অর্থনীতি মাথাপিছু আয় কী লিখবে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির উপায় লিখবে

Google Adsense Ads

বি এম- ০৬ (খ)
ক বিভাগ অর্থনীতি


১। বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় স্বল্প। বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় বলে তুমি মনে কর।

(ক) মাথাপিছু আয় কী লিখবে।

উত্তর:

“মাথাপিছু” শব্দটির অর্থ প্রতি ব্যক্তি। মাথাপিছু আয় বলতে বুঝায় কোনও দেশ বা ভৌগলিক অঞ্চলে ব্যক্তি প্রতি আয় করা পরিমাণের একটি পরিমাপ।

মাথাপিছু আয়কে আপনি এভাবেও বলতে পারেন; একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের মোট জনসংখ্যার গড় আয়। মাথাপিছু আয় নির্ণয় করা হয একটি দেশের প্রতি ব্যক্তি গড় আয় নির্ধারণ করতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান নির্ণয় করতে ব্যবহার করা হয়।

সাধারণত ১ বছর নির্দিষ্ট সময়কালে কোনো ভৌগলিক অঞ্চলের অধীনে বসবাসকারী ব্যক্তির জীবনমানের মূল্যায়ন করার জন্য একজন ব্যক্তির দ্বারা অর্জিত গড় আয় নির্ধারণ করাই হলো মাথাপিছু আয়।

“মাথাপিছু” শব্দটির অর্থ প্রতি ব্যক্তি। মাথাপিছু আয় বলতে বুঝায় কোনও দেশ বা ভৌগলিক অঞ্চলে ব্যক্তি প্রতি আয় করা পরিমাণের একটি পরিমাপ। মাথাপিছু আয়কে আপনি এভাবেও বলতে পারেন; একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের মোট জনসংখ্যার গড়…


(খ) মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির উপায় লিখবে।

উত্তর:

১. উচ্চ জাতীয় ও মাথাপিছু আয়: উন্নত দেশগুলোর জাতীয় ও মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ খুব বেশি। সুইজারল্যান্ড, মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইংল্যান্ড প্রভৃতি উন্নত দেশের মাথাপিছু আয় গড়ে প্রায় ৩০,০০০ ডলারের বেশি।

২. উচ্চ জীবনযাত্রার মান: মাথাপিছু আয় বেশি বলে উন্নত দেশের জনগনের জীবনযাত্রার মানও খুবই উন্নত। ফলে এ
সমস্ত দেশের জনসাধারণ জীবনধারণের আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে।

৩. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসার: উন্নত দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে
আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ সম্ভব হয়েছে।

৪. মূলধনের প্রাচুয: উন্নত দেশে জনসাধারণের মাথাপিছু আয়বেশি। ফলে এ সমস্ত দেশে সঞ্চয়, মূলধন ও বিনিয়োগের
পরিমানও অধিক।

৫. প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বাত্মক ব্যবহার: উন্নত দেশসমূহ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং এ সব দেশে অধিক মূলধন ও দক্ষ
জনশক্তি থাকায় প্রাকৃতিক ও মানবিক সম্পদের সুষ্ঠুভাবে পূর্ণ ব্যবহার হয়ে থাকে।

৬. উন্নত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। উন্নত দেশের
পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত।

৭. লেনদেনের ভারসাম্য: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উন্নত দেশের বাণিজ্যিক ও লেনদেনের ভারসাম্য সর্বদা অনুকূলে
থাকে। এ সব দেশে বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় দ্রব্য দেশের ভিতরেই উৎপাদন করা হয় এবং অধিকাংশ দ্রব্য বাণিজ্যিক
ভিত্তিতে উৎপাদিত হয়। সে জন্য উন্নত দেশগুলো খুব কম দ্রব্য আমাদানি করে কিন্তু অধিক পরিমাণ দ্রব্য রপ্তানি করে
থাকে।

৮. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কম: উন্নত দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সাধারনত ০% থেকে ১% এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
জনসংখ্যা এ সব দেশে কোনরূপ সমস্যা নয় বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক।

৯. শিক্ষার ব্যাপক প্রসার: উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের ফলে উন্নত দেশের
সমাজ থেকে সকল প্রকার কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস দূরীভূত হয়েছে।

১০. সামাজিক নিরাপত্তা: উন্নত দেশগুলোর জাতীয় আয়ের পরিমাণ বেশি বলে তাদের পক্ষে শ্রমিক শ্রেণিকে রোগ, দূর্ঘটনা,
বেকারত্ব প্রভৃতি সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়।

১১. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের ফলে উন্নত দেশের প্রতিটি নাগরিক সমাজ সচেতন। ফলে এ সমস্ত
দেশ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এ সব দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
উচ্চাসনে প্রতিষ্টিত।

১২. নারী স্বাধীনতা: নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের ফলে উন্নত দেশের নারীসমাজ জীবনের সকল ক্ষেত্রে পুরুষের সমান
সুযোগ-সুবিধা ভোগ ও সমান দায়িত্ব বহন করে।

১৩. উন্নত মুদ্রা বাজার: উন্নত দেশের মুদ্রা ও মূলধনবাজার খুবই উন্নত এবং বিস্তৃত। ব্যাংক, বীমাসহ বিভিন্ন অর্থ লগ্নীকারী
প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক প্রসার হয়েছে। ফলে মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ সমাজে দ্রæত ও সহজে মূলধন গঠিত হচ্ছে।
এ সকল বৈশিষ্ট্যের আলোকে বিচার করলে দেখা যায় পৃথিবীতে উন্নত দেশ খুব কম।

Google Adsense Ads

H.S.C

Google Adsense Ads

4 thoughts on “অর্থনীতি মাথাপিছু আয় কী লিখবে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির উপায় লিখবে”

Leave a Comment