বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নে গৃহীত সরকারের নীতি ও আইনগত অবকাঠামো বর্ণনা কর ,বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নের সরকারের প্রতি এবং আইনগত অবকাঠামো আলোচনা কর, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র অর্থায়নের সরকারি নিয়ম নীতিগুলো লিখ

Subscribe Now!

সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।

My Ads

প্রশ্ন সমাধান: বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নে গৃহীত সরকারের নীতি ও আইনগত অবকাঠামো বর্ণনা কর

ক্ষুদ্র অর্থায়নের প্রোগ্রামসমূহ এনজিও (NGO), গ্রামীণ ব্যাংক (Grameen Bank), সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক Banks) এবং বাংলাদেশ (State-owned Commercial সরকারের মন্ত্রণালয়সমূহ বিশেষ প্রোগ্রামসমূহ নির্ধারণ করার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়।

২০১৩ সালের জুন মাসে ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রকল্পে বাংলাদেশি টাকায় ২২৬ বিলিয়ন এবং মোট ৩৩ মিলিয়ন অর্থ ক্লায়েন্টকে প্রদান করা হয়েছে। নিম্নে ৬টি গ্রুপ অর্থায়নের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো :

১. আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র অর্থায়ন;
২. ক্ষুদ্র অর্থায়ন ঋণ;
৩. দারিদ্র্য লোকজনের জন্য ক্ষুদ্র অর্থায়নে ঋণ;
৪ . কৃষি ক্ষেত্রে ঋণ;
৫. ঋতুভিত্তিক ঋণ ও
৬. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবস্থাপনার জন্য ঋণ ।

শন ২০


আরো ও সাজেশন:-

উল্লিখিত বিষয়ে ক্ষুদ্র অর্থায়ন করা হয় সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা। এটা সাধারণ ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানসমূহকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি ২০০৬ সালে সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এমআরএ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানসমূহের ৪২৪টি আবেদনপত্র গ্রহণ করে! এসব প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করে। তবে অবশ্যই আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে সময় এমআর ও দেখল,

যেসব প্রতিষ্ঠানের ১,৮০০০-এর বেশি ক্লায়েন্ট অথবা ৪ মিলিয়ন বাংলাদেশি টাকা ঋণ দিয়েছে তাদের লাইসেন্স দিবে যাহোক, ২০১৪ সালে এমআরএ ৭৪২টি এনজিও-এর লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন এবং ৪৪টি এনজিও-এর লাইসেন্স বাতিল করেছে। বাকি ৩টি এনজিও-এর লাইসেন্স বিবেচনার মধ্যে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে এমআও নতুন আবেদনপত্রের জন্য লাইসেন্স দিবে। এর মধ্যে ৯২টি আবেদনপত্র প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে ।

[ বি:দ্র: উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নে পরিস্থিতি ভালো বিশ্বায়নের যুগে মন্দাভাবের কারণে ক্ষুদ্র অর্থায়নে খুব ভালো পরিস্থিতি বিরাজ করছে না। কিন্তু এসব সমস্যার মধ্যেও বাংলাদেশের ক্ষুদ্র অর্থায়ন সেক্টরগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময় বাংলাদেশি টাকায় ২১১ বিলিয়ন হতে ২৫৭ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ শতকরা ২১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঋণ ১৯.২৭ মিলিয়ন দারিদ্র্য মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তা দিয়ে গরিব মানুষদের আত্মকর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

আর মোট সঞ্চয় শতকরা ২৪ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১২ সালে ৭৫.২০ বিলিয়ন ডলার হতে ২০১৩ সালে ৯৩-৯৯ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশি টাকায় তা ২৪.৬০ মিলিয়ন লোকের মাঝে প্রদান করা হয়েছে।


রচনা ,প্রবন্ধউত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণউত্তর লিংক Paragraphউত্তর লিংক
আবেদন পত্র ও Applicationউত্তর লিংক অনুচ্ছেদ রচনাউত্তর লিংক Compositionউত্তর লিংক
চিঠি ও Letterউত্তর লিংক প্রতিবেদনউত্তর লিংক CVউত্তর লিংক
ইমেল ও Emailউত্তর লিংক সারাংশ ও সারমর্মউত্তর লিংক Seen, Unseenউত্তর লিংক
Essayউত্তর লিংকCompleting Storyউত্তর লিংকDialog/সংলাপউত্তর লিংক
অনুবাদউত্তর লিংকShort Stories/Poems/খুদেগল্পউত্তর লিংকSentence Writingউত্তর লিংক

আপনার জন্য আমাদের ক্যাটাগরি


≫ প্রশ্ন সমাধান
≫ সাজেশন
≫ চাকরি
≫ ধর্ম
≫ মতামত
≫ শিক্ষা
≫ শিক্ষা সংবাদ
≫ নিয়োগ পরীক্ষা
≫ জানা অজানা
≫ Writing Side
≫ অনার্স ও মাস্টার্স
≫ এইচ এস সি
≫ এসএসসি
≫ ডিগ্রি ও উন্মুক্ত
≫ স্বাস্থ্য
≫ উদ্ভিদ ও প্রাণী
≫ ঔষধি গুন
≫ গোপন সমস্যা
≫ রূপচর্চা
≫ রেসিপি
≫ রোগ প্রতিরোধ

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

My Ads

Leave a Comment

My Ads