শিল্প বিপ্লবের ফলে সমাজকর্ম পেশার উত্থান এবং বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মুখােমুখি-ভবিষ্যৎ সমাজকর্মী হিসাবে করণীয় নির্ধারণ

শিল্প বিপ্লবের ফলে সমাজকর্ম পেশার উত্থান এবং বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মুখােমুখি-ভবিষ্যৎ সমাজকর্মী হিসাবে করণীয় নির্ধারণ

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: HSC-2021 বিষয়:সমাজকর্ম ১ম পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 03 বিষয় কোডঃ 271
বিভাগ: মানবিক

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ শিল্প বিপ্লবের ফলে সমাজকর্ম পেশার উত্থান এবং বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মুখােমুখি-ভবিষ্যৎ সমাজকর্মী হিসাবে করণীয় নির্ধারণ।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • শিল্প বিপ্লবের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে 
  • আর্থ-সামাজিক
  • জীবনে শিল্প বিপ্লবের প্রভাব বিশ্লেষণ করতেপারবে 
  • সমাজকর্ম পেশার বিকাশে শিল্প বিপ্লবের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে
  • সমাজকর্ম পেশারপ্রতি শ্রদ্ধাশীল

নির্দেশনা (সংকেত/ধাপ/পরিধি) :

  • ১) দৃষ্টান্তসহ শিল্প বিপ্লবের ধারণা;
  • ২) শিল্প বিপ্লবের প্রভাব বর্ণনা (ইতিবাচক ও নেতিবাচক);
  • ৩) সমাজকর্ম পেশার উত্থানে শিল্প বিপ্লবের ভূমিকা;
  • ৪) সম্ভাব্য ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তিত দিকসমূহ ভবিষ্যৎ সমাজকর্মীর করণীয়;

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

শিল্প বিপ্লবের ধারণাঃ

শতকের দ্বিতীয়ার্ধে দৈহিক শ্রমের পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি ও তার গুণগত মানের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক উন্নতি হয়, তাকেই সাধারণভাবে ‘ শিল্প বিপ্লব ’ ( Industrial Revolution ) বলা হয়। ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি সমাজতন্ত্রী নেতা লুই অগাস্তে ব্ল্যাঙ্কি ( Louis Auguste Blanqui ) শিল্প বিপ্লব কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন।

১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে পুনরায় শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস ( Friedrich Engels )। তবে ১৮৮০-৮১ খ্রিস্টাব্দে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি ( Arnold Toynbee )। সর্বপ্রথম ইউরোপের ইংল্যান্ডের শিল্পবিপ্লব (বস্ত্রশিল্পে) হলেও এর সূচনা কাল নিয়ে অনেক মতভেদ আছে।

ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের কারণ ও ফলাফল ইতিহাসে মোটামুটি ১৭৬০-১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দ এই সময়কালে কৃষি এবং বাণিজ্যিক ব্যবস্থা থেকে আধুনিক শিল্পায়নের দিকে গতি শুরু হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটে। পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর সমুদ্র যাত্রা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের পথ খুলে দেয়।

এরপর পুঁজিবাদের উদ্ভব, বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কার, কয়লার খনি আর ইস্পাতের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অনেক শিল্প শহর আর কারখানা গড়ে উঠে। শিল্পবিপ্লব কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন অগাস্ত ব্লাংকি ১৮৩৮ সালে। পরবর্তীকালে জন স্টুয়ার্ট মিল ও কাল মার্কস শিল্প বিপ্লব কথার প্রয়োগ করেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

শিল্প বিপ্লবের প্রভাব ( ইতিবাচক ও নেতিবাচক ) 

শিল্প বিপ্লব মানব সভ্যতাকে করেছে সুন্দর ও স্বপ্নময় । মেধা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে সময় , শ্রম হলাে সংক্ষিপ্ত ও সহজসাধ্য প্রতিকুল অবস্থা মােকাবেলা যেমন সম্ভব হয়েছে তেমনি জীবনের প্রতিটি অবস্থা মােকাবেলা যেমন সম্ভব হয়েছে তেমনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানব জীবনের আশীর্বাদ স্বরূপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে । 

নিম্নে ইতিবাচক ভূমিকা সমুহ তুলে ধরা হলাে 

১. উৎপাদন বৃদ্ধি ও পেশী ও পশু শক্তির স্থলে যান্ত্রিক শক্তি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃহদায়ন শিল্প গড়ে তােলে উৎপাদন বৃদ্ধি করে বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনগােষ্ঠীর চাহিদা পুরণে সক্ষম হচ্ছে ।

২. জীবনমান উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষা , স্বাস্থ্য , চিকিৎসা , চিত্ত বিনােদনের ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নয়ন সাধন করে বৈচিত্র্যময় জীবনের স্বাদ জনগণের পক্ষে গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে । 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

৩. অর্জিত মর্যাদা ও প্রযুক্তিভিত্তিক জীবন ব্যবস্থায় মানুষের বংশ মর্যাদার পরিবর্তে ব্যক্তির নিজস্ব জ্ঞান , দক্ষতা , অভিজ্ঞতা ও নৈপূণ্যের ভিত্তিতে মর্যাদা প্রদানের পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছে ।

৪. যােগাযােগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্থলযান , নৌযান , বিমান , বেতার , টেলিভিশন , টেলিফোন , ট্যালেক্স , ফ্যাক্স , ইন্টারনেট আবিষ্কার হওয়ায় যাতায়াত ও যােগাযােগ ক্ষেত্রে বৈপ বিক পরিবর্তন সুচিত হয়েছে।

শিল্প বিপ্লবের ফলে সামাজিক মনস্তুত্বিক , নৈতিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয় । উদ্ভুত সমস্যা ছিল সম্পূর্ণ নতুন , জটিল এবং প্রচলিত পদ্ধতিতে সমাধানের অযােগ্য । তাই বলা হয় “ শিল্প বিপ ব শুধু আশীর্বাদই নয় , অভিশাপও বটে । ” 

নিম্নে শিল্প বিপ্লবের নেতিবাচক প্রভাব সমূহ তুলে ধরা হলাে :

১. পেশাগত দুর্ঘটনাঃ শিল্প কারখানায় শক্তি ও যন্ত্রের প্রয়ােগ হওয়ায় পেশাগত দুর্ঘটনার পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে । ফলে নিরাপত্তাহীনতা সহ নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে । 

২. পারিবারিক ভাঙনঃ শিল্প বিপ বের ফলে কৃষি শ্রমিক শিল্প শ্রমিকে পরিণত হওয়ায় পারিবারিক জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন 

৩. বস্তি উদ্ভবঃ শিল্প কারখানার আশে পাশে শিল্প শ্রমিকরা বসবাস করায় আবাসিক সংকট সৃষ্টি হওয়ায় বজ্ঞি উদ্ভব ঘটে । যা পরিবেশ দূষণ ও অপরাধের অনুষঙ্গ ।

৪ পরিবেশ দুষনঃ শিল্প কারখানার বর্জ্য , নির্গত কালাে ধােয়া , ময়লা – আবর্জনা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে । শ্রমিকরা আলাে বাতাস ও জানালাবিহীন দুর্গন্ধময় পরিবেশে কাজ করে ফলে নানা রােগে আক্রান্ত হয় ।

সমাজকর্ম পেশার বিকাশে শিল্প বিপ্লবের ভূমিকা 

সমাজকর্ম পেশার বিকাশে শিল্প বিপ্লবের ভূমিকা গুলাে নিন্মে আলােচনা করা হলােঃ 

প্রথমত , Putting – out প্রথার উদ্ভব হয় । মধ্যযুগে বস্ত্র উৎপাদিত হতাে তাঁতীদের ঘরে । তাঁতী কাঁচামাল সংগ্রহ করে বস্ত্র উৎপাদন করতাে এবং সরাসরি তা বাজারজাত করতাে । কিন্তু আধুনিকযুগের শুরুতে ব্যবসায়ীগণ তাঁতীদের কাছে কাঁচামাল সরবরাহ করে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার দায়িত্ব গ্রহণ করে । এভাবে তাঁতীতার স্বাধীনতা হারায় এবং বণিক পুঁজিশিল্প পুঁজিতেরূপান্তরিত তাঁতীতার স্বাধীনতা হারায় এবং বণিক পুঁজিশিল্প পুঁজিতেরূপান্তরিত হয় । 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

