বাংলার সমাজ কাঠামোতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব আলোচনা কর, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের বাংলার সমাজ কাঠামোতে প্রভাব আলোচনা কর

প্রশ্ন সমাধান: বাংলার সমাজ কাঠামোতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব আলোচনা কর

সমাজ সদা পরিবর্তনশীল। এটি সব সমাজেরই একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য। পরিবর্তন বলতে বুঝায় কোন সমাজের রদবদল বা পরিবর্তন। আর সামাজিক পরিবর্তন বলতে বুঝায় সমাজের বিভিন্ন অনুষ্ঠান- প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন বা রূপান্তরকে। অতএব, বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন বলতে বুঝায় এ দেশের প্রধান প্রধান অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান যেমন- অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষাগত, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ইত্যাদি অনুষ্ঠানের মধ্যে সংগঠিত রদবদল বা এগুলোর ভূমিকা বা কার্যবলিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন। প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী জিন্সবার্গের মতে, প্রধান প্রদান গোষ্ঠী ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের যৌগিক বিন্যাসই সমাজ কাঠামো। তাই এগুলো পরিবর্তনের অর্থই হল সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনকে আরো সূক্ষ্মভাবে জানতে হলে দু’টি বিশেষ ধারায় জানতে হবে। তা হল গ্রাম শহর। শহর সমাজের সাথে গ্রাম সমাজের পরিবর্তন ধারায় কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। নিম্নে পার্থিব বিদ্যমানগুলো উপস্থাপন করা হল :


শহরাঞ্চলের পরিবর্তন ঃ বর্তমানে যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশ ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রসরতার ফলে বিরাট পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। যেমন- ক. শহরে সমাজে একক পরিবর্তনের সংখ্যা বাড়ছে।

বিবাহের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রীর নিজস্ব মতামতের মূল্য দেয়া হচ্ছে। বিদেশের সাথে দ্রুত ও বর্ধিত যোগাযোগের ফলে শহরের মানুষের মন ক্রমশ অদৃষ্টবাদীতা ও কুসংস্কার মুক্ত হচ্ছে। শহরে ক্রমশ শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটছে। নিত্য নতুন ফ্যাশন ও আনুষ্ঠানিকতা বেড়ে চলেছে। গ্রাম হতে মানুষ শহরে এসে জীবিকা নির্বাহ করছে। ছ. শিক্ষাগত ও বুদ্ধিভিত্তিক অর্থের মানদণ্ডে নাগরিকদের সামাজিক মর্যাদা নির্ণীত হচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলের পরিবর্তন : শহরের সমাজের পরিবর্তন প্রক্রিয়ার ফলে কিছুটা পরিলক্ষিত হচ্ছে। গ্রাম সমাজ ছিল সহজ সরল কিন্তু বর্তমানে মানুষের চাহিদা ও যান্ত্রিক সভ্যতার প্রভাব গ্রাম সমাজে বেশ ভালোভাবেই পড়েছে। তবে স্বর্গীয় পরিবর্তনগুলো উল্লেখ করা হল :


খবরের কাগজ ও বিভিন্ন জনসাধারণের সাহায্যে গ্রামে শহরের সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। গ্রামের মানুষ আশেপাশের পরিবর্তনের ফলে বাস্তবমুখী হচ্ছে। বাস্তববাদীদের যৌথ ব্যবস্থা ভেঙে যাচ্ছে। শিল্প বাণিজ্যের প্রসার এবং ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সচেতনতার ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্ভব হয়েছে। উপরিউক্ত বিষয় ব্যতীত গ্রাম সমাজের লোকদের সামাজিক প্রথা, কুসংস্কার, আচার-আচরণের অনুপ্রবেশ বা পরিবর্তন ঘটেছে। নিম্নে সমাজ কাঠামো পরিবর্তনের প্রধান প্রধান অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা ও বর্তমান অবস্থার বর্ণনা দেয়া হল ঃ


১. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান : ১৯৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের ফলে ভূমিতে ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত হয়। গ্রাম কি নগরে ভূ-সম্পত্তিতে নগরের মালিকানা ভিত্তিক বৈষম্য সৃষ্টি হয়। যদিও বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর কৃষিজমি ও সর্বোচ্চ সিলিং ৭৫ বিঘা করা হয়েছে। বস্তুত এ সিলিং আইনের প্রভাব গ্রামেও পড়েছে।

তাছাড়া বর্তামনে গ্রামীণ সমাজের অর্থনৈতিক পেশায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। গ্রামাঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার ঘটেছে, উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে অনেক অফিস হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে ফলে গ্রামাঞ্চলে আধুনিক পেশার প্রসার হচ্ছে। আগের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে প্রবাহবেগে শহরের মূল্য বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হচ্ছে। তারা কারখানায় কাজ করছে।

