Google Adsense Ads
বোর্ডরুম আচরণ খারাপ লক্ষণসমূহ কি কি
বোর্ডরুমে খারাপ আচরণ বা অকার্যকর অনুশীলন প্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ধরনের আচরণ বোর্ডের কার্যকারিতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। নিচে বোর্ডরুমে খারাপ আচরণের সাধারণ লক্ষণগুলো বর্ণনা করা হলো:
১. অংশগ্রহণে অনীহা
- বোর্ড সদস্যদের আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণের অভাব।
- অনেক সদস্যের মতামত প্রদান থেকে বিরত থাকা বা শুধুমাত্র একজন বা কয়েকজনের ওপর নির্ভরশীলতা।
২. ক্ষমতার অপব্যবহার
- বোর্ডের চেয়ারপারসন বা কোনো সদস্য কর্তৃক অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ।
- অন্য সদস্যদের মতামত বা মতবিরোধ উপেক্ষা করা।
৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতা
- অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের কারণে সময়মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থতা।
- বারবার আলোচনা পুনরাবৃত্তি করে সময় নষ্ট করা।
৪. সংঘাতময় পরিবেশ
- বোর্ড সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত মতানৈক্য বা দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষ।
- গঠনমূলক সমালোচনার পরিবর্তে ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রবণতা।
৫. গোপনীয়তা লঙ্ঘন
- বোর্ডরুমে আলোচনা বা সিদ্ধান্তের সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করা।
- বোর্ড সদস্যদের মধ্যে গোপনীয়তার অভাব।
৬. প্রস্তুতির অভাব
- সভার আগে এজেন্ডা, নথি বা প্রয়োজনীয় তথ্য পর্যালোচনা না করা।
- আলোচনায় অপ্রাসঙ্গিক বা অপর্যাপ্ত তথ্য উপস্থাপন করা।
৭. সময় ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা
- নির্ধারিত সময়ে সভা শুরু না করা বা দীর্ঘ সময় ধরে অপ্রয়োজনীয় আলোচনা করা।
- সময়মতো এজেন্ডার সব বিষয় শেষ করতে ব্যর্থ হওয়া।
৮. পক্ষপাতিত্ব এবং স্বার্থের সংঘাত
- ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিরপেক্ষতার অভাব এবং পক্ষপাতিত্বপূর্ণ আচরণ।
৯. সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব
- বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা।
- সদস্যদের মধ্যে মতামতের অমিল থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
১০. পেশাদারিত্বের অভাব
- বোর্ড সদস্যদের মধ্যে অশোভন বা অনৈতিক আচরণ।
- দায়িত্বশীলতার অভাব এবং ব্যক্তিগত বিরোধকে গুরুত্ব দেওয়া।
১১. কমিউনিকেশনের ঘাটতি
- বোর্ড সদস্যদের মধ্যে তথ্য এবং যোগাযোগের সুষ্ঠু ব্যবস্থার অভাব।
- আলোচনা চলাকালীন একে অপরকে কথা বলতে না দেওয়া বা বাধা দেওয়া।
১২. ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গির অভাব
- কৌশলগত লক্ষ্য বা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রতি মনোযোগ না দেওয়া।
- শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী সমস্যাগুলোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা।
উপসংহার
বোর্ডরুমে খারাপ আচরণের লক্ষণগুলো পরিচালনা পর্ষদের কার্যকারিতা এবং সুশাসন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এসব সমস্যার সমাধানে বোর্ডের নীতিমালা শক্তিশালী করা, সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান, এবং গঠনমূলক আলোচনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সংশোধন করা না হলে তা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
Google Adsense Ads
উপসংহার : বোর্ডরুম আচরণ খারাপ লক্ষণসমূহ কি কি
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
আর্টিকেলের শেষ কথাঃ বোর্ডরুম আচরণ খারাপ লক্ষণসমূহ কি কি
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন
আরো পড়ুন:
- হরমুজ প্রণালী কি এবং কোথায় অবস্থিত, হরমুজ প্রণালি নিয়ে কেন এত আলোচনা
- হিসাববিজ্ঞান হতে কী কী তথ্য সংগ্রহ করা যায়?
- হিসাববিজ্ঞান ব্যবস্থাপনার সহায়ক, হিসাববিজ্ঞান ব্যবস্থাপনার সহায়ক ব্যাখ্যা কর
- বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির উপায় বর্ণনা কর
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রসারণের প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি কি আলোচনা কর
Google Adsense Ads