ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের প্রভাব বিশ্লেষণ,কোন দল বা গােষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থানে এগিয়ে নেওয়ার কৌশল জানতে পারবাে।, একজন নেতার কি কি গুন থাকা দরকার তা আমরা জানতে পারবাে।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের প্রভাব বিশ্লেষণ,কোন দল বা গােষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থানে এগিয়ে নেওয়ার কৌশল জানতে পারবাে।, একজন নেতার কি কি গুন থাকা দরকার তা আমরা জানতে পারবাে।

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১২শ / HSC বিএম-2021 বিষয়: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 07 বিষয় কোডঃ 1827
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের প্রভাব বিশ্লেষণ।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • কোন দল বা গােষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থানে এগিয়ে নেওয়ার কৌশল জানতে পারবাে। 
  • একজন নেতার কি কি গুন থাকা দরকার তা আমরা জানতে পারবাে। 

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • নেতৃত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,
  • একজন আদর্শ নেতার  গুনাবলী ব্যাখ্যা করতে হবে।,
  • নেতৃত্বের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে হবে।,
  • নেতার ক্ষমতার উৎস গুলাে বর্ণনা করতে হবে,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • নেতৃত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,

লিডারশীপ বা নেতৃত্ব হচ্ছে একজন মানুষের সেই সক্ষমতা যা দিয়ে কোন একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সমাজের মানুষকে বা কোন দলকে অনুপ্রেরণা ও দিক নির্দেশনা দিয়ে পরিচালিত করতে পারে। একজন সফল নেতার দায়িত্ব হচ্ছে তার অনুসারীদেরকে শুধু অনুপ্রেরিত ও পরিচালিত বা তাদের দিয়ে কাজ করানোই নয় বরং তার অনুসারীদের মাঝ থেকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেয়ার মত যোগ্যতা অর্জনের প্রতিভার অন্বেষণ ও প্রশিক্ষণ।

তবে যে কোন আন্দোলনের নেতৃত্বে বিশ্বাসযোগ্যতা বা Credibility

একটি বিরাট ব্যাপার, বিশেষ করে কোন সমাজের গুনগত পরিবর্তনের আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব দিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। আজকাল মুসলিম বিশ্বের দূর্বৃত্তায়নের যুগে মানবতার কল্যাণে ইসলামী আদর্শের নেতৃত্বকে সামনে আসতে হলে সমাজে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা বা Credibility অর্জন করতে হবে।

আর তা কেবল সম্ভব সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলে। এখানে বক্তৃতা ভাষণের চেয়ে বড় প্রয়োজন দক্ষতার সহিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে জনগণের আস্থা অর্জন। আদর্শিক আন্দোলনে ব্যক্তির চেয়ে আদর্শ বড় তাই আদর্শের স্বার্থে ব্যক্তির স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। আর শুধু আদর্শের বুলি আওড়ালে কাজ হবে না বাস্তবে মানুষের বৈষয়িক জীবনের কোন কাজে না আসলে সে নেতৃত্ব সমাজের গুনগত পরিবর্তনে সফল ভূমিকা রাখতে পারবেনা।

দুনিয়ার কামিয়াবি ও আখেরাতের সাফল্য উভয়ই হতে হবে সঠিক নেতৃত্বের কাম্য। সঠিক লিডারশীপের যোগ্যতা অর্জন করাটাও একটি বিরাট বিষয়। আজকের লিখাটায় চেষ্টা করব সে বিষয়ে কিছু আলোচনা করার। এখানে কাউকে হেয় বা অসম্মান করার জন্য নয় বরং এ আলোচনায় কিছুটা সচেতনতা জাগবে সে প্রত্যাশায় এ প্রচেষ্টা।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • একজন আদর্শ নেতার  গুনাবলী ব্যাখ্যা করতে হবে।,

১.সাহসিকতা:

নির্ভীকভাবে যেকোনো কাজ এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার মধ্যে ই প্রকৃত নেতৃত্বে র প্রকাশ হয়।  সময়ে সময়ে এক নেতাকে গতানুগতিক রাস্তার বাইরে হেঁটে অজানা রাস্তায় হাঁটতে হয়। তবে এমনটা করার সময় প্রকৃত নেতারা কোনদিনও পি ছিয়ে যান না।

২.দায়িত্ব:

যেকোনো নতুন রাস্তায় হাটতে গেলে ভুল হওয়া টা খুব স্বাভাবিক। ভুল অনেক ধরনের হতে পারে। তিনি নিজেও ভুল করতে পারেন।

বা ভুলটা তিনি না করলেও তারই দলের অন্য কেউ করেছে। তখন একজন ভাল নেতা সবকিছু ভুলে গিয়ে সেই ভুলের নৈতিক দায়িত্ব পালন করেন।

 ৩.আশাবাদী এবং ইতিবাচকতা:

খারাপ সময় কি খারাপ সময় না ভেবে  ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তাভাবনা করা  ভালো নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অনেক সময় পরিস্থিতি আমাদের স্বপক্ষে থাকে না।

যেকোনো কিছু শুরু করবার সময় আমরা অর্থনৈতিক বা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ি ।এক্ষেত্রে একমাত্র একজন ভাল নেতা মন খারাপ না করে ঠিকঠাক কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

৪.আত্মবিশ্বাস: 

ইতিহাস সাক্ষী  আছে যখন পৃথিবীর একজন  ব্যক্তি ও একজন নেতাকে বিশ্বাস করেন না, তখন সেই নেতা নিজের উপর বিশ্বাস হারান না।

এমনকি দেখা গেছে অনেক সময় পরিবার থেকেও নেতারা তেমনটা সহযোগিতা পান না । তবুও তারা কখনোই নিজের উপর বিশ্বাস হারাতে রাজি নন।

৫.মানের স্তর সম্মন্ধে লক্ষ্য রাখা:

একজন প্রকৃত নেতার সবসময়ই মানের স্তরের উপর তীক্ষ্ম নজর থাকে।পণ্য সামগ্রী কেনার সময় তিনি অনেক ভালভাবে যাচাই করতে পারেন।

ঠিক তেমনি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজের দলের আওতায় আনতে ও তিনি সঠিক পরখ করে নিতে পারেন।

৬.স্ব অনুপ্রাণিত: 

বলা আর করার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।সমাজের অনেকেই রয়েছে যারা অনেক কিছু বলতে পারেন কিন্তু বাস্তবে কিছু করতে গেলে কিছুদিনের মধ্যেই সেই বিষয়টিতে নিজে র আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেন।

কিন্তু প্রকৃত নেতার ক্ষেত্রে তা হয় না। তিনি সবসময়ই কোন কাজকে নতুন করে শুরু করতে আগ্রহ রাখেন।

৭. মানসিক ভাবে প্রবৃত্ত: 

একজন নেতা যেকোনো কাজেই অনেক বেশি একাত্ম হতে পারে ন। তিনি সেই কাজটির জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়ে ভাবতে পারে।

সময়, টাকা পয়সা বা অন্যান্য  শক্তি বিনিয়োগ করতেও পিছপা হন না। তিনি যখনই কাজটি শুরু করে ন, কাজটি শেষ হওয়া অবধি সেই কাজে লেগে থাকেন।

৮. চরিত্র:

এক নেতার আরেকটি মস্ত বড় মনে হচ্ছে তার চরিত্র। নেতা তার চরিত্র দিয়ে তার দলের সঙ্গীদের আকর্ষণ করে ন। শুধু তাই নয় সম্পূর্ণ সমাজ ও একজন নেতার চরিত্র দেখে ই তার সম্বন্ধে নতুন ধারণা তৈরি করে।

৯. মনকে নিয়ন্ত্রণ রাখার ক্ষমতা: 

একজন নেতার ঠান্ডা মাথায় কাজ করা খুবই প্রয়োজন।আর ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে গেলে সবচেয়ে প্রথম ধাপ হচ্ছে মনকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা।

দুর্ঘটনা বা ক্ষতির সম্ভাবনা য় মাথা ঠান্ডা রেখে সে কাজটি সম্পন্ন করতে হয় যা একজন নেতা খুব ভালোভাবেই জানেন।

১০. মানসিক শক্তি এবং বুদ্ধি:

মানসিক শক্তি এবং মানসিক বুদ্ধি একজন ব্যক্তিকে অন্য একজন ব্যক্তি থেকে আলাদা করে তুলে।

এই শক্তি মানুষকে অন্যরকম ভাবতে সাহায্য করে।বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে যারা নেতৃত্ব দিতে পারদর্শী তাদের মানসিক শক্তি ও বুদ্ধি খুবই তুখোড়।

১১. কৌতুক : 

বিভিন্ন নতুন গবেষণা থেকে জানা গেছে যারা নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন তারা কৌতুকেও আগ্রহ রাখেন।

সূক্ষ্ম কৌতুক গুলি তারা খুব ভালভাবেই বুঝতে পারেন। এবং অনেক সময় দেখা যায় তারা সেই  গুণ নিজের জীবনে প্রয়োগ করে অনেক ধনী এবং উচ্চ পদে চলে যান।

১২. আবেগের সাথে কাজ করার ক্ষমতা:

যে কোন কাজে সফল হওয়ার জন্য কাজের প্রতি ভালোবাসা রাখাটা খুবই প্রয়োজন।আর যারা নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন তারা ভাল করেই জানি কোন কাজটি তাদের পছন্দের। আবেগ ভালোবাসা কে যথার্থ মূল্য দিয়ে তারা কাজ শুরু করেন। আর এভাবেই তারা এক দক্ষ নেতা হিসেবে উঠে আসেন

১৩.কঠোর পরিশ্রম করার শক্তি:

একটি মেয়ে তার কঠোর পরিশ্রম করার শক্তি রয়েছে। তারা অপরিসীম ধৈর্যের অধিকারী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কাজ করে সেই কাজ থেকে যদি কোন ইতিবাচক পরিবর্তন না ঘটে তবুও ধৈর্য হারান না। দিনের পর দিন কাজ করে যান এবং পরিশ্রম করেন যতদিন পর্যন্ত সফল হতে পারছেন না।

১৪. সততা, বিশুদ্ধতা:

সততা এবং বিশুদ্ধতা গুন দুটি খুবই কম মানুষের মধ্যে পাওয়া যায়। যারা সততা এবং বিশুদ্ধতার সাথে যেকোনো কাজে এগিয়ে যান তারা সমাজের ,দলের ,পরিবারের বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে প্রচুর সম্মান পান। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের কে বেসরকারি সংস্থা থেকেও সাহায্য করা হয়।

১৫. ঐক্য বজায় রাখার ক্ষমতা:

সাধারণত একজন প্রকৃত নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তি তার টিম কে খুব ভালোবাসে ন।দলের কোনো ভুল হলে সেই ভুল বা ক্ষতিকে দায়িত্ব নিয়ে নিজের কাঁধেই চাপিয়ে দেন। এতে দলের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। একজন টিম মেম্বার আরেকজনকে আরো বেশি বিশ্বাস করতে পারে।

১৬. সুযোগকে বোঝার ক্ষমতা:

প্রকৃতি সবসময় মানুষকে নতুন  সুযোগ দিতে চায়।পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকৃতি মানুষকে নতুন সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু খুব কম মানুষই সেই সুযোগকে বুঝে উঠতে পারেন।একমাত্র নেতারাই সেই সুযোগকে ভালো করে বুঝে সেটাকে কাজে লাগাতে পারে ন।

১৭. নিয়মানুবর্তিতা:

একজন নেতার আর একটি ভাল গুণ হচ্ছে তিনি একজন নিয়মানুবর্তী ব্যক্তি হন।বিভিন্ন গবেষণা মতে একজন ব্যক্তি তার ট্যালেন্ট এর জন্য এগিয়ে যায় না। এগিয়ে যায় তার কঠোর অর্থাৎ নিয়ম করে সেই কাজটি বার বার করার মাধ্যমে।যে ব্যক্তি নিয়মানুবর্তিতা ধরে রাখতে পারেন তিনি খুব ভালো একজন নেতা হতে পারেন।

১৮. সৃজনশীলতা:

যেকোনো কাজ করতে গিয়ে ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে ভেবে নতুনরূপে কাজটি করার মাধ্যমে মানুষ এগিয়ে যায়। একজন নেতা যেকোনো কাজে যুক্ত হলে সেই কাজটি কে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে সম্পন্ন করতে পারেন।

১৯. নতুন দৃষ্টিভঙ্গি:

যে কোন জিনিসকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি বা দৃষ্টিকোণ নিয়ে ভাবার মধ্য দিয়ে আপনার ক্ষমতার প্রকাশ পায়। কোন একটি ব্যাপারে দেখা যায় এতে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক দুটোই রয়েছে।কিন্তু একজন নেতা ইতিবাচক দিকগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং সেগুলো কাজে ও লাগাতে পারেন।

২০.বিনীত এবং নম্র:

নেতা সর্বদা বিনীত এবং ভদ্র হয়।একজন নেতা হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে অন্যের প্রিয় ব্যক্তি হতে হবে। অন্যের জন্য প্রিয় ব্যক্তি হওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় তরকারি গুনাগুন গুলো হল নম্র এবং ভদ্র হওয়া।

২১. একজন ভালো শ্রোতা:

নেতা খুব ভালো শ্রোতা হন। তিনি শুধু নিজের নয় অন্যের কথা শুনতেও খুব ভালোবাসেন। অন্যের কথা শুনার মাধ্যমেই অন্যকে জানার চেষ্টা করেন।

২২.নতুন কিছু শিখতে আগ্রহ রাখা:

নতুন বিষয় শিখতে জন্য তার আগ্রহ থাকে।রাতের পর রাত দিনের না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন যদি নতুন জিনিস থাকে কোন কারণে শিখতে হয়। অন্যান্য মানুষ সাধারণত নতুন জিনিস শিখতে আগ্রহী থাকেন না।

২৩. বিশ্বাস আদায়ের ক্ষমতা রাখাঃ

অন্যের বিশ্বাস আদায়ের ক্ষমতা রাখেন একজন নেতা। তিনি অন্যকে ভালবাসে ন । যেকোনো কাজে তিনি আশেপাশের মানুষকে এবং টিমের মেম্বার দের খুব ভালোবাসেন।

২৪. সময়কে সঠিক ভাবে ম্যানেজ করার ক্ষ মতা

সময় কি সঠিক ভাবে ম্যানেজ করে কাজে লাগানোর বিচক্ষণতায় একজন নেতাকে কেউ দমাতে পারে। তিনি ভালো করেই জানেন কি করে সময়কে কাজে লাগাতে হয়।

২৫. নিজের মধ্য দিয়ে উদাহরণ দেওয়া

নেতা নিজের উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে  প্রত্যেকটি ব্যাপারে একটি অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি করে ন। ফলে টিমের মেম্বার নেতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়।

২৬.মিশুকে প্রকৃতির হওয়া:

নেতা মিশুকে প্রকৃত হন তিনি মানুষের সাথে মিশতে ভালোবাসেন। মানুষের সাথে মিলে মিশে থাকতে ভালোবাসেন।ঝগড়া কলহ অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে তিনি সাধারণত দূরে থাকে

২৭.নতুন সম্পর্ক স্থাপন করার ক্ষমতা 

নতুন বন্ধু বানিয়ে নতুন সম্পর্ক বানাতে ও একজন নেতার ভূমিকা অসাধারণ থাকে। তিনি যে কোন পরিস্থিতিতে বন্ধু বানাতে সক্ষম হন। তবে তিনি অদরকারি বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকেন।

২৮. যুক্তিসঙ্গত ভাবে চিন্তা করা

নেতা যুক্তি সঙ্গত ভাবে চিন্তা করতে একধাপ এগিয়ে থাকেন। সাধারণ ত তিনি হুজুগের বসে কোন কাজ করেন না।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • নেতৃত্বের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে হবে।,

গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব:

যখন একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন ব্যবস্থায় নেতৃবৃন্দ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয় কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধ:স্তন কর্মীবৃন্দের মত প্রকাশের সুযো থাকে তখন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব (Democratic Leadership) বলা হয়।

স্বৈরচান্ত্রিক প্রভুত্বমূলক নেতৃত্ব:

যখন একটি প্রতিষ্ঠান বা দলের সমস্ত নির্বাহী ক্ষমতা কোন একক স্বৈরাচার ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত থাকে তখন তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব (Autocratic Leadership) বলা হয়।

আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব:

যখন একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অবস্থাতে দায়িত্ব অনুযায়ী কর্মবন্টন করে দেয়া থাকে, তখন তাকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলা (Formal Leadership)  হয়।

অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব:

কোন বৃহৎ সংগঠনে অনানুষ্ঠানিক অবস্থায় যে ধরণের নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটে তখন তাকেই অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব (Informal Leadership)  বলে।

ব্যক্তিগত নেতৃত্ব:

ব্যক্তিগত নেতৃত্ব অনেকটা প্রকৃতিগতভাবেই গড়ে ওঠে। মানব সভ্যতার সূচনালগ্নে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বল্প পরিসরে যে নেতৃত্ব গড়ে ওঠেছিল তাদেরকেই ব্যক্তিগত নেতৃত্ব (Personal Leadership) বলা হয়।

আমলাতান্ত্রিক নেতৃত্ব:

প্রজাতন্ত্রের মধ্য হতে যে নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটে তাদেরকেই আমলাতান্ত্রিক নেতৃত্ব (Bureaucratic Leadership) বলে।

ক্যারিসম্যাটিক নেতৃত্ব:

যে সমস্ত নেতার সহজাত মোহনীয় গুণাবলি ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জন্মগতভাবেই নিয়ে আসে তাদেরকেই ক্যারিসম্যাটিক নেতৃত্ব (Charismatic Leadership) বলে।

অবাধ নেতৃত্ব:

যে সংগঠনের নেতার অনুসারীই তার নেতৃত্বসূল আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বত:স্ফূর্তভাবে কাজ করে থাকে (যেমন-ধর্মীয় নেতা), তাদেরকেই অবাধ নেতৃত্ব (Free Fair Leadership)  বলা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • নেতার ক্ষমতার উৎস গুলাে বর্ণনা করতে হবে,

নেতার ক্ষমতার উৎস : অন্যের আচরণ ও শক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করার সামর্থ্যকে ক্ষমতা বলা হয়। একটি প্রতিষ্ঠানে নেতা যে সকল উৎস হতে ক্ষমতা পেয়ে থাকে তা নিচে বর্ণনা করা হলাে।

১. ব্যক্তিগত ক্ষমতা : ব্যক্তিত্বের গুণে অধীনদের দিকনির্দেশনা বা উন্নয়ন সাধন করার ক্ষমতাকে নেতার ব্যক্তিগত ক্ষমতা | বলে। এরূপ ক্ষমতার অধিকারী নেতা কর্মীদের প্রয়ােজন অনুধাবনে সক্ষম হন এবং তা পূরণে সচেষ্ট থাকেন।

২. শ্রদ্ধাজনিত ক্ষমতা : অনুসারীরা স্বাভাবিকভাবেই নেতাকে শ্রদ্ধা করে এবং নেতার উদ্দেশ্যকে মনেপ্রাণে পালন করতে | চেষ্টা করে। অনুসারীরা নেতার নির্দেশ মেনে নেন এবং নেতা অনুসারীদের উপর প্রভাব বিস্তার করেন।

৩, বিশেষজ্ঞতাজনিত ক্ষমতা : জ্ঞান ও দক্ষতা মানুষকে অন্যের উপর কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা প্রদান করে। নেতা যদি কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন তাহলে ঐ বিষয় সম্পর্কে তার উপদেশ বা নির্দেশ অনুসারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে।

  1. পুরস্কার প্রদানের ক্ষমতা : শ্রমিকদের পুরস্কার প্রদানের বা তাদের প্রাপ্য পুরস্কার ঠেকিয়ে রাখার ক্ষমতাকে নেতৃত্বের পুরস্কার সংক্রান্ত ক্ষমতা বলে। ভালাে কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করার ক্ষমতা থাকলেই দলের অন্যান্য সদস্যের আচরণকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে প্রভাবিত করা যায়। ব্যবস্থাপকের পুরস্কার প্রদানের ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে পদোন্নতি, বদলি, বেতন বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।

৫. বল প্রয়ােগের ক্ষমতা ও কর্মীদের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদনে বাধ্য করা সংক্রান্ত নেতৃত্বের ক্ষমতাকে বল প্রয়ােগের ক্ষমতা বলে। কর্মীরা শাস্তির ভয়ে নেতার আদেশ পালন করে। যেমন- কর্মে অনুপস্থিতির জন্য বেতন কর্তন, ফলাফল অর্জনে বারবার ব্যর্থ হলে চাকরিচ্যুতি বা জরিমানা করতে পারা ইত্যাদি।

৬. আইনানুগ ক্ষমতা : আইনানুগ ক্ষমতাকে নেতার অফিসিয়াল ক্ষমতা বলে। এরূপ ক্ষমতা উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে তার উপর অর্পিত হয়। কর্মীগণ নেতার এরূপ ক্ষমতাকে সহজভাবে গ্রহণ করেন। কারণ, তারা বিশ্বাস করে প্রতিষ্ঠানের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এর প্রয়ােজন আছে। উপরে উল্লেখিত উৎসগুলাে ছাড়াও কর্মী নির্বাচন ও নিয়ােগদানের কারণেও নেতা ক্ষমতা পেয়ে থাকেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *