‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে’ – উক্তিটির আলোকে একটি প্রতিবেদন লিখ।

‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে’ – উক্তিটির আলোকে একটি প্রতিবেদন লিখ।

৬ষ্ঠ/৭ম/৮ম পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ: ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে’ – উক্তিটির আলোকে একটি প্রতিবেদন লিখ।

নির্দেশনা:

প্রতিবেদনটি তৈরি ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে-

১। প্রারম্ভিক অংশ: মূল শিরোনাম, প্রাপকের নাম ঠিকানা, সূত্র বিশ্বের সংক্ষিপ্তসার নির্দেশক কথা।

২। প্রধান অংশ: বিষয় সম্পর্কে ভূমিকা, মূল প্রতিবেদন (উৎপাদনশীলতা, দক্ষ কর্মী, নতুন কর্মের খাতসমূহ, কর্ম প্রত্যাশীদের জন্য আইসিটির ভূমিকা, ঘরে বসে আয়), উপসংহার ও সুপারিশ।

৩। পরিশিষ্ট: তথ্য নির্দেশ, গ্রন্থ বিবরণী ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর , ২০২১ খ্রি .
বরাবর , প্রধান শিক্ষক রাকিবুল স্কুল ,ঢাকা।
বিষয় : তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মােচন।

জনাব,
বিনতি নিবেদন এই যে , আপনার আদেশ নং বা.উ.বি.৩৫৫-১ তারিখ ১৩/৯/২০২১ অনুসারে উপরােক্ত বিষয়ের উপর আমার স্বব্যখ্যাত প্রতিবেদনটি নিন্মে পেশ করলাম ।

“তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মােচিত হয়েছে।

ভূমিকাঃ যন্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদন করাই হচ্ছে প্রযুক্তি। প্রতিদিন আমরা নানা কাজে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করি। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে আরও উন্নত, সহজ এবং আরামদায়ক করেছে। যেমন – বর্তমানে আমাদের মােবাইলের শব্দ শুনে ঘুম ভাঙ্গে। কিন্তু কিছুদিন। আগেও আমাদের সকাল বেলা মােরগের ডাক এবং পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গত।

আমরা এতদিন, প্রতি মুহুতে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছি। তাই বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে এগুলাে পরিবেশ। দূষণের কারন না হয়। আমাদের জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। যেমন – বাসস্থান, যাতায়াত, শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা, খেলাধুলা ও বিনােদন ইত্যাদি।

নিম্নে এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা দেওয়া হলাে –

১. মােবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়। 

২. মােবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা পাঠানাে ও গ্রহণ করা যায়। 

৩. অনলাইন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে ঘরে বসেই চাকরির দরখাস্ত করা যায় এবং পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা যায়।

৪. অনলাইন টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের বাইরে বা স্টেশনে না গিয়েই ট্রেনের এবং প্লেনের টিকিট কেনা যায়। 

৫. অনলাইনে ইন্টারনেটের সহায়তায় সব ধরনের পত্রিকা (যা ইন্টারনেটে থাকে) পড়া যায়। 

৬. ইন্টারনেটে ঘরে বসেই প্রয়ােজনীয় পণ্যের অর্ডার দেওয়া এবং বিল পরিশােধ করা যায়। 

৭. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকাপয়সা পাঠানাে যায়। 

৮. ই-বুক সুবিধা পাওয়া যায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

উৎপাদনশীলতাঃ

তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মানুষ সব ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়ােজনেই শিখে নিচ্ছে।

প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে স্বয়ংক্রিয়করণ ও প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু বিকাশের এ ধারায় দেখা গেছে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, বেশ কিছু কাজের ধারায় পরিবর্তন এসেছে। তবে অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।

এক গবেষণায় জানা গেছে, প্রতি এক হাজার ইন্টারনেট সংযােগের ফলে নতুন ৮০টি কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে একজন কর্মী অনেক বেশি দক্ষ হয়ে ওঠে। বিপজ্জনক অনেক কাজ শ্রমিকরা যন্ত্র দিয়ে করায় বিভিন্ন কারখানায় নানা রকম কাজের জন্য রােবট বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার |

 করা হয়। এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ মানুষই করে থাকে। এতে সময় বাঁচে। কাজ নিখুঁত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। এর কারণ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির সংযুক্তি। তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির প্রয়ােগে উৎপাদনশীলতায় এ বৃদ্ধিকে বাঙালি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ইকবাল কাদির সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা (Connectivity is productivity) অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে।

দক্ষ কর্মীঃ

তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিপুল বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে, স্বয়ংক্রিয়করণ এবং প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে; কিন্তু পরবর্তী সময় দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বা বেশ কিছু কাজের ধারা পরিবর্তন হয়েছে বটে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের ফলে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে টিকে থাকার জন্য কর্মীরা নিজেদের ক্রমাগত দক্ষ করে নেয়, ফলে দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিগুলােতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।

ব্যবসা ক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের সুবিধা নিচে দেয়া হল-

১. কম সময়ে অধিক পরিমাণ কাজ করা যায়।

২. মজুদ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষায়িত সফটওয়্যার কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মজুদের হালনাগাদ তথ্য জানা যায়, ফলে সেই অনুযায়ী উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়।

৩. উৎপাদন স্বয়ংক্রিয়করণসহ আইসিটি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হলে কম সময়ে অধিক উৎপাদন করা যায়।

৪. কর্মী ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ উৎপাদন গতিশীলতা আনতে সক্ষম হয়।

৫. ই-মেইল ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসা ক্ষেত্রে দ্রুত যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।

৬. ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্যের খবর বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ছড়িয়ে দেয়া যায়। এতে পণ্যের প্রচারে সহায়তা পাওয়া যায়।

৭. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মৌখিক যোগাযোগ ও ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধা পাওয়া যায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

কর্মের খাতসমূহ ও কর্ম প্রত্যাশিদের জন্য আইসিটির ভূমিকাঃ

তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিপুল বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে স্বয়ংক্রিয়করণ ও প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে;

 কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বা বেশ কিছু কাজের ধারা পরিবর্তন হলেও অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।

শুধু কর্মসৃজন নয়, কর্মপ্রত্যাশীদের কাজের সুযােগ প্রাপ্তিতেও ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে। আগে যেকোনাে ধরনের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নােটিশ বাের্ড, বড় বড় সরকারি প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে সেঁটে দেওয়া হতাে।

 আইসিটি ও ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে ইন্টারনেটে জবসাইট নামে নতুন এক ধরনের সেবা চালু হয়েছে। এসব জবসাইটে নিয়ােগকারী প্রতিষ্ঠান সরাসরি তাদের বিজ্ঞপ্তি প্রচার করতে পারে। এ ছাড়া এরূপ কোনাে কোনাে সাইটে কর্মপ্রত্যাশীরা নিজেদের নিবন্ধি করে রাখতে পারে। উল্লেখযােগ্য খাত সমূহঃ www.freelancer.com, www.upwork.com, www.elance.com.

উপসংহার:

তথ্য যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা যে শুধুমাত্র আমাদের নিজের জীবনটাকে সহজ করতে পারি তা নয়, আমরা কিন্তু আমাদের দেশটাকে ও পাল্টে ফেলতে পারি। জ্ঞান হচ্ছে পৃথিবীর সম্পদ, আর যে দেশের মানুষ লেখাপড়া শিখে শিক্ষিত, যারা জ্ঞান চর্চা করে সেই দেশ হচ্ছে সম্পদশালী দেশ। 

তথ্য যােগাযােগ প্রযুক্তি শেখার দরজার সবার জন্য খােলা। তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি এই প্রযুক্তি শিক্ষা নিতে পারবাে, ততাে তাড়াতাড়ি আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে পারব এবং দেশকে সম্পদশালী করে গড়ে তুলতে পারব।

প্রতিবেদকের নাম : রাকিব হোসেন সজল
প্রতিবেদনের ধরন : প্রাতিষ্ঠানিক
প্রতিবেদনের শিরোনাম : তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মােচন।
প্রতিবেদন তৈরির স্থান : ঢাকা
তারিখ : ১৩.০৯.২০২১ ইং

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *