ফলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, জাতীয় অর্থনীতিতে ফলের অবদান, ফলচাষ যে লাভজনক সে সম্পর্কে ধারনা

ফলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, জাতীয় অর্থনীতিতে ফলের অবদান, ফলচাষ যে লাভজনক সে সম্পর্কে ধারনা

এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

অ্যাসাইনমেন্ট : ফলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

 শিখনফল/বিষয়বস্তু :  

  • ১.১ জাতীয় অর্থনীতিতে ফলের অবদান 
  • ১.২ ফলচাষ যে লাভজনক সে সম্পর্কে ধারনা 
  • ১.৩ বাণিজ্যিক ভাবে ফলচাষের কৌশল অর্জন

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • ফলের অবদান
  • ফলচাষ লাভ জনক 
  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ফলের অবদান

জাতীয় অর্থনীতিতে ফলের অবদান ৫ জাতীয় অর্থনীতিতে দানাজাতীয় শস্য তথা খাদ্য শস্যের অবদানের চেয়ে ফলজাতীয় শস্যের অবদান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। ২০০৬-২০০৭ সালের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ফলের আওতায় রয়েছে মােট চাষভুক্ত জমির শতকরা ০.৭৫ ভাগ।

কিন্তু জাতীয় অর্থনীতিতে মােট ফসলভিত্তিক আয়ের আনুমানিক প্রায় শতকরা ১০ ভাগ আসে ফল হতে। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও অন্যান্য ফসলের তুলনায় ফলজাতীয় ফসলের আয় তুলনামূলকভাবে বেশি।

ফলের বাজারমূল্য সব সময় বেশি থাকে বিধায়, ফলের গড় আয় অন্যান্য ফসলের তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের জিডিপিতে কৃষি সেক্টরের অবদান যেখানে শতকরা ৩৩ ভাগ সেখানে ফল ও ফলজাত দ্রব্যের অবদান প্রায় শতকরা ২.৩ ভাগ।

পৃথিবীর অনেক দেশেই উপযুক্ত জলবায়ুর অভাবে ফল চাষ সম্ভব হয় না। সে সব দেশে ফল রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। তাছাড়া বাংলাদেশে চাষাবাদ সম্ভব এমন ফল যেমন আঙ্গুর, অ্যাভােক্যাডাে, রামবুটান, কাজুবাদাম ইত্যাদি চাষ করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানাে সম্ভব।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ফলচাষ লাভ জনক 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব

বাণিজ্যিকভাবে ফল চাষের কৌশল। বাংলাদেশের জলবায়ু, পৃথিবীর প্রায় সর্মত গ্রীষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপাদিত ফল জন্মানাের উপযােগী। বর্তমানে অধিকাংশ ফলই সমভূমি এলাকায় জন্মে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকায় সমতল ভূমি আছে। যেখানে বাণিজ্যিকভাবে ফল চাষ করা অত্যন্ত সহজ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও বৃহত্তর দিনাজপুর এলাকায় উঁচু টিলা ও পাহাড়ি জমিতেও বানিজ্যিক ভাবে বিভিন্ন প্রকার ফল চাষ করা যেতে পারে।

এমনকি এ সমস্ত এলাকাতে আনারস, নারিকেল, পেয়ারা, আঙ্গুর, কলা, কাঁঠাল, লিচু, কামরাংগা ইত্যাদি ফল চাষের জোন হিসেবে গড়ে তােলা সম্ভব। বর্তমানে দেখা যায় যে, এ সমস্ত এলাকার পাহাড়ি ও টিলা ভূমিগুলাে প্রায়ই অনাবাদি ও পতিত থাকে।

