My Ads
আইএএএফ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশীপ আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (আইএএএফ) কর্তৃক অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। শুরুতে প্রতি চার বৎসর অন্তর এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯১ সালে তৃতীয় আসর আয়োজনের পর অদ্যাবধি প্রতি দুই বৎসর পরপর দ্বি-বার্ষিক আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইতিহাস
১৯৮৩ সালে প্রথম আসর আয়োজনের বেশ পূর্ব থেকেই বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতা আয়োজনের চিন্তাধারা চলতে থাকে। ১৯১৩ সালে আইএএএফ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ক্রীড়াই অ্যাথলেটিকসের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপের জন্য যথেষ্ট। পঞ্চাশ বছরেরও অধিককাল এ ধারণা বহমান ছিল। কিন্তু ১৯৬০-এর দশকের শেষার্ধ্বে আইএএএফ সদস্যদের মাঝে নিজেদের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ প্রবর্তনের ধারণা বিরাটভাবে প্রভাববিস্তার করতে থাকে। ফলশ্রুতিতে ১৯৭৬ সালে পুয়ের্তোরিকোয় অনুষ্ঠিত সভায় অলিম্পিক গেমস থেকে পৃথক হয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশীপ প্রচলনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
পশ্চিম জার্মানির স্টুটগার্ট ও ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ আয়োজনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু, আইএএএফ কাউন্সিল ১৯৮৩ সালে উদ্বোধনী প্রতিযোগিতার জন্য হেলসিংকিকে আমন্ত্রণ জানায়। ১৯৫২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আয়োজনকারী হেলসিংকি অলিম্পিক স্টেডিয়ামে প্রথম আসরটি অনুষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে অবশ্য দুইটি আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক থেকে বাদ পড়া পুরুষদের ৫০ কিলোমিটার হাঁটা বিষয়কে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের ফলে আইএএএফ নিজেদের প্রতিযোগিতা করার চিন্তা বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়। এর চার বছর পর ১৯৮০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক থেকে বাদ পড়া মহিলাদের ৪০০ মিটার হার্ডলস ও ৩০০০ মিটার বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ অনুষ্ঠিত হয়।
আরি পড়ুন ›বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নে গৃহীত সরকারের নীতি ও আইনগত অবকাঠামো বর্ণনা কর ,বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নের সরকারের প্রতি এবং আইনগত অবকাঠামো আলোচনা কর, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র অর্থায়নের সরকারি নিয়ম নীতিগুলো লিখবাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নে গৃহীত সরকারের নীতি ও আইনগত অবকাঠামো বর্ণনা কর ,বাংলাদেশে ক্ষুদ্র অর্থায়নের…
আরি পড়ুন ›অনার্স ৪র্থ বর্ষ বাংলা নাটক ২ সাজেশন, honors 4th year bangla drama 2 special short suggestions, অনার্স ৪র্থ বর্ষ বাংলা নাটক ২ ১০০% কমন সাজেশনচূড়ান্ত সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের বাংলা নাটক ২, অনার্স ৪র্থ বর্ষের ১০০% কমন বাংলা…
আরি পড়ুন ›৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর গণিত কৃষি ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২০২১৭ম শ্রেণির ২০২১ সালের ৩য় এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর বিষয়: গণিত ১নং প্রশ্নের উত্তর মনে করি…
বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্তি
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রতিযোগিতার আকার ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ১৯৮৩ সালে ১৫৪ দেশ থেকে ১,৩০০ ক্রীড়াবিদ অংশ নেন।[৩] প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২০০৩ সালের প্রতিযোগিতায় ২০৩ দেশ থেকে ১,৯০৭জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, ক্রীড়াক্ষেত্র পরিবর্তিত হয়ে মহিলাদের নতুন বিষয়গুলো যুক্ত হচ্ছে। ২০০৫ সালের সময়সূচীতে পুরুষ ও মহিলাদের বিষয়গুলো প্রায় সমান ছিল। কেবলমাত্র পুরুষদের ৫০ কিলোমিটার হাঁটা বিষয় ব্যতিক্রম। মহিলাদের ১০০ মিটার হার্ডলস ও হেপ্টাথলন বিষয়ের বিপরীতে পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলস ও ডেকাথলন রয়েছে।
নিম্নের তালিকায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে প্রথমবারের মতো যুক্ত নতুন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে:-
১৯৮৭: মহিলাদের ১০,০০০ মিটার ও ১০ কিলোমিটার হাঁটা যুক্ত করা হয়েছে।
১৯৯৩: মহিলাদের ট্রিপল জাম্প যুক্ত করা হয়েছে।
১৯৯৫: মহিলাদের ৩০০০ মিটারের পরিবর্তে ৫০০০ মিটার যুক্ত করা হয়েছে।
১৯৯৯: মহিলাদের পোল ভল্ট ও গোলক নিক্ষেপ যুক্ত করা হয়েছে। ১০ কিলোমিটার হাঁটার পরিবর্তে ২০ কিলোমিটার হাঁটা যুক্ত করা হয়েছে।
২০০৫: মহিলাদের ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজ যুক্ত করা হয়েছে।
My Ads
1 thought on “আজ বিশ্ব এথলেটিকস দিবস”