সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন

সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন

এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

অ্যাসাইনমেন্ট : সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন ।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • সিস্টেম ইউনিট পরিচিতি
  • সিস্টেম ইউনিটের পেরিফেরালসের তালিকা
  • পেরিফেরালস মাদাববোর্ড ও ক্যাসিং এ সংযোজন পদ্ধতি

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • সিস্টেম ইউনিট পরিচিতি বর্ণনা করতে হবে
  • সিস্টেম ইউনিটের পেরিফেরালসের তালিকা তৈরি করতে হবে
  • পেরিফেরালস মাদাববোর্ড ও ক্যাসিং এ সংযোজন পদ্ধতি বর্ণনা করতে হবে

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • সিস্টেম ইউনিট পরিচিতি বর্ণনা করতে হবে

কম্পিউটার যে ভিত্তিতে কাজ করে তা হলো- আই পি ও (Input – Processing – Output) । আই পি ও সাইকেলের মাধ্যমে প্রথমে তথ্য (Data) গ্রহণ করে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে। গ্রহণকৃত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে সিপিইউ (Control Processing Unit) ডিভাইসে এবং ফলাফল প্রকাশ করে আউটপুট ডিভাইসে। ইনপুট ডিভাইস, সিপিইউ এবং আউটপুট ডিভাইসগুলোকে হার্ডওয়ার বলে।

সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন  https://www.banglanewsexpress.com/

সুতরাং কম্পিউটারের ইউনিট সমূহ বলতে ইনপুট ডিভাইস, কন্ট্রোল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ এবং আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বুঝানো হয়। এগুলোকে কম্পিউটারের হার্ডওয়ার বলে।

কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ)। এ ইউনিটকে মানুষের মত কম্পিউটারের মস্তিস্কও বলা হয়। মানুষের মস্তিস্কও যেমন সারা শরীর নিয়ন্ত্রণ করে এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত নেয় তেমনি কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে সিপিইউ। কম্পিউটারের সকল প্রক্রিয়া সিপিইউ নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন- তথ্য গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ইনপুট ও আউটপুট ইউনিট এর যন্ত্রাংশসমূহের নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • সিস্টেম ইউনিটের পেরিফেরালসের তালিকা তৈরি করতে হবে

কেসিং ও মাদারবাের্ডে সংযুক্ত বিভিন্ন প্রকার ডিভাইস, কার্ড ও পেরিফেরালসমূহের মধ্যে রয়েছে :
১. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. অপটিক্যাল ড্রাইভ (সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ/ডিভিডি রাইটার)
৩, কীবাের্ড
৪, মাউস
৫. প্রিন্টার
৬. ফ্ল্যাশ ডিস্ক
৭. মডেম ৮. স্ক্যানার
৯, জয় স্টিক
১০, সাউন্ড বক্স
১১. হেডফোন/ মাইক্রোফোন
১২. টিভি টিউনার
১৩. সাউন্ড কার্ড
১৪, এজিপি কার্ড
১৫. টিভি কার্ড
১৬, নেটওয়ার্ক কার্ড ইত্যাদি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • পেরিফেরালস মাদাববোর্ড ও ক্যাসিং এ সংযোজন পদ্ধতি বর্ণনা করতে হবে

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন  https://www.banglanewsexpress.com/

মাদারবোর্ডের বিভিন্ন অংশের নাম:

এখন আমরা জানবো মাদাবোর্ডের বিভিন্ন অংশের নাম। প্রথমে জানবো যে কম্পোনেন্ট এর সাথে বিভিন্ন ডিভাইস যুক্ত করা হয় সেগুলোর নাম ও গঠন নিয়ে বেসিক ধারণা। তাহলে চলুন জেনেনি মাদারবোর্ড কানেক্টর পোর্ট ও কন্ট্রোলার অংশের নাম।

মাদারবোর্ড আইডিই কন্ট্রোলার:

IDE অর্থ হচ্ছে Integrated Drive Electronics। আইডিই কন্টোলার ৪০ পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। মাদারবোর্ডের সাথে হার্ডডিস্ক, সিডিরম ড্রাইভ, ডিভিডি ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস সমূহ সংযোগ দেওয়ার জন্য আইডিই কনট্রোলার ব্যবহার করা হয়। সব মাদারবোর্ডে দুইটি আইডিই কন্টোলার থাকে একটি প্রাইমারি আইডি অন্যটি সেকেন্ডারি আইডি কন্টোলার।

মাদারবোর্ডের বিভিন্ন পোর্ট:

আপনি যদি কম্পিউটারের একটা মাদারবোর্ড দেখেন সেখানে দেখতে পাবেন বিভিন্ন পোর্ট ও কানেক্টর রয়েছে যেগুলোতে র‌্যাম, হার্ডডিস্ক, গ্রাফিক্স, মেমোরি লাগানো যায়। যেমন-

সিস্টেম ইউনিট এর সাথে রিলেটিভ পেরিফেরালস ডিভাইস সমূহ সংযোজন  https://www.banglanewsexpress.com/
মাদারবোর্ডের বিভিন্ন কানেক্টর পোর্ট

সিরিয়াল পোর্ট (SERIAL PORT):

মাদারবোর্ডে দুইটি সিরিয়াল পোর্ট দেখা যায়। সাধারণত সিরিয়াল পোর্ট ৯ এবং ১০ পিনের হয়ে থাকে। এটা মেইল এবং ফিমেইল উভয় প্রকার হতে পারে। ‍সিরিয়াল পোর্ট এর মাধ্যমে মাউস এবং মডেমের সংযোগ দেওয়া হয়।

প্যারালাল পোর্ট (PARALAL PORT):

