কমন এক কথায় প্রকাশ চাকরির পরীক্ষার জন্য

Subscribe Now!

সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।

My Ads

কমন এক কথায় প্রকাশ চাকরির পরীক্ষার জন্য

কমন এক কথায় প্রকাশ চাকরির পরীক্ষার জন্য,Most Important এক কথায় প্রকাশ চাকরির পরীক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ প্রয়োজনীয় সকল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য, চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ,

চাকরির জন্য এক কথায় প্রকাশ, চাকরির পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ, নিয়োগ পরিক্ষা আসা গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ এক সাথে,

2016 – 2026 সালের সকল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান পেতে ক্লিক করুন

বিগত নিয়োগ পরীক্ষায় কমন এক কথায় প্রকাশ, বিগত সালে কমন এক কথায় প্রকাশ, বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ, বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা এক কথায় প্রকাশ pdf,

যেকোন চাকরির পরীক্ষায় বার বার আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ, এক কথায় প্রকাশ, এক কথায় প্রকাশ চাকরি পরীক্ষা সাজেশন, এক কথায় প্রকাশ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ও চাকরির পরীক্ষায় জন্য কমন, এক কথায় প্রকাশ ব্যাংক বিসিএস সরকারি চাকরির জন্য কমন উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ

যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় → ব্যয়বহুল ।
যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় → নাতিশীতোষ্ণ ।
যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত ।
যা আঘাত পায় নি → অনাহত ।
যা উদিত হচ্ছে → উদীয়মান ।
যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে → বর্ধিষ্ণু ।
যা পূর্বে শোনা যায় নি → অশ্রুতপূর্ব ।
যা সহজে ভাঙ্গে → ভঙ্গুর ।
যা সহজে জীর্ণ হয় → সুপাচ্য ।
যা খাওয়ার যোগ্য → খাদ্য ।
যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় → চর্ব্য ।
যা চুষে খেতে হয় → চোষ্য ।
যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য → লেহ্য ।
যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য → পেয় ।
যা পানের অযোগ্য → অপেয় ।
যা বপন করা হয়েছে → উপ্ত ।
যা বলা হয়েছে → উক্ত ।
যার তল স্পর্শ করা যায় না → অতলস্পর্শী।
যার নাম কেউ জানে না → অজ্ঞাতনামা।
যার পত্নী গত হয়েছে → বিপত্মীক।
যার ভাতের অভাব → হাভাতে।
যার মমতা নেই → নির্মম।
যার তুলনা হয় না → অতুলনীয়।
যার সীমা নেই → অসীম।
যার তুলনা নেই → অতুলনীয়।
যার অন্ত নেই → অন্তহীন।
যার শত্রু জন্মায়নি → অজাতশত্রু।
যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত ।
যার কোনো কিছুতে ভয় নেই → অকুতোভয়।
যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায়।
যার কাজ করার শক্তি আছে → সক্ষম।
যার আকার নেই → নিরাকার।
যার পীড়া হয়েছে → পীড়িত।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি।
যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না → অজ্ঞাতকুলশীল ।
যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায় ।
যার কোন উপায় নেই → নিরুপায় ।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি ।
যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে → সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব ।
যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই → অকুতোভয় ।
যার আকার কুৎসিত → কদাকার ।
যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় → ব্যয়বহুল ।
যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় → নাতিশীতোষ্ণ ।
যা আঘাত পায় নি → অনাহত ।
যা উদিত হচ্ছে → উদীয়মান ।
যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে → বর্ধিষ্ণু ।
যা পূর্বে শোনা যায় নি → অশ্রুতপূর্ব ।
যা সহজে ভাঙ্গে → ভঙ্গুর ।
যা সহজে জীর্ণ হয় → সুপাচ্য ।
যা খাওয়ার যোগ্য → খাদ্য ।
যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় → চর্ব্য ।
যা চুষে খেতে হয় → চোষ্য ।
যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য → লেহ্য ।
যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য → পেয় ।
যা পানের অযোগ্য → অপেয় ।
যা বপন করা হয়েছে → উপ্ত ।
যা বলা হয়েছে → উক্ত ।
যার তল স্পর্শ করা যায় না → অতলস্পর্শী।
যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত।
যার নাম কেউ জানে না → অজ্ঞাতনামা।
যার পত্নী গত হয়েছে → বিপত্মীক।
যার ভাতের অভাব → হাভাতে।
যার মমতা নেই → নির্মম।
যার তুলনা হয় না → অতুলনীয়।
যার সীমা নেই → অসীম।
যার তুলনা নেই → অতুলনীয়।
যার অন্ত নেই → অন্তহীন।
যার শত্রু জন্মায়নি → অজাতশত্রু।
যার কোনো কিছুতে ভয় নেই → অকুতোভয়।
যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায়।
যার কাজ করার শক্তি আছে → সক্ষম।
যার আকার নেই → নিরাকার।
যার পীড়া হয়েছে → পীড়িত।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি।
যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না → অজ্ঞাতকুলশীল ।
যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায় ।
যার কোন উপায় নেই → নিরুপায় ।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি ।
যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে → সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব ।
যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই → অকুতোভয় ।
যার আকার কুৎসিত → কদাকার ।
যা বলার যোগ্য নয় → অকথ্য।
যা চুষে খাওয়া যায় → চুষ্য ।
যা জলে জন্মে → জলজ।
যা দেখা যাচ্ছে → দৃশ্যমান।
যা পূর্বে ছিল এখন নেই → ভূতপূর্ব।
যা একইভাবে চলে → গতানুগতিক।
যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না → অবর্ণনীয়।
যা কষ্ট করে জয় করা যায় → দুর্জয়।
যা হবেই/হইবে → ভাবী।
যা সহজে দমন করা যায় না → দুর্দমনীয়।
যা মাটি ভেদ করে ওঠে → উদ্ভিদ।
যা ফুরায় না → অফুরান।
যা জলে চরে → জলচর।
যা কষ্টে লাভ করা যায় → দুর্লভ।
যা পূর্বে ঘটেনি → অভূতপূর্ব।
যা বনে চরে → বনচর।
যা সহজেই ভেঙে যায় → ঠুনকো।
যা দমন করা যায় না → অদম্য।
যা দমন করা কষ্টকর → দুর্দমনীয়।
যা নিবারণ করা কষ্টকর → দুর্নিবার।
যা পূর্বে ছিল এখন নেই → ভূতপূর্ব ।
যা বালকের মধ্যেই সুলভ → বালকসুলভ ।
যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে → অযত্নলব্ধ ।
যা ঘুমিয়ে আছে → সুপ্ত ।
যা বার বার দুলছে → দোদুল্যমান ।
যা দীপ্তি পাচ্ছে → দেদীপ্যমান ।
যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না → অনন্যসাধারণ ।
যা পূর্বে দেখা যায় নি → অদৃষ্টপূর্ব ।
যা কষ্টে জয় করা যায় → দুর্জয় ।
যা কষ্টে লাভ করা যায় → দুর্লভ ।
যা অধ্যয়ন করা হয়েছে → অধীত ।
যা অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় → দুরধ্যয় ।
যা জলে চরে → জলচর ।
যা স্থলে চরে → স্থলচর ।
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না → দুরতিক্রমনীয়/দুরতিক্রম্য ।
যা জলে ও স্থলে চরে → উভচর ।
যা বলা হয় নি → অনুক্ত ।
যা কখনো নষ্ট হয় না → অবিনশ্বর ।
যা মর্ম স্পর্শ করে → মর্মস্পর্শী ।
যা বলার যোগ্য নয় → অকথ্য ।
যা চিন্তা করা যায় না → অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য ।
যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু → বন্ধুর ।
যে নৌকা চালায় → মাঝি।
যেখানে লোকজন বাস করে → লোকালয়।
যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে → কৃতজ্ঞ।
যে হিংসা করে → হিংসক।
যে উপকারীর অপকার করে → কৃতঘ্ন।
যে বিদেশে থাকে → প্রবাসী।
যে আকাশে চরে → খেচর।
যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে → বীতস্পৃহ ।
যে শুনেই মনে রাখতে পারে → শ্রুতিধর ।
যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে → উদ্বাস্তু ।
যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় → স্বয়ংবরা ।
যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না → বনস্পতি ।
যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়ে মরে → হাতুড়ে ।
যে নারীর সন্তান বাঁচে না/যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে → মৃতবৎসা ।
যে গাছ অন্য কোন কাজে লাগে না → আগাছা ।
যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে → পরগাছা ।
যে পুরুষ বিয়ে করেছে → কৃতদার ।
যে মেয়ের বিয়ে হয়নি → অনূঢ়া ।
যে ক্রমাগত রোদন করছে → রোরুদ্যমান (স্ত্রীলিঙ্গ → রোরুদ্যমানা) ।
যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না → অপরিণামদর্শী ।
যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে → অবিমৃশ্যকারী ।
অগ্র পশ্চাত বিবেচনা না করে কাজ করে যে → অবিমৃশ্যকারী
যে বিষয়ে কোন বিতর্ক/বিসংবাদ নেই → অবিসংবাদী ।
যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ → শ্বাপদসংকুল ।
যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় → সর্বংসহা ।
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে → বীরপ্রসূ ।
যে নারীর কোন সন্তান হয় না → বন্ধ্যা ।
যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে → কাকবন্ধ্যা ।
যে নারীর স্বামী প্রবাসে আছে → প্রোষিতভর্তৃকা ।
যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে আছে → প্রোষিতপত্নীক ।
যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর → সুদর্শন (স্ত্রীলিঙ্গ → সুদর্শনা) ।
যে বৃক্ষের ফুল না হলেও ফল হয় → বনস্পতি।
যে রব শুনে এসেছে → রবাহুত ।
যে লাফিয়ে চলে → প্লবগ ।
যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি → অসূর্যম্পশ্যা ।
যে নারীর স্বামী মারা গেছে → বিধবা ।
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে → নবোঢ়া ।
যা মর্ম স্পর্শ করে → মর্মস্পর্শী।
যা সহজে লাভ করা যায় → সুলভ।
যা সহজে ভেঙে যায় → ভঙ্গুর।
যা বালকের মধ্যেই সুলভ → বালসুলভ।
যা লাফিয়ে চলে → প্লবগ।
যা বুকে হাঁটে → সরীসৃপ।
বিচার নেই এমন → অবিচার্য।
বিনা পয়সায় → মুফত/মাগনা।
বিভিন্ন জাতি সম্পর্কীয় → বহুজাতিক।
বীরদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ → বীরশ্রেষ্ঠ।
ভয় নেই যার → নির্ভীক।
ভিক্ষার অভাব → দুর্ভিক্ষ।
ভাষা সম্পর্কে যিনি বিশেষ জ্ঞান রাখেন → ভাষাবিদ।
