প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব vs প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব মধ্যে পার্থক্য আলোচনা

My Ads

প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব vs প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব মধ্যে পার্থক্য আলোচনা । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব তুলনামূলক আলোচনা

ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রাপ্য হিসাব (Accounts Receivable) এবং প্রাপ্য নোট (Notes Receivable) দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। নিচে এদের সংজ্ঞা এবং ছক আকারে এদের মধ্যকার পার্থক্য সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

১. প্রাপ্য হিসাব (Accounts Receivable) কাকে বলে?

বাকিতে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করার ফলে ক্রেতা বা গ্রাহকের কাছ থেকে ভবিষ্যতে যে টাকা পাওয়া যাবে, তার মোট পরিমাণকে প্রাপ্য হিসাব (সাধারণ ভাষায় দেনাদার) বলা হয়।

এটি একটি চলতি সম্পদ। এটি সাধারণত কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত চুক্তি ছাড়াই সম্পূর্ণ মৌখিক প্রতিশ্রুতি বা পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে তৈরি হয়। সাধারণত ৩০, ৬০ বা ৯০ দিনের মধ্যে এই টাকা আদায়যোগ্য হয়।

২. প্রাপ্য নোট (Notes Receivable) কাকে বলে?

গ্রাহক বা দেনাদারের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা, নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে, নির্দিষ্ট হারের সুদসহ (যদি উল্লেখ থাকে) ফেরত পাওয়ার যে আনুষ্ঠানিক লিখিত ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়, তাকে প্রাপ্য নোট (বা প্রাপ্য বিল) বলে।

প্রাপ্য হিসাবের চেয়ে এটি অধিক নিরাপদ কারণ এতে দেনাদার নিজে স্বাক্ষর করে টাকা পরিশোধের আইনি অঙ্গীকার করেন। এটি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বা বড় অংকের লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।

৩. প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য নোটের মধ্যে পার্থক্য (ছক আকারে)

আরো ও সাজেশন:-

My Ads

Honors Suggestion Linksপ্রশ্ন সমাধান সমূহ
Degree Suggestion LinksBCS Exan Solution
HSC Suggestion Links2016 সাল থেকে সকল জব পরীক্ষার প্রশ্ন উত্তর
SSC ‍& JSC Suggestion Linksবিষয় ভিত্তিক জব পরিক্ষার সাজেশন
গণিত এর সমাথানBook PDF

My Ads

My Ads

পার্থক্যের বিষয়প্রাপ্য হিসাব (Accounts Receivable)প্রাপ্য নোট (Notes Receivable)
১. সংজ্ঞাবাকিতে পণ্য বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট অলিখিত দাবিকে প্রাপ্য হিসাব বলে।টাকা পরিশোধের জন্য দেনাদারের আনুষ্ঠানিক লিখিত প্রতিশ্রুতিকে প্রাপ্য নোট বলে।
২. লিখিত প্রমাণএতে কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত দলিল বা প্রতিশ্রুতি পত্র থাকে না।এতে একটি নির্দিষ্ট আইনি দলিল বা প্রমিসরি নোট (Promissory Note) থাকে।
৩. সুদ (Interest)সাধারণ প্রাপ্য হিসাবের ওপর কোনো সুদ ধার্য করা হয় না।নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে মূল টাকার সাথে নির্দিষ্ট হারে সুদ আদায় করা যায়।
৪. আইনি ভিত্তিএটি মৌখিক বা সাধারণ চুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই আইনি শক্তি তুলনামূলক কম।এটি একটি আইনগত দলিল, ফলে দেনাদার টাকা না দিলে সহজেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
৫. মেয়াদকালএটি সাধারণত স্বল্পমেয়াদি (৩০ থেকে ৯০ দিন) হয়ে থাকে।এটি স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি (কয়েক মাস থেকে বছর পর্যন্ত) হতে পারে।
৬. হস্তান্তরযোগ্যতাএটি সহজে অন্য কারও কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করা যায় না।এটি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল, যা মেয়াদ পূর্তির আগেই ব্যাংকে ভাঙানো বা বাট্টা করা যায়।
৭. উৎপত্তিশুধুমাত্র ব্যবসায়ের স্বাভাবিক পণ্য বা সেবা বাকিতে বিক্রয়ের মাধ্যমে এর সৃষ্টি হয়।প্রাপ্য হিসাবের মেয়াদ শেষ হলে বা লোন দেওয়ার মাধ্যমেও এর সৃষ্টি হতে পারে।

উপসংহার : প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব vs প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব মধ্যে পার্থক্য আলোচনা । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব তুলনামূলক আলোচনা

আর্টিকেলের শেষ কথাঃ প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব vs প্রাপ্য হিসাব পার্থক্য । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব মধ্যে পার্থক্য আলোচনা । প্রাপ্য হিসাব ও প্রাপ্য হিসাব তুলনামূলক আলোচনা

আরো পড়ুন:

My Ads

My Ads

Leave a Comment

My Ads

My Ads