ইলেকট্রনিসের ক্রমবিকাশের ফলে অ্যানালগ এর পরিবর্তে ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস। আমাদের জীবন যাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে, ব্যাখ্যা কর

ইলেকট্রনিসের ক্রমবিকাশের ফলে অ্যানালগ এর পরিবর্তে ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস। আমাদের জীবন যাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে, ব্যাখ্যা কর

এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১০ম/ ভোকেশনাল – 2021 বিষয়: পদার্থবিজ্ঞান (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 06 বিষয় কোডঃ 1925
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ইলেকট্রনিসের ক্রমবিকাশের ফলে অ্যানালগ এর পরিবর্তে ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস। আমাদের জীবন যাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে, ব্যাখ্যা কর

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • ১. ইলেকট্রনিকসের ক্রমবিকাশ
  • ২. অ্যানালগ ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস
  • ৩. আমাদের জীবন যাত্রায় ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসের ভূমিকা

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

ইলেকট্রনিক্স (Electronics)  তড়িৎ প্রকৌশলের প্রধান শাখাগুলির একটি, যা পরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী থেকে ইলেকট্রনের নিঃসরণ, এ ইলেকট্রনগুলির পরবর্তী সুবিধাজনক ব্যবহার এবং ইলেকট্রনিক যমত্র নির্মাণ নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করে। প্রথম ইলেকট্রনিক যন্ত্র ছিল থার্মোনিক ভাল্ভ বা ভ্যাকুয়্যাম টিউব, যার ভিতরের শূন্যস্থানে ইলেকট্রনগুলি ছুটোছুটি করে এবং এটি বেতার, টেলিভিশন, রাডার ও ডিজিটাল কম্পিউটারের মতো উদ্ভাবনগুলির প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

১৯৪৮-এর দিকে ট্রানজিস্টারের উদ্ভাবন এবং পরবর্তী সময়ে ইনটিগ্রেটেড সার্কিট (IC)-এর বিকাশ ইলেকট্রনিক্সের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে এবং এগুলি সবই পূর্বের ইলেকট্রন টিউব প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে।

এ ধরনের উন্নয়ন ইলেকট্রনিক সার্কিটকে অধিক ঘনত্বসম্পন্ন বিন্যাসে সাজাতে সাহায্য করেছে এবং যন্ত্রের আকার ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করতে সহায়তা করেছে। এর ফলে সম্ভব হয়েছে ঘনবিন্যস্ত ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার, উন্নত রাডার ও দিক বা অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি তৈরি যেগুলিতে বিপুল সংখ্যক যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হয়।

সিলিকন চিপের উন্নয়নের জন্যই ভোক্তারা পেয়েছে আরও ছোট কিন্তু অধিকতর নির্ভরযোগ্য বেতার ও টেলিভিশন, উন্নত শব্দ ও ভিডিও রেকর্ডিং এবং পুনরুৎপাদন ব্যবস্থা, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, সেলুলার টেলিফোন এবং শক্তিশালী অথচ কম খরচের পিসি-র মতো উন্নণত প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক সামগ্রী গুলি।

১৯৩০ সালে বেতার কেন্দ্র ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ স্থাপন এবং ওয়ারলেস যোগাযোগের ক্ষেত্রে এদেশে প্রথম ইলেকট্রনিক্সের ব্যবহার শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক প্রয়োজনে ওয়ারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি আরও উন্নত হয় এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রথমে ভারতে পরে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ১৯৬০ সালে এদেশে খুবই উচ্চ কম্পাঙ্ক অর্থাৎ ভি.এইচ.এফ (Very High Frequency) প্রযুক্তির টেলিফোন স্থাপন করা হয় যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালে টেলেক্স/টেলিপ্রিন্টার সেবা প্রবর্তন করা হয়। প্রথম টেলিভিশন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। ১৯৮৩-তে ডিজিটাল প্রযুক্তির টেলিফোন এবং ১৯৯২-তে মোবাইল (সেলুলার) ফোন প্রযুক্তি প্রবর্তিত হয়।

বেতার, টেলিভিশন, অডিও-ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার ও প্লেয়ার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, তারবিহীন টেলিফোন, ইত্যাদি বাংলাদেশে গার্হস্থ্য জীবনে বহুল ব্যবহূত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির উদাহরণ। ১৯৮০-র পূর্বে এক ব্যান্ড বেতারযন্ত্র ছাড়া অন্য সব ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা দ্রব্যাদি আমাদানি করা হতো। কিন্তু ১৯৮০-র পর বেতারযন্ত্র, টেলিভিশন, অডিও-ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার ও প্লেয়ার ত্যাদি উৎপাদনের জন্য বেশ কিছু যন্ত্রাংশ সংযোজন কেন্দ্র (assembly plants) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯০-এর পর থেকে

কম্পিউটার, তারবিহীন টেলিফোন, স্যাটেলাইট টেলিভিশন সংকেত গ্রাহক যন্ত্র ইত্যাদির মতো আধুনিকতম জটিল যন্ত্রপাতি সংযোজন দেশেই সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং কিছু খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদনও করা হচ্ছে। কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানি তাদের যন্ত্রাংশ প্রস্ত্তত ও সংযোজন কেন্দ্র এদেশে স্থাপন করেছে।

বিদেশি কোম্পানিগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় কোম্পানিগুলিও বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছে যন্ত্রাংশের শিল্পোৎপাদন ও যন্ত্রাংশ সংযোজন কারখানা। বর্তমানে এ কোম্পানিগুলির মোট সংখ্যা ৬০-এর অধিক। স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে এক/বহু ব্যান্ড বেতারযন্ত্র, অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার এবং প্লেয়ার ইত্যাদির চাহিদা পূরণ হচ্ছে এবং টিভির জন্য,

বিশেষত রঙিন টিভির প্রায় ৫০% চাহিদা পূরণ হচ্ছে স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে। তবে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রনিক ক্যামেরা, প্রজেক্টর ইত্যাদির মতো অত্যাধুনিক সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতিগুলি এখনও আমদানি করা হচেছ। ১৯৯৪-এ বাংলাদেশের মুক্ত বাজার চুক্তিতে সই করার সময় থেকে সকল প্রকারের ইলেকট্রনিক পণ্যদ্রব্য এদেশে স্বাধীনভাবে আমদানি করা হচেছ।  [এম কামরুজ্জামান]

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ডিজিটাল ইলেকট্রন বিজ্ঞান বা ইংরেজি পরিভাষায় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স (Digital Electronics) একটি ধারাবাহিক পরিসীমার পরিবর্তে অ্যানালগ স্তরের বিযুক্ত ব্যান্ড অনুযায়ী সংকেত প্রতিনিধিত্ব করে। একটি ব্যান্ডের মধ্যে সকল স্তরে সংকেত অবস্থা প্রতিনিধিত্ব করে। অপেক্ষাকৃত উৎপাদনের সহনশীলতা কারণে অ্যানালগ সংকেত স্তরে ছোট পরিবর্তনে, সংকেত শিথিলতা বা পরাশ্রয়ী গোলমাল বিযুক্ত আচ্ছাদক অনুপস্থিত থাকে না,

এবং এর ফলে সংকেত অবস্থা সংবেদনশীল বর্তনী দ্বারা উপেক্ষা করা হয়। ডিজিটাল শব্দের অর্থ যে সংকেত বা প্রতীকের দুটি নির্ধারিত স্তর থাকে। কোন অজানা অবস্থা থাকে না এবং যার স্তর দুটি সময়ের সাথে ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয় এবং ধাপ সমূহের মান নির্দিষ্ট থাকে।

ইলেক্ট্রনিক্সের যে শাখায় সংখ্যা (ডিজিটাল), সংকেত এবং বিভিন্ন ডিজিটাল বর্তনীতে এর গঠন, কার্য-প্রণালী, ইলেকট্রনিক্সের গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা হয় তাকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্স বলে। কম্পিউটার ও মোবাইল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সের একটি জনপ্রিয় উদাহরণ। ডিজিটাল বর্তনী তৈরী হয় লজিক গেট, মাল্টিপ্লেক্সের, ডেকোডার ইত্যাদি দিয়ে।

  • ডিজিটাল ও এনালগ সিগনালের মধ্যে পার্থক
ডিজিটাল মুডে কাজ করার সুবিধা বর্ণনা।, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স সম্পর্কে বর্ণনা করতে হবে।, ডিজিটাল ও এনালগ সিগনালের মধ্যে পার্থক বর্ণনা করতে হবে। https://www.banglanewsexpress.com/
তুলনা করার জন্য বেসএনালগ সংকেতডিজিটাল সিগন্যাল
বেসিকএকটি অ্যানালগ সংকেত একটি অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গ যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।একটি ডিজিটাল সিগন্যাল হল একটি তরঙ্গ তরঙ্গ যা বাইনারি আকারে তথ্য বহন করে।
প্রতিনিধিত্বএকটি এনালগ সংকেত একটি সাইন ওয়েভ দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়।একটি ডিজিটাল সিগন্যাল বর্গ তরঙ্গ দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়।
বর্ণনাএকটি অ্যানালগ সংকেত প্রশস্ততা, সময়কাল বা ফ্রিকোয়েন্সি এবং পর্যায় দ্বারা বর্ণিত হয়।একটি ডিজিটাল সিগন্যাল বিট রেট এবং বিট অন্তর দ্বারা বর্ণিত হয়।
ব্যাপ্তিঅ্যানালগ সিগন্যালের কোনও নির্দিষ্ট ব্যাপ্তি নেই।ডিজিটাল সিগন্যালের একটি সীমাবদ্ধ সংখ্যা অর্থাত্ 0 এবং 1 রয়েছে।
বিকৃতিএকটি অ্যানালগ সিগন্যাল বিকৃতি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।একটি ডিজিটাল সিগন্যাল বিকৃতি কম প্রবণ হয়।
প্রেরণএকটি অ্যানালগ সংকেত একটি তরঙ্গ আকারে ডেটা প্রেরণ করে।একটি ডিজিটাল সিগন্যাল বাইনারি আকারে ডেটা বহন করে অর্থাত 0 ন্যাড 1।
উদাহরণমানব কণ্ঠস্বর একটি এনালগ সংকেতের সর্বোত্তম উদাহরণ।কম্পিউটারে সংক্রমণে ব্যবহৃত সংকেত হ’ল ডিজিটাল সিগন্যাল।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বা কখনো ইলেকট্রনিক প্রকৌশল , প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যেটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব ও আচরণ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান, যন্ত্রপাতি, (যেমন ইলেক্ট্রন টিউব, ট্রানজিস্টর, সমন্বিত বর্তনী ) ইত্যাদির নির্মাণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে। ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বা উপাদানের চালিকাশক্তি হিসেবে তড়িৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রকৌশলের অন্তর্গত শাখার মধ্যে তড়িৎশক্তি, টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল, অর্ধ-পরিবাহী দ্বারা নির্মিত তড়িৎ বর্তনী অন্যতম । সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন নামকরা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহে চাকরি করছে ।

আমাদের শিক্ষার্থীরা সফলতার সাথে এ সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছে । খুলনা বিভাগের অন্যান্য পলিটেকনিক এর তুলনায় সিটি পলিটেকনিক এর ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থীরা টেকনোলজির উন্নয়নে একধাপ এগিয়ে , তার বাস্তব প্রমান হল স্কিল’স কম্পিটিশন । পর পর ৫ (পাচ) বার ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা স্কিল’স কম্পিটিশনে বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম ও ২য় স্থান নিয়ে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে । এছাড়াও দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সিটি পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে ।

ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির গুরুত্ব

বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে রেডিও এবং শেষের দিকে টেলিগ্রাফ শিল্পের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এর জন্য টেলিফোন শিল্পগুলির বিকাশে একটি পেশা হিসেবে “ইলেকট্রনিক প্রকৌশল” এর উদ্ভূত হয় । রেডিও জনগণের মনোযোগ আকর্ষন করতে সক্ষম হয়েছিল কারন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এর মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করা যেত । ১৯২০ সালের দিকে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে শুরু হওয়া অনেক সমপ্রচার “অপেশাদার” ছিল ।

বৃহৎ পরিমাণে ইলেকট্রনিক প্রকৌশলের আধুনিক সংস্করন যেমন টেলিফোন, রেডিও এবং টেলিভিশন সরঞ্জাম ইত্যাদির উন্নয়ন এবং এর পাশাপাশি রাডার , সোনার , উন্নত অস্ত্রোপচার এবং উন্নত অস্ত্র সিস্টেম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃহৎ পরিমাণে এসব জিনিসের ব্যবহার ইলেকট্রনিক সিস্টেমের উন্নয়নের জন্ম দেয় ।

আধুনিক সভ্যসমাজে বিজ্ঞানের প্রত্যেকটি আবিস্কারের পেছনে রয়েছে ইলেকট্রনিক্সের অবদান। এছাড়া স্বাস্থ্য সংক্রান্ত – বিষয়ে সকল প্রকার রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক্সের বিকল্প কিছু হতে পারে না। কাজেই এই দ্রুত উন্নয়শীল সমাজে Electronics Engineering একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসেবে অবস্থান করছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন প্রণালী ও বেঁচে থাকার মাধ্যম হিসাবে Electronics প্রতি নিয়তই নিজেকে হাজির করছে নতুন ভাবে। উন্নত জীবন যাপনের জন্য মানুষ প্রতিটি মুহুর্তেই Electronics এর উপর নির্ভর করে চলছে। এক কথায় এই বিশাল পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব হয়েছে একমাত্র Electronics এর জন্য। খুব কম পরিসরে একমাত্র ইলেকট্রনিক্সই পারে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই সৃষ্টি করতে।

যেমন: IPS, UPS, VOLT STABILIZER, TV REMOTE, VCD, DVD, POWER SUPPLY ইত্যাদি ফ্যাক্টরী তৈরী করতে পারে।

কর্মক্ষেত্র

  • বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী TV Station, Railway Station, BTCL এ সকল প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে অসংখ্য চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।
  • বর্তমানে বাংলাদেশে Mobile Sector এর ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। যার ফলে Electronics এর Diploma Engineer দের নতুন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
  • Mobile Company গুলোতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে
  • বাংলাদেশে বেতার, আবহাওয়া অধিদপ্তর, রাডার ষ্টেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।
  • সরকারী-বেসরকারী সকল স্কুল, কলেজ , মাদ্রাসা , এস.এস.সি Vocational, Polytechnics Institute-এর Junior Instructor, BIT I BUET-এর Electronics Lab -এ কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *