জীবনে স্বপ্ন পূরণ করার উপায়,সফল জীবনের উপায় কি?,সুখী জীবনের উপায়, স্বতন্ত্র জীবনের উপায়,স্বপ্ন পূরণের উপায়,জীবনে স্থায়ী সফলতা পাওয়ার উপায়,জীবনে সমস্তকায় সফল হওয়ার উপায়

প্রশ্ন সমাধান: জীবনে স্বপ্ন পূরণ করার উপায়,সফল জীবনের উপায় কি?,সুখী জীবনের উপায়, স্বতন্ত্র জীবনের উপায়,স্বপ্ন পূরণের উপায়,জীবনে স্থায়ী সফলতা পাওয়ার উপায়,জীবনে সমস্তকায় সফল হওয়ার উপায়


মানুষ মাত্রই সফল হতে চাষ, সুখী হতে চায়। কিন্তু পৃথিবীর কয়জন মানুষ সফল হতে পারেন। অনেক মানুষের অনেক কিছু থেকেও সফল হতে পারেন না। আবার অনেকে নিঃস্ব থেকেও সফল হন। কিন্তু কীভাবো এরকম অনেক বিশ্ববিখ্যাত সফল ব্যক্তির সাফল্যের রহস্য পর্যালোচনা করে কিছু কৌশল নিয়েই আজকের এই আলোচনা। আপনি যদি নিজেকে একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে রপ্ত করুন এখানে দেয়া কৌশলগুলো।

লোকজনদের তারিফ করবেন : 

মানুষ শুধুই পেটে খেয়ে বাঁচে না। দেহের মতোই তার মনেরও খাদ্য প্রয়োজন তারই একটা হলো প্রশংসা। একবার মনে করে দেখুন, আপনার সম্পর্কে কেউ দু’টো ভালো কথা বললে আপনার কী রকম লাগে! কেউ প্রশংসা করলে সারাটা দিন মনটা কেমন উড়ু উড়ু করে, কত দীর্ঘ সময় ধরে তার রেশ থাকে। এ জিনিস অন্যদেরও হয়। সুতরাং লোকজনের সেইসব কথাই বলুন যা তারা শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। সেসব কথা বললে আপনাকে ওদের ভালো লেগে যাবে। আর দেখবেন কথাগুলো বলে আপনারও বেশ তৃপ্তি হচ্ছে। প্রশংসায় কোনো কার্পণ্য করবেন না। সামান্যতম কারণ পেলেই প্রাণ খুলে তারিফ করবেন। হ্যাঁ,

i. প্রশংসাটা আস্তরিক হওয়া চাই। মন থেকে করতে না পারলে প্রশংসা করবেনই না।

ii. লোকের ভালো কাজের তারিফ করবেন, লোকটার নয়। 

কারও কোনো কাজের প্রশংসা করলে তাতে তোষামোদের কোনো ব্যাপার থাকে না বলে করতে অস্বস্তি হয় না, প্রশংসার কারণটা নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিভ্রান্তিরও সুযোগ থাকে না, পক্ষপাতের কথাও উঠতে পারে না এবং অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য শোনায়। তাছাড়া এতে লোকে আরও ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহও বোধ করে। সুতরাং প্রশংসার ধরনটা হওয়া উচিত এইরকম- “যা দেখলাম রাসেল সাহেব, আপনার গত বছরের পারফরমেন্স দারুণ হয়েছে।” (“আপনার কাজে খুব নিষ্ঠা” না বলে।) “এবারকার ইয়ার্ড-এন্ড রিপোর্টটা খুব তাড়াতাড়ি করে ফেলেছ তো সোনিয়া!” (“তুমি খুব কাজের মেয়ে” না বলে) “বাগানটা আপনি যা একখানা তৈরি করেছেন না সোহাগ সাহেব!” (“আপনি খুব খাটিয়ে লোক” না বলে) কী নিয়ে প্রশংসা করছেন সেটা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করুন।

সুখের চাবিকাঠি : 

রোজ আলাদা করে অন্তত তিনজনকে তাদের সম্পর্কে একটা না একটা ভালো কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। দেখবেন আপনার মনের মধ্যে কী হয় । এটাই সুখী হওয়ার চাবিকাঠি। আপনার প্রশংসার ফলে ওরা যখন উচ্ছাসে কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে উঠবে তা দেখার সুখই আলাদা। কিছু পাওয়ার চেয়ে কিছু দেওয়ার মধ্যেও কম তৃপ্তি নেই। পরখ করে দেখুন ।

বিনয়ের সাথে অপরের সমালোচনা করবেন :

সমালোচনায় সত্যিকারের লাভ তখনই হয় যদি তা ভালোর জন্য করা হয়। যদি আপনার উদ্দেশ্যটাই হয় অপরের দোষ-ত্রুটির ফিরিস্তি দেওয়া, জ্ঞান দেওয়া বা তাকে ছোটো করা তা হলে মনের ঝাল হয়তো আপনি মিটিয়ে নিতে পারবেন, কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হবে না। বরং খামাখা শত্রু তৈরি করবেন, কেননা দোষ ধরে দেওয়া কেউ-ই খুব একটা পছন্দ করেন না। তবে কাউকে সংশোধন করে দেওয়াটাই যদি আপনার আসল উদ্দেশ্য হয়, অনেক ভালো ফল পাবেন যদি সাতটা নিয়ম মেনে চলেন।

১. সমালোচনা করবেন একদম গোপনে: 

দরজা বন্ধ করে ও গলা নামিয়ে রাখবেন এবং খেয়াল রাখবেন যাতে কোনো ভাবে এসব কথা অন্য কারও কানে না যায়।

২. সমালোচনা শুরু করার আগে গোড়ায় লোকটার ভালো দিকগুলোর কথা বলে নেবেন: 

একটা বন্ধুত্বপূর্ণ আবহাওয়া তৈরি করে নিলে সমালোচিতের কাছে ধাক্কাটা অনেক সহনীয় হয়। (মারিতে মারিতে মিষ্ট কহিবে-উপনিষদ।)


আরো ও সাজেশন:-

৩. সমালোচনাটা নৈর্ব্যক্তিক হওয়া চাই : 

লোকটার নয়, তার কাজের সমালোচনা করুন ।

৪. রাস্তাটা আপনিই দেখান : 

কাউকে যদি বলেন সে ভুল করছে, কী করলে ঠিক হবে সেটাও তা হলে বলুন তাকে।

৫. সহযোগিতা শুধু চান, দাবী করবেন না : 

কাউকে অনুরোধ করলে যত বেশি সাহায্য পাওয়া যায় তার সিকির সিকিও চাপ দিয়ে আদায় করা যায় না। একেবারে নিরুপায় না হলে ও দিকে যাবেনই না।

৬. একটা কাজে সমালোচনা একবারই করবেন :

 ন্যায্যতম সমালোচনাটাও একবারই ন্যায্য হয়।

৭. সমালোচনার পর্ব শেষ করুন পরস্পরের বন্ধু হয়ে শেষে আপনার ভাবটা যেন এই রকম হয় : 

“আর আমাদের মধ্যে কোনো শত্রুতা নেই, এখন আমরা বন্ধু, আসুন আমরা পরস্পরের সাহায্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করি।” এবং কোনো মতেই যেন সুরটা এ রকম না হয়- “আমার যা বলবার বলে দিলাম, এবার তুমি তোমার ম্যাও সামলাও।” যে সাতটা নিয়মের কথা বলা হলো তার মধ্যে এই শেষেরটাই সবচেয়ে দামি।

আন্তরিকভাবে লোকজনদের ধন্যবাদ জানান :

অপরের কোনো কাজে মনে মনে কৃতজ্ঞ হওয়া বা তার সৌজন্যে মুগ্ধ হওয়াই যথেষ্ট নয়, সে কৃতজ্ঞতা তাকে জানাতেও হয়, সৌজন্যের স্বীকৃতিও দিতে হয়। সেটা এইজন্য যে, মানুষ মাত্রই সেইসব পছন্দ করে যারা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকে, তাদের গুণের কদর করে। তাই এটা করে আপনি লোকদের কাছ থেকে অনেক বেশি সহযোগিতা পাবেন। লোকদের কাছে উপকৃত হয়ে যদি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেখবেন ওরা পরের বার আপনাকে আরও বেশি করে সাহায্য করছে। আর কৃতজ্ঞতা বোধ করা সত্ত্বেও যদি আপনি সেটা না জানান, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখবেন ওরা আর আপনার জন্য কিছুই করবে না, বা করলেও অনেক কম।

তবে ধন্যবাদ জানানোরও কিছু নিয়ম আছে- 

১. ‘ধন্যবাদ’ শুধু বলতে হয় বলেই বলবেন না, ধন্য হয়েই বলবেন : 

ধন্যবাদ যেন আপনার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে। অন্তর থেকে আপনি ধন্যবাদ বললে লোকে তা বুঝতে পারে। এও বুঝতে পারে সেটা নেহাতই কথার কথা কি না।

২. ধন্যবাদ জানান স্পষ্ট ভাষায়, স্পষ্ট উচ্চারণে : 

যে ভাষাতেই ধন্যবাদ জানান না কেন শব্দগুলো যেন পরিষ্কার হয়, জড়িয়ে না যায় এবং কানে পৌঁছায়। ধন্যবাদ এমনভাবে বলুন যাতে মনে হয় বলতে আপনার ভালো লাগছে, পাঁচন গেলার মতো নয়।

৩. মুখের দিকে তাকিয়ে ধন্যবাদ বলুন : 

দেয়ালের দিকে মুখ করে বলা আর চোখ রেখে বলার মধ্যে অনেক তফাত আছে। যে ধন্যবাদের যোগ্য সে তাকিয়ে দেখারও যোগ্য। 

৪. লোকদের নাম ধরে ধন্যবাদ জানান : 

কারও নাম করে ধন্যবাদ জানান। কারও নাম করে ধন্যবাদ বললে সেটাকে তার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি বলে মনে হয়। “ধন্যবাদ হিমেল সরকার” আর শুধু ‘ধন্যবাদ’ বলার মধ্যে অনেক ফারাক আছে।

৫. ধন্যবাদ বলার জন্য মুখিয়ে থাকুন : 

লোকদের কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য রীতিমতো সুযোগ খুঁজুন । যে-সব ক্ষেত্রে ধন্যবাদ না জানালে চলে না গড়পড়তা মানুষ তা জানিয়েই থাকে। কিন্তু বিচক্ষণ মানুষ ধন্যবাদ বলার আরও কারণ খুঁজে নেয়। মানুষকে আপন করে নেয়ার কলা- কৌশলের ক্ষেত্রে সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে ধন্যবাদ জানানোর দক্ষতার যত বড়ো ভূমিকা ততটা আর কিছুর মধ্যে আছে কি না সন্দেহ। ওপরে দেওয়া নিয়মগুলোর সাহায্যে এ দক্ষতা রপ্ত করতে পারলে তা আপনার সারা জীবনের সম্পদ হয়ে উঠবে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ভদ্রতা দেখিয়ে অপরের মনে ছাপ ফেলুন : 

আমাদের সম্পর্কে অপরের ধারণা কী হবে তা অনেকখানি নির্ভর করে আমাদেরই ওপর । শুরুতে তো আমরা ওদের কাছে অপরিচিতই থাকি, সুতরাং ওদের চোখে আমাদের ছবিটা প্রায় তা-ই দাঁড়ায় যা আমরা ওদের দেখাই। সুতরাং আমাদের সবারই উচিত এমনভাবে আচরণ করা যাতে লোকে আমাদের ভালোটাই দেখতে পায়। ব্যবহারই তো মানুষকে সুন্দর করে তোলে। যদি চান লোকে আপনাকে ভালো ভাবুক, আপনাকে প্রশংসার চোখে দেখুক, আপনাকে সম্মান করুক তা হলে আপনার আচরণের মাধ্যমেই আপনাকে এটা বোঝাতে হবে যে আপনি তার যোগ্য এবং তার জন্য আগে আপনার নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে। নিজের জন্য গর্বিত হোন। এর মানে দাম্ভিক হওয়া নয়, আপনি নিজের যা, আপনি যা করেন, আপনি যেখানে কাজ করেন সবকিছুর জন্য একই অভিমান থাকা। এমনকী সেখানে কোনো কমতি থাকলেও কোনো হীনম্মন্যতাকে প্রশ্রয় দেবেন না। আপনি যে আপনারই মতো সেইটাই আপনার বড় কথা হোক এবং তার জোরেই সম্মানের সঙ্গে চলাফেরা করুন । আরও কয়েকটা কথা :

১. আন্তরিক হোন : 

সস্তা তোষামোদ, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, অপ্রাসঙ্গিক কথা—ওসবে একদম যাবেন না। কেবল সেইসব কথাই বলুন যা সত্যিই বলতে চান। যা বলবেন তাতে আপনার নিজের বিশ্বাস থাকা চাই ।

২. যথেষ্ট উৎসাহ দেখান : 

আপনার আসল কাজ যা তাতে যদি আপনার নিজেরই ঘাটতি থাকে অন্যের কী দায় পড়েছে! নিজের পেশায় উৎসাহের মধ্যে মানুষের নিষ্ঠার পরিচয় পাওয়া যায় । উৎসাহ ছোঁয়াচেও বটে। আপনার প্রস্তাবে আপনার নিজের উৎসাহ দেখে অপর পক্ষও উৎসাহ পাবে।

৩. আবার অত্যাধিক আগ্রহও দেখাবেন না : 

মানুষকে আপন করে নেয়ার খেলায় আপনার যদি বাড়াবাড়ি রকমের আগ্রহ প্রকাশ পায় কিছু গোলমাল আছে বলে লোকে সন্দেহ করে এবং একবার যদি বুঝে যায় যে ওদের দিয়ে কাজটা করাতে আপনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন ওদের মনে খটকা লাগে। হয় ওরা পিছিয়ে যায়, নয়তো রাজি হয় আরও কঠিন শর্তে। কাজটা হবে কি হবে না সে উৎকণ্ঠা লুকোতে শিখুন । 

৪. নিজেকে বড়ো করতে গিয়ে অপরকে ছোটো করবেন না : 

আপনার নিজস্ব গুণগুলোই আপনার মাপকাঠি হোক, অপরকে খাটো করে দেখিয়ে তার তুলনায় নিজেকে বড়ো বলে প্রমাণ করতে যাবেন না। আপনার নিজের প্রতিভা আর উদ্যমই আপনাকে সত্যিকারের সাফল্য এনে দেবে। অপরের লাশের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার দরকার কী আপনার! আপনার নিজস্ব প্রতিভা ও সামর্থ্যের জোরে যখন নিজেকে দাঁড় করান, লোকদের নজর আপনার দিকেই যায়। কিন্তু আপনি যখন নিজেকে বড়ো করে দেখানোর জন্য অপরকে ছোটো করেন, লোকদের নজর তার দিকে যায়, আপনি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেন।


Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Storiesউত্তর লিংক
ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেলউত্তর লিংক

৫. কাউকে আক্রমণ করবেন না : 

আপনি যদি কারও বা কোনো জিনিস সম্পর্কে ভালো কিছু বলার না পান আদৌ কিছু বলার দরকারটা কী? আক্রমণ করতে যাওয়ার মুশকিলই হলো ওতে পাল্টা আঘাত খেতে হয় কিংবা উল্টো ফল হয়। তা ছাড়া আক্রমণ করা মানে তো নিজের দুর্বলতাই প্রকাশ করে ফেলা। বুদ্ধি খাটিয়ে চলুন, সংঘাত এড়ান, আক্রমণে যাবেন না।

মুনশিয়ানার সঙ্গে বৃক্তব্য রাখতে হবে : 

এখানে পাঁচটা নিয়ম দেওয়া হলো যা মেনে চললে আপনি সদালাপী  হিসেবে নাম কিনতে পারেন। এই নিয়মগুলোই একজন ভালো বক্তা আর বক-বক্তার মধ্যে তফাত গড়ে দেয়। 

১. যা বলবেন জেনে বলবেন : 

যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চান সে-সম্পর্কে যদি পরিষ্কার ধারণা না থাকে মুখটি খুলবেন না । দাপটের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস ও কর্তৃত্ব নিয়ে কথা বলন। তবে এটা তখনই সম্ভব হয় যদি বলার বিষয়টি আপনার নখদর্পণে থাকে ।

২. মূল কথাটি বলুন আর বসে পড়ুন : 

বেশি না ফেনিয়ে মোদ্দা কথাটা বলেই বসে পড়বেন। আজ পর্যন্ত কম কথা বলে কারও মুণ্ডপাত হয়নি । কেউ যদি আপনার কাছ থেকে আরও কিছু শুনতে চায় সে তো নিজেই জিজ্ঞেস করে নেবে।

৩. কথা বলুন শ্রোতাদের দিকে তাকিয়ে : 

এতে যে কী পরিমাণ কাজ হয়! তা ছাড়া যেনো আপনার কথা শোনার যোগ্য সে কি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখারও যোগ্য নয়? তবে আসল উপযোগিতা হলো সামনের শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করতে পারার ফলে আপনি আপনার কথাগুলোর মেজাজ ও দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পান।

৪. সেইসব বিষয়ে কথা বলুন যা শুনতে শ্রোতরা আগ্রহী : 

আপনি কী বলতে চান তা নয়, শ্রোতারা কী শুনতে চায় সেইটাই বড়ো কথা। আপনার নয়, আপনার শ্রোতাদের আগ্রহটাই মাপকাঠি হোক । ভালো বক্তা হিসেবে লোকদের মন জয় করে ফেলার এক অব্যর্থ উপায় হলো তারা ঠিক যা শুনতে চায় তা-ই শোনানো।

৫. বক্তৃতার ঢঙে কথা বলবেন না : 

বক্তৃতা দিতে যাবেন না। সবাই ওটা পারেও না। আপনি আর দশটা কথা যেভাবে বলেন, আপনার মতো করেই বলুন। যতটুকু যা বলার, সহজভাবে বলুন, এতেই কাজ হবে।

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

Leave a Comment