প্যারালাল পোর্টকে লাইন প্রিন্টার পোর্ট বলা হয়। সাধারণত প্রিন্টার সংযোগ দেয়া হয় বলে ধারণের পোর্টকে প্যারালাল পোর্ট বালা হয়। এ পোর্ট ২৬ পিনের হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে প্রিন্টার, স্ক্যানার ইত্যাদি সংযোগ প্রদান করার কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানের প্রিন্টার সব ইউএসবি বলে এখনকার মাদারবোর্ড প্যারালাল পোর্ট ব্যবহার করা হয় না।

মাদারবোর্ডের PS2 পোর্ট:

PS2 পোর্ট সাধারণত মাউস এবং PS2 কিবোর্ডের সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটার কানেক্টর দেখতে গোল আকৃতির যা মাদারবোর্ডের সবার উপরে থাকে। ইউএসবি মাউস কিবোর্ডের তুলনায় PS2 পোর্টের মাউসে এবং কিবোর্ডে অনেক বেশি ফ্যাসালিটি ফংশন কাজ করে। বর্তমানে PS2 মাউস এবং কিবোর্ডের ব্যবহার নেই বলেলেই চলে।

PS2 কীবোর্ড কানেক্টর পোর্ট:

কীবোর্ড কানেক্টর সাধারণত মাদাবোর্ডের সাথে কীবোর্ড সংযোগ দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। মাদারবোর্ডের উপরে বাম দিকের কোনার কানেক্টরটি কীবোর্ড কানেক্টর। এটির রং সাধারণত বেগুনি হয়ে থাকে।

PS2 মাউস কানেক্টর পোর্ট:

মাদারবোর্ডের সাথে মাউসের সংযোগ দেওয়ার জন্য মাউস কানেক্টর ব্যবহার করা হয়। কীবোর্ড কানেক্টররের পারে আরেকটি সবুজ রঙের কানেক্টর থাকে যা মাউস কানেক্টর হিসাবে ব্যবহার করা হয় একে PS2 পোর্ট বলা হয়।

ইন্টারনেট ল্যান্ড কানেক্টর পোর্ট:

কম্পিউটারের সাথে সরাসরি হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ল্যান্ড পোর্ট থাকে। যার সাথে দুইটা এলইডি লাইট থাকে ইন্টানেট সংযোগের অবস্থা বোঝানোর জন্য। পোর্টটি দেখতে চার কোনাটে হয়।

মনিটর ভিডিএ কানেক্টর পোর্ট:

প্রতিটা মাদাবোর্ডের সাথে ডিসপ্লে লাগানোর জন্য একটা ভিজিএ পোর্ট থাকে যেখানে আপনি মনিটর ব্যবহার করে সকল কাজ দেখতে পারবেন। মনিটরের কাজ সাধানত দেখা হয়ত সবাই জানেন। আপনি চাইলে পিসিআই স্লট ব্যবহার করে অতিরিক্ত ভিজিএ কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

মাইক্রোফোন কানেক্টর পোর্ট:

যেকোন অডিও রেকডিং করা বা পিসিতে সরাসরি কথা বলার জন্য মাইক্রোফোন লাইন দেওয়া থাকে। মাইক্রোফোন কানেক্টর পোর্ট কালার গোলাপি হয়ে থাকে। যেখানে সরাসরি মাক্রোফোন ব্যবহার করে রের্কডিং করতে পারবেন।

আডিও সাউন্ড কানেক্টর পোর্ট:

মাইক্রোফোনের পাশের সবুজ কালার পোর্টটি হলো অডিও শোনা বা সাউন্ড বক্স লাগানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। সাধারণত পোর্ট দুটি পাশাপাশি থাকে। পোর্ট গুলো পিসির সামনে এবং পেছনেও থাকে।

ইউএসবি 3.0 কানেক্টর পোর্ট:

USB- Universal Serial Bus পোর্টে কমিউনিকেশনকে আরো অধিকতর দ্রুততম করে। পিসির সাথে কোন ডিভাইস যেমন-স্ক্যানার, প্রিন্টার, মাউস, কীবোর্ড, প্রেনড্রাইভ ইত্যাদির সংযোগ প্রদান করতে গেলে ইনস্ট্রল করতে হতো। কিন্তু ইউএসবি পোর্টের সাথে এসকল ডিভাইস সংযোগ দিলে ইনস্ট্রল করার মত ঝামেলা পোহাতে হয়না। তাছাড়া একই পোর্টে মাল্টিপল হার্ডডিস্ক যুক্ত করার সুযোগ দেয়।

মাদারবোর্ডে সাধারণত কি কি থাকে:

  • ইনডাক্টর।
  • হিট সিংক।
  • ক্যাপাসিটর।
  • নর্থব্রিজ।
  • সাউথব্রিজ।
  • স্ক্রু হোল।
  • সিপিইউ সকেট।
  • ইউএসবি হেডার।
  • রেইড।
  • এফডব্লিউএইচ।
  • সিডি-ইন।
  • জাম্পারস্।
  • মেমোরি স্লট।
  • ব্যাক পেন কানেক্টর।
  • ফ্লপি কানেকশন।
  • ফোর পিন পাওয়ার কানেক্টর।
  • থ্রি পিন কেস পেন কানেক্টর
  • সিস্টেম প্যানেল কানেক্টর
  • ২৪ পিন এটিএক্স পাওয়ার সাপ্লাই কানেক্টর
  • এটিএ/ আইডিই ডিস্ক ড্রাইভ প্রাইমারি কানেকশন
  • এক্সপেনশন স্লটস্ (পিসিআই এক্সপ্রেস, এজিপি)
  • সিরিয়াল পোর্ট কানেক্টর, ইত্যাদি।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট , ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *