সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝায়? বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে পণ্যের মান ব্যবস্থাপনায় কোন কোন সংস্থা কাজ করে? তাদের কাজ সমূহের বর্ণনা দিন।

সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝায়? বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে পণ্যের মান ব্যবস্থাপনায় কোন কোন সংস্থা কাজ করে? তাদের কাজ সমূহের বর্ণনা দিন।

Assignment এইচ এস সি ডিগ্রি ও উন্মুক্ত পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১১শ/hsc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04 বিষয় কোডঃ 1888
বিভাগ: বাণিজ্য শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝায়? বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে পণ্যের মান ব্যবস্থাপনায় কোন কোন সংস্থা কাজ করে? তাদের কাজ সমূহের বর্ণনা দিন।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝায়?

ক্রতার প্রত্যাশা অনুযায়ী মানসম্মত পণ্য বা সেবা নিশ্চিত করা ও তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। একারণে যেকোনো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে পণ্য প্রস্তুত করে।

মান বলতে সাধারণভাবে ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণে পণ্যের সক্ষমতাকে বুঝায়। ব্যাপক অর্থে, মান হলো পণ্যের নির্দিষ্ট গুণগত বৈশিষ্ট্যসমূহ যা ভোক্তা বা ক্রেতার চাহিদা মেটায়, সন্তুষ্টি বিধান করে এবং যার উপযোগিতা বা কার্যকারিতা ভোগকারী বা ক্রেতার কাছে প্রত্যাশার সমান বা তার চেয়েও বেশি। পণ্যের গুনগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পণ্যের সাইজ, ডিজাইন, ফিনিশিং, কালার, উপাদান, টেকসই ক্ষমতা ইত্যাদি রয়েছে।

মান ব্যবস্থাপনার ধারণা : ক্রেতাকে আর্কষণ করা ও ধরে রাখার জন্য মান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পণ্যের মান হলো পণ্য সম্পর্কে ক্রেতার প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ, আর অন্যদিকে মান ব্যবস্থাপনা হলো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণের ব্যবস্থা। ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করার জন্য প্রয়োজন মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা তা না হলে নিম্নমানের কারণে প্রতিষ্ঠান ক্রেতা ও সুনাম হারাতে পারে। অন্যদিকে মান কাঙ্খিত রাখতে হলে পণ্য প্রস্তুতে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বেড়ে যায়, এতে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। আর পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলে ক্রেতার অসন্তুষ্টি হতে পারে। একারণেই প্রতিষ্ঠানকে সঠিক মান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট মানস্তর বজায় রেখে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে হয়।

নির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে ক্রেতা সন্তুষ্টি তৈরি ও ধরে রাখতে মান ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিম্নে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মান ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব আলোচনা করা হলো

১. মান প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ : প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের বা সামগ্রিক উৎপাদন কর্মকাণ্ডের মান স্থির করা হয় এবং মান সংরক্ষণ করা হয়। মান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পণ্য, কার্য ও পদ্ধতিসহ সকল ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মান নির্ধারণ করা ও বজায় রাখা সম্ভব হয়।

২. উপকরণ সংগ্রহ : মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করা, উপকরণ সংগ্রহের উৎস নির্ধারণসহ যাবতীয় কাজই মান ব্যবস্থাপনার কাজের অংশ।

৩. উৎপাদন কার্য পরিচালনা : উৎপাদন কার্যের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সঠিকভাবে পরিচালনা করা মান ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।

৪. মান নিয়ন্ত্রণ : মান নির্ধারণের সাথে সাথে মান নিয়ন্ত্রণ করাও মান ব্যবস্থাপনার কাজ। মান নিয়ন্ত্রণ হলো একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া যা পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে কিনা ও অমিল থাকলে সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

৫. গবেষণা ও উন্নয়ন : প্রতিযোগিতাপূর্ণ ব্যবসায় পরিবেশে শুধুমাত্র পণ্যের বর্তমান মান বজায় রাখার মাধ্যমে ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। তাই পণ্যের মানকে ক্রমাগত উন্নয়ন করার প্রয়োজন হয়। মান ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো চিন্তা- ভাবনা ও গবেষণার মাধ্যমে পণ্যের মান ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন করা।

৬. নিম্নমানের ব্যয় হ্রাস : প্রতিষ্ঠানকে নিম্নমানের কারণে বিভিন্ন ধরণের ব্যয় বহন করতে হয়। যথাযথ মান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিম্নমানের সাথে সম্পর্কিত ব্যয়- মূল্যায়ন ব্যয়, প্রতিরোধ ব্যয়, অভ্যন্তরিণ ব্যর্থতার ব্যয় ও বাহ্যিক ব্যর্থতার ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হয়।

৭. ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার : পণ্য উৎপাদনের সময় কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, উৎপাদিত পণ্য বিভিন্ন পর্যায়ে ক্রুটি ঘটতে পারে। কিন্তু কার্যকর মান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই ত্রুটিগুলো সনাক্ত করা এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

৮. প্রেষণাদান : কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য মান ব্যবস্থাপনার কাজ হলো উৎপাদন কাজের সাথে নিয়োজিত সকল কর্মীকে প্রেষণা ও প্রণোদনা দেওয়া।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে পণ্যের মান ব্যবস্থাপনায় কোন কোন সংস্থা কাজ করে? তাদের কাজ সমূহের বর্ণনা দিন।

মান নিশ্চিতকরণের সংজ্ঞা 

সাধারণভাবে পূর্বনির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্য উৎপানের নিশ্চয়তাই হলো মান নিশ্চিতকরণ। ব্যাপকঅর্থে, মান নিশ্চিতকরণ হলো নীতি, পদ্ধতি ও দিক নির্দেশনার পদ্ধতি যা পণ্যেও মান নির্দিষ্ট করে এবং সেই মান বজায় রাখার ব্যবস্থা করে। মান ব্যবস্থাকরণ কোন একক কাজ নয় বরং অনেকগুলো কাজের সমষ্টি।

সার্বিক মান ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা ও গুরুত

মান নিয়ন্ত্রণ ও মান নিশ্চিতকরণের সমন্বিত রূপ হলো সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা। সার্বিক মান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঁচামাল ক্রয় থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য প্রস্তুত পর্যন্ত সকল স্তরে গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। এরজন্য প্রতিষ্ঠান পণ্যের ধারাবাহিক মান উন্নয়ন করে এবং এ লক্ষ্যে কর্মরত দক্ষ ও যোগ্য কর্মীদের উৎপাদন কাজে নিয়োগ করে। সার্বিক মান ব্যবস্থাপনার ভিত্তি তিনটি মূল নীতির উপর জোর দিয়েছে; সেগুলো হলো- ক্রেতা সন্তুষ্টি, কর্মী সম্পৃক্ততা এবং ধারাবাহিক উন্নয়ন। 

প্রতিষ্ঠান মান নির্ধারণকে গুরুত্বের সাথে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করছে কারণ নিম্নমানে পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধি পায়; বর্তমান সময়ে মান একটি প্রতিযোগিতামূলক হাতিয়ার আবার অনেক ক্ষেত্রে সরকার পণ্যের একটি নির্দিষ্ট মান স্তর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। মান নির্ধারণ, মান বজায় রাখা ও সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্থানীয় সংস্থা হিসেবে বিএসটিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিচে মান নির্ধারণে বিএসইটিআই এর ভূমিকা আলোচনা করা হলোবিএসটিআই- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে একমাত্র সরকারী মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নামে ১৯৮৫ সাল থেকে দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের মান বজায় রেখে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাজার ধরে রাখার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষাকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিএসটিআই এর উদ্দেশ্য :

১. পণ্য-দ্রব্য (শিল্প, খাদ্য ও রাসায়নিক) ও প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত নির্ধারিত মান তৈরি করা।

২. জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে এ সকল মানের ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৩. শিল্প ও বাণিজ্যে প্রমিতকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণের উন্নতি সাধন করা।

৪. পণ্যের মান উন্নয়নে উৎপাদক ও ব্যবহারকারীদের প্রয়োগের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা। ৫. পণ্য-দ্রব্য প্রক্রিয়াকরণে প্রয়োজনে ব্র্যান্ড -এর নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা।

বিএসটিআই এর কার্যাবলী 

১. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উপকরণ, পণ্য, অবকাঠামো, চর্চা এবং কার্যক্রমের মান ও মাত্রা নির্ধারণ ও প্রসার এবং সময়ের সাথে সাথে এগুলো প্রত্যাহার, পুনঃমূল্যায়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করা;

২. দৈর্ঘ্য, ওজন, পরিমাণ ও শক্তির পরিমাপ বিবেচনা ও সুপারিশ করা;

৩. শিল্প ও বাণিজ্যের মান নির্ধারণ, মান নিয়ন্ত্রণ, সরলীকরণ প্রচার করা;

৪. উৎপাদক ও ব্যবহারকারীদের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত মান অনুসরণের ব্যবস্থা করা;

৫. সনদ প্রদান, পণ্য পরিদর্শন বা উভয়ের মাধ্যমে মান বাস্তবায়ন করা;

৬. পণ্য, প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম পরীক্ষা ও পরিদর্শন করা এবং এ সংক্রান্ত সুবিধা দেওয়া এবং পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান করা;

৭. স্থানীয় ব্যবহার, আমদানি বা রপ্তানির উদ্দেশ্যে পণ্য, উপকরণ এবং খাদ্যসহ অন্যান্য দ্রব্যের মান সনদ দেওয়া হয়;

৮. উপকরণ, পণ্য, কার্যক্রম, প্রক্রিয়া, পদ্ধতি প্রভৃতির উন্নয়নে উৎপাদক ও ব্যবহারকারীদের প্রচেষ্টার সমন্বয় করা;

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

৯. কোনো প্রক্রিয়া বা চর্চার স্পেসিফিকেশন প্রতিষ্ঠা ও প্রচার করা;

১০. বাংলাদেশের অন্য কোন প্রতিষ্ঠান, অন্য কোন দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মানকে বাংলাদেশের মান হিসেবে স্বীকৃতি, গ্রহণ ও অন্তর্ভূক্ত করা; ইত্যাদি। মান নির্ধারণে আর্ন্তজাতিক সংস্থার ভূমিকা (জড়ষব ড়ভ ওহঃবৎহধঃরহধষ অমবহপু রহ উবঃবৎসরহরহম ছঁধষরঃু) অভ্যন্তরীন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের জন্য প্রত্যেক দেশের মানদন্ড রয়েছে। কিন্তুআর্ন্তজাতিক ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একদেশের গ্রহণযোগ্য মানদন্ড অন্য দেশে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে ফলে জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। এ সমস্যা সমাধানে সংক্ষেপে ISO একসেট মানদন্ড উদ্ভাবন করেছে যার নাম ISO- ৯০০০।

 পরবর্তীতে পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির জন্য ISO-১৪০০০ করা হয়। আইএসও সনদ লাভের পর প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিতভাবে বাইরের বেসরকারি নিরীক্ষক কর্তৃক পরিদর্শন করতে হয়, নতুবা সনদ বাতিল হয়ে যায়।

নিচে ISO-৯০০০ ও ISO-১৪০০০ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো১. আইএসও- ৯০০০ মান সনদ (ISO-৯০০০: উড়পঁসবহঃধঃরড়হ ঝঃধহফধৎফ): আইএসও- ৯০০০ হচ্ছে একসেট মানদন্ড যার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান পণ্য বা সেবার আর্ন্তজাতিক মান নিশ্চিত করে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বাইরের এবং আইএসও দ্বারা নির্ধারিত একদল বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরীক্ষা করে। মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে সন্তুষ্ট হলে প্রতিষ্ঠানকে সনদ প্রদান করা হয়। সনদ পাবার পর ডাইরেক্টরিতে প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকাভূক্ত করা হয়। ক্রেতারা এই ডাইরেক্টরি দেখে ধারণা করতে পারে কোন কোন প্রতিষ্ঠান আইএসও- এর সনদ পেয়েছে এবং তারা কোন স্তর পর্যন্ত মান সংরক্ষণ করে। এ সনদে পণ্যের মান সম্পর্কে কোন তথ্য থাকে না। আইএসও সনদ দ্বারা ক্রেতা নিশ্চিত হতে পারে যে, প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের যে মান উল্লেখ করেছে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দলিল প্রতিষ্ঠান

উপস্থাপন করতে পারবে। ৫টি সনদের সমণ¦য়ে আইএসও- ৯০০০ গঠিত। এগুলো হলো:

ক) ISO-৯০০০: এ দলিলে অন্যান্য আদর্শ বা মানদন্ড ব্যবহার করা ও নির্বাচনের নির্দেশনা থাকে।

খ) ISO-৯০০১: এক্ষেত্রে মান সংক্রান্ত ২০টি দিকের উপর দৃষ্টিপাত করা হয়। এটি পণ্য ও সেবার নকশাকরণ, উৎপাদন, স্থাপন ও সার্ভিসিং এর সাথে জড়িত।

গ) ISO-৯০০২: যেসব প্রতিষ্ঠান ডিজাইনের কাজের সাথে যুক্ত বা ক্রেতাদের ডিজাইন সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে তাদের জন্য এই মানদন্ড প্রযোজ্য।

ঘ) ISO-৯০০৩: এই সনদ শুধুই উৎপাদন প্রক্রিয়ার উপর দৃষ্টি দেয়।

ঙ) ISO-৯০০৪: অন্যান্য আদর্শ বা মানদন্ড ব্যাখ্যা করার জন্য এতে নির্দেশনা থাকে। 

২. আইএসও- ১৪০০০ একটি পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ISO-১৪০০০: অহ ঊহারৎড়হসবহঃধষ গধহধমবসবহঃ ঝুংঃবস): এই সনদ কাঁচামাল ব্যবহার ও বিপদজনক বর্জ্য সৃষ্টি, ব্যবহার ও অন্যত্র প্রেরণ সংক্রান্ত নীতিমালা নির্ধারণ করে। এসব নীতিমালার মূল লক্ষ্য পরিবেশ সংরক্ষণ করা। এই সনদ প্রাপ্তির শর্ত হচ্ছে পরিবেশ সংরক্ষণে উক্ত বিষয়ে কোম্পানির স্স্পুষ্ট অঙ্গীকার থাকবে। এই সনদে নিম্নোক্ত ৪ টি আদর্শের কথা বলা হয়েছেক) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ঊহারৎড়হসবহঃধষ গধহধমবসবহঃ ঝুংঃবস): সম্পদ ব্যবহার ও দূষিত আউটপুট নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিষ্ঠানকে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

খ) পরিবেশগত কার্যসম্পাদন মূল্যায়ন : প্রতিষ্ঠানসমূহকে সনদ প্রাপ্তির সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রদান করে।

গ) পরিবেশগত লেবেলিং : এখানে পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, জ¦ালানী দক্ষতা ও ওজোন স্তরের নিরাপত্তা প্রভৃতি বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

ঘ) জীবন-চক্র মূল্যায়ন : এখানে পণ্যের উৎপাদন, ব্যবহার এবং অপসারণ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

2 thoughts on “সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝায়? বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে পণ্যের মান ব্যবস্থাপনায় কোন কোন সংস্থা কাজ করে? তাদের কাজ সমূহের বর্ণনা দিন।

  1. প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য থ্যাঙ্ক ইউ স্যার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *