তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনে বর্তনীর বিভব পার্থক্য পরিবর্তীত হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর, তড়িৎ বর্তনী ব্যাখ্যা করতে হবে, তড়িৎ প্রবাহ ব্যাখ্যা করতে হবে

অ্যাসাইনমেন্ট : তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনে বর্তনীর বিভব পার্থক্য পরিবর্তীত হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

 শিখনফল/বিষয়বস্তু :  

  • তৃতীয় অধ্যায়; চলতড়িৎ

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • তড়িৎ বর্তনী ব্যাখ্যা করতে হবে 
  • তড়িৎ প্রবাহ ব্যাখ্যা করতে হবে
  • রোধ ও বিভব পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে হবে
  • ও’মের সূত্র ব্যাখ্যা করতে হবে।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

তড়িৎ বর্তনী ব্যাখ্যা করতে হবে 

তড়িৎ বর্তনী বা তড়িৎ নেটওয়ার্ক হল বিভিন্ন বৈদ্যুতিক উপাদান যেমন রোধ, ধারক, আবেশক, চাবি ইত্যাদির আন্তঃসংযোগ। এটি তড়িৎ সরবরাহ এবং ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের মতই দীর্ঘ হতে পারে।

অপরদিকে তড়িৎ বর্তনী বলতে অনেকগুলো বৈদ্যুতিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি বদ্ধ লুপ বুঝায় যাতে বিদ্যুৎ এক স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে আবার সে স্থানে ফিরে আসার সুযোগ পায়। কিন্তু নেটওয়ার্ক কেবল বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয় হলেই হয়ে যায়। এর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ শর্ত নয়।

তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনে বর্তনীর বিভব পার্থক্য পরিবর্তীত হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর, তড়িৎ বর্তনী ব্যাখ্যা করতে হবে, তড়িৎ প্রবাহ ব্যাখ্যা করতে হবে https://www.banglanewsexpress.com/

তড়িৎ এবং নদীর মাঝে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ একটা নদী থেকে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত নানা বিষয় সহজে বোঝা যায়। নদীতে পানি প্রবাহিত হয়। নদীর পানি উৎস (যেমন ঝরনা) হতে উৎপন্ন হয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। তড়িৎ এর ক্ষেত্রে, একে বিদ্যুৎ পাওয়ার স্টেশন( Power generation station) বলে ।

নদী যেমন পানি প্রবাহের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তড়িৎ বর্তনীতে তার বা ক্যাবল ( conductor) তড়িৎ বহন করে। নদীর পানির স্রোত হচ্ছে কারেন্ট (current, প্রতিক I, একক amp)। নদীর মুখে যদি বাধ দেওয়া হয়, তড়িৎ ক্ষেত্রে একে রোধ ( resistance, প্রতিক R, একক Ohm) বলে। নদীর পানি যে চাপে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয় তড়িৎ ক্ষেত্রে একে তড়িৎ চাপ বা বিভব পার্থক্য (Voltage, প্রতিক E ও V, একক volt) বলে। এবং প্রধান বিষয় হলো নদীর পানি, তড়িৎ ক্ষেত্রে এটি কে পাওয়ার বা বৈদ্যুতিক এনার্জি ( Energy, প্রতিক P, একক watt, ) বলে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

তড়িৎ প্রবাহ ব্যাখ্যা করতে হবে

তড়িৎ প্রবাহ হচ্ছে আহিত কণার (যেমন: ইলেকট্রন অথবা আয়ন) প্রবাহ যা কোন তড়িৎ পরিবাহক বা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। কোন ক্ষেত্র বা কন্ট্রোল ভলিউমের মধ্য দিয়ে তড়িৎ আধানের প্রবাহের নিট হারের মাধ্যমে এটি পরিমাপ করা হয়। চলাচলকারী কণাগুলোকে আধান বাহক বলা হয়, যেগুলো পরিবাহীর উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রকমের হতে পারে। প্রায়শই বৈদ্যুতিক সার্কিটগুলিতে আধান বাহক হলো চলমান ইলেকট্রন।সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন বা হোল উভয়ই আধান বাহক হতে পারে। তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থে আধান বাহক হলো আয়ন।আবার আয়নিত গ্যাস বা প্লাজমাতে আধান বাহক হলো আয়ন ও ইলেকট্রন।

তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনে বর্তনীর বিভব পার্থক্য পরিবর্তীত হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর, তড়িৎ বর্তনী ব্যাখ্যা করতে হবে, তড়িৎ প্রবাহ ব্যাখ্যা করতে হবে https://www.banglanewsexpress.com/

তড়িৎ প্রবাহের এস.আই. একক হল অ্যাম্পিয়ার। প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব পরিমাণ আধান কোন প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। এটি এস.আই.পদ্ধতির একটি মৌলিক একক (প্রতীক:A) :১৫ তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করা হয় অ্যামিটারের মাধ্যমে।

তড়িৎ প্রবাহ যে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে তা বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, নির্দেশক এবং ট্রান্সফরমারে ব্যবহার করা হয়।সাধারণ পরিবাহকের ক্ষেত্রে, তড়িৎ প্রবাহ জুলের তাপীয় ক্রিয়ার সৃষ্টি করে যার ফলে, উজ্জ্বল বৈদ্যুতিক বাতিতে আলো জ্বলে। সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল তড়িৎপ্রবাহ তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ নিঃসরণ করে, যা টেলিযোগাযোগে ব্যবহার করে তথ্য সম্প্রচার করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

রোধ ও বিভব পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে হবে

পদার্থবিজ্ঞানে ওহমের সূত্র বা ওহমের বিধি তড়িৎ প্রবাহ, রােধ ও বিভব পার্থক্যের সম্পর্ক নির্দেশকারী একটি বিধি বা সূত্র। ওমের সূত্র অনুযায়ী তাপমাত্রা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনাে বিদ্যুৎ পরিবাহীর বিদ্যুৎপ্রবাহের মাত্রা (I) পরিবাহীটির দুই প্রান্তের বৈদ্যুতিক বিভবের পার্থক্যের (v) সমানুপাতিক। কোনাে পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যে বিভব পার্থক্য থাকলে তার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ সংঘটিত হয়। এই তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ভর করে পরিবাহীর দুই প্রান্তে কী পরিমাণ বিভবপার্থক্য প্রয়ােগ করা হয়েছে তার ওপর, পরিবাহীর প্রকৃতি এবং তার তাপমাত্রার উপর।

রােধ হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহীর ধর্ম। বিদ্যুৎ পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় বা বিঘ্নিত হয়, তাকে রােধ বলে। রােধের এসআই একক ও’ম, একে গ্রীক চিহ্ন ওমেগা (Ω) দ্বারা সূচিত করা হয়। বৈদ্যুতিক যন্ত্রে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রােধ ব্যবহার করা হয়। নির্দিষ্ট উষ্ণতায় যে কোন পরিবাহীর রােধ এর দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক এবং এর প্রস্থচ্ছেদের ব্যস্তানুপাতিক। অতিপরিবাহী (সুপার কন্ডাক্টর) ছাড়া সব পরিবাহীরই কিছু না কিছু রােধ আছে, তা যত ক্ষুদ্রই হােক না কেন। কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ও এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের অনুপাত দ্বারা ঐ তাপমাত্রায় ঐ পরিবাহীর রােধ পরিমাপ করা যায়।

প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রে। এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে স্থানান্তর করতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে ঐ দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য বলে। কারণ এক বিন্দু থেকে আরেক বিন্দুতে তড়িৎ প্রবাহ করতে হলে। অবশ্যই বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে হবে। তড়িৎ উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ও’মের সূত্র ব্যাখ্যা করতে হবে।

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অনেকগুলো টপিকের মধ্যে Ohm’s Law বা ওহমের সূত্র হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক। এই সূত্রকে ইলেকট্রিসিটির প্রাণ হিসেবে ধরা হয়। আজকে আমরা এই Ohm’s Law সম্বন্ধে আলোচনা করবো।

সূত্রটি হচ্ছেঃ

“নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন একটি পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যকার বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক এবং রেজিস্ট্যান্সের ব্যাস্তানুপাতিক।“

ওহমের সূত্রের ব্যাখ্যাঃ

এখানে সমানুপাতিক বলতে বুঝায়, যদি পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যকে দ্বিগুণ করা হয় তাহলে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বিগুণ হবে। আবার যদি পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য এক তৃতীয়াংশ করা হয় তাহলে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ প্রবাহ এক-তৃতীয়াংশ হবে।

যদি কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে I amp কারেন্ট প্রবাহিত হয়, ওই পরিবাহির দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V volt হয় এবং রেজিস্ট্যান্স যদি R ohm হয়, তাহলে ওহম এর সূত্রানুসারে,

I = V / R

এখানে,

I = কারেন্ট (অ্যাম্পিয়ার),

V = ভোল্টেজ বা বিভব (ভোল্ট),

R = রেজিস্ট্যান্স বা রোধ (ওহম)।

যেহেতু, I = V / R অর্থাৎ, কারেন্ট = ভোল্টেজ / রেজিস্ট্যান্স,

অতএব, V = I x R অর্থাৎ, ভোল্টেজ = কারেন্ট x রেজিস্ট্যান্স,

এবং R = V / I অর্থাৎ, রেজিস্ট্যান্স = ভোল্টেজ / কারেন্ট।

অর্থাৎ, ভোল্টেজ বাড়লে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়বে ও ভোল্টেজ কমলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমবে। এবং রেজিস্ট্যান্স বাড়লে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমবে এবং রেজিস্ট্যান্স কমলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়বে।

লক্ষ্যনীয় বিষয়, এখানে ভোল্টেজ বলতে শুধু পটেনশিয়াল বুঝে থাকলে ভুল হবে। এখানে ভোল্টেজ হিসেবে দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যকে ধরা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

Leave a Comment