Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়: ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির সম্পর্কে জানা অজানা কথা, ফুটবল বিশ্বকাপের কিছু মজার তথ্য যা আপনার অজানা
দরজায় কড়া নাড়ছে আরও একটি বিশ্বকাপ। ২০টি সফল আয়োজনের পর ২১তম আসরটি হতে যাচ্ছে রাশিয়ায়। শুরুর আগেই এ আসর নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে ফুটবল পাড়ায়। সমর্থকদের ঘুম নেই নিজ নিজ দলকে নিয়ে। নানা খুঁটিনাটি তথ্য নিয়ে তর্কে জমিয়ে তুলছেন চায়ের আড্ডায়। তাই দ্য ডেইলি স্টারের পাঠকদের জন্য ১৫টি মজার তথ্য তুলে ধরা হলো, যা হয়তো আপনি নাও জানতে পারেন।
১. ভাবা যায়, স্টেডিয়ামে এক সময় পিস্তল নিয়ে খেলা দেখতে যেতো দর্শকরা। প্রথম বিশ্বকাপের ঘটনা এটা। সেবার দুই প্রতিবেশী দেশ আর্জেন্টিনা ও স্বাগতিক উরুগুয়ে ফাইনালে ওঠায় দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা ছিলো চরম পর্যায়ের। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেফারি সকল দর্শকদের তল্লাশি করতে বলেন। এতে ১৬০০ রিভলভার পাওয়া যায় তাদের কাছ থেকে।
২. প্রথম বিশ্বকাপে ফিফার নিজস্ব কোন বল ছিলো না। দলগুলোর বল দিয়ে খেলা হতো। সেবার ফাইনালে বল নিয়ে দ্বন্দ্ব লেগে যায় দুই ফাইনালিস্ট উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে। দুই দলই চায় নিজেদের বল নিয়ে খেলতে। শেষে সিদ্ধান্ত হয় প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার বল দিয়ে খেলা হবে আর দ্বিতীয়ার্ধে উরুগুয়ের। মজার ব্যাপার হলো, প্রথমার্ধে নিজেদের বল দিয়ে ২টি গোল দেয় আর্জেন্টিনা। আর দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের বল দিয়ে উরুগুয়ে দেয় ৪টি গোল। ফলে ৪-২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে।
৩. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ফিফার ইতালিয়ান ভাইস প্রেসিডেন্ট অত্তোরিনো বারসি বিশ্বকাপ ট্রফি নিজের বেডরুমের বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখেন। তার ভয় ছিল নাৎসি বাহিনী ট্রফিটি চুরি করতে পারে!
৪. ১৯৭৪ সালে টিম জায়ার পশ্চিম জার্মানি ছাড়ার জন্য একটি বিএমডব্লিউ টিম বাস চুরি করে। তবে খুব বেশি দূর যেতে পারেনি তারা। জার্মানি ছাড়ার আগেই তাদের পাকরাও করে পুলিশ।
৫. ১৯৯০ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। দলের খেলোয়াড়দের প্রতিজ্ঞা করা হয় যদি কেউ গোল করতে পারে, তাহলে তাকে দেওয়া হবে একটি রোল রয়েস গাড়ি। অনভিজ্ঞ দলটির ভালো করার সুযোগ ছিল খুবই কম। তবে গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পরার আগে তারা ২টি গোল দিতে সমর্থ হয়। আর প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী শেখ মোহাম্মদের কাছ থেকে দুই গোলদাতা ইসমাইল মোবারক ও থানি জুমা একটি করে রোল রয়েস গাড়ি উপহার পান।
৬. ১৯৫০ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে কোন নক আউট ফাইনাল ছিল না। তার পরিবর্তে পরীক্ষামূলক ভাবে রাউন্ড রবিন লিগ ভিত্তিতে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহকারী দলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। আর তাতে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে। তেমনি ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপে ছিলো না কোন গ্রুপ পর্ব।
৭. কোন মতে হার এড়াতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন। আগের সব ম্যাচেই ব্রাজিল পায় বড় বড় জয়। তাই এ ম্যাচে নিয়ে বিশাল আগ্রহ ছিল ব্রাজিলিয়ানদের। ১৯৫০ বিশ্বকাপের ফাইনাল রাউন্ডের শেষ ম্যাচে উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের লড়াই দেখতে রিও’র মারাকানা স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিত হয়েছিল ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৮৪ জন। যা এখনও বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ম্যাচটি হারে ব্রাজিল। আর সে ম্যাচে হারের বেদনা সহ্য করতে না পেরে বেশ কিছু ব্রাজিলিয়ান ভক্ত মারাকানার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন।
৮. বাছাই পর্ব থেকে বাকি দলগুলো নাম প্রত্যাহার করে নেওয়াই কোন ম্যাচ না খেলেই ১৯৫০ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে যায় ভারত। সে সময়ে খালি পায়ে খেলে অভ্যস্ত দলটি বিশ্বকাপেও খালি পায়ে খেলার দাবি করে। কিন্তু ফিফা সে অনুমতি দেয়নি। পরে বাধ্য নাম প্রত্যাহার করে নেয় ভারত।
৯. ব্রাজিলই একমাত্র দল যারা বিশ্বকাপের সবগুলো আসরে খেলেছে। আগের ২০ আসরে সর্বোচ্চ পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নও তারা। এছাড়াও বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৭০টি জয়ের রেকর্ডও তাদের। তবে সফল এ দলটির বিশ্বকাপ সূচনাটা ভালো ছিলো না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৯৩০ বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু দলটি।
১০. ১৯৯৪ বিশ্বকাপের হট ফেভারিট দল ছিল কলোম্বিয়া। কিন্তু গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় তারা। সেখানে একটি আত্মঘাতী গোল দেন আন্দ্রে এসকোবার। সেই আত্মঘাতী গোলের কারণে গ্যাংস্টাররা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
১১. বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সময় টানা চ্যাম্পিয়ন থাকার রেকর্ডটি ইতালির। ১৯৩৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯৩৮ সালেও বিশ্বকাপ জিতে নেয় তারা। এর পরের দুই আসর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ছিল তারা।
১২. বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২০০২ সালেই দুটি ভিন্ন দেশে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান যৌথভাবে আয়োজন করেছিল সে আসর। এবার প্রথমবারের মতো একই সঙ্গে দুই মহাদেশে বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে। কারণ রাশিয়া একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের মধ্যে পড়েছে।
My Ads
১৩. ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে জার্সি বদল নিষিদ্ধ ছিলো। খেলোয়াড়দের বুক উন্মুক্ত হয়ে যেতো বলেই এই অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফিফা।
১৪. প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচটি খেলেছিল স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। ১৮৭২ সালে। কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে স্কটল্যান্ডের সময় লাগে ৮২ বছর। ১৯৫৪ সালে সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপে সুযোগ পায় তারা। আর ইংল্যান্ডের সুযোগ পেতে সময় লাগে ৭৮ বছর। ১৯৫০ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেয় দলটি। প্রথম ম্যাচেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ০-১ গোলে হারে তারা। যদিও ইংলিশ মিডিয়া এটা মানতে নারাজ। তাদের দাবি ইংল্যান্ড আসলে ম্যাচটি জিতেছিল ১০-১ গোলে। ভুলবশত ছাপা হয় ০-১!
১৫. ফাইনালে ৩ গোলের ব্যবধানই সর্বোচ্চ জয়। আর এই তিনবারের সঙ্গেই যুক্ত ব্রাজিল। ১৯৫৮ সালে ফাইনালে সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারায় তারা। আর ১৯৭০ সালে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারায় দলটি। বড় ব্যবধানে দুইবার জিতলেও একবার হারও দেখে তারা। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হারে দলটি।
আরো ও সাজেশন:-
প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছে উরুগুয়ে।
My Ads
সর্বপ্রথম ফিফা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭২ সালে ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে। যারও ফলাফল ছিল ০-০।
প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৩ই জুলাই ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে।
১৯০৪ সালের ২১শে মে FIFA প্রতিষ্ঠিত হয়।
FIFA এর পূর্ণরুপ-“International Federation of Association Football“
১৮৭৫ সালে সর্বপ্রথম ক্রসবারের আবির্ভাব হয়।
১৮৭৭ সালে সর্বপ্রথম ফুটবল খেলার দৈর্ঘ্য ৯০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়।
১৮৯০ সালে সর্বপ্রথম গোলপোস্টে জাল ব্যবহার করা হয়।
১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম পেলান্টি কিকের আবির্ভাব হয়।
মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব পার হতে পারেনি ইতালি। বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ার পর দুজন কোচ ছাঁটাই করেছে সৌদি আরব।
My Ads
সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে।
মাত্র ৪টি দল এক বিশ্বকাপের সব ম্যাচ জিতেছে। উরুগুয়ে (১৯৩০,৪), ইতালি (১৯৩৮,৪), ব্রাজিল (১৯৭০,৬ এবং ২০০২,৭) !
এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড রাশিয়ার ওলেগ সালেনকোর (১৯৯৪, প্রতিপক্ষ ক্যামেরুন)।
৬টি স্বাগতিক দল বিশ্বকাপ জিতেছে।
বিশ্বকাপে অন্তত ১০ গোল করেছেন ৭ জন খেলোয়াড়। সবচেয়ে কম সময়ে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড। ১৯৮২ সালে এল সালভাদরের বিপক্ষে ৫৯ থেকে ৭৬ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেছিলেন হাঙ্গেরির লাস্লো কিস।
মাত্র আটটি দল বিশ্বকাপ জিতেছে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। ১৯৮২ বিশ্বকাপে এল সালভাদরকে ১০-১ গোলে হারিয়েছিল হাঙ্গেরি।
এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে ১০টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে দ্রুততম গোল হাকান সুকুরের। ২০০২ সালে তুর্কির এই খেলোয়াড় ম্যাচের ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন।
এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল ফ্রান্সের জাঁ ফন্টেইন।
My Ads
বিশ্বকাপে সর্বশেষ ১৪ ম্যাচে স্পেন ড্র করেনি।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার গোল।
টানা জয়হীন থাকার রেকর্ড। ১৯৬২ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত টানা ১৭ ম্যাচ জয় পায়নি বুলগেরিয়া।
My Ads
বিশ্বকাপে ১৮টি ম্যাচ খেলেছে কলম্বিয়া। প্রত্যেক ম্যাচেই অন্তত একটি গোল হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা বাদে বাকি ১৯ স্বাগতিক দল দ্বিতীয় পর্ব খেলেছে।
বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হেরেছে জার্মানি (২০)। সবচেয়ে কম জয় উরুগুয়ের (২০)।
একমাত্র দল হিসেবে ২১টি বিশ্বকাপেই খেলছে ব্রাজিল।
সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টনি মিওলা (১৯৯০, প্রতিপক্ষ চেকোস্লোভাকিয়া)
আরি পড়ুন ›hsc (এইচএসসি) উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র ৯ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২২, hsc production management and marketing 2nd paper assignment answers 9th week 2022, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র hsc ৯ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ২০২২শ্রেণি: HSC/2022 বিষয়: উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ…
আরি পড়ুন ›এইচএসসি বিএম ব্যবসায় উদ্যোগ (২৪১৮) এ্যাসাইনমেন্ট উত্তরএইচএসসি বিএম ব্যবসায় উদ্যোগ (২৪১৮) এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ Business Enterprise Assignment Answer 2021 বিএম-…
আরি পড়ুন ›অনার্স ৪র্থ বর্ষ জেন্ডার সমাজ ও উন্নয়ন সাজেশন, honors 4th year gender society and development special short suggestionsচূড়ান্ত সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের জেন্ডার সমাজ ও উন্নয়ন, অনার্স ৪র্থ বর্ষের ১০০% কমন…
ফাইনাল না খেলে এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ফ্রান্সের (১৯৫৮)। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে গ্রুপ পর্ব পার হতে না পারার রেকর্ড স্কটল্যান্ডের।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি হার মেক্সিকোর।
২০৩৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে ২৬তম বিশ্বকাপ। সেটি হবে বর্তমান ট্রফিতে শেষ বিশ্বকাপ, এরপর আর বিজয়ীর নাম লেখার জন্য কোনো স্থান বাকি থাকবে না এ ট্রফিতে।
বিশ্বকাপে ডেনমার্কের গোল সংখ্যা, সবগুলোই এসেছে ডি-বক্সের মধ্য থেকে।
সবচেয়ে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে ২০০৬ সালে।
বিশ্বকাপে ব্রাজিল (১১), আর্জেন্টিনা (১০) ও উরুগুয়ের পাওয়া কার্ডের সমষ্টি।
বিশ্বকাপের খেলা প্রথম টেলিভিশনে সম্প্রচার হয় ১৯৫৪ সালে। এ সময় সারা বিশ্বে এটি ছিল সর্বাধিক প্রচারিত ক্রীড়া ইভেন্ট।
ইতালীয় গোল রক্ষক এবং অধিনায়ক দিনো জফ হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপে নিজ দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৮২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে তিনি ইতালীয় দলের নেতৃত্ব দেন।
রাশিয়া ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ সম্পর্কিত সকল তথ্য ও খেলার সময়সূচি জানতে এখানে ক্লিক করুন
বিশ্বকাপে প্রথম পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পারা খেলোয়াড়টি হচ্ছেন ব্রাজিলের ভালদেমার ডি ব্রিটো। ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম আসরে তিনি ওই ব্যর্থতার পরিচয় দেন।
পেনাল্টি থেকে বিশ্বকাপে প্রথম গোলদাতা হচ্ছেন মেক্সিকোর ম্যানুয়েল রককুইটাস রোসাস। ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গোল করেছিলেন তিনি।
| রচনা ,প্রবন্ধ | উত্তর লিংক | ভাবসম্প্রসারণ | উত্তর লিংক |
| আবেদন পত্র | উত্তর লিংক | অনুচ্ছেদ রচনা | উত্তর লিংক |
| চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক | প্রতিবেদন | উত্তর লিংক |
কিংবদন্তি ক্রিকেট তারকা স্যার ভিব রিচার্ড হচ্ছেন একমাত্র ক্রীড়াবিদ যিনি ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৭৪ সালে এনিটগুয়ার হয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপের চুড়ান্ত পর্বে প্রথম অংশগ্রহণকারী এশীয় দল হচ্ছে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ (বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া)। ১৯৩৮ সালে তারা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে।
আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথম খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মিসর। ১৯৩৮ সালে ইতালিতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল দলটি।
রাশিয়ার ওলেগ সালেংকো হচ্ছেন প্রথম কোন ফুটবলার যিনি বিশ্বকাপের এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার নজির স্থাপন করেছেন। ১৯৯৪ সালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে গোলগুলো করেছিলেন তিনি।
১৯৫০ সালে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল পরাজিত হওয়ার শোকে অন্তত ৪ ব্যক্তি শোকাহত হয়ে মারা গেছে বলে খবর রয়েছে।
একটি ম্যাচও না খেলে বিশ্বকাপের চুড়া›ত পর্বে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইসরায়েল। ১৯৫৮ সালে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে তাদের ৫টি প্রতিপক্ষ দল নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। যাতে ইসরায়েল ওই সুবর্ণ সুযোগটি লাভ করে। অবশ্য শেষ পর্যন্ত একটি প্লে অফ ম্যাচে খেলতে হয়েছে ইসরায়েলকে। ওয়েলসের বিপক্ষে ওই ম্যাচে তারা হেরে যায়।
২০০৬ সালে জার্মানীতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে রেফারি গ্রাহাম পুল একবার নয়, দুবার নয়, তিন দফা হলুদ কার্ড দেখানোর পর লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠছাড়া করেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় জসিপ সিমুনিককে।
১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচের আগমুহূর্তে চুরি হয়ে গিয়েছিল জুলিয়েস রিমেট (সাবেক বিশ্বকাপ) টফি। ওয়েস্ট মিনিস্টারের সেন্ট্রাল হল থেকে ট্রফিটি চুরি হয়। একটি ছোট্ট কুকুর শেষ পর্যন্তু চুরি যাওয়া ট্রফিটি শনাক্ত করে। পরে ১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পুরস্কার হিসেবে ট্রফিটি একেবারেই দিয়ে দেওয়া হয় ব্রাজিলকে। তবে ১৯৮৩ সালে সেটি আবারও চুরি হয়ে যায়, যেটি আজ পর্যন্ত আর উদ্ধার করা যায়নি।
১৯৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ম্যাচ চলাকালে মার্কিন ট্রেইনার রেফারিকে একটি প্রতিবাদ জানাতে সোজা মাঠের মাঝখান দিয়ে দৌড় দেন। এ সময় তিনি তাঁর ডাক্তারি ব্যাগটি মাটিতে ছুড়ে মারেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত ক্লোরোফর্মের বোতলটি ভেঙে গেলে এর প্রভাবে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি
বিশ্বকাপে প্রথম পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পারা খেলোয়াড়টি হচ্ছেন ব্রাজিলের ভালদেমার ডি ব্রিটো। ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম আসরে তিনি ওই ব্যর্থতার পরিচয় দেন।
১৯৫০ সালে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল পরাজিত হবার শোকে অন্তত ৪ ব্যক্তি শোকাহত হয়ে মারা গেছে বলে খবর রয়েছে।
কিংবদন্তী ক্রিকেট তারকা স্যার ভিব রিচার্ড হচ্ছেন একমাত্র ক্রীড়াবিদ যিনি ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করেছেন। ১৯৭৪ সালে এনিটগুয়ার হয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথম খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মিশর। ১৯৩৮ সালে ইতালীতে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল দলটি।
ইতালীয় গোল রক্ষক এবং অধিনায়ক দিনো জফ হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপে নিজ দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৮২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে তিনি ইতালীয় দলের নেতৃত্ব দেন।
বিশ্বকাপের চুড়ান্ত পর্বে প্রথম অংশগ্রহণকারী এশীয় দল হচ্ছে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ (বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া)। ১৯৩৮ সালে তারা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে।
রাশিয়ার ওলেগ সালেংকো হচ্ছেন প্রথম কোন ফুটবলার যিনি বিশ্বকাপের একম্যাচে ৫ গোল করার নজীর স্থাপন করেছেন। ১৯৯৪ সালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে গোলগুলো করেছিলেন তিনি।
| Paragraph | উত্তর লিংক | Composition | উত্তর লিংক |
| Application | উত্তর লিংক | উত্তর লিংক | |
| Essay | উত্তর লিংক | Letter | উত্তর লিংক |
ফুটবলে প্রথম বুট ব্যবহার করা হয়েছিল ১৫২৬ সালে।
নারীরা প্রথম ফুটবল খেলেছিল ১৫৮০ সালে।
প্রথম ফুটবলে গোলের ব্যবহার শুরু হয়েছিল ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে।
নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ক্লাবের নাম Foot-Ball Club (১৮২৪-৪১) যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে।
প্রথমদিকে ফুটবল তৈরি করা হত পশুদের মুত্রথলি দিয়ে বিশেষত শুকুরের মুত্রথলি দিয়ে।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় অস্ট্রেলিয়ার। আমেরিকান সামোয়াকে ২০০১ সালে ৩১-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল দলটি।
সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭০ সালের ৫ই মার্চ ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে। যার ফলাফল ছিল ০-০।
ফ্রান্সের Lucien Laurent বিশ্বকাপে সর্বপ্রথম গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন মেক্সিকোর বিপক্ষে।
১৯৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ম্যাচ চলাকালে মার্কিন ট্রেইনার রেফারীকে একটি প্রতিবাদ জানাতে সোজা মাঠের মাঝখান দিয়ে দৌড় দেন। এসময় তিনি তারা ডাক্তারী ব্যাগটি মাটিতে ছুড়ে মারেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত ক্লোরফর্মের বোতলটি ভেঙ্গে গেলে এর প্রভাবে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারনে ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিতই হয়নি।
১৯৩০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপের নাম ছিলো ‘ জুলে রিমে ট্রপি ” (১৯৭০ সালে ব্রাজিল তৃতীয় বারের মত বিশ্বকাপ জিতলে তাদেরকে স্থায়ীভাবে ট্রফিটি দেয়া হয়)
২০০৬ সালে জার্মানীতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে রেফারী গ্রাহাম পুল একবার নয়, দুবার নয়, তিন দফা হলুদ কার্ড দেখানোর পর লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠছাড়া করেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় জসিপ সিমুনিককে।
১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচের আগমুহূর্তে চুরি হয়ে গিয়েছিল জুলিয়েস রিমেট (সাবেক বিশ্বকাপ) টফি। ওয়েস্ট মিনিস্টারের সেন্ট্রাল হল থেকে ট্রফিটি চুরি হয়। একটি ছোট্ট কুকুর শেষ পর্যন্তু চুরি যাওয়া ট্রফিটি সনাক্ত করে। পরে ১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পুরস্কার হিসেবে ট্রফিটি একেবারেই দিয়ে দেয়া হয় ব্রাজিলকে। তবে ১৯৮৩ সালে সেটি আবারো চুরি হয়ে যায়, যেটি আজ পর্যন্ত আর উদ্ধার করা যায়নি।
একটি ম্যাচও না খেলে বিশ্বকাপের চুড়া›ত পর্বে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইসরায়েল। ১৯৫৮ সালে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে তাদের ৫টি প্রতিপক্ষ দল নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। যাতে ইসরায়েল ওই সুবর্ণ সুযোগটি লাভ করে। অবশ্য শেষ পর্যন্ত একটি প্লে অফ ম্যাচে খেলতে হয়েছে ইসরায়েলকে। ওয়েলসের বিপক্ষে ওই ম্যাচে তারা হেরে যায়।
এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আরি পড়ুন ›dakhil higher math 2nd week assignment answer 2021, দাখিল ২০২১ পরীক্ষার্থীদের ২য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট উচ্চতর গণিত উত্তরচিত্রে একটি পঞ্চভুজেরর শীষ বিন্দুগুলাে A(-12,10) 𝐵(-4,-2), 𝐶(6, -8), 𝐷(t, 3),𝐸(𝑡, ৩), 𝐹(6, 8)…
আরি পড়ুন ›class 6 english answer 11th week assignment answer/solution 2021, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ১১শ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১অ্যাসাইনমেন্ট : Fahmida loves eating. Both of her parents are good cook but she…
আরি পড়ুন ›ভোকেশনাল ১০ম শ্রেণির ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন (২) ২য় পত্র ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১, মাংসের উৎস ও গাঠনিক উপাদানের বিশ্লেষণউত্তর সমূহ এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube…


