রাতিনকে তার বাবা দুটি মানচিত্র দিলেন একটি ভিন্ন রং ব্যবহার করে কোথাও গাছ পর্বত মালভূমি নদীবন্দর অঙ্কিত অপরটিতে,সাদাকালো মানচিত্র এবং বিভিন্ন স্থানে ১০,১৪,২০,২৫ প্রকৃত সংখ্যায় লিখে দাগ টেনে পৃথক করে দিলেন,রাতিনের মানচিত্র দুটি প্রকৃত বিশ্লেষণপূর্বক একটি রচনা,মানচিত্রের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা

শ্রেণি: SSC/ 2022 বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 05 বিষয় কোডঃ 110
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

সকল প্রকার সাজেশন: পিএসসি,জেএসসি,এসএসসি, এইচএসসি, অনাস , ডিগ্রী


এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ রাতিনকে তার বাবা দুটি মানচিত্র দিলেন একটি ভিন্ন রং ব্যবহার করে কোথাও গাছ পর্বত মালভূমি নদীবন্দর অঙ্কিত অপরটিতে

সাদাকালো মানচিত্র এবং বিভিন্ন স্থানে ১০,১৪,২০,২৫ প্রকৃত সংখ্যায় লিখে দাগ টেনে পৃথক করে দিলেন। রাতিনের মানচিত্র দুটি প্রকৃত বিশ্লেষণপূর্বক একটি রচনা ।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :  

  • মানচিত্রের ধারণা গুরুত্ব ও ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বিভিন্ন প্রকার মানচিত্র সম্পর্কে বন্ননা করতে পারবে।
  • মানচিত্র তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন নিয়মাবলী বন্ননা করতে পারবে এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ করতে পারবে।

নিদেশনা:

  • মানচিত্রের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা,
  • মানচিত্রের প্রকারভেদ বর্ণনা,
  • মানচিত্রের তথ্য উপস্থাপনের নিয়মাবলি ও প্রতীক চিহ্ন উপস্থাপন,
  • বর্ণনাকৃত দুটি মানচিত্রের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করা প্রতিবেদনে নিম্নের ধাপ অনুসরণ করতে হবে,
  • ১. ভূমিকা
  • ২. মানচিত্র চিহ্নিতকরণ ও তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যাকরণ
  • ৩. মতামত প্রদান
  • ৪. উপসংহার

কাজ :

ক. মানচিত্রের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা
খ. মানচিত্রের প্রকারভেদ বর্ণনা
গ. মানচিত্রের তথ্য উপস্থাপনের নিয়মাবলি ও প্রচলিত প্রতীক চিহ্নসমূহের উপস্থাপন
ঘ. উল্লেখিত দুটি মাত্রচিত্র বর্ণনা


ক.মানচিত্রের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা

উত্তর:

মানচিত্র ধারণা:
সাধারণত মানচিত্র বলতে বড় আকারের কোন এলাকাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে ছোট করে আঁকা প্রতিকৃতিকে বুঝায়।
ইংরেজি ম্যাপ (Map )শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘ম্যাপ্পা'(Mappa) থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ একখণ্ড কাপড় বা একটি রুমাল বা টেবিল আচ্ছাদনের মতো আবরণী কাপড়কে বুঝায়।
প্রামাণ্য সংজ্ঞা: রউফ এবং মাহমুদ ,২০১০ এর মতে,সমগ্র পৃথিবী অথবা এর কোন অংশের প্রতিকৃতি সঠিক দিক অনুসারে নির্দিষ্ট স্থানে সমতল কাগজের উপর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা দ্বারা সৃষ্ট ছকের ভিতরে অংকন করা হলে তাকে মানচিত্র বলে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


মানচিত্র হলো কতকগুলো প্রচলিত সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে কোনো ভূপৃষ্ঠের বস্তু, এলাকা এবং বিষয়ের চিত্র প্রদর্শন করাকে বুঝায়।

