Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: দাম নেতৃত্ব কি, দাম বৈষম্যের শর্তগুলো আলোচনা কর, দাম বৈষম্যের শর্তগুলো
দাম নেতৃত্ব কি
অর্থনীতিবিদ স্ট্যাকেল বার্গ অলি গোপলি বাজারে দাম নেতৃত্ব ধারণাটি ব্যাখ্যা করেন। এ বাজারে ফার্মগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা দূর করার জন্য পারস্পরিক অপ্রকাশিত সমঝোতার ভিত্তিতে অলিখিত চুক্তিতে পৌছায়। অর্থাৎ ফার্মগুলো একে অপরের সাথে আলোচনা না করেও মূল্য ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে সংগতিপূর্ণ নীতি গ্রহণ করতে পারে। এ ধরনের অলিখিত চুক্তির একটি বিশেষ রূপ হল দাম নেতৃত্ব।
অলিগোপলি বাজারে প্রতিযোগী ফার্মসমূহের মধ্যে কোন একটি ফার্ম তার দ্রব্যের দাম নির্ধারণ করলে যদি অন্যান্য ফার্ম সে দাম অনুসরণ করে তবে তাকে দাম নেতৃত্ব বলে।
দাম নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কোন একটি ফার্মের নির্ধারিত মূল্য অপরাপর ফার্মগুলো মেনে নেয়। মূল্য নির্ধারণে যে ফার্ম অগ্রণী ভূমিকা পালন করে তাকে নেতৃত্বদানকারী এবং অন্যান্য ফার্মসমূহকে অনুসরণ কারী ফার্ম বলা হয়। অলিগোপলি বাজারে প্রতিযোগী ফার্মসমূহের মধ্যে কোন একটি ফার্মের উৎপাদন ব্যয় এক একাধিক কারণে অন্যান্য ফার্মের ব্যয় অপেক্ষা কম হতে পারে।
সে ক্ষেত্রে এ ফার্মের পক্ষে মূল্য নির্ধারণ অন্যান্য ফার্মসমূহের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে প্রথম ফার্ম কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য অন্যান্য ফার্মসমূহ অনুসরণ করতে পারে। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা পরিহার করে মুনাফা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফার্মসমূহের মধ্যে এরূপ প্রচ্ছন্ন সমঝোতা গড়ে উঠতে পারে যাকে দাম নেতৃত্ব বলা হয়।
অলিগোপলির অন্তর্ভুক্ত ফার্মসমূহের মধ্যে সর্বদাই সমঝোতার মনোভাব থাকে। এ সমঝোতা মৌখিক কিংবা লিখিত চুক্তির মাধ্যমে হতে পারে। দাম নেতৃত্ব প্রধানত দু’প্রকারের হয়ে থাকে।
যথা : ১. প্রাধান্য বিস্তারকারী ফার্মকর্তৃক দাম নেতৃত্ব এবং
২. সর্বনিম্ন খরচের উৎপাদনকারী ফার্ম কর্তৃক দাম নেতৃত্ব।
আরো ও সাজেশন:-
একচেটিয়া কারবারির মুখ্য উদ্দেশ্য মুনাফা সর্বাধিক করা। এ উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য উৎপাদনকারী তার উৎপাদিত দ্রব্যসমূহকে ভিন্ন ভিন্ন ভোক্তার নিকট ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রয়ের জন্য চেষ্টা করে। যখন একচেটিয়া কারবারি এরূপ দামব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হয় তখন তাকে একচেটিয়া বৈষম্যমূলক দামব্যবস্থা বলা হয়।
দাম বৈষম্যের শর্তগুলো
একজন একচেটিয়া বিক্রেতা নিম্নোক্ত অবস্থায় তার পণ্যের জন্য বিভিন্ন ক্রেতার নিকট থেকে বিভিন্ন মূল্য আদায় করতে পারে।
১. অপূর্ণ প্রতিযোগিতা : একক বিক্রেতা অথবা একচেটিয়া কারবারির পক্ষেই কেবল দাম বৈষম্য করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভোক্তাদের নিকট থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাম আদায় করা সম্ভব। কারণ এরূপ বাজারে ফার্ম তার উৎপাদিত দ্রব্যের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
আরি পড়ুন ›প্রতীকের পাশে উল্লেখিত ভরসংখ্যাবিশিষ্ট মৌলের নিউট্রন সংখ্যা, বাের মডেল অনুসারে পরমাণুর গঠনের চিত্র, শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস এবং উপশক্তিস্তরে (অরবিটালসমূহে) ইলেকট্রন বিন্যাস সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিবেদন প্রণয়নঅ্যাসাইনমেন্টঃ প্রতীকের পাশে উল্লেখিত ভরসংখ্যাবিশিষ্ট মৌলের নিউট্রন সংখ্যা, বাের মডেল অনুসারে পরমাণুর গঠনের চিত্র,…
আরি পড়ুন ›Mathematics – গণিত এসাইনমেন্ট solution, class-9ক্লাস 9 8 7 এবং 6 শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত (গণিত) অ্যাসাইনমেন্ট সিলেবাস, প্রশ্ন, উত্তর…
আরি পড়ুন ›খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২১, Food Department’s Assistant Sub-Food Inspector question solution 2021সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন চাকুরি
২. দ্রব্য/সেবার প্রকৃতি : দ্রব্যের প্রকৃতি এমন হতে পারে যা এক বাজার থেকে অন্য বাজারে সহজে স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। আবার বিবেচনাধীন দ্রব্য সরাসরি সেবাও হতে পারে। যেমন, একজন ডাক্তার বা আইনজীবী ধনী দরিদ্রের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ফি আদায় করে। এরূপ সেবাসমূহ পুনরায় বিক্রয় করা সম্ভব নয়। ডাক্তারের পক্ষে তার সেবার জন্য এরূপ মূল্য বৈষম্য করা সম্ভব এ কারণে যে, তার সেবা হস্তান্তরযোগ্য নয়।
My Ads
৩. বাজারের দূরত্ব : ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে দাম বৈষম্য অনেক সময় সম্ভব হতে পারে। দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে পরিবহণ খরচ বাড়ে, আবার দ্রব্য স্থানান্তর অসুবিধাজনক হতে পারে। পরিবহণ ব্যয় এমন হতে পারে যাতে সম্ভা বাজার থেকে বেশি মূল্যের বাজারে পণ্যের পুনঃবিক্রয় লাভজনক নয়।
৪. শুল্ক বাধা : শুল্কের কারণে একাধিক বাজারে দাম বৈষম্য সম্ভব হতে পারে। সরকারি রাজস্বনীতি এবং বাণিজ্যনীতির কারণে দাম বৈষম্য অনেক সময় সম্ভব হতে পারে। মনে করি, একজন বিক্রেতা অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য বিক্রয় করে যা শুল্ক দ্বারা সংরক্ষণ যুক্ত এবং শুল্কবিহীন একটি বিদেশী বাজারে পণ্য বিক্রয় করে। তাহলে ঐ বিক্রেতা দেশী বাজারে বেশি দামে এবং বিদেশী বাজারে কম দামে দ্রব্য/পণ্য বিক্রয় করবে।
৫. পণ্যের ব্যাপারে ক্রেতাদের অতিরিক্ত মোহ : অনেক সময় বিক্রেতা বিভিন্ন নামে বা লেবেল লাগিয়ে একই পণ্যের বিভিন্ন এককের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে। এর মাধ্যমে পণ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে সে ক্রেতাদেরকে প্রভাবিত করতে পারে। তখন ক্রেতাদের পছন্দনীয়তার মাত্রা বিভিন্ন হতে পারে। এ সুযোগ নিয়ে বিক্রেতা বিভিন্ন ক্রেতার নিকট থেকে বিভিন্ন মূল্য আদায়ে সক্ষম হতে পারে।
৬, আইনগতভাবে : সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রিত দ্রব্যের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক দামব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব। যেমন, বিদ্যুৎ গ্যাস পরিবারে (Household Sector) ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক ধরনের মূল্য এবং শিল্পে বা ব্যবসায় বাণিজ্যে অন্য/আলাদা ধরনের মূল্য আদায়ের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
| Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Stories | উত্তর লিংক |
| ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক |
৭. ভোক্তাদের অজ্ঞতা ও অলসতা : অনেক সময় ক্রেতারা/ভোক্তারা একই দ্রব্যের বিভিন্ন মূল্য সম্পর্কে অজ্ঞ থাকতে পারে। সবার কাছে পরিচিত এবং প্রিয় বাজার যেগুলো সেখানে বেশি দামে এবং অন্যান্য বাজারে কম দামে দ্রব্য বিক্রয় করতে পারে। যেমন, কোন দ্রব্য রাইফেল স্কয়ার বা ইষ্টার্ণ প্লাজায় যে মূল্যে বিক্রয় করা হয় সে একই দ্রব্য গাউছিয়া বা চকবাজারে কম দামে বিক্রয় হয়। এক্ষেত্রে ভোক্তাদের অলসতা বা বাজারের পছন্দনীয়তার কারণে বিক্রেতা দাম। বৈষম্যকরণের সুযোগ পায়। অর্থাৎ, তথাকথিত রুচিশীল ভোক্তাগণ পাশের বাজারে যে কম দামে যে দ্রব্য পাওয়া যায় তার খোঁজ নেয় না।
My Ads
৮. চাহিদার স্থিতিস্থাপকতার পার্থক্য : একই দ্রব্যের চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা ভোক্তার আয়, রুচি ইত্যাদি কারণে বিভিন্ন ভোক্তার নিকট ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। দুটি বাজারে চাহিদারেখার স্থিতিস্থাপকতার মধ্যে পার্থক্য না থাকলে দাম বৈষম্য সম্ভব নয়। কারণ দুটি বাজারে চাহিদারেখা যদি একই স্থিতিস্থাপক হয় তবে MR প্রতিটি বাজারে এক হওয়ায় শর্ত সাপেক্ষে দাম প্রতিটি বাজারে একই হবে।
৯. যুক্ত বিক্রয় : অনেক সময় একটি দ্রব্যের ব্যবহার অন্য দ্রব্যের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে । যেমন, একটি বুলেটিং মেশিনের ব্যবহারের সাথে কার্ড ছাপানোর সম্পর্ক থাকতে পারে। এক্ষেত্রে মেশিনটি সময়ের প্রেক্ষিতে লিজ দেওয়া যায়। মেশিনের ব্যবহারকারীকে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ক্রয়ে বাধ্য করা যায়। এক্ষেত্রে কার্ডের মূল্য মেশিন ব্যবহারকারীর নিকট থেকে বেশি আদায় করা সম্ভব হতে পারে।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এর বই বাধাঁইকার ও অন্যান্য পদের প্রশ্ন সমাধান PDF ২০২২, download pdf জিএসবি নিয়োগ পরীক্ষায় বই বাধাঁইকার ও অন্যান্য পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২২বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এর বই বাধাঁইকার ও অন্যান্য পদের প্রশ্ন সমাধান PDF ২০২২,…
আরি পড়ুন ›ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং অনার্স ৩য় বর্ষ সাজেশনঅনার্স ৩য় বর্ষের ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং সাজেশন 2026 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স…
আরি পড়ুন ›মেটারনিক কে ছিলেন, মেটারনিক কে, মেটারনিকবাদ কি, মেটারনিক কোন দেশের শাসক, কোন সময়কালকে “মেটারনিকযুগ” বলা হয়মেটারনিক কে ছিলেন, মেটারনিক কে, মেটারনিকবাদ কি, মেটারনিক কোন দেশের শাসক, কোন সময়কালকে “মেটারনিকযুগ”…
- ভোক্তা বাজার বিভক্তিকরণের ভিত্তিসমূহ আলোচনা কর

- লক্ষ্য বাজার মূল্যায়ন ও নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা কর

- অর্থনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনগুলো কীভাবে বাজারজাতকরণ সিদ্ধান্তসমূহকে প্রভাবিত করে?

- বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ চলকসমূহ বর্ণনা কর

- বাজারজাতকরণ পরিবেশ অধ্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ কেন?

- একটি ফার্ম কীভাবে ক্রেতামুখী বাজারজাতকরণ কৌশল প্রণয়ন করেকর