দ্বিতীয়ত , কোন কোন ক্ষেত্রে পুঁজিপতিগণ তাঁতীদেরকে নিজ বাড়িতে উৎপাদন করতে না দিয়ে তাদেরকে এক জায়গায় জড়াে করে উৎপাদন কাজে নিয়ােগ করে । তাঁতীদের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে উৎপাদন কাজ তদারকি করার ক্ষেত্রে যেসব অসুবিধা দেখা। 

তৃতীয়ত , প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছুটা অগ্রগতি সাধিত হয় । সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য পরিবর্তন ছিল ফ্লাইয়িং শাটল ( ঋষুরহম ঝর্যঃঃষব ) নামক এক ধরনের বৈজ্ঞানিক মাকুর প্রবর্তন । এটি ১৭৩৩ সালে জন কে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন । এটি যান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হতাে । অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির উল্লেখযােগ্য উন্নয়ন সম্ভব হয়েছিল । এ প্রসংগে উল্লেখ্য যে , ১৬৬০ থেকে ১৭২৯ সালের মধ্যে অনিক মরু কুর প্রবর্তন । মােট ২৭০ টি উৎপাদন কৌশল সরকারি অফিসে নিবন্ধিত হয়েছিল ।

সম্ভাব্য ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তিত দিক বৃদ্ধি 

১।প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি আসছে । যেগুলাে আগে বাজারে এসেছে সেগুলােও উন্নত হচ্ছে ক্রমানয়ে । জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে । এগুলাে দিনকে দিন তথ্যের সহজলভ্যা বৃদ্ধি করাচ্ছে । শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন । যা শিল্প বিপ্লবের প্রভাব। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

২।ধীরে ধীরে বৈশ্বিক যােগাযােগ ব্যবস্থা উন্নত ও দ্রুততর হচ্ছে । জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞান দানের সিস্টেমটাই পাল্টে দিচ্ছে । জ্ঞানের অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে ।বিশ্বময় পরিবর্তন হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক । গুরুত্ব পাচ্ছে নতুন উদ্ভাবন । পরিবর্তনের জন্য নতুন নতুন স্কিল সামনে নিয়ে আসছে ৪ র্থ শিল্প বিপ্লব । সে গুলাের আলােকেই পরিবর্তনের দিকে এগােচ্ছে । পুঁতিগত বিদ্যার চেয়ে বাস্তব জ্ঞান / দক্ষতার চাহিদা সব ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ।

৩. বিপ্লবের প্রভাবে সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যক জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয় । ফেসবুক , টুইটার , ইউটিউব , ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে । মত প্রকাশের স্বাধীনতা এখন আগের যে কোনাে সময়ের চেয়ে বেশি ( অনলাইন মাধ্যমে ) । ইমাে , হােয়াটস এপ্স , ম্যাসেজ্জার কল বিগত বছরগুলাে থেকে আয় ও ব্যবহারকারীদের দিক থেকে এগিয়ে।

৪। রূৰ্বসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এখন দোকান বুকিং , অগ্রিম টাকা প্রদান , ভাড়া ইত্যাদি । 1 বাজার ব্যবস্থা এখন অনলাইন মাধ্যমেই হয় । ইউরােপে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক মার্কেট ক্রেতা সংকটে ভুগছে ( আগের তুলনায় ) ।

 এই পরিবর্তনের জোয়ার ইউরােপের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের এখানেও পড়েছে । আজ থেকে দুই তিন বছর আগরে বাংলাদেশের কথা যদি বিবেচনায় নেওয়া যায় , সেখানে হয়তাে কিছু ই – কমার্স মাকের্ট এর নাম দেখতে পাব । কিন্তু এখন তা এমনই বেড়েছে যে খােলা চোখে লক্ষ্য করার মতাে । তার জন্য গুগল না ঘটলেও চলবে । বাংলাদেশ থেকে ২০১৭ সালে ই – কর্মাস মার্কেটগুলাে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করেছে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা । ১৩৩৫৭১ টি অনলাইন ভিত্তিক ওয়েব সাইট থেকে । যা ২০২১ সালের মধ্যে পৌঁছাতে পারে ৭০ বিলিয়ন বা ৭ হাজার কোটি টাকায়। 

৫. চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব পড়েছে মেডিকেল সাইন্স সেক্টরে । নিরাপদ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর একবিংশ শতাব্দির জনসাধারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে জটিল রােগের চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে । যা শিল্প বিপ্লবের প্রভাব । 

৬। কৃষিক্ষেত্রেও রয়েছে এর প্রভাব । গবেষকরা চেষ্টা চালাচ্ছেন বায়াে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে । এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান অনেকটাই সফল । নতুন নতুন কৃষিজ বীজ উদ্ভাবন , প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ানাে বড় চ্যালেঞ্জ । Robotic sprayers মতাে প্রযুক্তি এখন কৃষি ক্ষেত্রে নিয়মিতই ব্যবহার হচ্ছে । 

জিন প্রযুক্তি , থ্রিডি – পেইন্টিং , কোয়ান্টাম কোম্পিউটিং , ব্লগ চেইন এছাড়াও অলনাইন মাধ্যমে আউটসোসিংয়ের কাজগুলাে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কাজ । এ রকম অনেক কিছুই বলে লেখা দীর্ঘ করা যাবে । আমি , আপনি যেসব আধুনিক প্রযুক্তি গত সুবিধা ভােগ করছি সেসব অবশ্যই ৪ র্থ শিল্প বিপ্লবের কল্যাণের জন্যই । 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ভবিষ্যৎ সমাজকর্মীর করণীয় 

বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালে ‘ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে । ধন্যবাদ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে পাল্লা দিতে কিছু না হলেও কাজ করে যাচ্ছে । দেশের বেকারদের মধ্যে প্রায় সবাই অদক্ষ । 

শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক গলদ দূর করতে হবে । কখন একজন অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী ইমেল , ফেসবুক আইডি খুলতে পারে না ? ব্লগ কি বা কিভাবে লিখে সে সব কিছুই জানে না । আমরা পারদর্শী শুধু ফেসবুক ইউটিউব ব্যবহারে । কারিগরি শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার এটা সুখবর । তবে সাধারণ শিক্ষায় তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি নামক বিভাগ চালু করা যায় ।

 নবম শ্রেণিতে তিনটি বিভাগের সাথে শিক্ষার্থীরা আইসিটি নামক বিভাগে পড়বে । এখানে প্রােগ্রামিংয়ের বেসিক ধারণা ও কারিগরি জ্ঞান লাভ করবে । বিশ্বমানের স্কিল অর্জনের উদ্দেশ্যে পাঠ কার্যক্রম চালু করার জোর দাবী আমার । এই সেক্টর বিজ্ঞান বিভাগ রিলেটড জব সেক্টর এর চেয়ে কোনাে অংশেই কম নয় । বরং বেশি ছেলে মে এখনও স্বপ্ন দেখে সেনাবাহিনী , ডাক্টার , ইঞ্জিনিয়ার হতে । এগুলাে কে খারাপ বলছি না । সবার স্বপ্ন কে শ্রদ্ধা জানাই । তবে  তাদের জানিয়ে দিতে হবে আমাদের আসছে৷ বিপ্লব সম্পকে । তাঁদের স্বপ দেখাতে হবে আমাদের প্রােগ্রামার ডাটা সাইন্সটিক হতে । 

আমার মতে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীদের অনার্স করার চেয়ে বিষয় ভিত্তিক বিষয়ে পড়াশােনা বা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা উচিত খুব বড় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে । বাংলাদেশের অধিকাংশ জনের পড়াশােনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলাে ভালাে একটা চাকরি । দীর্ঘ ৪/৫ বছর অর্নাস করার চেয়ে আইসিটি নির্ভর কাজ শিখলে চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে অসুবিধা হবে না । স্কিল থাকলে তখন হবে বিশ্ব শ্রমিক । অর্থ ও সময় ব্যয় করেও ঘুরতে হয় চাকরির জন্য । 

সহনীয় মাত্রার ঘােষ আদান প্রদান তাে আছেই । তরুণরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ অনেকটা সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসাবে ধরে নেয় । যেখানে স্কিল অর্জনটা মুখ্য ভূমিকা পালন করে না । আমরা যে বদলে যাওয়া আধিপত্য বিস্তারকারী চীন , জাপান কে দেখতে পাচ্ছি সে সব অর্জিত হয়েছে তাদের। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট , ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *