বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘দেনাপাওনা’ গল্পে চন্দনগাছের উল্লেখ আছে

বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘দেনাপাওনা’ গল্পে চন্দনগাছের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

চন্দন ছোট থেকে মাঝারি ধরনের সুগন্ধি চিরহরিৎ বৃক্ষ। সাধারণত ১৫-১৮ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। শ্বেত ও রক্ত দুই ধরনের চন্দনগাছ আছে। শ্বেতচন্দনের বৈজ্ঞানিক নাম Santalum album এবং রক্তচন্দনের বৈজ্ঞানিক নাম Pterocarpus santalinus। এদের সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ভারতে। এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশ ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশেও এই সুগন্ধি গাছ পাওয়া যায়। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কাটিং পদ্ধতিতে […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বাংলা বইয়ের ‘সুন্দরবনের প্রাণী’ প্রবন্ধে ইগলের উল্লেখ আছে

বাংলা বইয়ের ‘সুন্দরবনের প্রাণী’ প্রবন্ধে ইগলের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

ঈগল একপ্রকার বৃহৎ আকার, শক্তিধর, দক্ষ শিকারি পাখি। ঈগল সাধারণত বনে বা ঘন জঙ্গলে বসবাস করে থাকে। বানর, ছোট জাতের পাখি, টিকটিকি, হাস-মুরগী খেয়ে জীবনধারণ করে থাকে। একটি পূর্ণবয়স্ক ঈগলের ওজন প্রায় ৩০ কেজি এবং লম্বায় প্রায় ৩০-৩৫ ইঞ্চি হয়ে থাকে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো একটি পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ঈগল ১১,০০০ ফুট উপরে উঠতে পারে। শীতকালে […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘প্রত্যুপকার’ গল্পে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উল্লেখ আছে

বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘প্রত্যুপকার’ গল্পে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়; ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামেও স্বাক্ষর করতেন; ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তাঁর। তিনিই প্রথম […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পে রাক্ষসের উল্লেখ আছে

বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পে রাক্ষসের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

ক্ষস হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী এক প্রকার দানবীয় প্রাণী। এরা সাধারণত মানুষখেকো হয়। যারা লাজলজ্জাহীনভাবে বেশি খায়, তাদেরও আমরা রাক্ষস বলি বা রাক্ষসের সঙ্গে তুলনা করি। হিন্দু পুরাণ যেমন—রামায়ণ ও মহাভারতে রাক্ষসের উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে এরা বৌদ্ধ পুরাণেও স্থান লাভ করে। স্ত্রী রাক্ষসকে রাক্ষসী বলা হয়। রাক্ষস সাধারণত বিভিন্ন রূপের পাশাপাশি মনুষ্য রূপও ধারণ […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে সার্চ ইঞ্জিনের উল্লেখ আছে

বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে সার্চ ইঞ্জিনের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে এবং প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য প্রদান করে। সার্চ ইঞ্জিন একটি স্প্রিপ্টের মাধ্যমে রান হয় এবং নেট দুনিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। এটিকে আপনি একটি মাকড়সার সাথে তুলনা করতে পারেন যা পুরো নেট দুনিয়ায় নিজের জাল ছড়িয়ে রাখে তথ্য সংগ্রহের জন্য। আপনি যখন কোন […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘প্রত্যুপকার’ গল্পে শকুন্তলার উল্লেখ আছে

বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘প্রত্যুপকার’ গল্পে শকুন্তলার উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