ভোজন করতে ইচ্ছুক → বুভুক্ষু।
ভাবা যায় না এমন → অভাবনীয়।
ভোজন করার ইচ্ছা → বুভুক্ষা ।
ভ্রমরের গান → গুঞ্জন।
মধুর ধ্বনি → মধুরা।
ময়ূরের ডাক → কেকা।
মন হরণ করে যা → মনোহর ।
মন হরণ করে যে নারী → মনোহারিণী ।
মরণ পর্যন্ত → আমরণ।
মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গবিশেষ → মৌমাছি।
মর্মকে পীড়া দেয় যা → মর্মন্তুদ ।
মাটি ভেদ করে ওঠে যা → উদ্ভিদ ।
মায়ের মতো যে ভূমি → মাতৃভূমি।
মাটির তৈরি শিল্পকর্ম → মৃৎশিল্প।
মিষ্টি কথা বলে যে → মিষ্টভাষী।
মেধা আছে যার → মেধাবী।
মৃতের মতো অবস্থা → মুমূর্ষু।
মৃতের মত অবস্থা যার → মুমূর্ষু।
মুক্তি কামনা করে যে → মুক্তিকামী।
মৃত্তিকা দিয়ে নির্মিত → মৃন্ময়।
মুষ্টি দিয়ে যা পরিমাপ করা যায় → মুষ্টিমেয় ।
মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত → মৃন্ময় ।
মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে → ভাগাড় ।
যে গাছ অন্য গাছের ওপর জন্মে → পরগাছা।
যে নারীর পুত্রসন্তান হয়নি → অপুত্রক।
যে পরিণাম বোঝে না → অপরিণামদর্শী।
যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না → বনস্পতি।
যে জামাই শ্বশুরবাড়ি থাকে → ঘরজামাই।
যে মেয়ের বিয়ে হয়নি → অনূঢ়া।
যে পরে জন্মগ্রহণ করেছে → অনুজ।
যে জমিতে দুবার ফসল হয় → দো-ফসলা।
যে সংবাদ বহন করে → সাংবাদিক।
যে অত্যাচার করে → অত্যাচারী।
যে শব্দ বাধা পেয়ে ফিরে আসে → প্রতিধ্বনি।
যে অন্যের অধীন নয় → স্বাধীন।
পা থেকে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক ।
পূর্বজন্ম স্মরণ করে যে → জাতিস্মর ।
পান করার যোগ্য → পেয় ।
পান করার ইচ্ছা → পিপাসা ।
পরের অধীন → পরাধীন।
পা থেকে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক।
পরিহার করা যায় না এমন → অপরিহার্য।
পান করার যোগ্য → পেয়।
পাখির কলরব → কূজন।
পান করার ইচ্ছা → পিপাসা।
পা হতে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক।
পেছনে সরে যাওয়া → পশ্চাদপসরণ।
পুবের বাতাস → পুবালি।
পুরুষানুক্রমিক → ঐতিহ্য।
পুতুল পূজা করে যে → পৌত্তলিক।
প্রহরা দেয় যে → প্রহরী।
প্রতিভা আছে যার → প্রতিভাবান।
প্রিয় বাক্য বলে যে নারী → প্রিয়ংবদা ।
প্রাণ আছে যার → প্রাণী।
প্রাচীন ইতিহাস → প্রত্নতাত্ত্বিক।
প্রাণিদেহ থেকে লব্ধ → প্রাণিজ।
ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় → ওষধি।
ফুল হতে জাত → ফুলেল।
বয়সে সবচেয়ে বড়ো যে → জ্যেষ্ঠ ।
বয়সে সবচেয়ে ছোটো যে → কনিষ্ঠ ।
বরণ করার যোগ্য → বরণীয়।
বনে বাস করে যে → বনবাসী।
বড় গ্রহকে ঘিরে যে ছোট গ্রহ ঘোরে → উপগ্রহ।
বাঘের ডাক → গর্জন।
ব্যাকরণ জানেন যিনি → বৈয়াকরণ ।
বেদ-বেদান্ত জানেন যিনি → বৈদান্তিক ।
বেশি কথা বলে যে → বাচাল।
বেঁচে আছে এমন → জীবিত।
বিদেশে থাকে যে → প্রবাসী ।
বিশ্বজনের হিতকর → বিশ্বজনীন ।
বিশ্বের যে নবী → বিশ্বনবী।
বিদেশে থাকে যে → প্রবাসী।
বিলম্বে নয় এমন → অবিলম্বে।
বিনা অপরাধে সংঘটিত হত্যা → গণহত্যা
বিচিত্রতায় পূর্ণ যা → বৈচিত্র্যপূর্ণ।
বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত যিনি → বৈজ্ঞানিক
জানতে ইচ্ছুক → জিজ্ঞাসু ।
জ্বল জ্বল করছে যা → জাজ্বল্যমান ।
জয় করার ইচ্ছা → জিগীষা ।
জয় করতে ইচ্ছুক → জিগীষু ।
জানু পর্যন্ত লম্বিত → আজানুলম্বিত ।
জন্ম থেকে আরম্ভ করে → আজন্ম।
জানা আছে যা → জ্ঞাত।
জানা নেই যা → অজ্ঞাত।
জলে ও স্থলে চরে যে → উভচর।
জায়া ও পতি → দম্পতি।
জীবন পর্যন্ত → আজীবন।
জীবিত থেকেও যে মৃত → জীবন্মৃত ।
জনশূন্য স্থান → নির্জন।
ডালের আগা → মগডাল।
ঢেউয়ের ধ্বনি → কল্লোল।
তল স্পর্শ করা যায় না যার → অতলস্পর্শী ।
তীর ছোঁড়ে যে → তীরন্দাজ ।
তুলনা হয় না এমন → অতুলনীয়।
তিন রাস্তার মোড় → তেমাথা।
তাল ঠিক নেই যার → বেতাল।
ত্রি (তিন) ফলের সমাহার → ত্রিফলা।
দিনে যে একবার আহার করে → একাহারী ।
দীপ্তি পাচ্ছে যা → দীপ্যমান ।
দু’বার জন্মে যে → দ্বিজ ।
দমন করা যায় না এমন → অদম্য।
দিনের মধ্যভাগ → মধ্যাহ্ন।
দিনে যে একবার আহার করে → একাহারী।
দিবসের প্রথম ভাগ → পূর্বাহ্ন।
দিবসের শেষ ভাগ → অপরাহ্ন।
১৫৪দূরে দেখে না যে → অদূরদর্শী।
নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার → নশ্বর ।
নদী মেখলা যে দেশের → নদীমেখলা ।
নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে → নাবিক ।
নিজেকে যে বড়ো মনে করে → হামবড়া ।
নূপুরের ধ্বনি → নিক্কণ ।
নষ্ট হয় যা → নশ্বর।
নিশাকালে চরে বেড়ায় যে → নিশাচর।
নদীমাতা যার → নদীমাতৃক।
নূপুরের শব্দ → নিক্বণ।
নতুন কিছু তৈরি করা → উদ্ভাবন।
নিজের অধিকার → স্বাধিকার।
নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিসের গাদা → আবর্জনা।
নিজের ইচ্ছায় → স্বেচ্ছায়।
একই গুরুর শিষ্য → সতীর্থ ।
একই বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট → একাগ্রচিত্ত।
একই সময়ে → যুগপৎ।
একই মাতার উদরে জন্ম যাদের → সহোদর।
ত্রি (তিন) ফলের সমাহার → ত্রিফলা।
স্ত্রীর বশীভূত হয় যে → স্ত্রৈণ ।
কথায় বর্ণনা যায় না যা → অনির্বচনীয় ।
কোনভাবেই নিবারণ করা যায় না যা → অনিবার্য ।
কোন কিছুতেই ভয় নেই যার → নির্ভীক, অকুতোভয় ।
কউ জানতে না পারে এমনভাবে → অজ্ঞাতসারে ।
কল্পনা করা যায় না এমন → অকল্পনীয়।
কণ্ঠ পর্যন্ত → আকণ্ঠ।
কম কথা বলে যে → মিতভাষী।
কষ্টে লাভ করা যায় যা → দুর্লভ
কষ্টে গমন করা যায় যেখানে → দুর্গম।
কষ্টে নিবারণ করা যায় যা → দুর্নিবার
কোথাও উঁচু কোথাও নিচু → বন্ধুর।
কী করতে হবে তা বুঝতে না পারা → কিংকর্তব্যবিমূঢ়
কূলের সমীপে → উপকূল।
কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী → কর্মঠ।
কল্পনা করা যায় না এমন → অকল্পনীয়।
কোকিলের স্বর → কুহু।
খাবার যোগ্য → খাদ্য।
খ্যাতি আছে যার → খ্যাতিমান।
খাওয়ার ইচ্ছা → ক্ষুধা।
খাদ নেই যাতে → নিখাদ।
ক্ষমার যোগ্য → ক্ষমার্হ।
ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী → ক্ষণস্থায়ী।
গোপন করার ইচ্ছা → জুগুপ্সা ।
গরু রাখার স্থান → গোহাল।
গরুর ডাক → হাম্বা।
গরু চরায় যে → রাখাল।
গাভির ডাক → হাম্বা।
ঘোড়ার ডাক → হ্রেষা।
চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত → চাক্ষুষ ।
চোখে যার লজ্জা নেই → চশমখোর।
চালচলনের উৎকর্ষ → সভ্যতা।
চিত্রকর্মের কাঠামো → নকশা।
চিরদিন মনে রাখার যোগ্য → চিরস্মরণীয়।
চৈত্র মাসের ফসল → চৈতালি ।
জয়ের জন্য যে উৎসব → জয়োৎসব।
জানার ইচ্ছা → জিজ্ঞাসা ।
আচারে নিষ্ঠা আছে যার → আচারনিষ্ঠ ।
আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা যার → আত্মকেন্দ্রীক ।
৪আকাশে চরে যে → খেচর ।
আকাশে গমন করে যে → বিহগ, বিহঙ্গ ।
আট প্রহর যা পরা যায় → আটপৌরে ।
আপনার রং লুকায় যে/যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না → বর্ণচোরা ।
আয় অনুসারে ব্যয় করে যে → মিতব্যয়ী ।
আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে → পণ্ডিতম্মন্য।
আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত → আদ্যন্ত ।
আকাশ ও পৃথিবী → ক্রন্দসী।
আলো ছড়ায় যে পাখি → আলোর পাখি।
আলাপ করতে তৎপর → আলাপী।
আলোচনার বিষয়বস্তু → আলোচ্য।
আপনাকে ভুলে থাকে যে → আপনভোলা।
আঠা যুক্ত আছে যাতে → আঠালো।
আকাশ পথে যে যান ব্যবহার করা যায় → নভোযান।
আচারে নিষ্ঠা আছে যার → আচারনিষ্ঠ।
আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত → আদ্যন্ত।
আপনার বর্ণ লুকায় যে → বর্ণচোরা।
আমিষের অভাব → নিরামিষ।
আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার → আস্তিক।
আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার → নাস্তিক।
৬আকাশে ওড়ে যে → খেচর।
ইতিহাস রচনা করেন যিনি → ঐতিহাসিক
ইতিহাস বিষয়ে অভিঞ্জ যিনি → ইতিহাসবেত্তা
ইতিহাস জানেন যিনি → ইতিহাসবেত্তা।
ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে → জিতেন্দ্রিয়।
ইন্দ্রকে জয় করেছে যে → ইন্দ্রজিৎ ।
ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার → আস্তিক ।
ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার → নাস্তিক ।
ঈষৎ আমিষ/আঁষ গন্ধ যার → আঁষটে ।
উপকার করবার ইচ্ছা → উপচিকীর্ষা ।
৭উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে → কৃতজ্ঞ ।
উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে → অকৃতজ্ঞ ।
উপকারীর অপকার করে যে → কৃতঘ্ন ।
উদ্দাম নৃত্য → তাণ্ডব।
উপায় নেই যার → নিরুপায়।
উপকার করেন যিনি → উপকারক।
উপকারীর উপকার স্বীকার করা → কৃতজ্ঞতা ।
একই সময়ে বর্তমান → সমসাময়িক ।
একই মায়ের সন্তান → সহোদর ।
এক থেকে আরম্ভ করে → একাদিক্রমে ।
অকালে পক্ব হয়েছে যা → অকালপক্ব।
অক্ষির অগোচরে → পরোক্ষ।
অক্ষির সম্মুখে → প্রত্যক্ষ।
অগ্রে গমন করে যে → অগ্রগামী।
অতি দীর্ঘ নয় → নাতিদীর্ঘ।
অতি শীতলও নয় অতি উষ্ণও নয় → নাতিশীতোষ্ণ।
অগ্রে জন্মগ্রহণ করেছে যে → অগ্রজ।
অনেক কষ্টে ভিক্ষা পাওয়া যায় যখন → দুর্ভিক্ষ।
অনেকের মধ্যে একজন → অন্যতম।
অনুসন্ধান করার ইচ্ছা → অনুসন্ধিৎসা।
পশ্চাতে গমন করে যে → অনুগামী।
অবশ্যই যা ঘটবে → অবশ্যম্ভাবী।
অভিজ্ঞতার অভাব যার → অনভিজ্ঞ।
অহংকার করে যে → অহংকারী।
অহংকার নেই এমন → নিরহংকার।
অল্প ব্যয় করে যে → মিতব্যয়ী।
অন্বেষণ করার ইচ্ছা → অন্বেষা।
অকালে পেকেছে যে → অকালপক্ক্ব ।
অক্ষির সম্মুখে বর্তমান → প্রত্যক্ষ ।
অগ্রে গমন করে যে → অগ্রগামী ।
অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার → অনভিজ্ঞ ।
অহংকার নেই যার → নিরহংকার ।
অহংকার করে যে → অহংকারী ।
অশ্বের ডাক → হ্রেষা ।
অতি কর্মনিপুণ ব্যক্তি → দক্ষ ।
অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা → অনুসন্ধিৎসা ।
অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক যে → অনুসন্ধিৎসু ।
অপকার করবার ইচ্ছা → অপচিকীর্ষা ।
পশ্চাতে গমন করে যে → অনুগামী ।
অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে কাজ করে যে → অবিমৃষ্যকারী ।
অতি শীতও নয়, অতি উষ্ণও নয় → নাতিশীতোষ্ণ ।
অবশ্য হবে/ঘটবে যা → অবশ্যম্ভাবী ।
অতি দীর্ঘ নয় যা → নাতিদীর্ঘ ।
অতিক্রম করা যায় না যা → অনতিক্রম্য ।
অতিক্রম করা যায় না যা → অনতিক্রমনীয় ।
অনেক কষ্টে ভিক্ষা পাওয়া যায় যখন → দুর্ভিক্ষ ।
অগ্রে জন্মেছে যে → অগ্রজ ।
অনুতে/পশ্চাতে/পরে জন্মেছে যে → অনুজ ।
অরিকে দমন করে যে → অরিন্দম ।
অন্য উপায় নেই যার → অনন্যোপায় ।
অনেকের মাঝে একজন → অন্যতম ।
অন্য গাছের ওপর জন্মে যে গাছ → পরগাছা ।

আরো ও সাজেশন:-

৫০ টি এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনঃ

১. অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপ রূপ হল: (টিবিএল ও এএসপি কর্মসূচী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মেডিকেল টেকনােলজিস্ট (ল্যাব)

ক, সমক্ষ গ. প্রত্যক্ষ

খ. পরােক্ষ ঘ. নিরপেক্ষ

উত্তরঃ ক

২. এক কথায় প্রকাশ কর – “কেকল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে যে – কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (সিজিএ), অডিটর-২২)। ক) স্বার্থপর।

খ) অকৃতজ্ঞ গ) আত্মনিষ্ঠ ঘ) কোনটিই নয়

উত্তরঃ গ

৩. “নুপুরের ধ্বনি” জমি এক কথায় কি বলে? কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স এর কার্যালয় (অফিস সহায়ক)-২১) ক. শিঞ্জন।

My Ads

খ. ঝুমঝুম গ. ঝংকার ঘ. নিক্কন

উত্তরঃ ঘ

৪. ‘যা কখনাে নষ্ট হয় না’- এক কথায় প্রকাশ কর। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মচারী নিয়ােগ পরীক্ষা (অফিস সহকারী-কামকম্পিউটার অপারেটর)-২১}। ক. অনিষ্ট

খ, অবনিষ্ট গ. অবিনশ্বর ঘ. নশ্বর

উত্তরঃ গ

My Ads

৫. সকলের জন্য প্রযােজ্য- এক কথায় প্রকাশ সঠিক কোনটি? (বিসিএস প্রশাসন একাডেমির নিয়ােগ পরীক্ষা (অফিস সহায়ক)-২১)। ক. সর্বজনীন।

খ. বরেণ্য গ. অনির্বচনীয় ঘ. শিক্ষানবিশ

উত্তরঃ ক

৬. মরণ পথের প্রতীক্ষা করছে যে এর এক কথায় প্রকাশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (ক্যাশিয়ার/ স্টোর কিপার)-২১) ক. মূমূর্ষা

খ. মুমুর্ষা গ. মুমুর্ষা ঘ. মুমূর্ষ

উত্তরঃ ঘ উত্তরঃ ঘ

৭.এক কথায় প্রকাশ করুনঃ “ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে’ বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড পরীক্ষা (সহকারী ব্যবস্থাপক সাধারণ)

Read More :   বিসিএস কনফিউশন প্রশ্ন | বাংলাদেশ বিষয়াবলীর কনফিউজড প্রশ্ন

(ক) ইন্দ্রজিত (গ) ইন্দ্রিয়জিত (ঙ) কোনটিই নয়

My Ads

(খ) জিতেস (ঘ) জিতেন্দ্রিয়

উত্তরঃ ঘ

৮. এক কথায় প্রকাশ করুনঃ ‘সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা (বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড পরীক্ষা (সহকারী ব্যবস্থাপক সাধারণ )-২১) (ক) সংবর্ধনা

(খ) সম্মুখগমন (গ) অগ্রগামী

(ঘ) প্রতযুদগমন (ঙ) কোনটিই নয়

উত্তরঃ ঘ

৯. “যে নারী প্রিয় কথা বলে- এক কথায় প্রকাশ করুন। খাদ্য অধিদপ্তর নিয়ােগ পরীক্ষা (সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক)-২১)। ক. প্রিয়া

খ. প্রিয়ংবদা গ. শ্রীমতি ঘ. সুহাসিনী

উত্তরঃ খ

১০. মেঘে আচ্ছন্ন হওয়ার ফলে সিদ্ধ”- এর বাক্য সংকোচন কি? (খাদ্য অধিদপ্তর নিয়ােগ পরীক্ষা (অফিস সহকারী

কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক)-২১) (ক) মেঘলা

My Ads

(খ) মেঘাচ্ছন্ন। (গ) মেঘমেদুর (ঘ) মেঘস্নিগ্ধ

উত্তরঃ গ

১১. যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না’ এর এক কথায় প্রকাশ হলাে- (শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (অফিস সহায়ক)-২১) ক. কৃতজ্ঞ

My Ads

খ. অকৃতজ্ঞ গ. কৃতঘ্ন ঘ. কৃতদার

উত্তরঃ খ

১২. এক কথায় প্রকাশ করুন: সম্মুখে হয়ে অভ্যর্থনা’। গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (সহকারী ব্যবস্থাপক)-২১) ক. সংবর্ধনা

খ. অভিনন্দন। গ. সম্মাননা ঘ. প্রত্যুদগমন।

| উত্তরঃ ঘ

১৩. “যে নারী পূর্বে অপরের বাগদত্তা ছিল” তাকে এক কথায় কী বলে? খাদ্য অধিদপ্তর (উপ-খাদ্য পরিদর্শক)

(ক) প্রােষিতভর্তৃকা (গ) অনন্যপূর্বা

(খ) অভিসারিণী (ঘ) অন্যপূর্বা

উত্তরঃ ঘ।

১৪. যা বপন করা হয়েছে – এর এক কথায় প্রকাশ হলাে (শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক)-২১] ক) বপিত

খ) ব্যাপ্ত গ) উপ্ত ঘ) গুপ্ত

উত্তরঃ গ

১৫.যিনি ন্যায় শাস্ত্রে পন্ডিত- এর এক কথায় প্রকাশ হলােঃ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (কম্পিউটার অপারেটর)-২১] ক. নৈয়ায়িক

খ. ন্যায়বান গ. নিয়ামক ঘ. ন্যায়পাল

উত্তরঃ ক

১৬. যে শুনেই মনে রাখতে পারে তাকে এক কথায় কী বলে? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নিয়ােগ পরীক্ষা

(জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকার)-২১] ক) মনযােগী

খ) মেধাবী গ) শ্ৰতিধর ঘ) স্মৃতিবান

উত্তরঃ গ

১৭. এক কথায় প্রকাশ করাে: অল্প কথা বলে যে বাংলাদেশ টেলিভিশন (অফিস সহকারী) নিয়ােগ পরীক্ষা-২১)

ক) কমভাষী  খ) অল্পভাষী গ) অভাষী ঘ) বাচাল।

উত্তরঃ খ

১৮. জয়ের জন্য যে উৎসব’- এক কথায় কী হবে? মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (উচ্চমান সহকারী/ ল্যাবরেটরী সহকারী))-২১)। ক. জয়ন্তী

খ. বিজয় উৎসব গ. বিজয় জয়ন্তী ঘ. জয় জয়ন্তী

উত্তরঃ ক

১৯. এক কথায় প্রকাশ করুন। অক্ষির অভিমুখে- এনএসআই (সহকারী পরিচালক, গবেষণা কর্মকর্তা এবং সহকারী

প্রেগ্রামার)-২১) ক. প্রত্যক্ষ

খ. পরােক্ষ গ. সমক্ষ ঘ. চাক্ষুষ

উত্তরঃ ক

২০. যে বহু বিষয় জানে’- এক কথায় কী বলে? বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (এরােড্রাম কর্মকর্তা

(এটিএমএটিসিও)/ইন্সপেক্টর (এটিসি)/অন্যান্য)-২১ ক. বহু দক্ষ

খ. সর্বজ্ঞ গ. সবজান্তা

ঘ. বহুজ্ঞানী

সঠিক উত্তরঃ যে বহু বিষয় জানে = বহুদর্শী।

২১. যিনি বক্তৃতা দানে পটু’- এক কথায় কি বলে? বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (মেডিকেল অফিসার /

এরােড্রোম সহকারী)-২১] । ক. বক্তা খ. বাচাল  গ. মিতভাষী ঘ. বাগ্মী

উত্তরঃ ঘ

২২. “অনেকের মধ্যে এক” এর এক কথায় প্রকাশ নিচের কোনটি? এনএসআই (কম্পিউটার টেকনিশিয়ান, রেডিও টেকনিশিয়ান, ওয়্যারলেস অপারেটর, হিসাব রক্ষক-কাম-ক্যাশিয়ার)-২১)। ক. অন্যতম

Read More :   সরকারি ব্যাংকের স্কেলসহ বেতন-ভাতাদি কেমন

খ. অনন্য গ. একচ্ছত্র ঘ. অসম

উত্তরঃ ক

২৩. ‘আদরের সাথে এর এক কথায় প্রকাশ নিচের কোনটি? (এনএসআই (কম্পিউটার টেকনিশিয়ান, রেডিও

টেকনিশিয়ান, ওয়্যারলেস অপারেটর, হিসাব রক্ষক-কাম-ক্যাশিয়ার)-২১)। ক. আদুরে

খ. সাদরে গ. আদরী ঘ. সাদরী

উত্তরঃ খ

২৪. “আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল”এর এক কথায় প্রকাশ নিচের কোনটি? এনএসআই কম্পিউটার

টেকনিশিয়ান , রেডিও টেকনিশিয়ান, ওয়্যারলেস অপারেটর, হিসাব রক্ষক-কাম-ক্যাশিয়ার)-২১) ক. রােদসী

খ. পার্থিব গ. আরাধ্য ঘ. অরিন্দম

উত্তরঃ ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর – ক্রন্দসী ।।

২৫. যা চিরস্থায়ী নয়’- এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি? কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, বিভিন্ন পদ (কর্মচারী)-২১) ক. অবিনশ্বর

খ. অস্থায়ী গ. স্থায়ী ঘ. নশ্বর

উত্তরঃ ঘ

২৬. যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না তাকে এক কথায় বলে- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (হিসাব সহকারী/ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর/ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ক্যাশ সরকার/অফিস সহায়ক)-২১) ক. অনির্বাণ

খ. অনির্দেশ গ. অনির্বচনীয় ঘ. অনির্ণেয়

উত্তরঃ গ

২৭. দুইয়ের মধ্যে একটি’ এর এক কথায় প্রকাশ কি হবে? কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (হিসাব সহকারী/ অফিস

সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর/ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ক্যাশ সরকার/অফিস সহায়ক)-২১ ক. অন্যতর

খ. অন্যতম গ. দৌবারিক ঘ. কোনটিই নয়

উত্তরঃ ক

২৮. যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই’ এক কথায় কি হবে? কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (হিসাব সহকারী/ অফিস

সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর/ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ক্যাশ সরকার/অফিস সহায়ক)-২১)। ক. অনূঢ়া।

খ. কুমারী গ. নবােঢ়া ঘ. অবীরা

উত্তরঃ ঘ

২৯. যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই’ এক কথায় কী হবে? কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার

মুদ্রাক্ষরিক)-২১) ক. অনূঢ়া।

খ. কুমারী গ. নবােঢ়া ঘ. অবীরা

উত্তরঃ ঘ

৩০. যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক নেই’ এক কথায় কী হবে? বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপােরেশন (চিফ এডিটর)-২১)। ক. অপরিণামদর্শী

খ. অবিমৃষ্যকারী গ. অবিসংবাদী ঘ. অকালদর্শী।

উত্তরঃ গ ব্যাখ্যা যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক নেই = অবিসংবাদী।।

ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না যে = অপরিণামদর্শী। অগ্র পশ্চাৎ বিবেচনা করে কাজ করে না যে = অবিমৃষ্যকারী।

৩১. কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না’- এক কথায় কী হবে? (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপােরেশন

(বিসিক) এর প্রমােশন অফিসার/এক্সটেনশন অফিসার/অন্যান্য পদ-২১) ক. দুর্নিবার

খ, দুর্দমনীয় গ. অদম্য ঘ. অনিবার্য

উত্তরঃ ঘ

৩২. শােক দূর হয়েছে যার” এর বাক্য সংকোচন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিনিয়র অফিসার)-২১)

ক. ভীতশােক খ. শােকদূর গ. নিঃশােক ঘ. বীতশােক

উত্তরঃ ঘ

৩৩. ‘মেঘের ধ্বনি এর বাক্যে সংকোচন – বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল এর কার্যালয়ে অডিটর পদে নিয়ােগ পরীক্ষা-২১ ক. জীমূতমন্দ্রা

খ. মন্ময় গ. মানকি ঘ. কোনােটাই নয়

উত্তরঃ ক

৩৪. বাক্য সংকোচন করুন: বুকে ভর দিয়ে চলে যে- এনএসআই (ফিল্ড অফিসার)-২১) ক. ভুগ

খ. তুরগ গ. বিহগ

ঘ. উরগ

উত্তরঃ ঘ

৩৫.যে শুনেই মনে রাখতে পারে – এর বাক্যসংকোচন- বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (নিরাপত্তা

Read More :   সংবিধানের সংশোধনী মনে রাখার কৌশল | ছন্দে ছন্দে সংবিধান pdf সহ

অপারেটর)-২১) ক. মনযােগী

খ. মেধাবী গ. শ্রুতিধর ঘ. স্মৃতিবান

উত্তরঃ গ

৩৬. কনুই থেকে কজি পর্যন্ত’-এর সংক্ষেপ হলাে— মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা (অফিস

