সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী :- ১৪৪২ হিজরি, ২০২১ সাল

সাহ্‌রি ও ইফতারের সময়সূচি : ১৪৪২ হিজরি, ২০২১ সাল

ঢাকা জেলার জন্য

তারিখসাহ্‌রি শেষ সময়ইফতার শুরু
১ রমজান ১৪ এপ্রিল,৪:১৫ মিনিট৬:২৩ মিনিট
২ রমজান ১৫ এপ্রিল, ৪:১৪ মিনিট৬:২৪ মিনিট
৩ রমজান ১৬ এপ্রিল, ৪:১৩ মিনিট৬:২৪ মিনিট
৪ রমজান ১৭ এপ্রিল,৪:১২ মিনিট৬:২৪ মিনিট
৫ রমজান ১৮ এপ্রিল,৪:১১ মিনিট৬:২৫ মিনিট
৬ রমজান ১৯ এপ্রিল, ৪:১০ মিনিট৬:২৫ মিনিট
৭ রমজান ২০ এপ্রিল,৪:০৯ মিনিট৬:২৬ মিনিট
৮ রমজান ২১ এপ্রিল,৪:০৮ মিনিট৬:২৬ মিনিট
৯ রমজান ২২ এপ্রিল,৪:০৭ মিনিট৬:২৭ মিনিট
১০ রমজান ২৩ এপ্রিল,৪:০৬ মিনিট৬:২৭ মিনিট
১১ রমজান ২৪ এপ্রিল,৪:০৫ মিনিট৬:২৮ মিনিট
১২ রমজান ২৫ এপ্রিল,৪:০৫ মিনিট৬:২৮ মিনিট
১৩ রমজান ২৬ এপ্রিল,৪:০৪ মিনিট৬:২৯ মিনিট
১৪ রমজান ২৭ এপ্রিল,৪:০৩ মিনিট৬:২৯ মিনিট
১৫ রমজান ২৮ এপ্রিল,৪:০২ মিনিট৬:২৯ মিনিট
১৬ রমজান ২৯ এপ্রিল,৪:০১ মিনিট৬:৩০ মিনিট
১৭ রমজান ৩০ এপ্রিল,৪:০০ মিনিট৬:৩০ মিনিট
১৮ রমজান ০১ মে, ৩:৫৯ মিনিট৬:৩১  মিনিট
১৯ রমজান ০২ মে৩:৫৮ মিনিট৬:৩১ মিনিট
২০ রমজান ০৩ মে৩:৫৭ মিনিট৬:৩২ মিনিট
২১ রমজান ০৪ মে৩:৫৫ মিনিট৬:৩২ মিনিট
২২ রমজান ০৫ মে৩:৫৪ মিনিট৬:৩৩ মিনিট
২৩ রমজান ০৬ মে৩:৫৩ মিনিট৬:৩৩ মিনিট
২৪ রমজান ০৭ মে৩:৫২ মিনিট৬:৩৪ মিনিট
২৫ রমজান ০৮ মে৩:৫১ মিনিট৬:৩৪ মিনিট
২৬ রমজান ০৯ মে৩:৫০ মিনিট৬:৩৫ মিনিট
২৭ রমজান ১০ মে, ৩:৫০ মিনিট৬:৩৫ মিনিট
২৮ রমজান ১১ মে,৩:৪৯ মিনিট৬:৩৬ মিনিট
২৯ রমজান ১২ মে, ৩:৪৯ মিনিট৬:৩৬ মিনিট
৩০ রমজান ১৩ মে,৩:৪৮ মিনিট৬:৩৬ মিনিট

বি.দ্র. সাহরীর শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহি সাদিকের ৩ মিনিট পূর্বে ধরা হয়েছে এবং ফজরের ওয়াক্তের শুরু সুবহি সাদিকের ৩ মিনিট পর রাখা হয়েছে।

রোজার নিয়ত:

বাংলায় উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম।

অর্থ: আয় আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।

মাসআলা: কেউ যদি ছুবহি ছাদিক্বের পূর্বে নিয়ত করতে ভুলে যায় তাহলে তাকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে নিয়ত করতে হবে।


ইফতারের দোয়া:

বাংলায় উচ্চারণ: (আল্লাহুম্মা সুমতু লাকা, ওয়া তাওআক্কালতু আ‘লা রিঝক্বিকা, ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীন)

অর্থ: আয় আল্লাহ পাক! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোযা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।

অতএব, সাহরীর সতর্কতামূলক শেষ সময়ের ৬মিনিট পর ফজরের আযান দিতে হবে। সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে ৩ মিনিট বাড়িয়ে ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৮.০৬.১৯৯৩খ্রি. তারিখে প্রনীত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী ১৪৪১ হিজরী(২০২০খ্রি.) সাহরী ও ইফতার এর ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সাথে অন্যান্য জেলার সময়ের পার্থক্যঃ

ঢাকার সময়ের সাথে একই হবেঃ সাহরীঃ নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, টাঙ্গাইল, চাঁদপুর।

ইফতারঃ গাজীপুর, নেত্রকোনা, পিরোজপুর, মাদারীপুর।

ঢাকার সময়ের সাথে বাড়াতে হবে:

জেলা সাহরী জেলা ইফতার

মানিকগঞ্জ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পঞ্চগড়, নীলফামারী ১মি. গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, ময়মনসিংহ ১মি.


ভোলা, শরীয়তপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাট, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, নড়াইল, খুলনা ২মি.

নওগা, ঝালকাঠি . শেরপুর, মাগুরা ৩মি.

নাটোর, পাবনা, রাজবাড়ী, মাগুরা, পটুয়াখালি, গোপালগঞ্জ ৪মি. সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, রাজবাড়ী, যশোর, সাতক্ষীরা ৪মি.


কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পিরোজপুর, বরগুনা, নড়াইল, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ ৫মি. কুষ্টিয়া, পাবনা, ঝিনাইদহ ৫মি.

চাপাইনবাবগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা , চুয়াডাঙ্গা, গাইবান্ধা, বগুড়া ৬মি.


মেহেরপুর, নাটোর, মেহেরপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ৭মি.


সাতক্ষীরা, রাজশাহী, নওগা, রংপুর, জয়পুরহাট ৮মি.

নীলফামারী, দিনাজপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ ১০মি.

পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ১২মি.

ঢাকার সময়ের সাথে কমাতে হবে:

জেলা সাহরী জেলা ইফতার

গাজীপুর, লক্ষীপুর, রংপুর, নোয়াখালী, গাইবান্ধা, কক্সবাজার ১মি. শরীয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ঝালকাঠি ১মি.


শেরপুর, জামালপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, চট্টগ্রাম, নরসিংদী ২মি. বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, সুনামগঞ্জ, চাঁদপুর ২মি.

কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ফেনী ৩মি. বি. বাড়িয়া, লক্ষীপুর, ভোলা, হবিগঞ্জ ৩মি.


বি.বাড়িয়া, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন ৪মি. কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মেীলভীবাজার ৪মি.

নেত্রকোনা, খাগড়াছড়ি. ফেনী ৫মি.


হবিগঞ্জ ৬মি.

সুনামগঞ্জ ৭মি.

মেীলভীবাজার ৮মি. খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ৮মি.

সিলেট ৯মি. রাঙ্গামাটি ৯মি.

বান্দরবন, কক্সবাজার ১০মি.

বিঃ দ্রঃ সকলকেই সাহরীর ও ইফতার-এর সময়ের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। যেনো কোনো অবস্থাতেই সময় কম বা বেশি না হয়। আর তাই অনেক কামেল ব্যক্তিবর্গ মনে করেন সেজন্য সাবধানতার নিমিত্তে সাহ্রী-এর সময় থেকে ৫ মিনিট কমিয়ে ও ইফতারী-এর সময় থেকে ১/২ মিনিট বাড়িয়ে সাহরী ও ইফতার করা উচিত। একটি হাদিস শরীফে আছে ইফতার ও সাহরীর ঘোষণার জন্য সাইরেন বাজানো হারাম। তবে ইফতারীর জন্য আযান দেয়া আর সাহরীর জন্য মুখে বা মাইকে ঘোষণা দেয়াই সর্বোত্তম।

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