ছাত্রজীবনে আয় করবেন যেভাবে, ছাত্রজীবনে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায় ?, ছাত্রজীবনে আয়ের উপকারিতা কি?, ছাত্রজীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি যেভাবে আয় করবেন, ছাত্রজীবনে অর্থ উপার্জনের ১০টি উপায়, ছাত্রজীবনে আয় করবেন যেভাবে

ছাত্রজীবনে আয় করবেন যেভাবে, ছাত্রজীবনে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায় ?, ছাত্রজীবনে আয়ের উপকারিতা কি?, ছাত্রজীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি যেভাবে আয় করবেন, ছাত্রজীবনে অর্থ উপার্জনের ১০টি উপায়, ছাত্রজীবনে আয় করবেন যেভাবে

জানা অজানা মতামত শিক্ষা
শেয়ার করুন:

আজকের বিষয়: ছাত্রজীবনে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায় ?

মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে ছাত্রজীবন। এ সময়ে আমরা জ্ঞান অর্জন করি, নিজেদের জানার পরিধি বৃদ্ধি করি। নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু-বান্ধব আর অনেক নতুন জিনিসের সাথে পরিচয় ঘটে ছাত্রজীবনেই।


এ সময় আমাদের মন থাকে উদার, এই বয়সেই আমরা সবচেয়ে বেশী স্বপ্ন দেখি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই সময়ে আমাদের নিজেদের কোন আয়ের উৎস না থাকায় নিজেদের স্বপ্ন, ইচ্ছাগুলো আমরা পূরণ করতে পারিনা।


আমরা সব স্বপ্ন জমা করে রাখি ভবিষ্যতের জন্য। যখন আমরা আয় করা শিখব তখন সব স্বপ্ন পূরণ করব এই ভেবে। কিন্তু পড়াশুনা শেষ করে যখন আমরা আয় করা শুরু করি তখন আর নিজেদের স্বপ্ন পূরণের কথা মাথায় থাকেনা।


অনেক বড় বড় দায়িত্ব পূরণের সময় চলে আসে। এজন্য উচিত ছাত্রজীবন থেকেই আয়ের চেষ্টা করা। আর প্রযুক্তির অগ্রগতির সময়ে এটা করতে পারা অসাধ্য কিছু নয়। সময়ের সঠিক ব্যবহার আর ইচ্ছাশক্তি থাকলেই এটা করা সম্ভব।


আজ আমরা আলোচনা করব ছাত্রজীবনে আয়ের উপকারিতা ও যে কাজগুলো করে আয় করতে পারবেন সেগুলো সম্পর্কে। আশা করি পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। 

ছাত্রজীবনে আয়ের উপকারিতা :

ছাত্রজীবনে জানার অনেক সুযোগ সৃষ্টি হয়, যেগুলো পরবর্তী সময়ে আর আসেনা। এ সময়ে মানুষের নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বেশী থাকে, তাই তখনই বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ, সমাজসেবা, নতুন আবিষ্কার, নতুন কিছু শেখায় সময় ও অর্থ ব্যয় করা উচিত।


কিন্তু সবকিছুর জন্যই পরিবারের উপর নির্ভরশীল হওয়া মোটেই কোন কাজের কথা নয়। আর পরিবারের এত খরচ চালানোর সামর্থ নাও থাকতে পারে। তাই এ সময়ে নিজেদেরই উচিত আয়ের চেষ্টা করা উচিত।


এই সময় থেকেই আয়ের সাথে জড়িত থাকলে এমন অনেকের সাথেই পরিচয় হবে, যাদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বড় কাজের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। বিখ্যাত ব্যক্তিরা তাদের কাজের শুরু করেছিলেন ছাত্রজীবন থেকেই।


অনেকেই ঠিকভাবে একাডেমিক পড়াশুনা সম্পন্ন করতে না পারলেও নিজেদের ক্যারিয়ারে, নিজেদের কর্মক্ষেত্রে তারা অনুকরণীয় আদর্শ। এছাড়াও নিজের হাতখরচ চালানো,পরিবারের জন্য কিছু করার জন্য ছাত্রজীবনে আয়ের কোন বিকল্প নেই। 

মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : info@banglanewsexpress.com

বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই অর্থ উপার্জন করতে চান। কিন্তু জানেন না কীভাবে করা যায়। কিছুটা কৌশলী উপায় অবলম্বন করলেই ছাত্র জীবনেই সম্ভব আয়-রোজগার করা। আসুন তাহলে জেনে নিই ছাত্রজীবনে অর্থ উপার্জনের কিছু উপায়।

টিউশনি

জীবনের প্রথম টিউশনি অনেকের কাছে অ্যাডভেঞ্চারের মতো। তবে অনেকেই জানেন না কীভাবে এটি শুরু করা যায়। টিউশনি শুরু করার জন্য লিফলেট বা পোস্টার ব্যবহার করা যেতে পারে। স্কুলের সামনে লিফলেট বিলি কিংবা দেয়ালে পোস্টার লাগাতে হবে। তৈরি হবে আয়ের উৎস।

ডিজাইন

বর্তমান সময়ে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছর থেকেই ডিজাইনের কাজ করা যেতে পারে। ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের কাজে পারদর্শী হয়ে উঠলে বাজারে তার চাহিদা বেড়ে যায়। তাই কারও ডিজাইনের কাজে পারদর্শিতা থাকলে তিনি এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

এডিটিং

সাম্প্রতিক সময়ে এডিটিং বা ভিডিও এডিটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। সৃজনশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য এ দক্ষতা থাকা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যদি কারও ভিডিও এডিটিংয়ের দক্ষতা থাকে তাহলে তিনি এতে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন। বিভিন্ন প্রডাকশন হাউসে এডিটিংয়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

লেখালেখি

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেককেই লেখালেখি করতে দেখা যায়। কিন্তু সংবাদপত্রে কয়জনই বা নিজের লেখা প্রকাশ করার সামর্থ্য রাখেন। ব্লগিং সাইট, সংবাদপত্র ও অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে লেখালেখির এই গুণ কাজে লাগানো যায়। ব্লগিং সাইটে লেখালেখির মাধ্যমে অনেকেই টাকা পয়সা রোজগার করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং

এ প্রজন্মের কাছে ফ্রিল্যান্সিং একটি অতি পরিচিত শব্দ। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে স্বতন্ত্রভাবে একাধিক প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা যায়। ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটিংসহ নানা ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে বসেই সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের কাজও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে করে দেওয়া সম্ভব। আপ ওয়ার্কসহ আরও নানাবিধ ফ্রিল্যান্সিংয়ের সাইট রয়েছে। এসব সাইটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা সহজেই কাজ খুঁজে পান।

এজেন্সি

এজেন্সি হলও ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান যারা বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করে। ভিডিও এডিটিং, ডিজাইনিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, কর্পোরেট ইভেন্ট নামানোসহ অন্যান্য কাজ করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী যেকোনো একটি দক্ষতা নিয়ে এসব এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন অথবা নিজেও একটি এজেন্সি তৈরি করতে পারেন।

ফটোগ্রাফি

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ফটোগ্রাফির শখ দেখা যায়। তাদের এই শখই অর্থ উপার্জনে সহায়ক। বিয়ের ছবি, অফিসের ছবি, অনুষ্ঠানের ছবিসহ আরও নানা কাজে ফটোগ্রাফির দক্ষতা কাজে লাগানো সম্ভব। ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফির দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অনেকেই প্রডাকশন হাউসে কাজ করছেন কিংবা নিজেই তৈরি করেছেন প্রডাকশন হাউস।

ছোটখাটো ব্যবসা

পড়াশুনার পাশাপাশি টি-শার্ট, মগে ডিজাইন করার মাধ্যমে অনেকে ছোটখাটো ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত মুনাফা দিয়ে নিজের হাতখরচ মেটাতে পারেন বহু তরুণ।