মানচিত্রের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

  • ভূপ্রকৃতি, নদনদী, হ্রদ, পুকুর, বনভূমি ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিষয়গুলির বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করা যায়।
  • রাস্তাঘাট ও যাতায়াত ব্যবস্থা, লােকবসতি ইত্যাদি সাংস্কৃতিক বিষয় সম্বন্ধে জানা যায়।
  • প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা নির্ভরতা সম্বন্ধে জানা ও বিশ্লেষণ করা যায়।
  • কোনাে অঞ্চলের বিভিন্ন সম্পদ সম্পর্কে সমীক্ষা করা যায়।
  • আঞ্চলিক উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়।
  • সামরিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা প্রভৃতি কারণেও ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র পাঠ করা হয়।


খ. মানচিত্রের প্রকারভেদ বর্ণনা

উত্তর:

মানচিত্র বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। কী উদ্দেশ্যে মানচিত্রটি ব্যবহৃত হবেতার উপর ভিত্তি করে যে যে মানচিত্র হয় তার কিছু প্রকারভেদ নিচে উল্লেখ করা হলো:


১। মৌজা মানচিত্র (Cadastral Map): ভূমিও বিল্ডিং এর মালিকানার সীমানা চিহ্নিত করার জন্য যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাই মৌজা মানচিত্র। নিখুঁতভাবে সীমানা নির্ধারিত থাকে এ মানচিত্রে।


২। ভূস্থানিক মানচিত্র (Topographic Map): প্রকৃত জরিপ কার্যের মাধ্যমে ভূস্থানিক মানচিত্র তৈরি করা হয়। এ ধরনের মানচিত্রে সাধারণত প্রাকৃতিক ও সামাজিক উপাদান দেখানো হয়ে থাকে। যেমন পাহাড়, সমভূমি, নদনদী, রেলপথ ,হাট-বাজার ইত্যাদি নিখুঁতভাবে দেখানো হয়।


৩। দেয়াল মানচিত্র (Wall Map) : মূলত শ্রেণিকক্ষে ও দেয়ালে প্রদর্শনের জন্য এ ধরনের মানচিত্র ব্যবহার করা হয়।মানুষের চাহিদা মোতাবেক যখন কোন একটি মহাদেশ ,দেশ ও দেশের এক একটি অংশকে আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয় তাকে দেয়াল মানচিত্র বলে।


৪। মৃত্তিকা বিষয়ক মানচিত্র (Soil Map): মাটির ধরনের উপর ভিত্তি করে এ মানচিত্র তৈরি করা হয়।


৫। প্রাকৃতিক মানচিত্র( Physical Map): মানচিত্রে যখন কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূমিরূপ যেমন__ পর্বত, মরুভূমি ,নদনদী, ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে তখন সে মানচিত্রই হলো প্রাকৃতিক মানচিত্র।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


৬। ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র( Geological Map): ভূতক গঠনকারী শিলাসমূহের অবস্থান ও গঠনের উপর ভিত্তি করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র বলে।


৭। জলবায়ুগত মানচিত্র(Climate Map): বায়ুর তাপ,বায়ুর চাপ ,বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, আদ্রর্তা প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে জলবায়ুগত মানচিত্র বলে।


৮। উদ্ভিজ্জ বিষয়ক মানচিত্র (Vegetation Map) : বিশ্বের কোথায় কোন ধরনের প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ আছে তার উপর ভিত্তি করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে উদ্ভিজ্জ মানচিত্র বলে।


৯। ভূচিত্রাবলী বা এটলাস মানচিত্র (Chorographical or Arts Map) : মানচিত্রের সমষ্টিকে ভূচিত্রাবলি বা এটলাস মানচিত্র বলে। এতে প্রাকৃতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মানচিত্র তৈরি করা হয়।


১০। সাংস্কৃতিক মানচিত্র( Cultural Map): বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা বিভিন্ন দেশ ও রাষ্ট্রের সীমা ঐতিহাসিক কোনো স্থান বা স্থাপত্য বিভিন্ন অঞ্চলের সমাজব্যবস্থার বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি নিয়ে যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাই সাংস্কৃতিক মানচিত্র।


রাজনৈতিক মানচিত্র, বন্টন মানচিত্র, ঐতিহাসিক মানচিত্র ,সামাজিক মানচিত্র ইত্যাদি সাংস্কৃতিক মানচিত্রের বিভিন্ন প্রকার।


গ. মানচিত্রের তথ্য উপস্থাপনের নিয়মাবলি ও প্রচলিত প্রতীক চিহ্নসমূহের উপস্থাপন

উত্তর:

