ব্যবসায় পরিচালনায় অবস্থান ও আয়তন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ

ব্যবসায় পরিচালনায় অবস্থান ও আয়তন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: HSC ইন কমার্স -2021 বিষয়: ব্যবসায় সংগঠন এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04 বিষয় কোডঃ 1728
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃব্যবসায় পরিচালনায় অবস্থান ও আয়তন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ। 

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের বিবেচ্য বিষয়সমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আয়তন নির্ধারণের উপাদানসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে হবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের বিবেচ্য বিষয়সমূহ ব্যাখ্যা করতে হবে।
  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আয়তন নির্ধারণের উপাদানসমূহ ব্যাখ্যা করতে হবে।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে।

যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয় বা যে স্থান হতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালন করা হয় তাকে ব্যবসায়ের অবস্থান বলে।

সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যে স্থানে স্থাপন করা হয় বা যে স্থান থেকে ব্যবসায় কার্যাবলী পরিচালিত হয় তাকে ব্যবসায়ের অবস্থান বলা হয়। একটি ব্যবসা কতটা সাফল্য পাবে তা অনেকাংশে তার অবস্থানের উপর নির্ভরশীল।

Agarwal and Jain-47 460, “Business/Plant location may be defined as deciding a suitable location where the business/plant will commence functioning” অর্থাৎ, “ব্যবসায়/কারখানার অবস্থান বলতে এমন একটি উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করাকে বুঝায় যেখান থেকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি তার ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিচালনা শুরু করবে।”

Goel and Gupta-49 460, “Business/plant location means the establishment of a particular industrial unit at any particular place.” অর্থাৎ “ব্যবসায়/কারখানার অবস্থান বলতে কোনাে বিশেষ ব্যবসায়/শিল্প ইউনিট স্থাপন করাকে বুঝায়।” উপরােক্ত আলােচনা থেকে ব্যবসায় অবস্থান সম্পর্কে যে ধারণা পাওয়া যায়, তা হলাে

১. ব্যবসায় অবস্থান বলতে ব্যবসায়ের স্থানকে বুঝায়;

২. ব্যবসায়ে অবস্থান হলাে ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনার স্থান;

৩. উপযুক্ত স্থান নির্বাচনের উপর ব্যবসায়ের সাফল্য নির্ভরশীল; এবং ৪. এই অবস্থান নির্বাচন প্রক্রিয়াতে বিভিন্ন উপাদান প্রভাব ফেলে। পরিশেষে বলা যায় যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী বিবেচনায় রেখে, ক্রেতাদের নিকট কম মূল্যে পণ্য পৌছে দেওয়া ও সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায়ের কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য যে নির্দিষ্ট স্থানটি নির্বাচন করা হয়, তাকে ব্যবসায়ের স্থান বলে।

এ ক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার যে প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে সুষ্ঠ যােগাযােগ ব্যবস্থা, কাঁচামাল ও কর্মীর সহজলভ্যতা, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য মৌলিক উপাদানের উপস্থিতি। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, অর্থনৈতিক সুবিধা, দক্ষ কর্মী এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ একটি প্রতিষ্ঠানকে অনেকাংশে এগিয়ে দেয় সাফল্যের দিকে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে হবে।

একটি প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র তার উপযুক্ত অবস্থানের কারণেই নানামুখী সুবিধা ভােগ করে। অবকাঠামাে, দক্ষ জনবল, কাঁচামালের সহজলভ্যতা, পণ্য বণ্টন ও সাশ্রয়ী বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠানকে কার্যত অপ্রতিদন্দ্বী করে তােলে। বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ব্যবসায়ের অবস্থানের গুরুত্ব নিম্নে আলােচিত হলাে

১. কাঁচামালের সহজলভ্যতা (Availability of Raw Materials): পণ্য বা সেবা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কাঁচামালের পর্যাপ্ত যােগান খুবই জরুরী। এই সুবিধাটি না থাকলে উৎপাদন ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়।

  1. ভােক্তাদের চাহিদা পূরন (Fulfilling Consumers’ Demands): উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা হলে ভােক্তাদের চাহিদা সহজে পূরণ করা যায়। এ কারনে যে স্থানে যে পণ্যের বা সেবার চাহিদা আছে সে স্থানে সেই পণ্য বা সেবার ব্যবসায় স্থাপন করা প্রয়ােজন।

৩. অবকাঠামােগত সুযােগ (Infrastructural Facility): রাস্তাঘাট, আর্থিক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের নৈকট্য, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও প্রযুক্তিগত যােগাযােগের সংযােগ ইত্যাদির উপস্থিতিই হচ্ছে অবকাঠামােগত সুযােগ। এই সুযােগ সুবিধা উপযােগী হলে ব্যবসায়ীগণ দ্রুত ব্যবসায়িক কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবেন।

৪. বিপণন সুবিধা (Marketing Facility): ব্যবসায়ের অবস্থান এমন হওয়ার প্রয়ােজন যেন এটি তার মূখ্য উদ্দেশ্য ভােক্তার সন্তুষ্টি বিধানের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন ঠিকমত করতে পারে। এজন্য বাজার বা ক্রেতার কাছাকাছি অবস্থিত হলে কম ব্যয়ে ও সহজে পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব। এর ফলে ভােক্তাদের সন্তুষ্টি ও প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হয়।

৫. প্রতিযােগীতা মােকাবেলা (Facing Competition): একটি সুবিধাজনক স্থানে ব্যবসায় অবস্থিত হলে প্রতিষ্ঠান কম খরচে পণ্য উৎপাদন, সহজে বাজারজাতকরণ ও সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করতে পারে। এর ফলে প্রতিযােগীর চেয়ে কম মূল্যে পণ্য/সেবা পৌছে দেওয়া ও বিক্রয়ােত্তর সেবা প্রদান সম্ভব বিধায় প্রতিযােগীতায় এগিয়ে থাকা সহজতর হয়। ৬.ব্যবসায় সম্প্রসারণ (Expanding the Business): উপযুক্ত স্থানে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলা হলে সহজে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। এতে বিক্রয় বৃদ্ধি পায় এবং ফলাফলস্বরূপ অর্জিত লভ্যাংশ ব্যবহার করে নতুন নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলা যায়।

৭. পরিবহণ ও যােগাযােগ সুবিধা (Transportation and Communication Facilities): প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পরিবহন ও যােগাযােগ ব্যবস্থা আছে কী না সেদিকে নজরে দিতে হবে। এটি সুবিধাজনক হলে কাঁচামাল, শ্রমিক, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি একস্থান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া সহজ হয়ে যায়।

৮. সম্পদের সঠিক ব্যবহার (Proper Utilization of Resources): সঠিক স্থান নির্বাচন ব্যবসায়ের সম্পদের সঠিক ও যুগােপযােগী ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায় বাজারজাতকরণ কর্মকান্ড সহজে পরিচালিত ও আয় বৃদ্ধি পায়।

৯. সরকারী নীতিমালা ও সুবিধাদি (Government Regulations and Facilities): সরকারের বিভিন্ন নীতিমালা মেনে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণ করলে ব্যবসায়ী তার কার্যক্রম স্বাচ্ছন্দে চালিয়ে যেতে পারবেন। বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (Export Processing Zone বা EPZ)-এ শিল্প কারখানা স্থাপন করলে কর রেয়াত থেকে শুরু করে বহুবিধ সুবিধাদি ভােগ করা সম্ভব।

১০. সামাজিক উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানােন্নয়ন (Social Welfare and Upgrading Livelihood Standards): পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ের অবস্থান নির্ধারনের ফলে নির্বাচিত এলাকার জনসাধারণ সাশ্রয়ীমূল্যে ভােগ্যপণ্য ক্রয় করতে পারে, কর্মসংস্থানের সুযােগ পায় এবং সর্বোপরি তাদের জীবনযাত্রার মানােন্নয়ন হয়। তাই সমাজ তথা দেশের উন্নয়ােনের কথা ভেবে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্বাচন করা প্রয়ােজন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান নির্ধারণের বিবেচ্য বিষয়সমূহ ব্যাখ্যা করতে হবে।

যে কোনাে প্রতিষ্ঠানের ধরন বা প্রকৃতির উপর নির্ভর করে তার অবস্থান নির্বাচন করা হয়। অবস্থান নির্ধারণ এমনভাবে করা প্রয়ােজন যেন ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন করা যায়। যে সব ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কাঁচামালের উপর নির্ভর করে, তাদের সেইসব জায়গা বেছে নিতে হয় যেখানে ঐ কাঁচামাল সহজলভ্য বা সহজপ্রাপ্য। বালাদেশে শ্রমিক সস্তায় পাওয়া যায় বলে বস্তু ও অন্যান্য শ্রমিক নির্ভর শিল্প এদেশের ক্রমেই বেড়ে উঠছে। ব্যবসায়ের অবস্থানের উপর প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়সমূহ এ পাঠে আলােচিত হল

১. শিল্প বা ব্যবসায়ের প্রকৃতি (Nature of Industry or Business): অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের প্রকৃতি সর্বাগ্রে বিবেচ্য। একেক ধরনের ব্যবসায় একেক প্রকৃতির অবস্থানের জন্য উপযুক্ত বিধায় তাদের অবস্থান (Location) ভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন- ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান একধরনের স্থানে, মাঝারী ও হালকা শিল্প প্রতিষ্ঠান অন্য স্থানে, তেমনি পণ্য উৎপাদনশীল ব্যবসায় এক স্থানে আর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিন্ন স্থানে অবস্থিত হয়ে থাকে। তবে অনেক সময় ব্যাংক-বীমা ও পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলাে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলাের কাছাকাছি নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থেই স্থাপিত হয়। অর্থাৎ শিল্পের প্রয়ােজনীয় উপকরণের দিকে যেমন লক্ষ্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ব্যবসায় প্রকৃতি অনুযায়ী শহর বা যে কোনাে সুবিধাজনক স্থানকে গুরুত্বসহ বিবেচনায় রাখতে হবে।

২. প্রয়ােজনীয় সম্পদসমূহের উপস্থিতি (Presence of Necessary Resources): একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে ও কর্মোপযুগী হয়ে উঠতে হলে কাঁচামাল, যােগাযােগ ব্যবস্থা, শ্রমিকের সহজলভ্যতা ও অন্যান্য অবকাঠামােগত সুবিধার উপস্থিতি অত্যন্ত বাঞ্ছনীয়। জলবায়ু অনুকূল্য যেমন দরকার তেমনি বর্জ্য নিষ্কাষণ, পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সরবরাহ থাকাও প্রয়ােজনীয়। সুতরাং এই সবগুলাে উপাদান গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তারকারী।

৩. বাজার নৈকট্য (Market Proximity): ব্যবসায় বাজার কেন্দ্রিক, তাই বিরাজমান ও সম্ভাব্য বাজার আছে এমন উপাদান সমৃদ্ধ জায়গা বিশেষভাবে বিবেচ্য। বাজার অথবা পর্যাপ্ত ক্রেতার সমাগম আছে এমন বিপণিবিতানের কাছাকাছি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হওয়া জরুরী।

৪. অর্থনৈতিক উপাদান (Economic Factors): অর্থসংস্থানকারী ও বীমা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলাের সাথে বর্তমানে ব্যবসায় পরিবেশ ওতপ্রােতভাবে জড়িত। এদের উপস্থিতি ব্যবসায়ের জন্য সুবিধাজনকও বটে।

৫. গুদামজাতকরণের সুবিধা (Warehousing Facility): পণ্যের সুষ্ঠু সংরক্ষণের জন্য গুদামজাতকরণ প্রায়শ প্রয়ােজন হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় যেকোন কাঁচামাল, উৎপাদিত পণ্য, উৎপাদন সহায়ক সম্পদ, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য গুদামজাতকরণ সুবিধা প্রতিষ্ঠানের অবস্থানের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

৬. ভূমির সুপ্রাপ্যতা (Availability of Land): ব্যবসায় স্থাপন, প্রসার ও প্রয়ােজনীয় কর্মক্ষেত্র স্থাপনে ভূমির সুপ্রাপ্যতা ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

৭. সম্প্রসারণ সুবিধা (Expansion Facility): দক্ষতার সাথে ব্যবসায়ে কার্য পরিচালিত হলে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই মুনাফা অর্জন করা যায় এবং সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণও জরুরী হয়ে যায়। কিন্তু প্রয়ােজনীয় উপাদানের অভাবে সম্প্রসারণ ঝুঁকির সম্মুখিন হয়। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জমি, দক্ষ জনবল ও সুলভে কাঁচামাল পাওয়া যাবে এমন জায়গায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করা জরুরী।

৮. সরকারি পৃষ্ঠপােষকতা (Government Patronization): প্রায়শ সরকার বিভিন্ন ব্যবসায়কে সহযােগীতা প্রদান করে থাকে। যেমন- বাংলাদেশে রপ্তানিমুখী শিল্প ক্ষেত্রে সরকারি ভাবে বিশেষ বিশেষ স্থানে নির্দিষ্ট ধরণের ব্যবসায়ের গােড়পত্তনের জন্য আইন শিথিল করা থেকে শুরু করে, কর মওকুফ, ঋণের সুদ মওকুফ ইত্যাদি পৃষ্ঠপােষকতা করে থাকে। তাই সরকারের সম্ভাব্য নীতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করাও প্রয়ােজন।

৯, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা (Political Stability): ব্যবসায় অবস্থান নির্বাচনে দেশের রাজনৈতিক অবস্থাও প্রভাব বিস্তার করে। তাই বিষয়টি বিবেচনা করে অবস্থান নির্বাচন করা প্রয়ােজন।

১০. জ্বালানী ও শক্তি সম্পদের সহজলভ্যতা (Availability of Fuel and Energy Resources): উৎপাদনমূখী ব্যবসায় পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ধরণের জ্বালানী ও শক্তি, যেমন- গ্যাস, কয়লা ও বিদ্যুৎ প্রয়ােজন। স্থাপনা নির্মাণের পূর্বেই এসবের সহজলভ্যতা বিবেচনা করা প্রয়ােজন। ১১. নিরাপত্তা (Security): বিভিন্ন রকমের ঝুঁকি মােকাবেলার সকল রকম প্রস্তুতি থাকা বর্তমান সময়ে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা, দ্রুত নির্গমণ পথ, চিকিৎসা সেবা, বিমা, ক্যামেরাসহ অন্যান্য বিষয়াবলী ইদানিং ব্যবহৃত হচ্ছে। এর সাহায্যে কর্মীদের উপর নজরদারিও সহজ হয়। নিরাপত্তার জন্য নিকটবর্তী দূরত্বে

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

১. স্থানের যথােপযুক্ত ব্যবহার (Proper Utilization of Space): প্রতিষ্ঠানের জায়গার যথাযথ ব্যবহার যেকোন ধরনের লে-আউটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। লে-আউট এমনভাবে করতে হবে যেন স্থান বিন্যাসে কোনাে দুর্বলতা না থাকে। দুর্বলতা থাকলে জায়গার অপব্যবহার ঘটে এবং উৎপাদন ও অন্যান্য ব্যয় বাড়ানাের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করে।

২. নমনীয়তা (Flexibility): অনেক সময় স্থানের পুন:বিন্যাস করার প্রয়ােজন দেখা দেয়, তাই লে-আউট ডিজাইন করার সময় সর্বদা নমনীয়তা বজায় রাখা জরুরী তা না হলে জিনিস পত্রের রদবদল ঘটালে বিপত্তি ঘটতে পারে।

৩. মান নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রয়োেগ (Ease of Quality control Technique Application): আদর্শ লে-আউট মান নিয়ন্ত্রণের কৌশল প্রয়ােগ করা সহজসাধ্য করে তােলে। ফলে, পণ্য মানসম্মত হয় আর গ্রাহকও হয় সন্তুষ্ট।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব (Importance for Controlling Production)

১. পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন (Production of Sufficient Quality Product): সঠিক লে-আউট বিভিন্ন উপকরণ ও উপযােগের সুষ্ঠ ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে। ফলে ক্রেতারা চাহিদা অনুযায়ী পণ্য ন্যায্য দামে ক্রয় করতে পারে।

২. স্বল্প সময়ে অধিক উৎপাদন (Mlaximum Production in Less time): উত্তম লে-আউটের মাধ্যমে অপচয় রােধ ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় বলে স্বল্প সময়ে অধিক পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

৩. সমন্বয়সাধন (Co-ordination): একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উপাদানসমূহ সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সংরক্ষণ | করার ক্ষেত্রে সুচিন্তিত লে-আউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জনবল সংক্রান্ত গুরুত্ব (Importance relating to Manpower)

১. দক্ষতা বৃদ্ধি (Increasing Efficiency): যদি একটি প্রতিষ্ঠানের সকল ক্ষেত্র সুষ্ঠ লে-আউটের মাধ্যমে সজ্জিত হয় তাহলে অনেক কম সময়েই কর্মীরা তাদের কাজ শেষ করতে পারে। ফলে তারা অধিকতর ইউনিট আরাে কম সময়ে দক্ষভাবে উৎপাদন করতে পারে। ২. নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ (Ensuring Security): উৎপাদন কাজে কারখানায় নানাবিধ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কর্মীরা কার্যসম্পাদন করে। এই যন্ত্রপাতিগুলাের অনেকগুলােই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা জরুরী, নয়তাে তা ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই নিরাপদ কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত লে-আউট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ (Ensuring Proper Work Enironment): শিল্প কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম কর্মপরিবেশের সাথে ওতপ্রােতভাবে জড়িত। পর্যাপ্ত আলাে-বাতাস, শব্দ-নিয়ন্ত্রণসহ একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নির্মাণে সুপরিকল্পিত লে-আউটের গুরুত্ব অপরিসীম।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Economic Importance)

১. স্বল্প পুঁজি (Small Capital): উত্তম লে-আউটের মাধ্যমে স্বল্প পুঁজি বিনিয়ােগ করে অধিক উৎপাদন করা সম্ভব।

২. ব্যয় হ্রাস (Cost Minimization): উত্তম লে-আউটের কারণে সঠিকভাবে উৎপাদন কার্য সংঘটিত হয় বিধায় বিভিন্ন ধরনের অপচয় রােধ করা সম্ভব। এর মাধ্যমে কম কর্মঘন্টায় দক্ষতার সাথে পণ্য/সেবা পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করা যায় বলে ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হয়। দক্ষ লে-আউটের ফলে মালামাল কম নাড়াচাড়া হয়, স্থানের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয় বলে ব্যয় অনেকাংশে হ্রাস পায়।

৩. পরিবহন ব্যয় হ্রাস (Minimizing Transportation Cost): উৎপাদনশীল কারবারে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা প্রায়শ একস্থান থেকে অন্যত্র পরিবহন করার প্রয়ােজন দেখা দেয়। যেসব ক্ষেত্রে পণ্য/সেবা ও কর্মীদের চলাচল খুব বেশি সেসব ক্ষেত্রে বিজ্ঞাসম্মতভাবে লে-আউট গঠন ও সাজানাে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উপরিউক্ত কারণসমূহের জন্য বিন্যাস বা লে-আউট অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সুষ্ঠুভাবে লে-আউট তৈরি করা প্রয়ােজন যে ব্যবসায় এর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে পারে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *