My Ads
New Ads
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তির স্বাধীনতা
বহু রক্তের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।বঙ্গবন্ধুর কর্তৃত্ব যে আইনগত বৈধতা উদ্ভূত হয়েছিল, তা মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ যখন আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের যে জোয়ার এসেছিল, সেটা ছিল স্বতঃস্ফূর্ত এবং তিনি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশের কথা বলার অধিকার লাভ করেছিলেন। এমন সমর্থন হয়তো গান্ধী বা নেহরু বা মাও বা হো চি মিন বা বেন বেল্লা কিংবা নকরুমা, নায়ারে অথবা ম্যান্ডেলার মতো ব্যক্তিরাও পাননি। তাঁরা সবাই পরিপূর্ণ নির্বাচনগত বৈধতা পেয়েছিলেন স্বাধীনতার পর। সারা বিশ্বের চোখে বঙ্গবন্ধু আদতে ওই সময়ের মধ্যেই দায়িত্ব বা ক্ষমতার চর্চা শুরু করেছিলেন যখন তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন)।
এই সর্বজনীন স্বীকৃত ক্ষমতার জন্যই বাঙালি বিচারক, আমলা, কূটনৈতিক নির্বিশেষে সবাই বঙ্গবন্ধুকে সমর্থন করেছিলেন। এমনকি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত বাঙালিরাও নিজেদের কর্মক্ষেত্রের শপথ ভেঙে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে দ্বিধা করেননি। মনে রাখতে হবে, কিছু ভিয়েতনামি তাদের মুক্তি আন্দোলন দমনকারী ফরাসিদের পক্ষে যুদ্ধ করেছে। ব্রিটিশরা শুরু থেকেই তাদের সাম্রাজ্যের ভেতরকার স্বাধীনতাসংগ্রাম রুখতে পুলিশ এবং স্থানীয় বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে এসেছে। একমাত্র বাংলাদেশই ছিল এর ব্যতিক্রম।
যেখানে ঔপনিবেশিক শাসনের এসব ভৃত্য শাসকের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করেছিল এবং একটি বিদ্রোহী পক্ষকে সমর্থন করেছিল। কারণ, তারা এই পক্ষটির নেতাকে সব জনগণের হয়ে কথা বলার ক্ষমতা দিয়েছিল।
১৯৭১ সালের মার্চের পর যখন বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বদরবারে তাদের বার্তা নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল, তখন সার্বভৌমত্বের সমর্থন আদায়ে তেমন বেগ পেতে হয়নি, এমনকি সে সময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য তাদের সমর্থনে সরকারের আগ্রহ কম থাকা সত্ত্বেও। পাকিস্তানি সেনা আক্রমণ এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সে সময় বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের সমর্থন ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। আজ বহু দেশই মনে করে, সেই সময়ের গণহত্যার দুই নায়ক ইয়াহিয়া ও সামরিক অধিনায়ক টিক্কা খানকে তাঁদের বর্বরোচিত আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধী বিবেচনা করে বিচার করা উচিত।
১৯৭১ সালে কখনো বাংলাদেশের নাম শোনেনি, এমন সব রাষ্ট্রের মানুষদেরও সমর্থন বাংলাদেশের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ওপর যে ভয়াবহ নৃশংসতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সারা বিশ্ব তা লক্ষ করেছে। তাই বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের নেতা এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সময় লাগেনি। ১৯৭১ সালের পরে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে যে যা-ই বলুক না কেন, সব বাংলাদেশিকে অন্তত এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে বঙ্গবন্ধু যদি এ দেশের মানুষের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও আত্মসচেতনতা না জাগাতে পারতেন (বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের আগে) এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে তিনি যদি বিশ্বের সামনে প্রস্তাব উত্থাপন না করতেন, তবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হতো আরও বিলম্বিত এবং দীর্ঘায়িত একটি প্রক্রিয়া হয়ে যেতো।আমরা দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য যুদ্ধ করে আজ স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা দেখতে পাই।আমরা ধন্য এবং আমরা অনেক অনেক সুখী আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়ে।
New Ads
নবীন লেখক সাংবাদিক
মোঃ ফিরোজ খান
ঢাকা বাংলাদেশ
- হস্তান্তর প্রত্যয়ন পত্র ও ব্যাক প্রত্যয়ন পত্র পার্থক্য, হস্তান্তর প্রত্যয়ন পত্র vs ব্যাক প্রত্যয়ন পত্র পার্থক্য
- খাদ্য মন্ত্রণালয় (PSC) এর উপসহকারী প্রকৌশলী পদের নৈমিত্তিক পরীক্ষার full প্রশ্ন সমাধানের pdf ২০২৬,PSC Assistant Engineer post question solution pdf 2026
- world cup live, world cup live FTP server, fifa world cup 2026 FTP server
- সমাজসেবা অধিদপ্তর নিয়োগ পরিক্ষার সাজেশন,DSS Job Examination Suggestions
- সমাজকর্মী নিয়োগ পরিক্ষার সাজেশন,Social worker Job Examination Suggestions
New Ads
My Ads