শকুন্তলা (সংস্কৃত: शकुन्तला, Śakuntalā) ছিলেন হিন্দু পুরাণে বর্ণিত দুষ্মন্তের স্ত্রী ও সম্রাট ভরতের মা। তার উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে মহাভারত মহাকাব্যে। কালিদাস তার অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ নাটকে এই কাহিনিটি নাট্যায়িত করেন। ঋষি কণ্ব বনে শিশুকন্যাটিকে “শকুন্ত” (সংস্কৃত: शकुन्त, śakuntagg) অর্থাৎ পক্ষীপরিবৃত অবস্থায় কুড়িয়ে পান। এই কারণে তিনি এর নামকরণ করেন “শকুন্তলা”। শব্দটির অর্থ “পক্ষীর দ্বারা সুরক্ষিতা” শকুন্তলা ছিলেন […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে ফ্লুয়ের উল্লেখ আছে

বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে ফ্লুয়ের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে একটি প্রতিষেধক রয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিষেধক নিতে অনীহা অনেকেরই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশ্ব জুড়ে পাঁচ ধরনের অনীহার খোঁজ পেয়েছে। প্রতিষেধক নিতে হলে কয়েকটি নির্দিষ্ট আপত্তি জানান। তার একটি হল, ইনফ্লুয়েঞ্জা খুব সিরিয়াস কিছু রোগ নয়। তাই প্রতিষেধকের দরকার নেই। কিন্তু বাস্তবটা হল, বিশ্বে প্রতি বছর ছ’লক্ষ ৫০ হাজার রোগী ইনফ্লুয়েঞ্জায় মারা যান। স্বাস্থ্যবানেরাও […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘সুভা’ গল্পে জোয়ার-ভাটার উল্লেখ আছে

বাংলা সাহিত্য বইয়ের ‘সুভা’ গল্পে জোয়ার-ভাটার উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির (বিশেষ করে চাঁদের) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল নিয়মিত বিরতিতে ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার-ভাটা) বলা হয়। জোয়ার-ভাটার ফলে সমুদ্রে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাকে জোয়ার তরঙ্গ (Tidal Eaves) বলে। জোয়ারের জল উপকূলের দিকে অগ্রসর হলে জল সমতলের যে উত্থান ঘটে, তাকে জোয়ারের জলের সর্বোচ্চ সীমা (High Tide […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
‘আমাদের লোকশিল্প’ প্রবন্ধে মাদুরের উল্লেখ আছে

‘আমাদের লোকশিল্প’ প্রবন্ধে মাদুরের উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

মাদুর বা পাটি হল কাপড়ের উপাদানের টুকরার একটি জাতিবাচক শব্দ বা নাম, যা সাধারণত মেঝে বা অন্যান্য সমতল স্থানের স্থাপন করা হয়ে থাকে। এর ব্যবহারের পরিসীমার মধ্যে রয়েছে: একটি নিয়মিত বা সমতল স্থান প্রদানে সক্ষম, যেমন একটি কম্পিউটার মাউসপ্যাড হিসাবে। মাদুরে তলদেশে থাকা কোন কিছু রক্ষা করতে এটি ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মাদুরের উপরে থাকা কোন কিছু রক্ষা করতেও […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading
বইয়ের হাতি আর শিয়ালের গল্পে গুবরে পোকার উল্লেখ আছে

বইয়ের হাতি আর শিয়ালের গল্পে গুবরে পোকার উল্লেখ আছে

শেয়ার করুন:

গুবরে পোকা সর্বাধিক সংখ্যক প্রজাতিবিশিষ্ট পতঙ্গ। এরা কোলিওপ্টেরা বর্গভুক্ত; গ্রিক ভাষায় কোলিওস অর্থ আবরণ এবং টেরন অর্থ পাখা, অর্থাৎ আবরণযুক্ত পাখা, যে বর্গে প্রাণীজগতের অন্যান্য যেকোন বর্গের হতে অধিক সংখ্যক প্রজাতি বিদ্যমান, যা কিনা সকল প্রকার জ্ঞাত জীবের ২৫% বর্ণিত হওয়া পতঙ্গের মধ্যে ৪০% হল গুবরে পোকা (প্রায় ৩,৫০,০০০ প্রজাতি), এবং প্রায়ই এর নতুন প্রজাতি […]

শেয়ার করুন:
Continue Reading