বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে কৃষি উন্নয়নে গৃহীত ব্যবস্থাদি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ

বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে কৃষি উন্নয়নে গৃহীত ব্যবস্থাদি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: HSC -2021 বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04 বিষয় কোডঃ 110
বিভাগ: ব্যবসায়

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে কৃষি উন্নয়নে গৃহীত ব্যবস্থাদি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ।

(বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বের অন্যান্য অংশের ন্যায় বাংলাদেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ; এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবনাক্ততা এবং উত্তরাঞ্চলে মরুময়তা বান্ধব উফশী বীজ উদ্ভাবনসহ কৃষির আধুনিকীকরণে পারমানবিক শক্তি, জৈব প্রযুক্তি এবং আইসিটি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ);

বিষয়বস্তু

ক) বাংলাদেশের কৃষিতে পরিবেশ দূষণ, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব চিহ্নিত করে বিদ্যমান সংকট উত্তরণ এবং অভিযােজনের উপায় অনুসন্ধান করতে পারবে;

খ) বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে পারমানবিক শক্তি, বায়ােটেকনােলজি পদ্ধতি এবং আইসিটি ব্যবহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে;

গ) বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কৃষি প্রযুক্তি বিশেষ করে উন্নত বীজ উদ্ভাবনের ফলাফল মূল্যায়ন করতে পারবে;

ঘ) কৃষি উন্নয়নে গৃহীত নীতি ও কর্মসূচির প্রতি সমর্থন দানে উদ্বুদ্ধ হবে;

নির্দেশনা

(ক) কৃষি ও পরিবেশ

(খ) কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

(গ) কৃষি উন্নয়নে গৃহীত ব্যবস্থাদি

(ঘ) কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন – ও গুরুত্ব

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

(ক) কৃষি ও পরিবেশ

বৈচিত্র্যময় ভৌগােলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ একটি উন্নয়নশীল দেশের মতােই বাংলাদেশেও পরিবেশগত উন্নয়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ । যেহেতু অর্থনৈতিক কার্যাবলি এখনও কৃষিসহ দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল , সেহেতু কৃষিসহ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরসমূহের জিডিপি – তে অবদান টেকসই ও উন্নত পরিবেশ ( quality of environment ) দ্বারা অনেকাংশে প্রভাবিত হয় । টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ পরস্পর অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত হওয়ায় , পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদিকে উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে সমন্বিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে । আমাদেরকে পরিবেশ দূষণ , বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়সমূহ কী , কীভাবে এগুলাে সংঘটিত হচ্ছে এর প্রভাব এবং প্রতিকারের উপায় নিয়ে চিন্তা করা প্রয়ােজন । নিম্নে প্রবাহ চিত্রের সাহায্যে ধারণাটি প্রদান করা হলাে :

প্রবাহ চিত্র হতে বােঝা যায় , মানুষই পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী । বনভূমি ধ্বংস , কার্বন নির্গমন , CFC গ্যাস নির্গমন , পরিবেশের প্রতি হুমকিস্বরূপ প্লাস্টিক ও পলিথিন সামগ্রী ব্যবহার , বিষের মিশ্রণ , শব্দ দূষণ , অপরিকল্পিত নগরায়ন , মারণাস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার ইত্যাদির ফলে মানুষ নিজেই পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে ।

এর ফলে বিশ্বব্যাপী সৌর তেজস্ক্রিয়তার দ্বারা উষ্ণতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে । জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম বিরূপ প্রভাব হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি । গত ১০০ বছরে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ১০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার । সমুদ্র উপকূল এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলাের কারণে বাংলাদেশ নাজুক পরিস্থিতির শিকার । জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সর্বশেষ তিন বছরের প্রতিবেদনে ২০০ টি দেশের মধ্যে যষ্ঠ অবস্থানেই রয়ে গেছে । ১৯ বছর ধরে দুর্যোগের সংখ্যা , মৃত্যু , ক্ষয়ক্ষতির মােট হিসেবের ভিত্তিতে ‘ বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৮ ‘ প্রতিবেদনটি জার্মান ওয়াচ ‘ প্রকাশ করেছে ।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব , ঝুঁকিসমূহ ও বিপন্নতা অভিযােজন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ব্যাপারে সমীক্ষা ও মূল্যায়নের ফলে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে , বাংলাদেশ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলাের অন্যতম । বাংলাদেশে দরিদ্র জনগােষ্ঠীর নাজুক অর্থনীতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অধিক নির্ভরশীলতা এ বিপন্নতা বাড়িয়ে দিয়েছে । বন্যা , খরা , সাইক্লোন , লবণাক্ততা এবং সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধি আমাদের জাতীয় প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে । জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণার আন্তর্জাতিক সংস্থা 

‘ Intergovernmental Panel on Climate Change ( IPCC ) এর মতে , 

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি । বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অতিবৃষ্টি , বন্যা , সাইক্লোন , খরাসহ সমুদ্র পৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে । এ কারণে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল , দ্বীপদেশসমূহ পানিতে তলিয়ে যাবে , উদ্বাস্তু সমস্যা , খাদ্য সংকটসহ বিভিন্ন প্রকার সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হবে। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(খ) কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

১. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিশেষজ্ঞদের মতে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় । সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা গত ১০০ বছরে ১০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে । উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে এ শতকেই বঙ্গোপসাগরের পৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ১ মিটার বৃদ্ধি পাবে বলে গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে । এর ফলে বাংলাদেশের নিচু ও উপকূলীয় এলাকা তলিয়ে যাবে । 

২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ । বৈশ্বিক উষতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে প্রায় অতি বৃষ্টি , বন্যা , সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় , জলােচ্ছাস , খরা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগে আছে । এর ফলে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । 

৩ , উৎপাদন হ্রাস পরিবেশ দূষণ , জলবায়ু পরিবর্তন , প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি কারণে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে । এর ফলে শস্য , প্রাণিজ , বনজ ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি উপখাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । 

৪ , লবণাক্ততার হার বৃদ্ধি : সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে স্থলভাগে লবণাক্ততার হার বৃদ্ধির সঙ্কাবনা বেড়ে যায় । ইতােমধ্যে দক্ষিণাঞ্চল হতে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের দিকে প্রায় ১০০ কিলােমিটার অভ্যন্তরে সমুদ্রের লােনা পানি প্রবেশ করে লবণাক্ততার হার বৃদ্ধি করছে ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে । 

৫. কৃষিভূমি হাস । সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যেতে পারে , তখন আবাদযােগ্য কৃষিভূমিহাস পাবে । 

৬. খাবার পানির সংকট । বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততার হার বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলে মরুকরণ – এর ফলে খাবার পানির সংকট সৃষ্টি হবে । 

৭. চাষাবাদ ব্যাহত । বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে খরার কারণে জমি চাষাবাদ করা যাবে না । 

৮. খাদ্য সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জনবহুল বাংলাদেশে উৎপাদন হ্রাসের ফলে খাদ্য সংকট চরম আকার খাশ করবে ।

৯. নদীর প্রবাহ পরিবর্তন । সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে পর্বতের বরফ দ্রুত গলে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের নদী , উপনদীগুলাের প্রবাহ পরিবর্তিত হচ্ছে অনেক নদী নাব্যতা হারাচ্ছে বা শুকিয়ে যাচ্ছে । 

১০. অজানা রােগের প্রকোপ বৃদ্ধি । জমিতে কীটনাশক প্রয়ােগ , কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার , তেজস্ক্রিয়তা , পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি বহুবিধ কারণে মানুষসহ প্রাণিকুলে নতুন অজানা রােগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে । 

১১ , জীববৈচিত্র্য ধ্বংস পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইকোসিস্টেম তথা সামগ্রিক ভারসাম্য বিনষ্ট হয়ে উদি ও প্রাণিকুল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে । অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে । 

১২ উকান্ত সমস্যা : জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য সংকট , নদী ভাঙ্গন , রােগবালাই – এর প্রকোপ , সামাজিক অস্থিরতা , কর্মহীনতা প্রভৃতি কারণে উদ্বাস্তু সমস্যা দেখা দিবে । এছাড়া , ঋতুবৈচিত্র্যও পরিবর্তন হচ্ছে । শীত , গ্রীষ্ম , বন্যা , ঘূর্ণিঝড় এখন প্রায় অনিয়মিত প্রকৃতির যার প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(গ) কৃষি উন্নয়নে গৃহীত ব্যবস্থাদি

কৃষি উন্নয়নে পারমাণবিক প্রযুক্তি: FAO এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বীকৃত খাদ্য ও কৃষি খাতে যেমন-প্রকৃতি, মাটি, শাকসবজি, বৃক্ষ, প্রাণী, বায়ু এমনকি খাদ্যসামগ্রীতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (radio isotopes) ব্যবহারের মাধ্যমে পরিমাণগত গুণগত বা রুপগত পরিবর্তন সাধন কে পারমাণবিক কৃষি প্রযুক্তি বলে। গত তিন দশকে বাংলাদেশে কৃষি খাতে পারমাণবিক কৃষি প্রযুক্তি উন্নত দেশের মতো ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।


পারমাণবিক কৃষি প্রযুক্তির গুরুত্ব বা উল্লেখযোগ্য ব্যবহার সমূহ হলঃ
gamma radiation উদ্ভিদ ও প্রাণীর রোগজীবাণু নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রাণী ও রোগের জন্য বিভিন্ন শ্রেণীর নিউক্লিয়ার মেডিসিন রয়েছে।রেডিও আইসোটোপ এর সাহায্যে উন্নত মানের শস্য বীজ সংরক্ষণ করা যায় এবং শস্য বীজের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা যায়। সাধারণত শস্য বীজের গুণগত মান একবছর সঠিক থাকলেও রেডিও আইসোটোপ এর সাহায্যে এর স্থায়িত্ব পাঁচ বছর বা দশ বছর অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।

বায়োটেকনোলজি পদ্ধতিঃ বায়োটেকনোলজি বা জৈব প্রযুক্তি হল এরূপ একটি বিষয় যা কোন ব্যবহারের উদ্দেশ্যে জীব কোষের কোন উপাদান, কাঠামোকে পরিমিত পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি নতুন সৃষ্টিকে নির্দেশ করে। Bios শব্দের অর্থ জীবন এবং Technology শব্দের অর্থ প্রযুক্তি।কোন জীবকে মানব কল্যাণে প্রয়োগ যেকোনো প্রযুক্তিকে বলা হয় বায়োটেকনোলজি বা জৈব প্রযুক্তি।


কৃষি উন্নয়নে জৈবপ্রযুক্তি: সম্পদ সীমিত কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার ভারে আক্রান্ত দেশ সমূহের প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। যেমনঃ ১. বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সমূহের নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত। ঘূর্ণিঝড় বন্যা দুর্ভিক্ষ মহামারী কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন উষ্ণতা বৃদ্ধি প্রভৃতি ফলে উক্ত দেশসমূহের যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দেয়, এ কারণে সৃষ্টি হয় খাদ্য সংকট। বন্যা, খরা প্রভৃতি প্রতিকূল আবহাওয়া প্রতিরোধী শস্য উৎপাদন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য জৈব প্রযুক্তির গুরুত্ব রয়েছে।
২. উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনে এর গুরুত্ব যথেষ্ট। প্রতিটি চাষের মাধ্যমে 30 – 40 শতাংশ ফলন অধিক বাড়ানো যায়। Hira, Aloron, jagoron, sonar Bangla, ময়না প্রভৃতি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদাহরণ।


৩. অণুজীব বিজ্ঞানী মানুষের স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি-শিল্প পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে, মাছের পোনার কৃত্রিম প্রজননে,অধিক ও দ্রুত উৎপাদনের লক্ষ্যে জিন প্রতিস্থাপনে,পানিতে আর্সেনিক মুক্ত করনে জৈব শক্তির ব্যবহার করছেন।
কৃষি উন্নয়নে আইসিটি ব্যবহার বাংলাদেশ বিপুল জনসংখ্যার ভারে আক্রান্ত একটি কৃষি প্রধান দেশ হলেও এখনও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিবছরই আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ক্রমাগত কমে যাচ্ছে।এ প্রেক্ষিতে কৃষি বিভিন্ন উপখাত বা খাতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করেছে, ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি। তথ্যপ্রযুক্তি বর্তমানে স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প ও সেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষিতে 


১. সাধারণ কৃষি সমস্যা সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যার সমাধান, ফসলের রোগের আক্রমণ, কীটনাশক প্রয়োগ, পরিবেশবান্ধব কীটনাশক প্রকৃতি সম্বন্ধে ধারণা লাভ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


২. উদ্ভাবনী কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার যেমন- নতুন নতুন কৃষি যন্ত্রপাতি, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক, সর্বোত্তম টেকসই প্রযুক্তি নির্বাচন প্রভৃতি সম্বন্ধে ধারণা লাভ করা যায়।


ঘ)  কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গুরুত্ব ১. সময়ের অপচয় রোধ: সাধারণত কৃষিকাজ করতে প্রচুর সময় এর প্রয়োজন হয়। এর অন্যতম কারণ হলো মানুষের আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব।সনাতন যন্ত্রপাতি দ্বারা কাজ করার জন্য অত্যাধিক সময় ব্যয় হয়।তাই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষি কাজের সময় অপচয় রোধ করা সম্ভব।


২. শ্রম হ্রাস: কৃষিকাজ যেমন সময় সাপেক্ষ তেমনি কঠোর পরিশ্রমের। নতুন নতুন যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করার মাধ্যমে কৃষকের শ্রম কমিয়ে আনা সম্ভব।


৩. কাজের গতি বৃদ্ধি:  আধুনিক সরঞ্জাম ও মেশিনের মাধ্যমে কাজের গতি অনেক গুণ বাড়িয়ে নেওয়া যায়। এতে যেমন  সঠিক সময়ে বীজ রোপন করা যায় তেমনি কৃষিজাত পণ্যের গুণাগুণ নষ্ট করা ব্যতীত ঘরে ফসল তোলা যায়।


৪. ব্যয় হ্রাস:  কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষি কাজ সহজ হয়ে যায়।পাশাপাশি গড় ব্যয় হ্রাস পেতে থাকে।


৫. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন:  সর্বোপরি কৃষি প্রযুক্তি আবিষ্কার এর মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি পায়। এতে তার পণ্য বা সেবা ভোগ করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।ফলশ্রুতিতে তার জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হয়।

(ঘ) কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন – ও গুরুত্ব

বাংলাদেশ একটি জনবহুল কৃষিপ্রধান দেশ । এখনাে ২৩.৫ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার । জাতীয়ভাবে ৩৫.৪ শতাংশ মানুষ এখনাে ভূমিহীন , গ্রামে এই হার ৪৭.৫ শতাংশ । জনসংখ্যায় ৪৫.১ শতাংশ মানুষের মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.০৫ একর অপেক্ষা কম । Human Development Report 2015 অনুযায়ী বিশ্বের ১৮৭ টি দেশের মধ্যে মানব উন্নয়নে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৯ তম -২০১৪ সালে ছিল ১৪২ তম । এসব তথ্য প্রমাণ করে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে । এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে । ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের গুরুত্ব অপরিসীম । যেমন 

১ , নতুন জাতের শস্য বীজ উদ্ভাবন : জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মােকাবেলায় লবণাক্ততা ও খরাপ্রবণ এলাকার জন্য অথবা বন্যাপ্রবণ এলাকার জন্য বিদ্যমান কৃষি যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শস্যের নতুন জাত উদ্ভাবন অত্যন্ত জরুরি । 

২. উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি  উন্নত কৃষি উপকরণ যেমন ধান কাটার সময় কাঁচির পরিবর্তে হারভেস্টার ব্যবহার করলে অল্প শ্রমের সাহায্যে অধিক উৎপাদন করা সম্ভব হয় । একইভাবে উন্নত বীজ , সার , কীটনাশক ব্যবহার করলে উৎপাদন । অনেক বৃদ্ধি পাবে । 

৩ , অধিক উৎপাদন  কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একই আয়তনের জমিতে পূর্বের তুলনায় অধিক উৎপাদন পাওয়া সম্ভব । এর ফলে খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। 

৪. দক্ষতা বৃদ্ধি  ক্রমাগতভাবে কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ও জমিতে ব্যবহারের ফলে কৃ দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে ।  

৫ , কর্মসংস্থান  কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও কৃষি জমিতে প্রয়ােগের মাধ্যমে বাড়তি শ্রমের প্রয়োজন হয় । এর ফলে Founder of Scholars Educare বাংলাদেশের মতাে শ্রমবহুল দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে । 

৬ , পরনির্ভরশীলতা হ্রাস : কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়ােগের মাধ্যমে ফসল তথা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে পরনির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে ।– স্বাধীনতা , সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা সম্ভব হবে । 

৭ , আয় ও জীবনযাত্রার মান : কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমগ্র অর্থনীতিই লাভবান হয় । কৃষকদের উৎপাদন , আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায় । এক্ষেত্রে ধনিক শ্রেণির কৃষকরা অধিক লাভবান হলেও প্রান্তিককৃষকদেরও অনেক প্রাপ্তি ঘটে । এ ছাড়াও কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রসার , শিল্পের কাঁচামালের যােগান , পরিপূরক শিল্প , ব্যবসা – বাণিজ্যের সম্প্রসারণসহ অবকাঠামােগত অনেক উন্নয়ন সাধিত হয় । 

উন্নত বীজ উদ্ভাবন ও এর ফলাফল 

মানসম্মত বীজ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির প্রধান উপকরণ । অধিক হারে মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও কৃষকদের নিকট সরবরাহের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব । বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কৃষি প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত উপাদান হলাে— 

(i)উচ্চ ফলনশীল — উন্নত বীজ 

(ii)আধুনিক সেচ সুবিধার প্রয়ােগ 

( iii ) রাসায়নিক সার 

( iv ) কীটনাশক এবং 

( v ) প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি ও পল্লি ঋণ । উপরিউক্ত উপাদানগুলাের প্রভাবে ফসলের ধরন পরিবর্তন , কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি , গ্রামীণ অর্থনীতি ও ব্যবসা – বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে । তবে সমাজে এর প্রভাব শুধু ইতিবাচকই নয় কিছু নেতিবাচকও রয়েছে । যেমন 

ইতিবাচক প্রভাব : কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ইতিবাচক প্রভাবসমূহ নিম্নরূপ 

( i ) উৎপাদন : বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কৃষি প্রযুক্তি বিশেষ করে উন্নত বীজ উদ্ভাবন ও ব্যবহারের ফলে শস্যের বহুমুখীকরণ , নিবিড় চাষাবাদের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । ধান , গম , ভুট্টা , পাট , ডাল , সবজি প্রভৃতির ফলন পূর্বাপেক্ষা বৃদ্ধি পেয়েছে । যেমন জিন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে রবি -১ নামে উদ্ভাবিত পাটের জাত সাধারণ তােষা পাটের জাত অপেক্ষা ২০ শতাংশ বেশি ফলন দিচ্ছে , উচ্চতাও তােষা অপেক্ষা ২০ সেন্টিমিটার বেশি , আঁশের পরিমাণও ২০ শতাংশ বেশি । সাধারণ তােষা পাট ১২০ দিন পর কাটতে হয় কিন্তু রবি -১ ১০০ দিনে কাটা যাবে । ২০ দিন বেঁচে যাওয়ায় একই জমিতে আমন চাষে সুবিধা পাবে । 

( ii ) কর্মসংস্থান : উন্নত বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পেয়েছে , বেকারত্ব হ্রাস পেয়েছে

( iii ) আয় ও জীবনযাত্রার মান উন্নত বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ফলন ও আয় অধিক হওয়ায় গ্র , এ Founder of Scholars Educare জনগােষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে । 

( iv ) সম্পদের কাম্য ব্যবহার  উন্নত বীজ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে । 

( v ) জলবায়ু পরিবর্তন  বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি , পরিবেশ দূষণ , জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মােকাবেলায় কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তার ব্যবহার অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক । অর্থাৎ অভিযােজনের অন্যতম উপায় হলাে কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তার ব্যবহার । যেমন ব্রি -৩৯ ও ৭১ ধান পরিবেশ ও গুলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়ার ফলে , এ জাতের ধান চালে কৃষকরা উৎসাহিত হচ্ছে । ব্রি -৭১ এর ফলন তুলনামূলকভাবে অধিক হলেও উভয়ই পাট কাটার ১৫ দিন পূর্বে জমিতে কোনাে রকম চাষ ছাড়াই বপন করা যায় । রিলে পদ্ধতির এরূপ চাষাবাদের এ ধান অন্যান্য ধানের চেয়ে প্রায় ১০ দিন পূর্বেই কাটা যায় । ব্রি -৭১ জাতের ধানের গাছ বড় হওয়ায় ভালাে খড়ও পাওয়া যায় । 

( vi) খাদ্য নিরাপত্তা : বাংলাদেশের বিপুল জনগােষ্ঠীর বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণে তথা খাদ্য নিরাপত্তায় উন্নত বীজ উদ্ভাবনের গুরুত্ব অপরিসীম । 

নেতিবাচক প্রভাব : কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নেতিবাচক প্রভাবসমূহ নিম্নরূপ : 

( i ) দেশীয় প্রজাতির শস্য : উফশী বীজ ব্যবহারের কারণে শস্যের দেশীয় প্রজাতিসমূহ প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পথে । 

( ii ) সামাজিক বৈষম্য : সমাজে ধনী কৃষকরাই উন্নত বীজ , সার , সেচযন্ত্র , কীটনাশক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সুবিধা ভােগ করে থাকে । ভূমিহীন বা প্রান্তিক চাষিরা তেমন লাভবান হয় না , অথচ তাদের সংখ্যাই অধিক । 

( iii ) মাটির উর্বরতা : কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়ছে । এর ফলে মাটির উর্বরতা ও গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে । 

iv ) পানির স্তর : অতিরিক্ত সেচ ব্যবস্থার কারণে গভীর নলকূপ ব্যবহারের ফলে ভূ – গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে । 

( v ) মস্য উৎপাদন  ঃ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদন , বিচরণ ও খাদ্য চাহিদা পূরণ মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে । 

( vi ) অবাঞ্ছিত রােগবালাই : উচ্চ ফলনশীল প্রযুক্তি কৃষিতে প্রয়ােগের ফলে অনেক নতুন নতুন অবাঞ্ছিত রােগবালাই এর আবির্ভাব হচ্ছে । পরিশেষে বলা যায় , অনেক নেতিবাচক দিক থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সময়ের

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট, বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট , ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *