সুনাম মূল্যায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা কর

My Ads

সুনাম মূল্যায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা কর

এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের “অংশীদারি ব্যবসায়ের হিসাব” অধ্যায়ে গাণিতিক ও তাত্ত্বিক উভয় অংশের জন্যই “সুনাম মূল্যায়ন পদ্ধতি” (Methods of Valuing Goodwill) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।

ব্যবসায়ের সুনাম একটি অস্পর্শনীয় সম্পদ হওয়ায় এর সঠিক মূল্য নির্ধারণ করা কিছুটা কঠিন। তাই হিসাববিজ্ঞানে সুনামের মূল্য নির্ধারণের জন্য বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ও যৌক্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার খাতায় যেভাবে সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায়, সেই অনুযায়ী পদ্ধতিগুলো নিচে সূত্রসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

সুনাম মূল্যায়নের প্রধান পদ্ধতিসমূহ

অংশীদারি কারবারে সুনাম মূল্যায়নের জন্য মূলত ৪টি পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়:

১. গড় মুনাফা পদ্ধতি

২. ভারযুক্ত গড় মুনাফা পদ্ধতি

৩. সুনামধন্য বা অতিরিক্ত মুনাফা

৪. মূলধনায়ন পদ্ধতি

১. সরল গড় মুনাফা পদ্ধতি (Simple Average Profit Method)

এই পদ্ধতিতে বিগত কয়েক বছরের ব্যবসায়ের নিট মুনাফাকে যোগ করে গড় মুনাফা বের করা হয়। এরপর সেই গড় মুনাফাকে প্রশ্নের নির্দেশিত “ক্রয় বছর” (Years of Purchase) দ্বারা গুণ করে সুনামের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এটি সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।

My Ads

image

⚠️ পরীক্ষার জন্য নোট: বিগত কোনো বছরে যদি “ক্ষতি” বা লোকসান হয়ে থাকে, তবে মোট মুনাফা বের করার সময় তা বিয়োগ করতে হবে।

আরো ও সাজেশন:-

My Ads

Honors Suggestion Linksপ্রশ্ন সমাধান সমূহ
Degree Suggestion LinksBCS Exan Solution
HSC Suggestion Links2016 সাল থেকে সকল জব পরীক্ষার প্রশ্ন উত্তর
SSC ‍& JSC Suggestion Linksবিষয় ভিত্তিক জব পরিক্ষার সাজেশন
গণিত এর সমাথানBook PDF

My Ads

২. ভারযুক্ত গড় মুনাফা পদ্ধতি (Weighted Average Profit Method)

যখন কোনো ব্যবসায়ের মুনাফা প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে বাড়তে বা কমতে থাকে (অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট ট্রেন্ড থাকে), তখন সরল গড়ের চেয়ে ভারযুক্ত গড় পদ্ধতি বেশি নিখুঁত হয়। এখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোকে বেশি গুরুত্ব বা “ভার” (Weight যেমন: ১, ২, ৩, ৪) দেওয়া হয়।

My Ads

image 1

৩. অতিরিক্ত মুনাফা বা সুনামধন্য পদ্ধতি (Super Profit Method)

একটি সাধারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে যে হারে মুনাফা অর্জন করে, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি তার চেয়ে বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারে, তবে সেই বাড়তি মুনাফাকে অতিরিক্ত মুনাফা (Super Profit) বলে। এই অতিরিক্ত মুনাফার ওপর ভিত্তি করেই সুনাম মূল্যায়ন করা হয়। সৃজনশীল অংকে এটি খুব বেশি আসে।

এই পদ্ধতিতে অংক করার ধাপগুলো হলো:

My Ads

image 2

৪. মূলধনায়ন পদ্ধতি (Capitalization Method)

এই পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের গড় মুনাফা বা অতিরিক্ত মুনাফাকে স্বাভাবিক আয়ের হার দ্বারা ভাগ করে ব্যবসায়ের মূলধনী মূল্য বের করা হয়। এটি দুইভাবে করা যায়

My Ads

My Ads

image 3

পরীক্ষার জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা ও টিপস:

১. বিনিয়োজিত মূলধন (Capital Employed): উদ্দীপকে সরাসরি বিনিয়োজিত মূলধন দেওয়া না থাকলে, মোট সম্পদ (চলতি সম্পদসহ) - চলতি দায় সূত্র ব্যবহার করে এটি বের করে নিতে হবে। তবে মনে রাখবেন, মোট সম্পদের মধ্যে অলীক সম্পদ (যেমন: প্রাথমিক খরচ) বা আগের কোনো সুনাম থাকলে তা বাদ যাবে।

২. অস্বাভাবিক আয়/ব্যয়: বিগত বছরের মুনাফার মধ্যে যদি কোনো অস্বাভাবিক লাভ (যেমন: সম্পদ বিক্রয়ের লাভ) বা অস্বাভাবিক ক্ষতি (যেমন: আগুনে বিনষ্ট ক্ষতি) অন্তর্ভুক্ত থাকে, তবে গড় মুনাফা বের করার আগে লাভটি বিয়োগ এবং ক্ষতিটি যোগ করে মুনাফা সমন্বয় করতে হবে।

পরীক্ষায় সাধারণত ৩ নম্বর পদ্ধতি (Super Profit Method) থেকে বড় প্রশ্ন বেশি আসে। এই পদ্ধতির কোনো একটি ধাপ বা সূত্র বুঝতে কি আপনার কোনো সমস্যা হচ্ছে?

আর্টিকেলের শেষ কথাঃ সুনাম মূল্যায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা কর

আরো পড়ুন:

My Ads

My Ads

Leave a Comment

My Ads

My Ads