ভেক্টর রাশি ব্যাখ্যা ও তিন ফেস ষ্টার সংযোগ পদ্ধতি বৈশিষ্ট্য লিখবে

ভেক্টর রাশি ব্যাখ্যা ও তিন ফেস ষ্টার সংযোগ পদ্ধতি বৈশিষ্ট্য লিখবে

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

ভেক্টর রাশি ব্যাখ্যা লিখবে

উত্তর:

ভেক্টর রাশি কাকে বলে:

যে রাশিকে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় তাকে ভেক্টর রাশি বলা হয় অর্থাৎ যে রাশিকে পরিমাপ করার জন্য বা যে রাশি কে ঠিক মত প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন তাকে ভেক্টর রাশি বলে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
ভরবেগ, বেগ, সরণ, বল, প্রাবল্য, ওজন, ত্বরণ, মন্দন, ভ্রামক, সান্দ্রতা, পৃষ্ঠটান, মহাকর্ষীয় বল ইত্যাদি সবই ভেক্টর রাশি।
দূরত্ব স্কেলার কিন্তু সরণ ভেক্টর, দ্রুতি স্কেলার কিন্তু বেগ ভেক্টর, বিভব স্কেলার কিন্তু প্রাবল্য ভেক্টর রাশি।

ভেক্টর রাশি ব্যাখ্যা লিখবে

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
দুই বা ততোধিক এক জাতীয় ভেক্টর যোগ করে একটি নতুন ভেক্টর পাওয়া যায়, একে লব্ধি বলে।
দুটি ভেক্টর যখন একই সরলরেখা বরাবর পরস্পর একই দিকে ক্রিয়া করে তখন তাদের লব্ধির মান সর্বোচ্চ এবং এই মান ভেক্টর রাশি দুটির যোগফলের সমান অর্থাৎ R = P + Q ।
দুটি ভেক্টর বিপরীত দিকে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান সর্বনিম্ন হয় অর্থাৎ R = P – Q ।
যে ভেক্টরের মান শূণ্য তাকে শূন্য ভেক্টর বা নাল ভেক্টর বলে ।

ভিক্টর রাশি কে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে –

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

একক ভেক্টর
সম ভেক্টর
বিপরীত বা ঋণ ভেটর
সীমাবদ্ধ ভেক্টর
সদৃশ ভেক্টর
স্বাধীন ভেক্টর
বিসদৃশ ভেক্টর
সমরেখ ভেক্টর
আয়ত একক ভেক্টর
নাল বা শূন্য ভেক্টর
অবস্থান ভেক্টর

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

তিন ফেস ষ্টার সংযোগ পদ্ধতি বৈশিষ্ট্য লিখবে

উত্তর:

থ্রি ফেজ সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম যার মাদ্ধমে পাওয়ার জেনারেশন, ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন করা হয়ে থাকে। ১৮৮২ সালে এই পদ্ধতিতে উদ্ভাবন ঘটে যে ১ টির বেশি ফেজ দিয়েও পাওয়ার জেনারেশন, ট্রান্সমিশন ও লোডের জন্য ডিস্ট্রিবিউশন করা সম্ভব।

পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ তাদের বিদ্যুৎ বিতরণের জাতীয় গ্রীডে থ্রি-ফেজ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। বিশাল বিশাল বৈদ্যুতিক মোটর এবং অনুরূপ অনেক ভারী বৈদ্যুতিক লোডে বিদ্যুৎ শক্তি সরবরাহ করতেও এই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

থ্রি ফেজ সার্কিট একটি পলিফেজ সিস্টেম যেখানে জেনারেটর থেকে তিনটি ফেজ একসাথে লোডে প্রেরণ করা হয়। প্রতিটি ফেজের ফেজ ডিফারেন্স ইলেকট্রিক্যালি ১২০ ডিগ্রী অর্থাৎ টোটাল ফেজ ডিফারেন্স ৩৬০ ডিগ্রী।

তিনফেজের প্রতিটি ফেজকে এক একটি সিঙ্গেল ফেজ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। যদি লোড সিঙ্গেল ফেজের হয় তবে তিন ফেজ সার্কিট থেকে যেকোন একটি ফেজ নিয়ে সাথে একটি নিউট্রাল ব্যবহার করে লোড চালানো যাবে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

যখন ১২০ ডিগ্রী ব্যবধানে অবস্থিত তিনটি কয়েল এমনভাবে সংযোগ করা হয় যে প্রথমটির শেষ প্রান্ত দ্বিতীয়টির প্রথম প্রান্ত, দ্বিতীয়টির শেষ প্রান্ত তৃতীয়টির প্রথম প্রান্ত এবং তৃতীয়টির শেষ প্রান্ত প্রথমটির প্রথম প্রান্ত সংযোগ করা হয় তাহলে উক্ত সংযোগকে ডেল্টা Δ কানেকশন বলে। একে মেশ কানেকশন ও বলা হয়ে থাকে।

ডেল্টা কানেকশন স্টেপ বাই স্টেপ কিভাবে করতে হয় তাই দেখবোঃ

চিত্র – ১ঃ তিনটি লাইন নেয়া হয়েছে এবং লাইনের মাঝখানে ফাঁকা রাখা হয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

চিত্র – ২ঃ তিনটি লাইনের মাঝখানে তিনটি কয়েল আঁকা হয়েছে।

চিত্র ৩ঃ কয়েল তিনটি নামকরন করা হয়েছে U, V, এবং W দিয়ে। এবং প্রতিটি কয়েলের শুরুর প্রান্ত এবং শেষ প্রান্ত নাম্বার দিয়ে সনাক্ত করা হয়েছে (শুরু ১ এবং শেষ ২)

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

চিত্র ৪ঃ প্রতিটি কয়েলের শুরুর অংশকে U1, V1, W1 এবং শেষের অংশকে U2, V2, W2 দিয়ে মার্ক করা হয়েছে।

চিত্র ৫, ৬ঃ চিত্র ৫ এবং ৬ নং এ ডেল্টা কানেকশন চিত্র দেখানো হয়েছে। লক্ষ্য করুন, প্রতিটি কয়েলের ২ নম্বর প্রান্তের সাথে পরবর্তী কয়েলের ১ নম্বর প্রান্ত যুক্ত রয়েছে অর্থাৎ (U2 V1), (V2 W1), (W2, U1) যুক্ত রয়েছে।

এবার চলুন Practically আমরা কিভাবে ডেল্টা কানেকশন দিব সেটা বুঝার একটু চেষ্টা করি। আমরা জানি যে থ্রি ফেজ মােটরের টার্মিনাল থেকে বের হয় ০৬ টি তার। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও ০৬ টি ফেজ নেই। আর সব দেশের মত আমাদের বাংলাদেশেও ফেজ রয়েছে মাত্র তিনটি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

মােটরের ০৬ টি তারের সাথে পিডিবি বা আরইবির লাইনের তিনটি তারকে ব্যবহার করে ডেল্টা পদ্ধতিতে সংযােগ দিয়ে মােটর চালাতে হয়।

চিত্র – ৭ এ একটি মোটর এবং চিত্র – ৮ এ থ্রি ফেজ লাইনের সাথে মোটরের কানেকশন দেয়া হয়েছে। লক্ষ্য করুন, প্রথম ফেজের শুরুর প্রান্তের নাম U1, ২য় ফেজের V1 এবং সর্বশেষ ফেজের নাম W1. একইভাবে মােটরের ফেজের শেষ প্রান্ত U2, V2 এবং W2 দেয়া হয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

চিত্র – ৮ এর ন্যায় সাধারণত মোটরকে ডেল্টাতে এভাবে কানেকশন করা হয়। মনে রাখতে হবে, ভারী মোটরকে ডেল্টাতে সরাসরি চালানো যাবে না, মোটর পুড়ে যেতে পারে। একারনে মোটরকে প্রথমে স্টারে কিছু সেকেন্ড চালিয়ে ডেল্টা সংযোগে চালাতে হয়। পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

এবার পাঠ্যপুস্তক বইয়ের সাথে নিচের চিত্রের তুলনা করুন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

H.S.C

শেয়ার করুন:

2 thoughts on “ভেক্টর রাশি ব্যাখ্যা ও তিন ফেস ষ্টার সংযোগ পদ্ধতি বৈশিষ্ট্য লিখবে

আপনার মূল্যবান মতামত দিন