কোডিং

আধুনিক বিশ্বে ভালো একজন কোডার হিসেবে ভালো আয় করা সম্ভব। কোডিংয়ের মাধ্যমে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এমনকি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যারও তৈরি করা যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোডার, অ্যানিমেটর, ডিজাইনারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

বিভিন্ন ফুড ফেস্টিভ্যাল, কর্পোরেট ইভেন্ট, পহেলা বৈশাখের ইভেন্টসহ আরও নানা ধরনের ইভেন্টে মানুষ অংশগ্রহণ করেন। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সংগঠনে যোগদান

অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই বিভিন্ন ধরনের সংগঠন বা ক্লাব থাকে যেমন ডিবেটিং ক্লাব, ফটোগ্রাফি ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, রোবটিক্স ক্লাব, লিটারেচার ক্লাব, কুইজ ক্লাব ইত্যাদি। এসব ক্লাবে যোগ দেয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত চর্চা হয় তা ক্লাব তথা সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক গুণাবলি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া সংগঠনের বিভিন্ন ধরনের কাজের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হয়, ফলে নিজের মধ্যে দায়িত্বশীলতা বাড়ে যা পরবর্তীতে নেতৃত্বগুণ তৈরিতে সহায়তা করে। সংগঠনের সদস্যরা নিয়মিত অন্যদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে নিজেদের নেটওয়ার্কিং বাড়াতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবী কাজ

ছাত্রজীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি শুধুই আয়-উপার্জনের জন্য নিজেকে যুক্ত না করে নানাবিধ স্বেচ্ছাসেবী কাজেও নিজেকে যুক্ত করা যায়। ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং সুবিধাবাদী মনোভাব ত্যাগ করে সমাজের কোন সুবিধাবঞ্চিত,দরিদ্র,দুস্থ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আমরা সাধারণত স্বেচ্ছাসেবা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারি। স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সমাজ এবং সমাজের মানুষের জন্য কাজের উদ্যোগ নেয়া নিঃসন্দেহে মহৎ কাজ। বর্তমানে দেশে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে যারা অর্থসাহায্য কিংবা খাবার, কাপড় ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে অসহায় ব্যক্তিদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

সবার আগে আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

ভার্সিটির টি-শার্ট অর্ডার

পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা করতে চাইলে তুমি তোমার ভার্সিটিতেই করতে পারো! হ্যা, ভার্সিটিতে বিভিন্ন অকেশনে টি-শার্ট অর্ডার করা হয়।

তুমি এ ব্যাপারে একটু খোঁজ-খবর রেখে অর্ডারগুলো নিতে পারো। এককালীন কিছু ভালো লাভ হতে পারে।

ফেইসবুক

ফেইসবুক কিন্তু শুধু হাই, হ্যালো করবার জন্য নয় যদিও অধিকাংশ এটিই করে! চাইলে তুমি ফেসবুকের ওপর ভিত্তিকরে তোমার ব্যবসা দাঁড় করাতে পারো। তোমার ব্যবসার জন্য একটি ফেইসবুক পেইজ তৈরী করে তাতে গ্রাহক আনতে থাকো ও তাদের কাছে তোমার প্রোডাক্ট তুলে ধরো। এছাড়া ফেসবুকে বড় গুরুপ তৈরী করেও বিভিন্নভাবে আয় করা যায়।

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : info@banglanewsexpress.com

মোবাইল ফোনে কাজ করে টাকা ইনকাম করবেন কিভাবে

তোহ চলুন এখন আমরা ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সরাসরি সেই প্রত্যেকটি উপায়গুলোর বিষয়ে জেনে নেই। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করুন

মোবাইল ফোনে কাজ করে অনলাইনে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ ও লাভজনক এবং কার্যকর উপায় হচ্ছে ব্লগিং Blogging। ব্লগিং করে বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছেন।আমি নিজেই Full-Time Blogging করে টাকা ইনকাম করে যাচ্ছি বিগত ২ বছর ধরে।

আপনি ইন্টারনেটে সার্চ করলেই দেখতে পারবেন যে ব্লগিং কত বেশি জনপ্রিয় একটি অনলাইন বিজনেস মডেল। ব্লগিং করে ইনকাম করার জন্য আপনাকে মূলত প্রথমেই একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আপনি নিজের মোবাইল থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্য একটি ব্লগার ব্লগ সাইট তৈরি করে নিতে পারবেন। ব্লগ সাইট তৈরি করার পরে আপনাকে নিজের ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে কন্টেন্ট লিখে পাবলিশ করতে হয়।

এই রকম করে নিয়মিত ভাবে ব্লগে কনটেন্ট পাবলিশ করলে ধীরে ধীরে আপনার ব্লগ সাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর/ট্রাফিক ইন্টারনেটের মাধ্যমে আসতে থাকবে আপনার আর্টিকেলগুলো পড়বার জন্য। যখনই আপনার ব্লগ সাইটে নিয়মিত ভাবে অনেক বেশি পরিমাণের ভিজিটর আসতে শুরু করবে তখন আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে নিজের ব্লগ সাইট থেকে ভালোমানের টাকা আয় করতে পারবেন। যেমন- গুগল অ্যাডসেন্স Google AdSense, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং Affiliate Marketing থেকে বা Paid Review লিখে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদি আপনি সঠিক ভাবে ব্লগিং শুরু করেন তবে আপনি কিছু মাস পর থেকেই মিনিমাম ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজারের মধ্যে প্রত্যেক মাসে টাকা ইনকাম করার সুযোগ হয়ে দাঁড়াবে। আমার অনেক পরিচিত ব্লগার আছে যারা প্রতি মাসে ব্লগ সাইট থেকে ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে।

Meesho Reselling করে টাকা আয় করুন | ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০-২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

Meesho হচ্ছে একটি ই-কমার্স রিসেলিং অ্যাপ যেটা ব্যবহার করে যেকেউ নিজের ঘর থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি লাইফস্টাইল, ক্লোথিং, কিচেন, ফ্যাশান ইত্যাদি এই রকমের ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন রকমের প্রোডাক্ট গুলো Meesho এখানে পাবেন। আর Meesho থেকে টাকা আয় করার করার জন্য আপনাকে এই Products প্রোডাক্টগুলোকে বিক্রি করতে হবে।

প্রোডাক্ট বিক্রি করানোর জন্যে আপনি প্রোডাক্টের ইমেজগুলোকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলিতে শেয়ার করতে পারবেন। আপনি নিজের মোবাইল ফোনে Meesho App Download করে একটি বিনামূল্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করে কাজ শুরু করে দিতে পারবেন। যেকোন প্রোডাক্টের একটি Wholesale Price উল্লেখ করা থাকবে Meesho তরফ থেকে। আপনি সেই সকল Wholesale Price এর উপরে নিজের Profit Margin রেখে সেগুলোকে বিক্রয় করাতে পারবেন।

স্টক (Stock), Inventory বা ডেলেভেরি নিয়ে আপনার কোন চিন্তা করতে হবে না। আপনাকে কেবলমাত্র নিজের পছন্দ হিসাবে প্রোডাক্ট গুলোকে মানুষদের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে এবং আপনার নিজের Profit Margin এর সঙ্গে দাম বলতে হবে। মানুষ প্রোডাক্ট গুলো অর্ডার করার পরে বাকি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া Meesho দ্বারা করা হবে। বলা হয়ে থাকে যে, নিজের মোবাইল ফোনের দ্বারা Meesho তে কাজ করে আপনি প্রায় ১৫,০০০ হাজার থেকে ২৫,০০০ হাজার টাকা সহজেই ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে টাকা ইনকাম

আমি পূর্বেই বলেছি যে ইউটিউব হচ্ছে ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করার জন্য সবথেকে সহজ উপায়। কারণ, আজ একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে স্কুলে পড়াশুনা করা বাচ্চা থেকে বয়স্ক মানুষরা অনলাইন থেকে ইনকাম করছে। ঠিক ব্লগিং এর মতোই ইউটিউব বর্তমানে একটি দারুন প্রফেশনাল অনলাইন বিজনেস হিসেবে অনেক বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

ইউটিউব ইনকাম করার জন্য আপনাকে কেবলমাত্র নিয়মিত ভালো ভালো বিষয়ের উপরে ভিডিও বানিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে হবে। তবে এর আগেই, আপনাকে একটি লাভজনক ইউটিউব চ্যানেল আইডিয়া অবশ্যই ভেবে রাখতে হবে। কারণ, আপনি যে বিষয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন সেই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত ভিডিও আপনাকে তৈরি করতে হবে।

নিয়মিত ভাবে যদি আপনি কাজ করতে পারেন তাহলে কিছু সময় পর আপনার ইউটিউব চ্যানেলে প্রচুর পরিমাণে সাবস্ক্রাইবার হতে থাকবে এবং আপলোড করা ভিডিওগুলোর ভিউস বাড়তে থাকবে। এইবার আপনারা নিজের YouTube Channel Dashboard থেকে YouTube Monetization এর জন্য Apply করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ Monetization এর জন্য Apply করার পূর্বে ইউটিউব এর নতুন নিয়ম কানুন এবং আইনের বিষয়ে আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন। ইউটিউব চ্যানেলে YouTube Monetization এর জন্য Apply করার জন্য আপনার চ্যানেলে কমপক্ষে ১০০০ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে।

যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের Monetization চালু করে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে আপনার প্রত্যেক ভিডিওর মাঝে ইউটিউব অ্যাড প্রদর্শন করবে যার ফলে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠে তবে আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে ইউটিউব এর থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যেমন- Paid Promotion, Affiliate Marketing, Paid Reviews অথবা নিজের Products Sell করে। এই কাজটি আপনি সম্পূর্ণ নিজের মোবাইল ফোন থেকেই করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা, ভিডিও তৈরি করা, ভিডিও এডিট করা সহ ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করা সকল কিছু মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারবেন। এমনিতে ইউটিউব একটি গেমিং চ্যানেল তৈরি করে টাকা ইনকাম করা কিন্তু সবচেয়ে সহজ ও সুবিধার উপায়।

টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট | Online income apps

আপনি হয়তো জেনে রাখবেন যে, মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করার জন্যে বিভিন্ন অ্যাপ আছে। Google play store গুগল প্লে স্টোরের মধ্যে গিয়ে সার্চ করলেই আপনি বিভিন্ন Online Income Apps গুলো দেখতে পাবেন। তবে হ্যাঁ, এই ধরণের অনলাইনে টাকা ইনকাম করার এপস Apps গুলোর মাধ্যমে তেমন ভালোমানের ইনকাম করা সম্ভব নয়।

আপনি যতটুকু সময় দিয়ে কাজ করবেন ঠিক সেই হিসেবে আপনাকে সেই পরিমাণ টাকা প্রদান করা হয়না। তবে হ্যাঁ, যদি আপনার কাছে প্রচুর ফ্রি সময় থাকে কেবল তাহলে আপনি এই টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলি ব্যবহার করতে পাড়েন। অ্যাপগুলোতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার জন্যে আপনাদের টাকা পেমেন্ট করা হবে।

যেমন- ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম, সার্ভে করে টাকা করা, গেম খেলে টাকা ইনকাম, Apps Download করে টাকা ইনকাম ইত্যাদি। আপনি যদি সঠিক ও রিয়েল অ্যাপস গুলো ব্যবহার করে কাজ করেন, তাহলে মোবাইলের মাধ্যমে কিছুটা পার্ট-টাইম ইনকাম অবশ্যই করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *