Google Adsense Ads
চুল পড়ে যাচ্ছে বা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে এ সমস্যা অনেকেরই। চুল পড়া সমস্যা নিয়ে জর্জরিত নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই। চুল থাকলে তা পড়বেই, তবে অতিরিক্ত পরিমাণ চুল পড়ার কারণে আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেতে পারে।
চুল পড়া সমস্যার সমাধান দু’টি। একটি হলো চুল ঝরে পড়া রোধ করা, অন্যটি নতুন চুল গজানো। সমাধান লুকিয়ে রয়েছে আপনার রান্নাঘরেই। চুল পড়া বন্ধ করতে সবচেয়ে উপযোগী উপাদান হল পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রস চুল পড়ার সমস্যা সমাধান করে, এমনকি চুলের বৃদ্ধিও সুনিশ্চিত করে। তবে পেঁয়াজের সঙ্গে যদি আরও কিছু উপাদান ব্যবহার করা যায়, তাহলে তা আরও বেশি কার্যকরী হয়। চলুন জেনে নিই সেসব—
পেঁয়াজের রস ও নারকেল তেল
চুলের যত্নে নারকেল তেলের অসাধারণ ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। চুল পড়লে মাথায় নারকেল তেল লাগাতে বলেন অনেকেই। তার কারণ নারকেল তেল চুল পড়া বন্ধ করে। পেঁয়াজ আর নারকেল তেল মিশে গেলে তো ম্যাজিক। চুলের গোঁড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ করবে।
পেঁয়াজের রস ও অলিভ অয়েল
পেঁয়াজের রস ও অলিভ অয়েল চুলের জন্য বেশ উপকারী। সপ্তাহে অন্তত দুই বার এই দু’টি উপাদানের মিশ্রণ লাগাতে পারেন। ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল নিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি হাল্কা গরম করে মাথায় লাগান। এক-দেড় ঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিন।
পেঁয়াজের রস ও মধু
পেঁয়াজে উচ্চ মাত্রায় সালফার থাকে। পেঁয়াজের রস ও মধু মিশ্রণ খুশকি এবং চুল পড়ে যাওয়া আটকাতে মোক্ষম দাওয়াই। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মাথায় লাগাতে হবে। সমপরিমাণে পেঁয়াজের রস এবং মধু নিন। মাথায় হালকা মালিশ করে লাগান। আধ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।
পেঁয়াজের রস ও আমন্ড তেল
আমন্ড তেল রুক্ষ চুলের সমস্যা মেটাতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মিশলে চুল পড়া বন্ধ করতেও সাহায্য করে। সমপরিমাণে পেঁয়াজের রস ও আমন্ড তেল নিয়ে মাথায় লাগান। ২-৩ ঘণ্টা রাখার পর হাল্কা গরম পানিতে মাইল্ড শ্যাম্পুর সাহায্যে ধুয়ে নিন।
পেঁয়াজের রস ও গরম পানি
পাঁচটি মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ বেটে নিন। এক মগ উষ্ণ পানিতে তা মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার পর এই মিশ্রণটির দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এর পাঁচ মিনিট পর শুধু পানি দিয়ে আবার মাথাটা ধুয়ে নিন। মাথা থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসলেও চুলের জন্য তা বেশ উপকারী। এক মাসের মধ্যে চুল পড়া কমে যাবে।
লেখার সূত্র: বোল্ডস্কাইডটকম
Google Adsense Ads
- পাওয়ার স্টেশনের গড় চাহিদা ও ইউটিলাইজেশন ফ্যাক্টর নির্ণয়ের (সহজ উদাহরণ)
- একটি পাওয়ার স্টেশনের ম্যাক্সিমাম ডিমান্ড ২০ MW, প্ল্যান্ট ক্যাপাসিটি ২৫ MW এবং প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ০.৪৮। প্ল্যান্টটির গড় চাহিদা (Average Demand) এবং Utilization Factor কত?
- প্রত্যয়ন পত্র কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
- BEPZA এর সাব স্টেশন এটেনডেন্ট পদের প্রশ্ন উত্তর pdf ২০২৬
- বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
Google Adsense Ads