Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
বিষয়: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন একটি ভাব সম্প্রসারণ লিখুন, ভাব সম্প্রসারণ রচনা পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন
ভাব সম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন’ :- ১
মূলভাব: যে অপরের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে পরিণামে তাকেই ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয় প্রকৃতি সর্বদা সমতা নিয়ন্ত্রণ করে বলেই মানুষ এ বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। পরের অনিষ্ট সাধন এর পরিণাম ভাল হয় না এতে মূলত নিজের ক্ষতি করা হয়।
সম্প্রসারিত ভাব: জগতের অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য এখানেই যে, সে শুধু নিজের কথা চিন্তা করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে না তাকে তার চারপাশের জগৎ নিয়েও ভাবতে হয়। প্রকৃতপক্ষে মানুষের নৈতিক গুণাবলীর অন্যতম হলো পরোপকার। অপরের মঙ্গল সাধনের মধ্য দিয়ে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জিত হয়। অপরদিকে, চিত্রশুদ্ধির অভাবে একশ্রেণীর ব্যক্তি অকারণে পরের অনিষ্ট চিন্তা করে।
সংকীর্ণ স্বার্থবোধ তাদের অন্ধ করে দেয়। ‘সত্যম- শিবম- সুন্দরম’ এর আদর্শ তাদের স্পর্শ করে না। বরং কুপ্রবৃত্তির অবিরত চর্চা দ্বারা পশুত্বের চূড়ান্ত পর্যায়ে তারা নিজেদের নামিয়ে আনে। এ শ্রেণীর লোক সর্বতোভাবে সমাজচ্যুত হয়ে পড়ে। কেউ তাদের শ্রদ্ধা করে না।
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজকে কল্যাণকামী ও সর্বাঙ্গ সুন্দর করার জন্য প্রত্যেকটি মানুষের উচিত অন্যের মঙ্গল কামনা করা। অন্যের ক্ষতি করার প্রবণতা থাকা উচিত নয়। অন্যের অনিষ্ট সাধন শুধু সমাজগর্হিত কাজই নয় ধর্মীয় ও নৈতিক বিচারেও বড় অন্যায়। মানুষ হিসেবে পরের জন্য নিজ স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেওয়াও মূল আদর্শ হওয়া উচিত। যে অন্যের অনিষ্ট চিন্তা করে সে নিজের অজ্ঞাতেই আপন অনিষ্টেরই বীজ বপন করে। কারণ অশুভ চিন্তার পরিনাম অশুভ হয়ে থাকে।
আর কেউ যদি অন্যের ক্ষতি করে তাহলে সে নিজের শত্রু ও প্রতিপক্ষ তৈরি করে। আপন কর্মের প্রতিদান স্বরূপ একদিন তাকে মারাত্মক পরিণামের মুখোমুখি হতে হয়। অন্যায় আর অকল্যাণ দুর্ভোগেরই জন্ম দেয়। ব্যক্তিগত সততা আর কল্যাণ চিন্তা মানুষের জন্য বয়ে আনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি। এটা সামাজিক অগ্রগতি ও শান্তির পূর্বশর্ত।
মন্তব্য: পরের অনিষ্ট সাধন থেকে বিরত থাকা সবারই কর্তব্য। পরের অনিষ্ট চিন্তা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হলে নিজের অনিষ্টও হবে না। সর্বদা অন্যের উপকারের কথা ভাবা উচিত। এতেই মানব জীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। কারণ অন্যের ভালো চিন্তা করলে মানুষের মনও ভালো থাকে।
আরো ও সাজেশন:-
ভাব সম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন’ :- ২
মূলভাব : যে ব্যক্তি অপরের অনিষ্ট চিন্তা করে সে দু’দিন আগে হোক আর পরে হোক নিজের অনিষ্টও ভোগ করে, সে বিষয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।
সম্প্রসারিত ভাব : বিশ্বের সমস্ত ধর্মশাস্ত্রে অপরের মঙ্গল কামনাকারীর প্রশস্তি কীর্তন করা হয়েছে। যারা পরের অনিষ্ট করে তারা দুষ্কৃতিকারী। নিজের অপকর্মের ফল তাদেরকে ভোগ করতেই হবে। যে অন্যায় করে সে নিজের বিবেকের কাছে অপরাধী। অতএব তার অন্তরে আত্মগ্লানিরূপ নরকানল সব সময় প্রজ্জ্বলি থাকে। মুহূর্তের জন্যেও তার জীবনে স্বস্তি নেই। বাস্তবেও আমরা এর প্রতিফল দেখতে পাই। অনিষ্টকারীকেই পর্যাপ্ত শাস্তি ভোগ করতে হয়। মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত। অতএব পরের অনিষ্ট সাধনের মত কোন গর্হিত কাজ করার চিন্তা থেকে আমাদের প্রত্যেকের প্রত্যেককে রক্ষা করা উচিত। আমাদের প্রতি মুহূর্তে স্মরণ রাখতে হবে যে, অপরের অনিষ্ট চিন্তা করা মহাপাপ। যে কাজে অন্যের অনিষ্ট ঘটবে সে কাজ করা কোন সুবিবেচক লোকের উচিত নয়। সুতরাং লোকহিতকর কর্ম সম্পাদনে আমরা আমাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করবো। এ মর্মে উল্লেখ্য যে, দেখ ভাই চরাচরে, যে যেমন কর্ম করে তেমনি ফল সে তার পায়। মানব জীবনের মহৎ গুণাবলীর মধ্যে পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরোপকারের মত মহৎ গুণের তুলনা নেই। অধিকাংশ মানুষের জীবন দুঃখ-দারিদ্র্যে পরিপূর্ণ। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা সবার থাকা উচিত। পৃথিবীর জীবন সুখকর করে তোলার জন্য মানুষের জীবন থেকে অভাব-অনটন, দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে হবে।
তাই আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর লোক আছে যারা অপরের কল্যাণ তো করেই না, বরং অপরের ক্ষতিসাধনে নিয়োজিত থাকে। কিন্তু তাদের বিপদ যে তারা নিজেরাই ডেকে আনছে তা তারা জানে না। ফলে তারা অজ্ঞাতসারে নিজেদেরই অনিষ্ট ডেকে আনে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
আরি পড়ুন ›১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আলোচনা কর, ১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার ইতিহাস আলোচনা কর১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আলোচনা কর, ১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার…
আরি পড়ুন ›চাকরির পরীক্ষায় সারমর্ম লেখার কৌশল, চাকরির পরীক্ষায় সারমর্ম লিখবেন কীভাবে,সারাংশ-সারমর্ম লেখার নিয়ম,বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিকৌশল সারাংশ-সারমর্ম, সারাংশ-সারমর্ম লিখিত পরীক্ষায় শেষ মুহূর্তের শর্টকাট প্রস্তুতিপ্রশ্ন সমাধান: চাকরির পরীক্ষায় সারমর্ম লেখার কৌশল, চাকরির পরীক্ষায় সারমর্ম লিখবেন কীভাবে,সারাংশ-সারমর্ম লেখার নিয়ম,বিসিএস…
আরি পড়ুন ›বাংলা সাহিত্যের সেরা ১০০ বই, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা ১০০ বইয়ের তালিকা। আসুন দেখি আপনি কয়টা পড়েছেনবাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা ১০০ বইয়ের তালিকা। আসুন দেখি আপনি কয়টা পড়েছেন 🤨 ১।…
ভাব সম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন’ :- ৩
অন্যের ক্ষতি করার চিন্তা-ভাবনা করলে পরিণামে নিজেরই ক্ষতি সাধিত হয়। তাই পরের ক্ষতির চিন্তা থেকে দূরে থাকা সকলের কর্তব্য।
সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন-এর সৃষ্ট সকল মানুষের যাবতীয় কর্ম প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো সুখে-শান্তিতে ও আরামে থাকা। এই দুনিয়ায় কত রকমের মানুষ দেখা যায়। কেউ নিজের সবকিছু দিয়ে, এমন কী প্রাণ দিয়েও পরের উপকার করে। আবার এমন লোকও আছে, যারা পরের ভালো তো করেই না বরং কী করে সর্বনাশ করা যাবে সেই চিন্তায় সব সময় মশগুল থাকে। এ ধরনের মানুষ নেহায়েতই অমানুষ। তাদের অনিষ্ট আচরণে শুধু সেই নয়, সাথে ব্যক্তি ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়:
“যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিছে যে নিচে,
পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।”
উল্লিখিত উক্তিটির মূল কথা হলো- যে নিজের উপকার হবে ভেবে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়, মূলত সে নিজেই তার নিজের ক্ষতি করে।
পৃথিবীতে মহাপুরুষগণের জীবনী পাঠে দেখা যায়, তাঁরা সমগ্র জীবন মানুষের কল্যাণ সাধনে বিলিয়ে দিয়েছেন। মহানবী হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চলার পথে এক বৃদ্ধা বিদ্বেষবশত প্রতি দিন কাঁটা বিছিয়ে রাখত। মহানবী (স.) কাঁটার আঘাতে কষ্ট পেলেও বৃদ্ধাকে কোনোদিন গালমন্দ করেন নি। একদিন হযরত মুহম্মদ (স.) তাঁর চলার পথে কাঁটা দেখতে না পেয়ে বিস্মিত হন এবং খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে, যে বৃদ্ধা এই কাজ করতেন সে ভীষণ অসুস্থ। মহানবী হযরত মুহম্মদ (স.) তৎক্ষণাৎ বুড়িকে দেখার উদ্দেশ্যে সেই বুড়ির বাড়িতে পৌঁছেন এবং তার অসুখের জন্য সমবেদনা প্রকাশ করেন। এতে সেই বৃদ্ধা বিস্ময়ে বিমুগ্ধ হয়ে যায়। সে উপলব্ধি করতে পারে, পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজের মধ্যে কোনো মঙ্গল নেই। বরং এরূপ পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজ নিজের জন্য ধ্বংস ডেকে আনে। পরের অনিষ্ট করতে গিয়ে বহু লোক নিজেদের জীবনকেই ধ্বংস করেছে। এর বহু নজির ইতিহাসের পাতায় রয়েছে। এই বিচিত্র জগতে মানুষ ক্ষুদ্র স্বার্থোদ্ধারে এত অন্ধ হয়ে পড়ে যে, পরের অমঙ্গল ও অনিষ্ট করতে গিয়ে স্বাভাবিক জ্ঞানবুদ্ধি হারিয়ে ফেলে এবং পরিণামে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনে।
কখনোই অপরের কোনো অকল্যাণ চিন্তা করা যাবে না। এসব পরিহার করে বরং পরের স্বার্থে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতে হবে। তবেই জীবন সার্থক এবং সুন্দর হবে।
- হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের, অনার্স ৪র্থ বর্ষ হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন
- Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDF
- দর্শন ডিপার্টমেন্ট অনার্স ১ম বর্ষ সাজেশন PDF, দর্শন ডিপার্টমেন্ট অনার্স ১ম বর্ষ সকল বিষয়ের সাজেশন
ভাব সম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন’ :- ৪
মূলভাব: যে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, পরিণামে তাকেই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। প্রকৃতি সবসময় ভারসাম্য রক্ষা করে বলেই মানুষকে এ বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হয়।
সম্প্রসারিত ভাব : বিশ্বের সব ধর্মশাস্ত্রে অন্যের মঙ্গল কামনাকারীর প্রশস্তি-কীর্তন করা হয়েছে। যারা অন্যের ক্ষতি করে, তারা দুষ্কৃতিকারী। নিজেদের অপকর্মের ফল নিজেদেরকেই ভােগ করতে হয়। যে অন্যায় করে, সে তার নিজের বিবেকের কাছে অপরাধী হয়ে ওঠে। অতএব, তার অন্তরে আত্মগ্লানিরূপ নরকানল সর্বদা প্রজ্বলিত থাকে। মুহুর্তের জন্যও তার জীবনে স্বস্তি আসে না। বাস্তবেও আমরা এর প্রতিফলন দেখতে পাই। অনিষ্টকারীকেও এর পরিণাম ভােগ করতে হয়। মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত। পরের ক্ষতি সাধনের মতাে কোনাে গর্হিত কাজ করার চিন্তা থেকে মানুষের দূরে থাকা উচিত। প্রতিটি মুহূর্তেই মানুষকে স্মরণ রাখতে হবে, অপরের ক্ষতির চিন্তা করা মহাপাপ। যে কাজে অন্যের ক্ষতি হবে, সেই কাজ করা কোনাে সুবিবেচকের কাজ নয়।
সুতরাং ভালো কর্মসম্পাদনে আমরা আমাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করব। অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া মানুষের মহৎ গুণাবলির একটি। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানাের চেষ্টা করা সবার কর্তব্য। সমাজকে শান্তিময় করে তুলতে হলে অন্যের অভান-অনটন, দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে হবে। কিন্তু আমাদের সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা অন্যের কল্যাণ তাে করেই না, বরং ক্ষতি সাধনে সর্বদা উদগ্রীব থাকে। কিন্তু তাদের বিপদ যে তারা নিজেরাই ডেকে আনছে, তা তারা জানে না। সুতরাং নিজের এবং অপরের স্বার্থে তথা সার্বিক স্বার্থে প্রতিটি মানুষের উচিত পরের অনিষ্টের কথা চিন্তা না করে বরং পরের কল্যাণে কাজ করা।
মন্তব্য : সবসময় অন্যের উপকারের কথাই ভাবা উচিত। এর মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা ও সুখ নিহিত।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
| Paragraph & Composition/Application/Emali | উত্তর লিংক | ভাবসম্প্রসারণ | উত্তর লিংক |
| আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক | প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ রচনা | উত্তর লিংক |
এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
- হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের, অনার্স ৪র্থ বর্ষ হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন

- Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDF

- দর্শন ডিপার্টমেন্ট অনার্স ১ম বর্ষ সাজেশন PDF, দর্শন ডিপার্টমেন্ট অনার্স ১ম বর্ষ সকল বিষয়ের সাজেশন
