পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্বে গমনাগমনের ক্ষেত্রে ১৮০°দ্রাঘিমা রেখায় তারিখ, বার ও সময়ের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা কর, যুক্তরাজ্যে সকাল ৮টা হলে তখন। বাংলাদেশের সময় নিরূপণ

পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্বে গমনাগমনের ক্ষেত্রে ১৮০°দ্রাঘিমা রেখায় তারিখ, বার ও সময়ের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা কর, যুক্তরাজ্যে সকাল ৮টা হলে তখন। বাংলাদেশের সময় নিরূপণ

এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১০ম SSC 2022 বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 02 বিষয় কোডঃ 110
বিভাগ: মানবিক শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

অ্যাসাইনমেন্টঃ ক. পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্বে গমনাগমনের ক্ষেত্রে ১৮০°দ্রাঘিমা রেখায় তারিখ, বার ও সময়ের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা কর; খ. যুক্তরাজ্যে সকাল ৮টা হলে তখন। বাংলাদেশের সময় নিরূপণ;

নির্দেশনা (সংকেত/পরিধি/ধাপ): •গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ এবং আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার ব্যাখ্যা ও গুরুত্ব বর্ণনা • অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা দ্বারা অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা। • আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ব্যবহার করে সময় নিরূপণ করা।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

ক) অক্ষরেখা, দ্রাঘিমা রেখা ও আন্তর্জাতিক রেখার ব্যাখ্যা 

পৃথিবী পৃষ্ঠে একটি নির্দিষ্ট স্থানের সঠিক অবস্থান ও উক্ত স্থানের সঠিক সময় জানবার জন্যে ভূ-বিজ্ঞানীগণ সমগ্র পৃথিবীকে মোট দুই ধরনের রেখা দ্বারা বিভক্ত করেছেন। এই রেখাসমূহ অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা নামে পরিচিত।

অক্ষরেখা: ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।

এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা। নিরক্ষরেখার (০°) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিনত হয়। অর্থাৎ অক্ষরেখাগুলো নিরক্ষরেখার সাথে কৌণিক দুরত্বে কল্পিত কতিপয় সমাক্ষরেখা (সমদূরত্বে অবস্থিত রেখা)।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

২৩.৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়। ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসম অভিহিত হয়। যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে।

দ্রাঘিমারেখা: দ্রাঘিমা রেখা, দ্রাঘিমাংশ ও গুরুত্বপূর্ণ দ্রাঘিমা রেখা ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে। যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে।

অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুসংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত। দ্রাঘিমা রেখাসমূহ পরস্পরের সাথে সমদূরত্বে অবস্থিত নয়, অর্থাৎ মেরুদ্বয়ে এই রেখাগুলো পরস্পরের সর্বাপেক্ষা নিকটে অবস্থান করে এবং নিরক্ষরেখা বরাবর সর্বাপেক্ষা দূরে অবস্থান করে।

আন্তর্জাতিক তারিখরেখাঃ ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বরাবর বিস্তৃত যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের দিন বা তারিখ নির্নয় করা হয়, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা বলে। ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে পূর্ব বা পশ্চিম দিক থেকে অতিক্রম করলে একদিন বেড়ে বা কমে যায় বলে এই রেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা হিসাবে গ্রহন করা হয়েছে।

এই আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব গোলার্ধে প্রবেশ করলে একদিন বেড়ে যায় এবং পশ্চিম গোলার্ধে প্রবেশ করলে একদিন কমে যায়।

খ) অক্ষরেখা, দ্রাঘিমা রেখা ও আন্তর্জাতিক রেখার গুরুত্ব

নিরক্ষরেখা : পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে। তাকে নিরক্ষরেখা বলে। নিরক্ষরেখার অপর নাম হলাে- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude) , মহাবৃত্ত (Great circle)। কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা : উত্তর গােলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলাে লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত : উত্তর গােলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে ।

সময় রেখাটি অতিক্রমের সময়ে পূর্ব দিকে গমনকারী ব্যক্তি যদি সােমবারে রওনা হয়, তবে ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা অতিক্রম করলে ঘড়ির তারিখ একদিন পিছিয়ে রােববার করতে হবে। আবার, পশ্চিম দিকে গমনকারী চিত্র ২.৪.১ ও আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ব্যক্তি যদি সােমবারে রওনা হয় তবে ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করলে ঘড়ির তারিখ একদিন এগিয়ে মঙ্গলবার করতে হবে। 

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগের উপর দিয়ে কল্পনা করা হলে স্থানীয় অধিবাসীদের পক্ষে সময়, তারিখ ও বার | নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হতাে।

গ) অক্ষরেখা, দ্রাঘিমা ব্যবহার করে অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় 

আন্তজার্তিক তারিখ রেখা ব্যবহার করে সময় নিরূপণ:

জানা আছে,

বাংলাদেশের (ঢাকা) দ্রাঘিমা = ৯০° পূর্ব

যুক্তরাষ্ট্রের (ওয়াশিংটন ) দ্রাঘিমা = 77.050636° পশ্চিম

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

দ্রাঘিমার পার্থক্য = ( 77.050636° + 90°) = 167.050636°

১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য =৪ মিনিট

সুতরাং 167.0506৩৬° দ্রাঘিমার পার্থেক্যর জন্য সময়ের পার্থক্য = (১৬৭.050636°x৪) মিনিট
= ৬৬৮.২০২৫৪৪ মিনিট
=১১ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

বাংলাদেশ (ঢাকা) অবস্থান পূর্বে হওয়ার কারণে বাংলাদেশের সময় যুক্তরাষ্ট্রের থেকে বেশি।যুক্তরাষ্ট্রের সময় সকাল ৮ টা হলে বাংলাদেশের সময়=(৮টা+১১ঘন্টা ১৩মিনিট) =সন্ধ্যা ৭টা ১৩মিনিট

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ঘ) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ব্যবহার করে সময় নিরূপণ 

পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনাে নির্দিষ্ট স্থান থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অধিক দূরত্বে গেলে সময়ের পার্থক্য হয়। আমরা জানি, আমাদের এই পৃথিবীকে কাল্পনিক ৩৬০° দ্রাঘিমা রেখা দ্বারা ভাগ করা হয়েছে। এই ৩৬০° কে আবার মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) থেকে পূর্ব এবং পশ্চিম এই দুই দিকে ১৮০° করে বিভক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্স শহরের উপকণ্ঠে গ্রীনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত রেখাটিই মূল মধ্যরেখা। মূল মধ্যরেখার মান ধরা হয় । আমাদের এই পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর স্বাভাবিক নিয়মে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর কেন্দ্রে কোণের পরিমাণ যেহেতু ৩৬০° সেহেতু এরূপ একবার ঘুরতে সময় লাগে ২৪ ঘন্টা। এই ২৪ ঘন্টাকে আমরা মিনিটে রূপান্তর করলে হয় ২৪x৬০=১৪৪০ মিনিট (যেহেতু, ১ ঘন্টা = ৬০ মিনিট)। ১° ঘুরতে সময় লাগে (১৪৪০:৩৬০)= ৪ মিনিট অর্থাৎ ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। সুতরাং মূল মধ্যরেখা থেকে ১৮০° পূর্ব বা পশ্চিমে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘন্টা। আমরা মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে যত ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখাই অতিক্রম করি না কেন সময়ের পার্থক্য হয়। আর এই পার্থক্যের জন্য কোনাে স্থান বা দেশের স্থানীয় এবং প্রমাণ সময় ঠিক রাখতে হয়। 

যুক্তরাজ্যে সকাল আটটা হলে বাংলাদেশ সময় নিরূপণ 

বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে। এই দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময় বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়েছে। 

যুক্তরাজ্যের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৬° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে। এই দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময় যুক্তরাজ্যের প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়েছে। 

বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের চেয়ে ৮৪° পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার সময় যুক্তরাজ্যের সময় অপেক্ষা ৮৪৪=৩৩৬ মিনিটবা ৫ ঘন্টা ৩৬ অগ্রগ্রামী। যুক্তরাজ্যে যখন সকাল ৮:০০ টা তখন বাংলাদেশ দুপুর ১:৩৬ টা।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *