বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের অবস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান নিরূপন কর, রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ধারণা শিখতে পারবে,রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ক্ষেত্রসমূহ জানতে পারবে,আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধারণা শিখতে পারবে,আর্থসামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব জানতে পারবে

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের অবস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান নিরূপন কর, রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ধারণা শিখতে পারবে,রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ক্ষেত্রসমূহ জানতে পারবে,আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধারণা শিখতে পারবে,আর্থসামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব জানতে পারবে

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১১শ HSC বিএম -2021 বিষয়: বসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (১) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 10 বিষয় কোডঃ 1817
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের অবস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান নিরূপন কর

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ধারণা শিখতে পারবে,
  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ক্ষেত্রসমূহ জানতে পারবে,
  • আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধারণা শিখতে পারবে,
  • আর্থসামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব জানতে পারবে,

নির্দেশনা :  

  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,
  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা করতে হবে,
  • আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব সংক্ষেপে লিখতে হবে,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,

রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত বা পরবর্তী সময়ে জাতীয়করণকৃত কোনো ব্যবসায়ের মালিকানা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের অধীনে থাকলে তাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে।

রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত পরবর্তী সময়ে জাতীয়করণকৃত কোনো ব্যবসায়ের মালিকানা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের অধীনে থাকলে তাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে। রাষ্ট্র সক্ষম না হলে দেশের জনগণ পরাধীন ও পরমুখাপেক্ষী হতে বাধ্য। রাষ্ট্র সক্ষম হওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের যোগ্যতা ও সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ এবং নিয়ন্ত্রণ আরোপের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে। রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় BRTC ও বাংলাদেশ রেলওয়ে যোগাযোগব্যবস্থায়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থনীতিতে এবং BRTC ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা সৃষ্টি করে।

সি.বি.গুপ্ত (C.B.Gupta): The Term Public Enterprises Refcrs to Such Industrial and Commercial Enterprises Which are Owned and Controlled by Central and or State Governments. অর্থাৎ, রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলতে ঐসব শিল্প ও বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যেগুলোর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের হাতে থাকে।

প্রফেসর এ.এইচ.হ্যানসন(Professor A.H.Hanson): public Enterprises Mean State Ownership and Operation of Industrial, Agricultural, Financial and Commercial Undertakings.অর্থাৎ,রাষ্ট্রীয় মালিকানায় ও পরিচালনা শিল্প, কৃষি, আর্থিক ও বানিজ্যিক সংক্রান্ত কাজকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা করতে হবে,

রাষ্ট্রীয় কর্তৃক গঠিত বা পরবর্তীতে জাতীয়করণকৃত কোন ব‍্যবসায়ের মালিকানা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের অধীনে থাকলে তাকে রাষ্ট্রীয় ব‍্যবসায় বলে। রাষ্ট্রীয় ব‍্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ সাধন করা।

অন্যান্য ব্যবসায়ের চেয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের বেশ কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিম্নে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হলো –

  • রাষ্ট্র কর্তক গঠিত (Formed by The state): সরকারি উদ্দ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করন করার মাধ্যমেও রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় গঠিত হতে পারে। সরকারের বিশেষ আদেশ, রাষ্টপতির অধ্যাদেশ অথবা জাতীয় সংসদে বিশেষ আইন পাসের দ্বারা এ ব্যবসায় গড়ে ওঠে। আবার, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগেও এটি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
  • জনকল্যাণ (Public Welfare): অন্যান্য ব্যবসায়ের প্রধান লক্ষ্য মুনাফা অর্জন। তবে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মূল লক্ষ্য জনকল্যাণ। এ ব্যবসায়ের মাধ্যমে জনসাধারণের কল্যাণ ও সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ন্যায্যমূল্যে উন্নতমানের পণ্য ও সেবা সরবরাহ করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।
  • রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ (Controlled by The State): ব্যবসায় পরিচালনা নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হয়। সাধারণ রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ১০০% মালিকানা সরকারের হয়ে থাকে। তবে যৌথ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ে কমপক্ষে ৫১% শেয়ার সরকারের এবং সর্বোচ্চ ৪৯% শেয়ার বেসরকারি মালিকানায় থাকতে পারে। কিন্তু, ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ আনুপাতিক হারে সরকারের হাতে থাকে। এক্ষেত্রে সব ধরনের দায়ও সরকার বহন করে।
  • স্বায়ওশাসন (Autonomous): রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের বেশির ভাগ ক্ষেএে স্বায়ওশাসন ভোগ করে। বিশেষ অধ্যাদেশ ও আইনের মাধ্যমে এগুলো পরিচালিত হয়। সরকারি নীতি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আইনের আওতায় এর স্বাভাবিক কাজ চললেও, এর দৈনন্দিন কাজে বেশ স্বাধীনতা লক্ষ করা যায়।
  • রাষ্ট্রীয় পরিচালনা ( Operated by The state): রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার ভার সরকারের। এ ব্যবসায়ের ধরন অনুযায়ী সরকারি বিভাগীয় সংগঠনগুলো মন্ত্রণালয় বা সরকারি বিভাগের অধীনে থাকে। আবার,বিধিবন্ধ সংস্থাগুলোও সরকার কর্তৃক নিযুক্ত নির্বাহী ও পরিচালনা পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন।
  • মূলধন সরবরাহ ও মুনাফা বন্টন (Capital Supply and Profit Distribution): রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মোট পুঁজিকে সমান মূল্যের শেয়ারে ভাগ করা হয়৷ এসব শেয়ারের দায় লিখিত মূল্য (Face Value) দ্বারা সীমাবদ্ধ। সম্পূর্ণ শেয়ার সরকার কিনে নেওয়ায় জনগণকে কোনো দায় বহন করতে হয় না। এ ব্যবসায়ে অর্জিত মুনাফা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। ক্ষতি হলেও তা সরকারকেই বহন করতে হয়।
  • আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা (Bureaucratic management): আমলাতান্ত্র এমন এক শাসন ব্যবস্থা যাতে স্থায়ী সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্ব বিভাজনের মাধ্যমে সরকারের সব কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনার ভার সরকারি কর্মকর্ত ও কর্মচারীদের। সাধরণত সরকারি কর্মকর্তাদের আমলাতান্ত্রিক মনোভাব এর ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলে।
  • রাষ্ট্রীয় কর্তৃক গঠিত (Formed by The State): সরকারি উদ্দ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বা ব্যাক্তিমালিকানাধীন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করন করার মাধ্যমেও রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় গঠিত হতে পারে। সরকারের বিশেষ আদেশ, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ অথবা জাতীয় সংসদে বিশেষ আইন পাসের দ্বারা এ ব্যবসায় গড়ে ওঠে। আবার, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্দ্যোগেও এটি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
  • বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান (Large Scale Organization): রাষ্টীয় ব্যবসায় সাধারণত বড় আকারের হয়ে থাকে। যেসব ক্ষেএে মুনাফার পরিমাণ কম অথবা বৃহৎ আকারের পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয়,সেসব ক্ষেএে উদ্যোক্তারা সাধারণত বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসেন না। এসব ক্ষেএে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগই বেশি দেখা যায়। যেমনঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বিমান সংস্থা, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, রেলওয়ে কোম্পানি, পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা প্রভৃতি।
  • চিরন্তন অস্তিত্বসম্পন্ন (Perpetual Entity): এ ব্যবসায় পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মতো চিরন্তন অস্থিত্বের অধীকারী। অনেক সময় জনগণের কল্যাণের দিক বিবেচনা করে লোকসান হওয়া সও্বেও সরকার এ ব্যবসায় বন্ধ করে না।তাছাড়া, বড় আকারের ব্যবসায় হওয়ায় এগুলোকে বন্ধ করে দেওয়াও অনেক ক্ষেএে সম্ভব হয় না।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

জাতিসংঘ সামাজিক উন্নয়ন কমিশনের ৫৭তম অধিবেশনে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, ‘মানবিক উন্নয়ন সূচকে টেকসই ক্রমোন্নতিসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

আর্থ সামাজিক বলতে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ও সামাজিক জীবন এর মাঝে সম্পর্ককে বুঝায়। আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে জিডিপি, জীবনমান, শিক্ষার হার এবং শ্রমিকের স্তরের উন্নতি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একজন ব্যক্তি তার জীবনে বেঁচে থাকার জন্য যেসব কার্যাবলিতে লিপ্ত হয়, সেসব উপাদানই হলাে আর্থ–সামাজিক উন্নয়ন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব সংক্ষেপে লিখতে হবে,

ব্যবসায় উদ্যোগের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের গ্রন্থসমূহ নিম্নে বর্ণনা করা হলো:

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে উদীয়মান বাঘ হিসেবে খ্যাত। বিশ্বের নামকরা অর্থনীতিবিদগণ বলেছেন দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের সিংহভাগ সেবা ও কৃষি খাত থেকে আসলেও শতকরা ৩০ ভাগ আসে শিল্প খাত থেকে। সেই দেশকে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশ বলা হয়, যার মোট জাতীয় উৎপাদনের বেশির ভাগ আসে শিল্প খাত থেকে। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্প খাতসহ সকল খাতের উন্নয়ন সম্ভব । ব্যবসায় উদ্যোগ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যেভাবে ভূমিকা বা অবদান রাখে তা নিম্নরূপ:

১। সম্পদের সদ্ব্যবহার: দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে ব্যবসায় উদ্যোগ দেশে নতুন নতুন ব্যবসায় গঠন ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে।

২। মূলধন গঠন: মূলধন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান গঠন বা নতুন কিছু উৎপাদন সম্ভব নয়। ব্যবসায় উদ্যোগ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও বিচ্ছিন্ন সঞ্চয়কে একত্রিত করে মূলধন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

৩। জাতীয় উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি: ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে মোট দেশজ উৎপাদন [Gross Domestic Product (GDP) ও মোট জাতীয় উৎপাদন [Gross National Product (GNP) বৃদ্ধি পায়। ফলে, মোট জাতীয় আয় (Total National Income) বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মাথা পিছু আয়ও (Income Per Capita) বৃদ্ধি পায়।

৪। কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বর্তমান উন্মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে সরকারের পুরোপুরি কর্মসংস্থানের দায়িত্বভার নেয়ার সুযোগ নেই। বরং রাষ্ট্র এরূপ সহায়ক ভূমিকা পালন করে যাতে দেশে বেসরকারি মালিকানায় নতুন নতুন শিল্প কল-কারখানা, ব্যবসায় ইউনিট গড়ে উঠে এবং নিত্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর এটা ব্যবসায় উদ্যোগ ছাড়া সম্ভব নয়।

৫। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি: বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অদক্ষ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে বিনিয়োজিত করে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করা যায়। জাপান এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

৬। পরনির্ভরশীলতা হ্রাস: যে সকল পণ্য ও সেবাকর্ম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্প, কল-কারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করে ঐ সকল পণ্য ও সেবাকর্ম উৎপাদন করে পরনির্ভরতা দূর করা যায়।

৭। শিল্পোন্নয়ন: ব্যবসায় উদ্যোগের অর্থাৎ দক্ষ ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের দ্বারাই নতুন নতুন ব্যবসায় সংগঠন স্থাপন, পণ্য ও সেবাকর্ম উৎপাদন এবং আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিল্পোন্নয়ন ঘটে থাকে।

৮। বিনিয়োগ বৃদ্ধি: ব্যবসায় উদ্যোগের দ্বারা দেশে এরূপ ব্যবসায় বান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়, যার ফলে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারী নতুন নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করে।

৯। পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ব্যবসায় উদ্যোগের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়।

১০। প্রযুক্তির উন্নয়ন: প্রযুক্তি সতত পরিবর্তনশীল। উন্নত গবেষণার মাধমে ব্যবসায় উদ্যোগ বা উদ্যোক্তা ক্রমাগতভাবে লাগসই প্রযুক্তি সংগ্রহ ও ব্যবহার করেন। ফলে দেশের প্রযুক্তির বিকাশ ও উন্নয়ন হয়ে থাকে।

সর্বশেষ আমরা বলতে পারি যে উপরোক্ত কাজগুলো আর্থিক সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগ এর গুরুত্ব অনেকাংশে বেশি বলে আমাদের ধারণা।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *