ইসলামি জীবন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন: প্রেক্ষিত খুলাফায়ে রাশেদিন, খুলাফায়ে রাশেদিনের পরিচয়, নাম শাসনকাল খিলাফত যুগের বৈশিষ্ট্য

ইসলামি জীবন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন: প্রেক্ষিত খুলাফায়ে রাশেদিন, খুলাফায়ে রাশেদিনের পরিচয়, নাম শাসনকাল খিলাফত যুগের বৈশিষ্ট্য

এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: দাখিল SSC -2021 বিষয়: ইসলামের ইতিহাস এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04 বিষয় কোডঃ 109
বিভাগ: দাখিল শাখা

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ইসলামি জীবন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন: প্রেক্ষিত খুলাফায়ে রাশেদিন।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • প্রথম পরিচ্ছেদ: খলিফার পরিচয়, যোগ্যতা ও নির্বাচন।

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • খুলাফায়ে রাশেদিনের পরিচয়, নাম শাসনকাল 
  • খিলাফত যুগের বৈশিষ্ট্য 
  • খুলাফায়ে রাশেদিনের নির্বাচন 
  • খলিফার জন্য প্রয়ােজনীয়। গুণাবলি

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • খুলাফায়ে রাশেদিনের পরিচয়, নাম শাসনকাল 
ইসলামি জীবন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন: প্রেক্ষিত খুলাফায়ে রাশেদিন, খুলাফায়ে রাশেদিনের পরিচয়, নাম শাসনকাল খিলাফত যুগের বৈশিষ্ট্য  https://www.banglanewsexpress.com/

খোলাফায়ে রাশেদীনের শাসনকাল
“হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) ২বছর ৩মাস ৯ দিন ।
“হযরত ওমর ফারুক (রা) ১০বছর ৬মাস ৩ দিন ।
“হযরত ওসমান গনি (রা) ১১ বছর ১১মাস ১৭ দিন ।
“হযরত আলী (রা) ৪বছর ৮ মাস ২৩ দিন ।
হযরত ইমাম হাসান (রা) ৬মাস ৮ দিন ।
মোট ৩০ বছর

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • খিলাফত যুগের বৈশিষ্ট্য 

খিলাফতে রাশেদার ৩০ বছর শাসনকাল (৬৩২-৬৬১ খ্রি.) পর্যালোচনা করলে যে বৈশিষ্ট্যগুলো মানবজাতিকে বিমোহিত করে তা হচ্ছে :

(ক) খুলাফায়ে রাশেদিনের আমল বিশ্বনবী সা:-এর পবিত্র জীবনাদর্শ উজ্জ্বল প্রদীপে পরিণত হয়েছিল এবং তা সমগ্র পরিমণ্ডলকে নির্মল আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত করে রেখেছিল। খলিফাগণের প্রতিটি কাজে ও চিন্তায় তার গভীর প্রভাব বিদ্যমান ছিল। চারজন খলিফাই মহানবী সা:-এর একান্ত প্রিয়পাত্র ও বিশিষ্ট সাহাবি ছিলেন। তাঁরা ছিলেন তাঁর সর্বাপেক্ষা বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত এবং তাঁর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত প্রাণ। হজরত ‘আলী রা: ছাড়া আর তিনজন খলিফাই মহানবী সা:-এর দ্বিতীয় কর্মকেন্দ্র ও শেষ শয্যাস্থল মদিনায় রাজধানী রেখেই খিলাফতের প্রশাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেছিলেন।

(খ) তাঁরা ছিলেন মুসলিম উম্মাহর সর্বাপেক্ষা অধিক আস্থাভাজন। আধুনিককালের পদ্ধতিতে নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচন হলেও তখন কেবল তাঁরাই যে সর্বাধিক ভোটে নির্বাচিত হতেন তাতে কোনো সন্দেহ ছিল না।

(গ) খিলাফতে রাশেদার আমলে আইন প্রণয়নের ভিত্তি ছিল কুরআন ও সুন্নাহ। যে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশ পাওয়া যেত না, সে বিষয়ে ইজতিহাদ করে সুষ্ঠু সমাধান বের করার চেষ্টা করা হতো এবং এ ব্যাপারে কুরআন ও সুন্নাহয় পারদর্শী প্রত্যেক নাগরিকেরই মতামত দেয়ার সমান অধিকার স্বীকৃত ছিল।

(ঘ) খুলাফায়ে রাশেদিনের আমলে রাজকীয় ভোগবিলাস, জাঁকজমক ও শান-শওকতের কোনো স্থান ছিল না। খলিফাগণ একান্তই সাধারণ নাগরিকদের মতো জীবনযাপন করতেন। তাঁদের কোনো দেহরক্ষী ছিল না। লোকজন যখন ইচ্ছা খলিফার কাছে উপস্থিত হতে পারত।

(ঙ) খুলাফায়ে রাশেদিন বায়তুল মাল বা রাষ্ট্রের সরকারি কোষাগারকে জাতীয় সম্পদ ও আমানতের ধন মনে করতেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মঞ্জুরি ছাড়া নিজের জন্য একটি কপর্দকও কেউ ব্যয় করতেন না।

(চ) তাঁরা নিজেদেরকে জনগণের খাদিম মনে করতেন। কোনো ক্ষেত্রেই তাঁরা নিজেদেরকে জনসাধারণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ধারণা করতেন না। তাঁরা কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই জননেতা ছিলেন না, নামাজ ও হজ প্রভৃতি ধর্মীয় ব্যাপারেও যথারীতি তাঁরাই নেতৃত্ব দিতেন।

মোটকথা, ধর্ম ও রাজনীতির পৃথকীকরণ এবং ধর্মীয় কাজ ও রাষ্ট্রীয় কাজে দ্বৈতবাদ যেমন আধুনিক পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য, অনুরূপভাবে এতদুভয়ের একত্রীকরণ ও সর্বতোভাবে একমুখীকরণই ছিল খিলাফতে রাশেদার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

হজরত আবু বকর রা: খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর জাতির উদ্দেশে যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন তাতে তিনি বলেন, ‘হে মানবমণ্ডলী! আমি অপনাদের খলিফা নির্বাচিত হয়েছি, অথচ আমি আপনাদের কারো অপেক্ষা উত্তম ব্যক্তি নই। আমি ভালো কাজ করলে আপনারা আমার সহযোগিতা করবেন এবং বিচ্যুত হলে সহজ সরল পথে দাঁড় করিয়ে দেবেন।

সত্য হলো আমানত এবং মিথ্যা হলো খিয়ানত। আপনাদের মধ্যকার দুর্বল ব্যক্তি আমার কাছে সবল যতক্ষণ আমি তার অধিকার পৌঁছে দিতে না পারি। আর আপনাদের মধ্যকার সবল ব্যক্তি আমার কাছে দুর্বল যতক্ষণ আমি তার কাছ থেকে অপরের অধিকার আদায় করে দিতে পারি। আপনাদের কেউ জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর কাজ ছেড়ে দেবেন না, এরূপ করলে সে জাতিকে আল্লাহ অপছন্দ করবেন। কোনো সম্প্রদায়ের ভেতরে অশ্লীলতার প্রসার ঘটানো যাবে না,

তাহলে সবার ওপর আল্লাহ বিপদ চাপিয়ে দেবেন। আমি যতক্ষণ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করি ততক্ষণ আমার আনুগত্য করবেন। আর যদি আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হই, তবে আমার আনুগত্যের প্রয়োজন নেই। আপনারা নামাজ আদায় করবেন। আল্লাহ আপনাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন।’
আমাদের উচিত তাদের আদর্শে আদর্শবান হওয়া।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • খুলাফায়ে রাশেদিনের নির্বাচন 

আসুন চার খলিফার নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে আমরা একটু সংক্ষেপে আলোচনা করি ।

নবীজী যখন মারা যান তখন উনার সোয়া লক্ষ সাহাবী ছিল । নবীজীর ওফাতের পর তাঁর স্থলাভিষিক্তির বিষয়টি জটিল আঁকার ধারণ করলো । রাসূলুল্লাহর (সাঃ) এর কাফন-দাফন তখনো সম্পন্ন হয় নি ।

মদীনার নেতৃস্থানীয় আনসাররা ‘সাকীফা বনী সায়েদা’ নামক স্থানে সমবেত হলো। খলিফা হিসেবে তাদের পছন্দ ছিল হযরত সাদ বিন উবাদা (রাঃ) । তাদের সেখানে সমবেত হওয়া শুনে হযরত আবু বকর (রাঃ) হযরত উমর (রাঃ) এর নেতৃত্বে মুহাজির সাহাবীরা দ্রুত সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন ।

সেখানে আনসাররা দাবী করলো, যেহেতু আমরা রাসূলুল্লাহকে (সাঃ) কে আশ্রয় দিয়েছি, নিজেদের জান-মালের বিনিময়ে দুর্বল ইসলামকে সবল ও শক্তিশালী করেছি, আমাদের মধ্য থেকে কাউকে রাসূলুল্লাহর (সাঃ) এর স্থলাভিষিক্ত করতে হবে।

মুহাজির সাহাবীদের কাছে এ দাবী গ্রহণযোগ্য হলো না। তারা বললো, ইসলামের বীজ আমরা বপণ করেছি এবং আমরাই তাতে পানি সীঞ্চন করেছি। সুতরাং আমরাই খিলাফতের অধিকতর হকদার।

সেখানে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়, পরিস্থিতি জটিলতার দিকে মোড় নিচ্ছে দেখে হযরত উমর (রাঃ) তাৎক্ষনিক বুদ্ধিমত্তার সাথে হযরত আবু বকর (রাঃ) এর নাম প্রস্তাব করেন, ইসলামের প্রতি হযরত আবু বকর (রাঃ) এর আত্মত্যাগ বর্ননা করেন এবং হযরত আবু বকর (রাঃ) এর অনিচ্ছা সত্বেও দ্রুত উনার হাত টেনে নিয়ে উনার হাতে হাত রেখে বায়আত করে ফেলেন ।

হযরত উমরের বায়আত করা দেখে সেখানে উপস্থিত মুহাজির সাহাবীরাও দ্রুত হযরত আবু বকরের কাছে বায়আত সম্পন্ন করে ফেলেন । হযরত আবু বকর রাঃ এর কাছে মুহাজির সাহাবীদের বায়আত সম্পন্ন হয়ে গেছে দেখে আনসার সাহাবীরাও পরিস্থিতিকে আর জটিল না করে হযরত সাদ বিন উবাদা (রাঃ) এর দাবী পরিত্যাগ করে তারাও হযরত আবু বকরকে খলিফা হিসেবে মেনে নেন । এবং উনার হাতে বায়আত করেন ।

এভাবে রাসূলুল্লাহর (সাঃ) ইন্তিকালের পর খলিফা নির্বাচনের যে সমস্যাটি দেখা দেয়, তা হযরত উমর (রাঃ) এর তাৎক্ষনিক বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার কারনে তা সমাধান হয়ে যায় ।

লক্ষনীয় বিষয় হলো, নেতা নির্বাচনের এই পদ্ধতিতে সাধারন সাহাবীদের কোন অংশগ্রহন ছিল না, উনারা জানতেনও না । এমনকি হযরত আলী (রা) এর মতো একজন সাহাবীও জানতেন না । এই কাজটি শুধুমাত্র সাকীফা বনী সায়েদাতে উপস্থিত নেতৃস্থানীয় সাহাবীদের সিদ্ধান্তে হয় ।
সাধারন জনগন পরবর্তীতে জানতে পারেন খলিফা নির্বাচিত করা হয়ে গেছে । তখন সাধারন জনগন নেতৃস্থানীয় সাহাবীদের অনুসরন করে হযরত আবু বকর (রাঃ) কে বায়আত দেন ।

পুরো ঘটনায় দেখা যায় হযরত আবু বকর (রাঃ) এর খলিফা নির্বাচন করার ব্যাপারে সাধারন জনগনের কোন ভূমিকা ছিল না । অথচ গনতন্ত্রের দাবী হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের মতামতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচিত হবে । আর হযরত আবু বকর (রাঃ) কে নেতা নির্বাচিত করার সময় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগন তা জানতোই না ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • খলিফার জন্য প্রয়ােজনীয়গুণাবলি