কৃষকদের ছেলে- মেয়েরা লেখাপড়া শিখে চাকুরি করছে। গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চরিত্রের পরিবর্তন ঘটেছে। পার্শ্ববর্তী শহরে গ্রার্মেন্টস শিল্প প্রসারের ফলে গ্রামের মেয়েরা গৃহস্থালি কাজ ছেড়ে কারখানায় কাজ নিচ্ছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর শহরায়ন ও শিল্পায়নের হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাস্তাঘাট ও ইমারতের কাজ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। নগরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উন্নতি অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার ফলে বিভিন্ন ধরনের মিল, কারখানা, ব্যাংক, যানবাহন, বহুতল বিশিষ্ট দালান নির্মাণ ইত্যাদি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে মালিক শ্রেণীর উন্নয়ন লক্ষণীয় হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া যারা দেশ থেকে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে, চাকুরি না পেয়ে ফিরে এসে বাংলাদেশের বিভিন্ন নগরের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। যা আমাদের সমাজ কাঠামোর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধন করছে।


২. সামাজিক অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান : পরিবার, বিবাহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদি অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পুরুষ ও মহিলারা পাশাপাশি কাজ করছে। পারিবারিক আদালত স্থাপিত হওয়ার ফলে মহিলাদের অধিকার কিছুটা নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া তারা পারিবারিক পরিকল্পনা থেকে সচেতন হচ্ছে। বিবাহের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে তাদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে। যদিও উদ্বেগজনক হারে যৌতুকের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইন প্রণয়ন করে এক্ষেত্রে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। বাল্যবিবাহের হার কমে গেলেও বিবাহ বিচ্ছেদের হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।


আরো ও সাজেশন:-

৩. সামাজিক স্তর বিন্যাস : সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। আগে এখানে মর্যাদার মাপকাঠি হিসেবে ফুলকে বিবেচনা করা হত। তার গুরুত্ব বর্তমানে কমে গেছে। মর্যাদার মাপকাঠি হিসেবে শিক্ষাগত যোগ্যতা আর্থিক মাপকাঠিতে সম্পত্তি ও পোশাকের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোতে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। যেমন- উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নির্মবিত্ত। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোর স্তর বিন্যাস প্রকাশ পেয়েছে।

যেমন- উচ্চবিত্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে কারণ, শিল্পকারখানার, ব্যবসাবাণিজ্য, ব্যাংক, বীমা ও অন্যান্য নানাবিধ সুযোগসুবিধার কারণে দিন দিন উচ্চবিত্তের সংখা বাড়ছে। উচ্চবিত্তের লোকগুলো সাধারণত শহরের অভিজাত এলাকায় বাস করেন। তাদের সন্তানাদি দেশের বাইরে থেকে পড়ালেখা করে এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কাজকর্ম করে থাকে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ অনেকটা উন্নতির শিখরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। স্বাধীনতার পূর্বে যে বৈসম্য দেখা দিয়েছিল সেগুলো লোপ পেয়ে এদেশে বিরাট পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।


নিম্নে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত লোকদের নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল :


ক. মধ্যবিত্ত । এ শ্রেণীর লোকগুলো সাধারণত গ্রামে ও শহরে বাস করে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকই আছে বাস করে। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকগুলো তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়ে সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য চালিয়ে যাে এবং তাদের দিন দিন উন্নতি ঘটছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সংখ্যা বাড়ছে এবং সমাজ কাঠামোর প্রভূত উন্নতি ঘটছে।


3 নিম্নবিত্ত নিম্নবিত্ত বলতে সাধারণত যারা দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে তাদেরকে বুঝানো হয়। সাধারণত যাদের জমি নাই, দিন মুজুর খাটেন, মাথা গোজার ঠাই নাই। তাদের বসবাস করা কষ্টসাধ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে এ সমস্যা অনেকটা হ্রাস পাচ্ছে। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সামাজিক স্তর বিন্যাস কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে এবং সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।


৪. রাজনৈতিক অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান : স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোতে রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।


প্রথমত, ১৯৫৮ সাল থেকে বার বার সামরিক শাসকবৃন্দ বুঝতে পেরেছিলেন যে এদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু রাখতেই হবে। যে কারণে বারবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায়ই জনগণের সমর্থন লাভের চেষ্টা চলছে। এতে বার বার বাঁধাপ্রাপ্ত হলেও গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ ঘটছে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি মানুষ ক্রমেই শ্রদ্ধাশীল হয়ে পড়ছে। এমন কি শাসক এলিট শ্রেণী নীতিগতভাবে এবং কখনো গণতান্ত্রিক নীতি আদর্শকে সমুন্নত রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে দ্বিতীয়ত, আমরা পূর্বের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করছি। জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়া ছাড়াও সরকারি অন্যান্য ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হচ্ছে বস্তুত এটাও গণতান্ত্রিক নীতিমালার একটা উল্লেখযোগ্য দিক।


তৃতীয়ত, বিচার বিভাগ এবং প্রশাসনকে আরো বেশি বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। যদিও মাত্র কয়েক বছর আগে উপজেলা আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর গণতান্ত্রিক দিক বিবেচনা করা হয়েছে। প্রশাসনিক ইউনিটগুলোকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

[ বি:দ্র: উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

চতুর্থত, দেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বস্তুত এটা গণতান্ত্রিক নীতির প্রতিফলন। এগুলো সম্ভব হয়েছে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের পক্ষে।


পঞ্চমত, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পাক আমলের তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশের যুব সম্প্রদায় নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে এসেছে। পাক আমলে মৌলিক গণতন্ত্র বলে কথিত মেম্বার, চেয়ারম্যানের অধিকাংশ ছিলেন গ্রামের ধনী ব্যক্তি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুবক শ্ৰেণী প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করে। দেশ স্বাধীনের পর তাদের একটি অংশ গ্রামীণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের রাজনীতিতে অংশ নিতে থাকে। বর্তমানে অনেক শিক্ষিত যুবক শ্রেণী ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে রাজনীতি করছে।


ষষ্ঠত, ব্রিটিশ বা পাকিস্তান আমলের তুলনার আজকের বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বা শ্রেণীর রাজনৈতিক অধিক পচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে অবশ্য বলে যে, অধিকার সচেতনতা বৃদ্ধি পেলেও কর্তব্য সচেতনতা সে অনুযায়ী বাড়ে নি। যাহোক, যেহেতু রাজনৈতিক দলই জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের কথা বলেন এবং সেভাবেই তারা কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। যেহেতু জনগণ তাদের অধিকার সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন।

সপ্তমত, দেশের বর্তমান রাজনীতিতে তিনটি ধারা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই ধারা তিনটি অবশ্য পাক আমলে ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এই ধারা তিনটি আরো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর একটি হল সমাজতান্ত্রিক ধারা, একটি ধর্মতান্ত্রিক ধারা এবং অন্যটি পাশ্চাত্য পুঁজিবাদী ধারা। তিনটি ধারার ঘাত-প্রতিঘাতে হয়তো আরও একটি ধারা বের হয়ে আসবে এবং এক সময় একটা প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করবে।


অষ্টমত, রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ও নেতৃত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পরিবার ছাড়া গ্রাম, মহরা ইত্যাদিতে ক্ষমতা ও নেতৃত্বের প্রশ্ন বর্তমান। পারিবারিক নেতৃত্বে বয়স্ক পুরুষরা আজও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে ইদানিং অনেক পরিবারেই দেখা যায় যে, স্ত্রীর মতামতও গৃহীত হচ্ছে। পাড়া গ্রামে সাধারণত বয়স্ক ধনী কৃষক মোড়ল হিসেবে নেতৃত্ব দেন।


উপসংহার ঃ অবশেষে বলা যায় যে, বাংলাদেশের সমাজ জীবনের উপর স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব অপরিসীম। স্বাধীনতা যুদ্ধের ফলেই এদেশের শহর ও গ্রামের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তাছাড়া মহিলাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়। এভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব আমাদের সমাজকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশের সমাজকাঠামোতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রভাব আলোচনা কর।


রচনা ,প্রবন্ধউত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণউত্তর লিংক Paragraphউত্তর লিংক
আবেদন পত্র ও Applicationউত্তর লিংক অনুচ্ছেদ রচনাউত্তর লিংক Compositionউত্তর লিংক
চিঠি Letterউত্তর লিংক প্রতিবেদনউত্তর লিংক CVউত্তর লিংক
ইমেলEmailউত্তর লিংক সারাংশ ও সারমর্মউত্তর লিংক Seen, Unseenউত্তর লিংক
Essayউত্তর লিংকCompleting Storyউত্তর লিংকDialog/সংলাপউত্তর লিংক
অনুবাদউত্তর লিংকShort Stories/Poems/খুদেগল্পউত্তর লিংকSentence Writingউত্তর লিংক

আপনার জন্য আমাদের ক্যাটাগরি


প্রশ্ন সমাধান
সাজেশন
চাকরি
ধর্ম
মতামত
শিক্ষা
শিক্ষা সংবাদ
নিয়োগ পরীক্ষা
জানা অজানা
Writing Side
অনার্স ও মাস্টার্স
এইচ এস সি
এসএসসি
ডিগ্রি ও উন্মুক্ত
স্বাস্থ্য
উদ্ভিদ ও প্রাণী
ঔষধি গুন
গোপন সমস্যা
রূপচর্চা
রেসিপি
রোগ প্রতিরোধ

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

Leave a Comment