AVvXsEh3DRUz4E8znrzS5eio uKgZovYudhk3unsQ Mj KcVnBdiYf33xzjgov90D9fN vC1SSQHXA727 ZwW1sA17fKh5st zditwDwpe uY DhLymAu4dZcxHPJIrL 25r7qgIU9tOVL42OXHub0ro2vm80BXRdVUpWUohh03nSPCCUo


ঘ. উল্লেখিত দুটি মাত্রচিত্র বর্ণনা

উত্তর:

ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র ও মৌজা মানচিত্র

ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র:

একটি ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র হল একটি বিশেষ উদ্দেশ্যযুক্ত মানচিত্র যা ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদর্শন করে। পাথর উপাদান বা ভূতাত্ত্বিক স্তর রং বা প্রতীক চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং পৃষ্টতলকে উন্মুক্ত ভাবে প্রদর্শন করে মানচিত্রটি। ভূ-পৃষ্ট এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যগুলি যেমন ত্রুটি, ভাঁজ, ফলিটিশন এবং লাইনগুলি হানা এবং ডুব বা প্রবণতা এবং নিমজ্জন চিহ্ন দ্বারা দেখানো হয় যা এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে ত্রি-মাত্রিক পূর্বাভাস দেয়।

স্ট্রাটিগ্রাফিক কনট্যুর লাইন গুলি একটি নির্বাচিত স্ট্রাটাম পৃষ্ঠকে চিত্রিত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে যা ভূ-পৃষ্ঠের টপোগ্রাফিক প্রবণতা ব্যাখ্যা করে। ইসোপাচ মানচিত্রের বিস্তারিত বর্ণনা হল স্ট্রাক্টগ্রাফিক ইউনিটের বেধে। এই মানচিতওর

প্রাচীনতম সংরক্ষিত ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র হল তুরিন প্যাপিরা (১১৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), যা মিশরের পাথরের ও স্বর্ণের আমদানির অবস্থান দেখায়।।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

আধুনিক যুগের প্রাচীনতম ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র হচ্ছে ১৭৭১ সালের অভারেনের অংশ বা বর্তমান লাভা পরিসংখ্যান যা প্রিজম, বেল, ইত্যাদি বাসাল্ট থেকে তৈরি করা হয়। এই কঠিন ব্যাসল্ট মিঃ ডেম্রেস্টের তত্ত্বের সাথে ব্যবহার করা হয়েছে এবং মেসার দ্বারা খোদিত হয়েছে। পাওমোট এবং ডেইলি ছিলেন ভৌগোলিক প্রকৌশলীর রাজা।

এই মানচিত্রটি নিকোলাস দেসেমরেস্টে-এর ১৭৭৮ সালে ভূতত্ত্ব ওঅউভারগান আগ্নেওগিরির বিস্ময়কর ইতিহাস এবং আয়ারল্যান্ডের জায়ান্টের কসওয়ে স্তম্ভগুলির বিশদ বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছিল। তিনি বিলুপ্ত আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেছেন। ১৭৭১ সালের প্রতিবেদন ১৭৭১ সালে (ফরাসি) রয়্যাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স কম্পেনডিয়ামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রটি ১৮০৯ সালে উইলিয়াম ম্যাক্লোয়ার তৈরি করেন। হয়। ১৮০৭ সালে, ম্যাক্লোয়ার নিজের প্রচেষ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভূতাত্ত্বিক জরিপ শুরু করেন। তিনি ভেদকরেখার এবং ইউনিয়নে প্রায় প্রতি রাষ্ট্র মানচিত্র তৈরী করেন। তার জরিপের দুই বছরের সময়কালে অ্যালঘেনি পর্বতমালা তিনি ৫০ বারের বেশি পার হয়েছেন। ম্যাক্লোয়ারের মানচিত্রটি পাঁচটি শিলা বা পাথরের অবস্থান দেখায় যা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির ভূতত্ত্বের সঙ্গে মিলে যায়।

১৮১৫ সালে উইলিয়াম স্মিথ গ্রেট ব্রিটেনের প্রথম ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রটি তৈরি করেছিল।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

মৌজা মানচিত্র :

মৌজা হচ্ছে রাজস্ব আদায়ের সর্বনিম্ন একক-এলাকা। মুঘল আমলে কোন পরগনা বা রাজস্ব-জেলার রাজস্ব আদায়ের একক হিসেবে শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো। একগুচ্ছ মৌজা নিয়ে গঠিত হতো একটি পরগনা । বিংশ শতাব্দীতে মৌজা শব্দটি ব্যবহূত হয় সামাজিক একক গ্রামের বিকল্প নাম হিসেবে এবং এই নামটি বেশ জনপ্রিয়তাও লাভ করে।

ঊনবিংশ শতাব্দী এবং তারও পূর্বে মৌজা সামাজিক ও রাজস্ব উভয়েরই একক হিসেবে চিহ্নিত হতো। এমন অনেক মৌজা ছিল যেখানে সামান্য কয়েকটি বসতবাড়ি ছিল অথবা আদৌ কোন বসতবাড়ি ছিল না। মৌজা ছিল শনাক্তকরণের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য চিহ্ন। মৌজার অন্তর্গত নির্দিষ্ট পরিমাণ ভূমিতে ছিল গ্রামীণ বসতি বা স্থাপনা।

স্থানীয় অবস্থাভেদে এই বসতিগুলি ছিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে অথবা একস্থানে কেন্দ্রীভূত। কেন্দ্রীভূত স্থাপনাগুলি সামগ্রিকভাবে গ্রাম বা পল্লী নামে পরিচিতি লাভ করে। জরিপ বিভাগ এবং রাজস্ব আদায়কারী কর্মচারীদের নিকট তাই শব্দদুটির (মৌজা ও গ্রাম) দুটি স্বতন্ত্র অর্থ রয়েছে। রাজস্ব নির্ধারণ এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য এক ইউনিট জমির ভৌগোলিক অভিব্যক্তি ছিল মৌজা। অন্যদিকে গ্রাম ছিল মৌজার অন্তর্ভুক্ত শক্ত সামাজিক বন্ধনে গঠিত মনুষ্যবসতি। এভাবে একটি মৌজার অন্তর্গত একের অধিক গ্রাম থাকতে পারত এবং একইভাবে, একটি গ্রাম সন্নিহিত দুটি মৌজা নিয়ে গঠিত হতে পারত।

বঙ্গদেশের পাললিক সমভূমিতে কেন্দ্রীভূত রীতিতে গ্রামবসতি খুব কমই গঠিত হয়েছে। ব্যক্তিক কৃষক পরিবার উন্মুক্ত মাঠে তাদের নিজস্ব ভূমির উপর বাস্তুভিটা নির্মাণ করা সুবিধাজনক মনে করত। উদাহরণস্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাকেরগঞ্জ জেলার সমতল ভূমিতে কদাচ গুচ্ছ বা কেন্দ্রীভূত গ্রাম ছিল। প্রতিবেশিতার বিষয় বিবেচনা না করেই এসব বসতবাড়ি নির্মাণ করা হতো।

কিন্তু সিলেট ও ময়মনসিংহ জেলায় বিষয়টি এরকম ছিল না। সেখানে নদীতীরের উঁচু জমিতে কৃষকরা বৃহদাকার কেন্দ্রীয় গ্রামবসতি স্থাপন করত। উত্তরবঙ্গের জেলাসমূহে কতিপয় জলাশয়ের (পুকুর, দিঘি, ইত্যাদি) চারদিকে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করা ছিল সাধারণ বৈশিষ্ট্য। একইভাবে, পরবর্তীকালে বঙ্গদেশের জেলাসমূহে ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ পরিচালনাকালেও মৌজাকে সর্বনিম্ন রাজস্ব একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

স্থানীয় রাজস্ব নকশায় জুরিসডিকশন লিস্ট (জেএল) এবং রেভিনিউ সার্ভে (আরএস) নম্বর দ্বারা একটি মৌজা শনাক্ত করা হতো। জরিপ বা সেটেলমেন্টের রেকর্ডপত্রে মৌজা শব্দটির ব্যবহার এখনও প্রচলিত।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ও


অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • Class: 6 To 10 Assignment Answer Link

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

১০ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর


উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট
বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/



Leave a Comment