রাজশাহীর বিস্তীর্ণ পদ্মার চরাঞ্চলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উন্নত জাতের কুল, স্ট্রবেরী ও আমের চাষ সম্প্রসারণ করা যায়। দক্ষিণ অঞ্চলের ভােলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার চরাঞ্চলে উন্নত জাতের তরমুজ ও কলার বাণিজ্যিকভাবে বাগান তৈরি করে ফল চাষ সম্প্রসারণ করা যায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে মাথা পিছু জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। যার ফলে সব ধরনের আবাদি জমির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। তাই শুধু ফল চাষের জন্য মাঠ আকারে বড় বড় বাগান তৈরি করে জমির পরিমাণ বাড়ানাে সম্ভব নয়।

তবে অন্য ভাবে ফলের আওতায় জমির পরিমাণ বাড়ানাে যেতে পারে। যেমন-অফিস-আদালত, রাস্তার পাশে, রেল লাইনের পাশে, জমির আইলে, বাড়ির আনাচে কানাচে পরিকল্পিতভাবে উন্নত জাতের ফল গাছ লাগিয়ে ফলের উৎপাদন বাড়ানাে সম্ভব। এদেশে কিছু কিছু ফল আছে যা স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প পরিসরে জন্মানাে যায়।

যেমন ঃ পেঁপে, তরমুজ, ফুটি বা বাংগি, কলা, আনারস ইত্যাদি। বীজ হতে চারা বা গাছ উৎপাদন করে ফল ধরার উপযােগী হতে অনেক সময় লাগে। তাই অনেক ফল আছে যেগুলাে কলমের মাধ্যমে তৈরি করে স্বাভাবিক সময়ের চাইতে কম সময়ে ফল উৎপাদন করা সম্ভব। যেমন- কুল, লেবু, পেয়ারা, লিচু, আম, জামরুল ইত্যাদি। কোন কোন ফল রােপণের সময় হতে উৎপাদনে আসতে সময় বেশি লাগে। তবে এ সময়কালের মধ্যে জমির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়।

যেমন- দীর্ঘমেয়াদি ফলের সাথে স্বল্পমেয়াদি ফল চাষ করা। এভাবে ফল চাষে মুলধন বেশি লাগে। কিন্তু ফলের হেক্টর প্রতি ফলন ও বিক্রয় মূল্য বেশি পাওয়া যায়। ফল সহজে বাজার জাত করা যায় এবং সহজে খাওয়া যায় বলে এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

আবার অনেক ফলের ভেষজ (ঔষধ) ব্যবহার আছে যেমন লেবু, আমলকি, হরিতকি, ডাব, পেঁপে, আনারস ইত্যাদি। এদেশে আগে লােকজন সখের বসে যেমন ফল গাছের চারা রােপণ করেছেন তেমনি অনেকে গড়ে তুলেছেন বাণিজ্যিক ফল বাগান। এই সকল বাগানে দীর্ঘ মেয়াদি ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে বাগানের মধ্যে স্বল্প মেয়াদি ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসল চাষ করা হয়।

এর মাধ্যমে অনেকেই ফল চাষকে বাণিজ্যিক উৎপাদন কৌশল হিসেবে গ্রহণ করে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের রামগড় থেকে দিঘিনালা পর্যন্ত অসংখ্য এক একর বা দুই একর বাগান যেমন হয়েছে, তেমনি সেখানে ২৫ একরের বেশি জায়গা নিয়েও বাণিজ্যিকভাবে ফলের বাগান গড়ে উঠেছে। অসংখ্য ফল বাগান আছে যা বানিজ্যিক ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এসব বাগানে লাগানাে হয়েছে আম্রপালি জাতের আম, লিচু, জলপাই ইত্যাদি। অনেকে এর সাথে লেবুও লাগিয়েছেন। বছরে এসব বাগান থেকে ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকার আম বিক্রি হচ্ছে আবার অনেকে বাগানের মধ্যে হলুদের চাষ করেছেন। এসবের ফলে উক্ত এলাকার প্রান্তিক জনগােষ্ঠির জীবন যাত্রার মানও উন্নত হয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *