২০০ নম্বর মেডিকেল ভর্তিতে পরিক্ষা কমছে না জিপিএ

মেডিকেলে ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ’র ওপর ধার্য করা ২০০ নম্বর কমানো হচ্ছে না। গত বছর ভর্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল সেই শর্ত এবারও বহাল রাখা হবে বলে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কাজ করা টেকনিক্যাল কমিটি সূত্রে জানা গেছে।

ওই সূত্র জানায়, এবছর জেএসসি ও এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির রেজাল্ট দেয়া হবে। এক্ষেত্রে এসএসসি’র ৭৫ শতাংশ নম্বর কাউন্ট করা হবে। ফলে সামগ্রিকভাবে এইচএসসি’র ফলাফল ভালো হবে। শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও বাড়বে। তাই মেডিকেলে ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর ওপর ধার্য করা নম্বর কমানো হবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে টেকনিক্যাল কমিটির এক সদস্য দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষার্থীরা যে দাবি তুলেছেন সেটি পূরণ করা সম্ভব হবে না। ইতোমধ্যেই আমাদের নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যদের মধ্যে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ’র ওপর ধার্য করা ২০০ নম্বর কমানোর বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। সেখানেও অধিকাংশ সদস্য ভর্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল না কথা জানিয়েছেন। জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে পরীক্ষা আয়োজক কমিটির বৈঠকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, মেডিকেলে আবেদন, ভর্তি এবং পরীক্ষায় আমরা মেজর কোনো পরিবর্তন আনছি না। গত বছর যে নিয়মে সবকিছু হয়েছে এবারও সেই নিয়মেই সবকিছু আয়োজনের জন্য নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। এই নীতিমালা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা, আবেদন পত্র গ্রহণ এবং শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে।

এর আগে গত ২ নভেম্বর মেডিকেলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়, ২০১৭ বা ২০১৮ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ বা ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যাসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।। এক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে। তবে এককভাবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ এর কম হলে আবেদন করা যাবে না।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন
১০০ (একশত) নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা এক ঘণ্টা সময় পাবেন।

লিখিত পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক নম্বর
জীববিদ্যা-৩০, রসায়নবিদ্যা-২৫, পদার্থবিদ্যা-২০, ইংরেজি-১৫, এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য রয়েছে ১০ নম্বর।

জিপিএ’র উপর নম্বর
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করে নিম্নলিখিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ’র জন্য৭৫ নম্বর এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ’র জন্য ১২৫ নম্বর ধার্য করা হয়েছে। এসএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএকে ১৫ দিয়ে গুণ করা হবে এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএকে ২৫ দিয়ে গুণ করা হবে।

হবে।

%E0%A7%A7
%E0%A7%A8
%E0%A7%A9
%E0%A7%AA
%E0%A7%AB

Leave a Comment