Google Adsense Ads
মানবজীবনে যত ধরনের শারীরিক সমস্যা ভোগ করতে হয়, তার মধ্যে শ্বাসকষ্ট একটি। তবে শ্বাসকষ্ট মানেই রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষণ। একটু দৌড়ালে বা পরিশ্রম করলে সবারই শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু শ্বাসকষ্ট হলে ধরে নিতে হয়, এটি কোনো রোগের উপসর্গ। অনেকে শ্বাসকষ্ট হলে হাঁপানি মনে করেন, সনাতন চিকিৎসা শুরু করে দেন। হাঁপানি হলে শ্বাসকষ্ট হয়, তবে সব শ্বাসকষ্টই হাঁপানি নয়। ফুসফুসের হাঁপানি হলো বিশেষ ধরনের শ্বাসকষ্ট। এটি হঠাৎ করে শুরু হয় এবং এ শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর বুকের ভেতরে বাঁশির মতো শব্দ হয়। একই সঙ্গে কাশি ও বুকের ভেতর শ্বাস বন্ধ ভাব অনুভূত হয়।
হৃৎপিণ্ডের বাম দিকের অংশ অকেজো হয়ে পড়লেও তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, যাকে বলে হৃদযন্ত্রের হাঁপানি। ফুসফুসের ও হৃদযন্ত্রের হাঁপানি উভয় রোগের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট থাকে। চিকিৎসক রোগীর বয়স, লক্ষণ এবং বুক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অনায়াসে বলে দিতে পারেন, রোগী কোন ধরনের হাঁপানিতে ভুগছেন। এছাড়া কিডনির বৈকল্যের জন্যও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। বিভিন্ন অঙ্গে বৈকল্য বা সমস্যার জন্য শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। যদিও এসব ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হয়, তবু এর কারণ ভিন্ন হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থাও ভিন্নতর হয়ে থাকে।
আমরা যেহেতু ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নিয়ে থাকি, তাই ফুসফুসের যে কোনো ধরনের সমস্যা বা রোগেই শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। নিউমোনিয়া সবার কাছে পরিচিত রোগ। বিভিন্ন কারণে এ রোগ হতে পারে। কারণ যা-ই হোক, নিউমোনিয়ার প্রধান উপসর্গ শ্বাসকষ্ট। এটি নির্ভর করে ফুসফুসের যত বেশি অংশ আক্রান্ত হবে, শ্বাসকষ্ট তত বেশি প্রকট হবে।
ক্রনিক ব্রংকাইটিসের নাম অনেকেরই জানা। এ রোগের বিভিন্ন কারণের মধ্যে অতিরিক্ত ধূমপান, ধুলা এবং ধোঁয়াময় পরিবেশ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বংশগত কারণে হয়ে থাকে। বাহ্যিকভাবে ক্রনিক ব্রংকাইটিস রোগের সঙ্গে ফুসফুসের হাঁপানির অনেক মিল আছে, যদিও এ দুটি রোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরন ও প্রকৃতির। এ রোগ হলে শ্বাসকষ্ট দিন দিন বাড়তেই থাকে এবং অনেক রোগী নিজেকে হাঁপানি রোগী বলে মনে করেন। আরও বিভিন্ন কারণে মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগে থাকেন। আমাদের দেশে শ্বাসকষ্টের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে সঠিক এবং সুষ্ঠু চিকিৎসা গ্রহণ করলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও আবাসিক চিকিৎসক, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা
চেম্বার : লাইফ কেয়ার মেডিক্যাল সেন্টার
হক টাওয়ার, মহাখালী টিবি গেট, ঢাকা
Google Adsense Ads
- পাওয়ার স্টেশনের গড় চাহিদা ও ইউটিলাইজেশন ফ্যাক্টর নির্ণয়ের (সহজ উদাহরণ)
- একটি পাওয়ার স্টেশনের ম্যাক্সিমাম ডিমান্ড ২০ MW, প্ল্যান্ট ক্যাপাসিটি ২৫ MW এবং প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ০.৪৮। প্ল্যান্টটির গড় চাহিদা (Average Demand) এবং Utilization Factor কত?
- প্রত্যয়ন পত্র কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
- BEPZA এর সাব স্টেশন এটেনডেন্ট পদের প্রশ্ন উত্তর pdf ২০২৬
- বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
Google Adsense Ads