হিকে গরীবে নওয়াজ এই জন্য বলা হয় যে, তিনি গরীব-দুঃখীদের দুঃখ, অভাব- অনটন মোচন করার জন্য প্রচুর দান-খয়রাত করতেন এবং অন্যদেরকে দারিদ্র্য বিমোচনে উদ্বুদ্ধ করতেন। গরীবে নওয়াজ শব্দের অর্থ অসহায় দরিদ্রজনের লালন-পালনকারী। তিনি ইলমে তাসাওউফের চিশতীয়া তরীকার ইমাম ছিলেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, ভণ্ডামি ও প্রতারণা সব ক্ষেত্রেই কমবেশি হয়, তেমনি এসব তরীকার নাম করে কিছু খাজাবাবা উপাধীধারী | ভণ্ড ও প্রতারক দেখা যায় যারা মানুষকে বিপথগামী করে শিরক, কুফর ও বিদ’আতের হাতিয়ার প্রয়োগ করে। এরা গাঁজা খাওয়া থেকে শুরু করে লাল সালু ঢাকা ডেকচি সাজিয়ে চাঁদা পর্যন্ত তোলে । এদের সাথে চিশতীয়া বা অন্য কোনো তরীকার আদৌও সম্পর্ক নেই, এদের কেউ কেউ আজমেরী বলে পরিচিত।
My Ads
সত্যিকার চিশতীয়া তরীকার পীরগণ শরীঅত, তরীকত, হকীকত ও মা’রিফাত চর্চা করেন এবং অন্যকে তা’লীম দেন। এদের সংখ্যা খুবই কম, তবুও খুঁজলে পাওয়া তো যাবেই ইনশাআল্লাহ্। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, ইলমে তাসাউফ হাসিলের জন্য পীরের কাছে মুরীদ হওয়া অবশ্য কর্তব্য, আর অবশ্যই সে পীরকে হতে হবে কামালিয়াতপ্রাপ্ত অর্থাৎ কামিল ।
খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতীর বেশকিছু কাসিদা আছে। তিনি একটি কাসিদায় বলেন : খামোশ বশ মু’ঈনী নেগার বেদ তো কোজায়ী- মুঈনরে তুই চুপ হয়ে যা দ্যাখ চেয়ে তুই এখন কোথায় ।
___অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ুম
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ড্রেস মেকিং (১) ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২, ২০২২ সালের এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের ড্রেস মেকিং (১) ২য় পত্র ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১শ্রেণি: ১০ম ভোকেশনাল -2021 বিষয়: ড্রেস মেকিং (১) ২য় পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক…
আরি পড়ুন ›Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDFPhilosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDF BBA Honors…
আরি পড়ুন ›PDF Download মনোবিজ্ঞান দর্শন অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন | মনোবিজ্ঞান দর্শন অনার্স ১ম বর্ষ সাজেশন পিডিএফ ডাউনলোডPDF Download মনোবিজ্ঞান দর্শন অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন | মনোবিজ্ঞান দর্শন অনার্স ১ম…
- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা

- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।

- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।

- একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ব্র্যান্ড উন্নয়ন কৌশল আলোচনা কর

- সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।, সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।

- ভোগ্যদ্রব্যের/পণ্যের শ্রেণিবিভাগগুলো আলোচনা কর, চিত্রের সাহায্যে ভোগ্যপণ্যের শ্রেণিবিভাগ দেখাও
