Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা
ডেঙ্গু জ্বরের ইতিহাস অনেক পুরনো এবং এটি প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষের মধ্যে বিদ্যমান। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি সম্পর্কে সচেতনতা ও গবেষণা শুরু হয়েছে তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিককালে। নিচে ডেঙ্গু জ্বরের ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো: ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ
ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়। এটি সাধারণত ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ভিন্ন প্রকারের (DENV-1 থেকে DENV-4) কারণে হয়। ডেঙ্গু জ্বর হালকা থেকে মারাত্মক হতে পারে এবং সময়মতো চিকিৎসা না করলে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহ:
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সাধারণত মশার কামড়ের ৪-১০ দিনের মধ্যে দেখা দেয়। লক্ষণগুলো হলো:
আরি পড়ুন ›নখের যত্নে যা করবেন, নখের যত্ন,কিভাবে নখের যত্ন নিবেননখের যত্নে যা করবেন, নখের যত্ন,কিভাবে নখের যত্ন নিবেন ত্বকের যত্ন নিলেই শেষ নয়।…
আরি পড়ুন ›যেসব নিয়ম মানলে নরমাল ডেলিভারি তে হবে, নরমাল ডেলিভারির জন্য কি ঔষধ?, নরমাল ডেলিভারি চান?, নরমাল ডেলিভারির জন্য কিছু টিপস,নরমাল ডেলিভারির জন্য যে নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরিবিষয়: যেসব নিয়ম মানলে নরমাল ডেলিভারি তে হবে, নরমাল ডেলিভারির জন্য কি ঔষধ?, নরমাল…
আরি পড়ুন ›যে সকল কারনে মেয়েরা ভাইব্রেটর করতে চাই, ভাইব্রেটর কী,ভাইব্রেটর কাজ কি?একুশ বছর বয়েসে তরুণী লিয়ান (আসল নাম নয়) তার প্রথম ভাইব্রেটরটি কিনেছিলেন বার্মিংহ্যাম থেকে।…
- উচ্চ জ্বর (১০২°F-১০৫°F পর্যন্ত)।
- মাথাব্যথা (বিশেষত কপালের সামনে)।
- চোখের পেছনে ব্যথা।
- পেশি ও গিঁটের ব্যথা।
- শরীরে লালচে ফুসকুড়ি।
- মুখ ও গলায় রক্ত জমাট বা রক্তক্ষরণ।
- অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা।
- পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি।
মারাত্মক ডেঙ্গু (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার) এর লক্ষণ:
- তীব্র পেটব্যথা।
- বারবার বমি।
- শ্বাসকষ্ট।
- নাক বা মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ।
- ত্বকের নীলচে বা শীতল ভাব।
- রক্তচাপ কমে যাওয়া।
আরো পড়ুন: জ্বরের পর দুর্বলতা কাটাতে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা:
ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। এটি সাধারণত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ: প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, স্যুপ, এবং ওরস্যালাইন পান করুন।
- জ্বর নিয়ন্ত্রণ: প্যারাসিটামল (Acetaminophen) দিয়ে জ্বর কমাতে হবে। এসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- বিশ্রাম: সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ: ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। রক্ত পরীক্ষা করে ডেঙ্গু নিশ্চিত করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:
- এডিস মশা বংশবিস্তার করে এমন স্থান যেমন জমে থাকা পানি, ফুলের টব, ভাঙা বোতল ইত্যাদি পরিষ্কার রাখুন।
- মশারি ব্যবহার করুন এবং শরীরে মশা নিরোধক লোশন ব্যবহার করুন।
- দিনের বেলা সম্পূর্ণ হাত-পা ঢেকে এমন পোশাক পরুন।
- বাসার আশেপাশে ধোঁয়া দিয়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করুন।
বিশেষ পরামর্শ: ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করবেন না।