সহায়ক) নিয়ােগ পরীক্ষা-২০২১ ক. বারি

খ. টিবিয়া ফিবুলা গ. হাতাংশ ঘ. গিরিজা

উত্তরঃ ক

৩৭. যার দুহাত সমান চলে’ বাক্য সংকোচন কোনটি? বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সহকারী

নিরাপত্তা কর্মকর্তা)-২১) ক. দোহাতি

খ. কুশাল গ. সব্যসাচী ঘ. দ্বিজ

উত্তরঃ গ

৩৮. “অলংকারের কংকার’র বাক্য সংকোচন কি? এনএসআই (ওয়াচার কনস্টেবল/ ফিল্ড স্টাফ)-২১) ক. কিন্নর

খ. শিঞ্জন গ. অজিন। ঘ. অঞ্জন

উত্তরঃ খ

৩৯. চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত – এ বাক্য সংকোচন কি? (এনএসআই (ওয়াচার কনস্টেবল/ ফিল্ড স্টাফ)-২১) ক. প্রত্যক্ষ

খ. পরােক্ষ গ. চাক্ষুষ ঘ. চক্ষুষ্মন

উত্তরঃ গ

৪০. ‘এক হতে আরম্ভ করে’ – এক কথায় – ঢািকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ-ইউনিট)-২০-২১) ক. ক্রমান্বয়ে

খ. একাদিক্রমে গ. একাধিক্রমে

ঘ. একাধারে

উত্তরঃ খ

৪১. এক কথায় প্রকাশ কর: যিনি অনেক দেখেছেন – ঢিাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত সরকারি সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা (কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট)- ২১) ক. সবজান্তা

খ. বহুদর্শী গ. বহুমাত্রিক ঘ. প্রত্যক্ষদর্শী

উত্তরঃ খ

৪২. “যিনি বিদ্যা লাভ করেছেন। এক কথায় কী বলে? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, অ-বিজ্ঞান (গ্রুপ-১)-২০-২১) ক. জ্ঞানী।

খ. কৃতবিদ্যা গ. কৃতবিদ্য ঘ. বিদ্বান

উত্তরঃ গ

৪৩. ‘নিজের দ্বারা অর্জিত’ এক কথায় হবে- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, -ইউনিট (গ্রুপ-৩)-২০-২১) ক. স্বকীয়

খ. অর্জিত গ. স্বােপার্জিত

ঘ. স্বর্জিত

উত্তরঃ গ

৪৪. যা পূর্বে ছিল এখন নেই’- এক কথায় কি হবে? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট-৪, অ-বাণিজ্য শখ্য (গ্রুপ-৩)

২০-২১) (ক) অভূতপূর্ব

(খ) অপূর্ব (গ) ভূতপূর্ব (ঘ) অদৃষ্টপূর্ব

উত্তরঃ গ

৪৫. নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’- এক কথায় কী হবে? – [GST গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা – ইউনিট-B (মানবিক শাখা)-২১}

ক. নষ্টস্বভাব  গ. নশ্বর খ. বিনষ্ট ঘ. অবিনশ্বর

উত্তরঃ গ

৪৬. পশ্চাতে জন্মেছে যে’- বাক্যটির সংকোচিত রূপ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত সরকারি সাত কলেজে ভর্তি

পরীক্ষা (বিজ্ঞান ইউনিট)- ২১ ক. পশ্চাৎপদ

খ. অনুজ গ. ভূতপূর্ব

ঘ. অনাহত

উত্তরঃ খ

৪৭. ‘যিনি বিদ্যা লাভ করিয়াছে – এক কথায় কী বলে? কর্মসংস্থান ব্যাংক নিয়ােগ পরীক্ষা, সহকারী অফিসার (সাধারণ

ও ক্যাশ)-২১]। ক) কৃতবিদ্যা

খ) কৃতবিদ্য গ) কৃতবিদ্বান ঘ) কৃতবিদ্দান

উত্তরঃ খ

৪৮. যা আঘাত পায় নি। বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হল- (সমন্বিত ৬ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান (সহকারী

প্রােগ্রামার)-২১) ক. অনাঘাত

খ. অনঘাত গ. অনাহুত ঘ. অনাহত

উত্তরঃ ঘ

ব্যাখ্যাঃ যা আঘাত পায়নি- অনাহত

যা আহত (ডাকা) হয়নি- অনাহত

৪৯.এক কথায় প্রকাশ করুন : জয়ের জন্য যে উৎসব গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক (প্রবেশনারী অফিসার)-২১)। ক) বিজয়জয়ন্তী

খ) জয়ন্তী গ) বিজয় উৎসব ঘ) জয়ন্তী

উত্তরঃ খ

৫০. ‘অক্ষিরসমীপে’- এর সংক্ষেপন হলাে- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক (সিনিয়র অফিসার)-২১) a. সমক্ষ

পরােক্ষ c. প্রত্যক্ষ

নিরপেক্ষ

উত্তরঃ ক

ব্যাখ্যা “অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপন হলাে ‘সমক্ষ’

অক্ষির অভিমুখে = প্রত্যক্ষ

অক্ষির অগােচরে = পরােক্ষ

চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত = চাক্ষুষ

চোখের কোণ = অপাঙ্গ

আজকের : এক কথায় প্রকাশ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ও চাকরির পরীক্ষায় জন্য কমন, এক কথায় প্রকাশ ব্যাংক বিসিএস সরকারি চাকরির জন্য কমন উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ

Leave a Comment

My Ads