আল্লাহর খলিফা ও তাদের গুণাবলী।
সূরা নুরের ৫৫ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর খলিফার ৪টি গুণ উল্লেখ করেছেন।যথা-
১.ঈমানদার হওয়া।
২.আমলে সালেহ বা সৎকর্মশীল হওয়া।
৩.আল্লাহর পছন্দনীয় দ্বীনের অনুসারী হওয়া।
৪.শিরকমুক্ত ইবাদতকারী হওয়া।

চারিত্রিক গুণাবলী: হযরত আবু বকর (রা) জন্মগত ভাবেই উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। সততা, সাধুতা, পবিত্রতা, দয়া, সত্যবাদিতা, আমানতদারী ইত্যাদি তাঁর উলে−খযোগ্য গুণাবলী। অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত রুচিসম্পন্ন ও অতিথি পরায়ন ছিলেন তিনি। ভোগ বিলাস ও জাঁকজমক তাঁর নিকট ছিল অপছন্দনীয়। ইবাদত, ধার্মিকতা, খোদাভীতি ও পুণ্যের এক ফূর্ত প্রতীক ছিলেন তিনি। তিনি সারারাত নামাজ, ইবাদত বন্দেগী করে কাটাতেন। তিনি অধিকাংশ সময় রোজা রাখতেন। নামাজ, রোজা ও ইবাদতে তাঁর একাগ্রতা এবং প্রচণ্ড খোদা ভীতি ছিল। প্রকৃত পক্ষে তিনি ছিলেন একজন উৎকৃষ্ট ও

ধর্মভীরু মুসলমান: আবু বকর ছিলেন দানশীল, নির্ভীক, দৃঢ়তা ও উচ্চ নৈতিক চরিত্রের অধিকারী। তার সৌজন্য বোধ ও বিজয়ী ব্যবহার সকলকে মুদ্ধ করত। ইসলামের স্বেবায় তিনি তাঁর যথা র্সস্ব এমনকি নিজের জীবনকেও উৎসর্গ করতে দ্বিধা করতেন না। বংশ মর্যাদা, ব্যক্তির উদারতা ও চারিত্রিক মাধুর্যের জন্য তিনি ইসলাম-পূর্ব যুগেও আরবদের শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। ইসলামের কল্যাণের নিজের অর্থ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে নিঃস হতেও তিনি অনুদার ছিলেন না।

চারিত্রিক দূঢ়তা: পরিশ্রমী, বিপথে ধৈর্যশীলও বিচারে নিরপেক্ষ হযরত আবু বকর (রা) কোন দিনই কর্তব্যকার্যে পিছপা হননি। তাঁর চরিত্রের দৃঢ়তা ও নির্ভীক তেজষ্ক্রিয়তার পরিচয় পাওয়া যায়, বিবি ফাতেমার দাবি না মঞ্জুরের মধ্যে। তিনি মহানবী (স) এর ইন্তেকালের পর তাঁর পরিবারের ভরণপোষণের ফিদাক নামক সম্পত্তিটি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করেন। তিনি প্রবল বিরোধিতার মুখেও ইসলামের মূল স্তম্ভ গুলি অপরিবর্তনীয় রাখেন। এতে তার দৃঢ় মনোবলও আÍপ্রত্যয়ের পরিচয় পাওয়া যায়।

আড়ম্বরহীনতা: খলিফা আবু বকর (রা) রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে সমাসীন থেকে এবং অতুল ধনৈশ্বর্যের মালিক হয়েও তিনি নিতান্ত অনাড়ম্বর ও সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। খলিফা হয়েও তিনি বায়তুল মাল থেকে কোন প্রকার ভাতা নিতেন না। অবশ্য পরে হযরত ওমর (রা) ও আলী (রা)-এর অনুরোধে সৎসামান্য ভাতা গ্রহণ করলেও এতে তিনি স্বস্তি পেতেন না। মৃত্যু কালে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে রাজকোষ থেকে গৃহীত ভাতার সমুদয় অর্থ ফেরৎ দেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *