Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
একজন বিনিয়োগকারী কীভাবে কাম্য পোর্টফলিও নির্বাচন করে থাকেন?, যেভাবে কাম্য পোর্টফলিও নির্বাচন করে থাকেন?
ভূমিকা : দক্ষ বিনিয়োগ পত্রকোষ মডেলের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা তাদের জন্য যে পত্রকোষ সঠিক বলে মনে করে সেই পত্রকোষ নির্ধারণ করবে। মারকুইজ মডেলে কোন এক পত্রকোষ নির্ধারণ করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট ঝুঁকি ও আয় করে এটি অনেকগুলো দক্ষ পত্রকোষ নির্ধারণ করে।
সাধারণভাবে অর্থনীতিতে এবং বিশেষভাবে অর্থায়নে আমরা ধরে নেই বিনিয়োগকারী ঝুঁকি বিমুখ। এই অর্থ হলো এই, যদি বিনিয়োগকারীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে বিনিয়োগকারী জেনেশুনে কখনই সন্তোষজনক জুয়াখেলায় মেতে উঠবে না।
এর অর্থ হলো বিনিয়োগকারী কখনই শূন্য হারে মুনাফা প্রত্যাশা করবে না এবং লাভ ও ক্ষতির সম্ভাবনা সমান এমন কোন ব্যবস্থাও মেনে নেবে না। কারণ সন্তোষজনক জুয়ার কারণে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ লাভের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। অর্থাৎ ঝুঁকি পরিহারের প্রবণতা যত বেশি হয় সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণও তত বেশি হয়।
একজন বিনিয়োগকারীর পক্ষে সন্তুষ্টি অর্জন এবং ঝুঁকি ও আয়ের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে দক্ষ পত্রকোষ নির্বাচন করা একজন অপ্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সন্তুষ্টি সম্ভব। আর অর্জনের বিষয়টিকে নিরপেক্ষ রেখার সাহায্যে পরিমাপ করা হয়। অর্থাৎ ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পছন্দের বিষয়টিকে পরিমাপের জন্য নিরপেক্ষ রেখা ব্যবহার করা হয়।
যেভাবে কাম্য পোর্টফলিও নির্বাচন করে থাকেন?

চিত্রে নিরপেক্ষ রেখাগুলোকে দেখানো হলো, যাতে ঝুঁকি বিমুখ বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি ও আয় পছন্দের বিষয়টিকে বর্ণনা করা হয়েছে। চিত্রে প্রদর্শিত প্রতিটি নিরপেক্ষ রেখাই সমন্বিত পত্রকোষকে বর্ণনা করেছে যা প্রত্যেকটি বিনিয়োগকারীর নিকট আকর্ষণীয়। নিরপেক্ষ রেখা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কতকগুলো বিষয় জানা প্রয়োজন। যেমন- নিরপেক্ষ বিন্দুগুলো কখনই একে অপরকে স্পর্শ করে না।
কারণ তারা প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বিনিয়োগকারীদের আকাঙ্ক্ষাকে নির্দেশ করে। বিনিয়োগকারীদের জন্য অসীম সংখ্যক নিরপেক্ষ রেখা রয়েছে। ঝুঁকি বিমুখ বিনিয়োগকারীদের নিরপেক্ষ রেখা ঊর্ধ্বগামী হয়। কিন্তু এ সকল রেখার প্রতিটি ঝুঁকি পছন্দের উপর নির্ভর করে। উচ্চতর নিরপেক্ষ রেখা নিম্নতর রেখা হতে অধিক পছন্দনীয়। নিরপেক্ষ রেখার ঢাল যত বেশি হবে বিনিয়োগকারী তত বেশি ঝুঁকি বিমুখ হবে।
একজন বিনিয়োগকারী কীভাবে কাম্য পোর্টফলিও নির্বাচন করে থাকেন?
ঝুঁকি বিমুখ বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পত্রকোষ সেই বিন্দুতেই হবে যে বিন্দুতে বিনিয়োগকারীদের উচ্চতর নিরপেক্ষরেখা এবং দক্ষ পত্রকোষ সীমান্ত একত্রিত হবে। অর্থাৎ উচ্চতর নিরপেক্ষ রেখা এবং দক্ষ পত্রকোষ সীমান্ত যে বিন্দুতে স্পর্শ করবে, সেই বিন্দুতে ঝুঁকি বিমুখ বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল বা কাম্য
পত্রকোষের অবস্থান নির্দেশ করবে। ঝুঁকি বিমুখ বিনিয়োগকারীদে জন্য অনুকূল পত্রকোষের অবস্থান নিম্নের চিত্রে দেখানো হলো-
আরি পড়ুন ›জাবেদা তাৎপর্য বণনা কর, জাবেদা গুরুত্ব প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর, জাবেদা উদ্দেশ্য সমূহ আলোচনা করজাবেদা তাৎপর্য বণনা কর, জাবেদা গুরুত্ব প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর, জাবেদা উদ্দেশ্য সমূহ আলোচনা কর
আরি পড়ুন ›প্রত্যয়পত্র শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো, বিভিন্ন প্রকার প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে আলোচনা করো, লেটার অব ক্রেডিট: প্রকার ও প্রকরণপ্রত্যয়পত্র শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো, বিভিন্ন প্রকার প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে আলোচনা করো, লেটার অব ক্রেডিট:…
আরি পড়ুন ›অপারেশন সার্চলাইট বলতে কি বুঝ?, অপারেশন সার্চলাইট,অপারেশন সার্চলাইট কি,অপারেশন সার্চ লাইট বলতে কি বুঝঅপারেশন সার্চলাইট বলতে কি বুঝ?, অপারেশন সার্চলাইট,অপারেশন সার্চলাইট কি,অপারেশন সার্চ লাইট বলতে কি বুঝ…

একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
চিত্রে O বিন্দুতে অনুকূল বা কাম্য পত্রকোষের অবস্থানকে দেখানো হয়েছে। এই পত্রকোষটি বিনিয়োগকারীদের উপযোগকে সর্বাধিক করেছে। কারণ চিত্রে প্রদর্শিত নিরপেক্ষ রেখায় বিনিয়োগকারীর পছন্দের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, নিরপেক্ষ রেখা u, এবং u, অস্পর্শই থেকে যাচ্ছে এবং নিরপেক্ষ বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ পছন্দের রেখা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ 13 রেখাতে দক্ষ পত্রকোষ রেখাটি স্পর্শ করেছে ।
অন্যদিকে নিরপেক্ষ রেখা ॥ কে যদিও দক্ষ পত্রকোষ রেখাটি স্পর্শ করেছে, তবুও এটি নিরপেক্ষ রেখা u থেকে নিকৃষ্ট বা নিম্নতর । কারণ, একই ঝুঁকি স্তরে নিরপেক্ষ রেখা u তে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত আয় সর্বোচ্চ হচ্ছে। মারকুইজ মডেলের সাহায্যে পত্রকোষ নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে :
১. মারকুইজ মডেলে একটি সেটের বা সীমান্তের সকল বা সমগ্র পত্র কোষে আয় অর্জনের দক্ষতা যাচাই করা হয় এবং এই বিশ্লেষণ অনুসারে সকল দক্ষ পত্রকোষ ভালো ফলাফল দেয়। এক্ষেত্রে কোন পত্রকোষই একটি অপরটিকে প্রভাবিত করতে পারে না ।
২. মারকুইজ মডেলে পত্রকোষ তৈরি করার জন্য ঋণকৃত তহবিল ব্যবহার করা যায় অথবা ঋণকৃত তহবিল বিনিয়োগকারী কর্তৃক পত্রকোষে বিনিয়োগের বিষয়টিকে বিবেচনা করা হয়নি। অর্থাৎ আর্থিক লিভারেজ সম্পর্কে এই মডেলে কিছু বলা হয় নাই। ঝুঁকিমুক্ত বা ঝুঁকিবিহীন সম্পদ যোগ করে কিভাবে কাম্য বা অকূল পত্রকোষ তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
My Ads
৩. এই মডেলে যেসব উপাদান নিয়ে একটি পত্রকোষ তৈরি করা হয়েছে, অন্যান্য বিনিয়োগকারীরা সে পথে না গিয়ে অন্যপথে তারা পত্রকোষ গঠন করতে পারেন এবং সেভাবে তারা কাম্য বা অনুকূল পত্রকোষ তৈরি করতে পারে। মারকুইজ মডেল একক পদ্ধতি নয়। এটি ছাড়াও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে দক্ষ পত্রকোষ তৈরি করা যায় ।
উপসংহার : বিনিয়োগে আয় ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের সময় একজন বিনিয়োগকারীর সমগ্র পত্রকোষ বা পোর্টফোলিও বিবেচনা করতে হয়। আলাদা আলাদাভাবে সিকিউরিটির আয় ও ঝুঁকি পরিমাপ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আরও প্রয়োজন পত্রকোষ বিশ্লেষণ, কারণ এর মাধ্যমে নতুন নতুন সুযোগের সন্ধান পাওয়া যায় ও সদ্ব্যবহার করা যায়। একজন বিনিয়োগকারীর পত্রকোষ হলো তার সদ্ব্যবহার করা যায় ।
- আরি পড়ুন ›PDF Download ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট রচনা,‘ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট, রচনা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট রচনা, ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট রচনা PDF DownloadPDF Download ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট রচনা,‘ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা ম্যাস…
আরি পড়ুন ›১৯৫৪-এর প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ১৯৫৪-এর প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ ১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিল। ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট জিতেছিল ২২৩টিতে। এর মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ ১৪৩, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলাম পার্টি ১৯ এবং গণতন্ত্রী দল ১৩টি আসন পেয়েছিল। অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত ৭২টি আসনের মধ্যে গণতন্ত্রী দল তিনটি এবং কমিউনিস্ট পার্টি চারটি আসন পাওয়ায় যুক্তফ্রন্টের সর্বমোট সদস্য সংখ্যা হয়েছিল ২৩০। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পেয়েছিল মাত্র ১০টি আসন। বিজয়ের পর ১৯৫৪ সালের ২ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় ‘শেরে বাংলা’ আবুল কাশেম ফজলুল হককে যুক্তফ্রন্টের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছিল। পরদিন ৩ এপ্রিল ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট সরকারের প্রধান বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। কোন দল থেকে কতজনকে মন্ত্রী করা হবে- সে প্রশ্নে মতপার্থক্য সৃষ্টি হওয়ায় আওয়ামী মুসলিম লী স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ক,খ ও…
আরি পড়ুন ›১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলী ব্যাখ্যা কর১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলী ব্যাখ্যা কর,১৯৩৫ সালের ভারত…