ল্যাবরেটরির দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করবে ও নিরাপত্তা সামগ্রীর নাম ও ব্যবহার লিখবে

১। ল্যাবরেটরিতে টেস্টটিউবের মধ্যে রাসায়নিক উপাদানকে উত্তপ্ত করার সময় হঠাৎ করে ছিটকে কারাে মুখে পড়লে কী কী করণীয় ব্যাখ্যা কর।
নির্দেশনা :


(ক) ল্যাবরেটরির দুর্ঘটনা প্রতিরােধের উপায় বর্ণনা করবে।
(খ) ল্যাবরেটরির নিরাপত্তা সামগ্রীর নাম ও ব্যবহার লিখবে।
(গ) বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সচেতন থাকতে ল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহার অধ্যয়নের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করবে।

উত্তর:

রসায়ন পরীক্ষাগারে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিম্নের প্রয়োজনীয় বিধান অনুসরণ করতে হবে:

অ্যাপ্রন (Apron):

ল্যাবরেটরিতে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অ্যাপ্রন বা ল্যাব কোট পরিধান করতে হবে। সাধারণত সুতি কাপড়ের হাফ- হাতা সাদা অ্যাপ্রন ব্যবহার করা হয় যাতে কোন রাসায়নিক পদার্থ অথবা বুনসেন বার্নারের শিখা শরীরের সংস্পর্শে না আসে।

নিরাপদ চশমা (Safety Glass):

ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করার সময়ে যাতে কোন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ অথবা বিষাক্ত ধোঁয়া চোখের সংস্পর্শে না আসে তার জন্য নিরাপদ চশমা অথবা গগলস ব্যবহার করতে হয়।

হ্যান্ড গ্লাভস (Hand Gloves):

পরীক্ষাগারে কাজ করার সময়ে রাসায়নিক পদার্থের বোতল থেকে ক্ষয়কারক এসিড, ক্ষার এবং অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে কাজ করতে হয়। অসাবধান হয়ে কাজ করলে অনেক সময়ে রাসায়নিক দ্রব্যাদি হাতের সংস্পর্শে আসলে চামড়ার এবং হাতের ক্ষতি হতে পারে বিধায় পরিবেশবান্ধব হ্যান্ড গ্লাভস পরে কাজ করতে হবে।

মাস্ক (Mask):

পরীক্ষাগারে বিভিন্ন রাসায়নিক পরিক্ষায় CO₂, SO₂, NO₂, H₂S ইত্যাদি ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হয় যার প্রভাবে শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যাথা বা চোখের ক্ষতি হতে পারে। তাই সুরক্ষার খাতিরে মাস্ক পরতে হয়।

জুতা ও ক্যাপ (Shoes and Cap):

নিরাপদে কাজ করার সুবিধার্থে স্যান্ডলের পরিবর্তে পায়ে জুতা পরতে হবে এবং লম্বা চুল বেঁধে মাথায় ক্যাপ পরতে হবে।

1
2

H.S.C

4 thoughts on “ল্যাবরেটরির দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করবে ও নিরাপত্তা সামগ্রীর নাম ও ব্যবহার লিখবে”

Leave a Comment