সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ, শিক্ষা ও মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ; সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ, শানে নুযুল, শিক্ষা, মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটের মুনাফেকি পরিহার করার উপায়

সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ, শিক্ষা ও মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ; সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ, শানে নুযুল, শিক্ষা, মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটের মুনাফেকি পরিহার করার উপায়

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ, শিক্ষা ও মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ; 

অ্যাসাইনমেন্ট লেখার নির্দেশনা (সংকেত/ধাপ/পরিধি): নিচের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে;

১. সূরা আল বাকারার আট থেকে দশ আয়াত এর অর্থ,

২. শানে নুযুল,

৩. ৮ থেকে ৯ আয়াতের শিক্ষা,

৪. মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য,

৫. বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে মুনাফেকি পরিহার করার উপায়;

রুবিক্স অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের যে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে:

ক. সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ;

খ. সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াতের শানে নুযুল;

গ. সূরা আল বাকারা ৮ থেকে ৯ আয়াতের শিক্ষা;

ঘ. মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য;

ঙ. বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটের মুনাফেকি পরিহার করার উপায়; 

উত্তর সমূহ:

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

ক. সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াত এর অর্থ;

সূরা আল বাকারার ৮-১০ আয়াতের অর্থ :

৮. আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ইমান এনেছি ; কিন্তু তারা মুমিন নয় ।

৯. তারা আল্লাহ ও মুমিনদেরকে ধোকা দেয়।অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোকা  দেয় না ; কিন্তু তারা বুঝতে পারে না।

১০. তাদের অন্তঃকরণ ব্যাধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যাধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুত তাদের মিথ্যাচারের দরুন তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

খ. সূরা আল বাকারার ৮ থেকে ১০ আয়াতের শানে নুযুল;

সূরা আল বাকারার ৮-১০ আয়াতের শানেনুযুল :

৮ নং আয়াতের শানেনুযুল :

এক শ্রেণির মানুষ এমন আছে, যারা প্রকাশ্যভাবে নিজেদেরকে আল্লাহ, রাসূল ও আখিরাতে বিশ্বাসী বলে ঘোষণা দেয়। কিন্তু অন্তরে অন্তরে ঘোর অবিশ্বাস ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। মহান আল্লাহ মুসলিমগণকে তাদের হীনচক্রান্ত শত্রুতা হতে সতর্ক থাকার জন্য তাদের প্রকৃত পরিচয় ও স্বরূপ উন্মোচন করে দিয়ে ঘোষণা করেন- তারা আদৌ মুমিন নয় ।

√ মুনাফিকরা মুসলিমদের ঘোর শত্রু। তারা মুখে ইসলামের কথা বলে মুসলিমদের ভণ্ড দরদী সাজে। কিন্তু অন্তরে মুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে।

√ মুসলিমদের সাথে মিলিত হয়ে তারা বলে, আমরা ইমান এনেছি ; কিন্তু যখন তারা কাফিরদের সাথে গোপনে সাক্ষাৎ করে তখন বলে, আমরা তো তোমাদের সাথেই আছি। আমরা মুসলিমদের সাথে ধোকা ও প্রবঞ্চনা করেছি মাত্র ।

√ আল্লাহ ও আখিরাতের ওপর কেবল ইমান আনার কথা বললেই চলবে না, ইসলামের সকল মৌলিক বিষয় এবং শাখা প্রশাখায়ও ইমান আনতে হবে এবং তদনুযায়ী আমল করতে হবে। অন্যথায় মুনাফিক বা কাফির বলেই বিবেচিত হবে।

৯ নং আয়াতের শানেনুযুল :

মহান আল্লাহ এবং ইমানদার মুসলিমদের সাথে মুনাফিকদের প্রতারণা ও প্রবঞ্চণামূলক আচরণ ও তার পরিণাম সম্পর্কে এ আয়াতে বলা আলোচনা করা হয়েছে :

√ মুখে মুখে ইমান এনেছি- এ কথা বলে মুনাফিকরা মনে করছে যে, তারা আল্লাহ ও মুমিনদের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদেরকেই নিজেরা ধোকার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। তারা ভাবে তাদের মুনাফিকী ফকা চক্রান্ত তাদের পক্ষে বুঝি খুবই কল্যাণকর হবে। কিন্তু আসলে এ চাল ও চক্রান্ত তাদের দুনিয়ায় সাময়িক লাভবান করলেও পরকালে তারা নিদারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

√ মুনাফিক ব্যক্তি কিছু দিনের জন্য হয়ত লোকদেরকে প্রতারিত করে রাখতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী হতে পারে না।

√ মুনাফিকরা আখিরাতে পীড়াদায়ক নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি ভোগ করবে। 

√ আসলে আল্লাহকে কেউ ধোকা দিতে পারে না । বরং রাসূল (স) ও মুসলিমদের সাথে ধোকাবাজি করার কারণেই আয়াতে বলা হয়েছে যে, তারা আল্লাহর সাথে ধোঁকাবাজি করছে।

১০ নং আয়াতের শানেন্যল :

এ আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, মুনাফিকদের অন্তরে কুফর, নিফাক, সংশয়, হিংসা, বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রের ব্যাধি রয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তাদের সেই ব্যাধিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন, আর তাদের মিথ্যাচারের কারণে তাদের জন্য কঠিন পীড়াদায়ক শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে।

√ আয়াতে ‘ মারাদুন ‘ অর্থ : রোগ-ব্যাধি । ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন, এখানে এ এর দ্বারা সন্দেহ-দ্বিধা বোঝানো হয়েছে I

√ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুনাফিকদের অন্তর্নিহিত কুফরকে রোগ বলা হয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

√ আল্লাহ তাদের রোগকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন এর দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, তারা ইসলাম ও মুসলিমদের উন্নতি ও ক্রমবিকাশ দেখে জ্বলে – পুড়ে ছাই হতে থাকে । আল্লাহ তো দিন দিন তাঁর ইসলাম ধর্মের উন্নতি দিয়েই যাচ্ছেন। ফলে তারা শুধু হিংসায় জ্বলছে । তাদের সেই অন্তরজ্বালা বাড়তেই থাকে।

গ. সূরা আল বাকারা ৮ থেকে ৯ আয়াতের শিক্ষা;

সূরা আল বাকারার ৮-৯ আয়াতের শিক্ষা :

৮ নং আয়াতের শিক্ষা :

  • মুখে মুখে ইমান আনলেই প্রকৃত ইমানদার হওয়া যায় না ।
  •  ইমানদার হতে হলে  ইসলামের সকল বিষয়ের প্রতি  ইমান গ্রহণ করতে হবে।
  • মিথ্যাচার ও কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • মুনাফিকরা মুসলিম নয় বরং কাফির। এদের থেকে সদা সতর্ক থাকতে হবে।

৯ নং আয়াতের শিক্ষা :

  •  মুনাফিক চক্রের সকল প্রকার ধোঁকা ও প্রতারণার জাল ফাস হয়ে যাবে এবং আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। লাঞ্ছিত হয়ে
  • পরকালে তারা ভীষণ শাস্তির সম্মুখীন হবে।
  •  এ ব্যাধি যার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে, সে দুনিয়া ও আখিরাত কে বিনষ্ট করেছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ঘ. মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য;

মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য : মুনাফিকি মানে কপট বিশ্বাসী। নিফাক বা মুনাফিকি অত্যন্ত জঘন্য পাপ । সমাজ, দল, রাষ্ট্র তথা সমষ্টিগত জীবনে নিফাকের দুষ্ট ব্যাধি সর্বদা বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয় সৃষ্টি করে । তারা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দিতে ত দিতে তৎপর থাকে । তাই ইসলামে একে অমার্জনীয় পাপ বলা হয়েছে।

১. এরা প্রকৃত বিশ্বাসী নয় : মুনাফিকরা প্রকাশ্যভাবে নিজেদেরকে আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা ঈমানদার নয়। বরং অন্তরে তারা ইসলামের প্রতি ঘোর অবিশ্বাস পোষণ করে থাকে।

২. মুনাফিকরা ধোকাবাজ : মুনাফিকরা ধারণা করে যে, তারা আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মু’মিনদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কেবল নিজেদেরকেই ধোকা ও প্রবঞ্চনার জালে   আবদ্ধ করে ধ্বংস ও ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে,অথচ তারা এ সহজ কথাটি বুঝতে পারে না। 

৩. মুনাফিকরাই পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী : মুনাফিকরা গোপন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পৃথিবীতে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে রাখে। এ ব্যাপারে যখন তাদেরকে বলা হয় যে, তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় ও অশান্তি সৃষ্টি করো না। তখন তারা সাধু- তপস্বী সেজে বলতে থাকে:

“ আমরাই তো শান্তি স্থাপনকারী”

(সূরা আল-বাকারা ২:১১) প্রকৃতপক্ষে এরাই যাবতীয় অশান্তি ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ।

৪. মুনাফিকের হৃদয়ে কপটতার রোগ : মুনাফিকদের হৃদয়ে রয়েছে কপটতা ও প্রবঞ্চনার রোগ। কখন কাকে ক্ষতি করবে, কখন কার বিরুদ্ধে লাগবে, কখন সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করবে- এ হীন চারিত্রিক রোগ নিয়ে তারা সর্বদা ঘুরে বেড়ায়। 

৫. মুনাফিক দ্বিমুখী : মুনাফিকরা যখন ঈমানদারদের সঙ্গে মিলিত হয় তখন বলে, তারা ঈমান এনেছে । আবার যখন তাদের দুষ্ট দলপতির সাথে মিলিত হয় তখন বলে, তার তাদের সঙ্গেই রয়েছে । এরা দ্বিমুখী চরিত্রের । কোথাও তাদের স্বস্তি নেই।

৬. মুনাফিক নির্বোধ : মুনাফিকদেরকে খাঁটিভাবে ঈমান আনতে বলা হলে তারা মুখের উপর বলে দেয়, তারা কি নির্বোধদের ন্যায় অন্ধভাবে ঈমান আনবে? মহান আল্লাহ্ বলেন “ প্রকৃতপক্ষে তারাই নির্বোধ ও অজ্ঞ। কিন্তু এতটুকু বাস্তবতা তারা বুঝতে পারে না।”

৭. মুনাফিক পথহারা অন্ধ ও বধির : মুনাফিকরা পথহারা, তাদের অন্তর ঘোর অন্ধকারে আচ্ছন্ন । তাই মহান আল্লাহ তাদেরকে স্পষ্ট ভাষায় বধির, মূক ও অন্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন। মহানবী (স) মুনাফিকদের কিছু লক্ষণ তুলে ধরে বলেন মুনাফিকরা –

(ক) কথায় কথায় মিথ্যা বলে; 

(খ) প্রতিশ্রুতি দিলে ভঙ্গ করে; 

(গ) আমানতের খিয়ানত করে এবং

(ঘ) ঝগড়া বিবাদে অশ্লীল গালমন্দ করে।

এসব লক্ষণ ও চরিত্র যাদের মধ্যে পাওয়া যায় তারাই মুনাফিক । এদের হীন ষড়যন্ত্র ও অনিষ্ট হতে সর্বদা সতর্ক থাকতে কুরআন ও হাদিসে সাবধান করা হয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ঙ. বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটের মুনাফেকি পরিহার করার উপায়; 

বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে মুনাফিকী পরিহার করার উপায় : 

মুনাফিকদের সাথে কোনো প্রকার নমনীয়তা প্রদর্শন সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তাদের ক্ষতিকে কোনো ক্রমেই ছোট মনে করা যাবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের মুনাফিকদের তুলনায় বর্তমান যুগের মুনাফিকরা আরো অধিক ভয়ঙ্কর ।

তাদের বিষয়ে একজন মুসলিমের অবস্থান:

১. মুনাফিকদের আনুগত্য করা হতে বিরত থাকা । কখনোই মুনাফিকদের আনুগত্য করা যাবে না। কারণ, তারা কখনোই মুসলিমদের কল্যাণ চায় না তারা চায় ক্ষতি। 

২. মুনাফিকদের সাথে বিতর্ক করা থেকে বিরত থাকা, তাদের ধমক দেওয়া ও ভালো হওয়ার জন্য উপদেশ দেওয়া।

৩. তাদের সাথে বিতর্ক না করা এবং তাদের থেকে আত্মরক্ষা করা।

৪. তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা থেকে বিরত থাকা ।

৫. তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এবং তাদের বিষয়ে কঠোর হওয়া।

৬.মুনাফিকদের নিকৃষ্ট বলে জানা এবং কখনো তাদের কাউকে নেতা না বানানো ।

৭. তারা মারা গেলে তাদের জানাজায় অংশ গ্রহণ করা হতে বিরত থাকা।

নিফাক এমন একটি মারাত্মক ব্যাধি ও নিন্দনীয় চরিত্র, যা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতি ও মারাত্মক। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যারা নিফাকের গুণে গুণান্বিত তাদের গাদ্দার, খিয়ানত কারী, মিথ্যুক ও ফাজের বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ, একজন মুনাফিক তার ভিতরে যা আছে, সে তার বিপরীত জিনিসটিকে প্রকাশ করে।

উপরোক্ত কাজগুলো করলে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে মুনাফিকী পরিহার করা সম্ভব হবে।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

আমাদের YouTube এবং Like Page

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *