ডিপিএড কোর্সে ভর্তির সময় ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত

নিষ্পত্তি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা, ১ বছরেও নড়েনি বদলির ফাইল

অপরাধ জাতীয়
শেয়ার করুন:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ পেয়ে থাকেন সহকারী শিক্ষকরা। তবে ২০২০ সালে আবেদন করেও বদলি পাননি অনেকে শিক্ষক। এ নিয়ে শিক্ষকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, গত ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হলে বদলি কার্যক্রম স্থগিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। তৎকালীন ডিপিই মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সব আবেদন সময় নিয়ে নিষ্পত্তি করা হবে। তবে তার সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন না করেই চলতি বছর থেকে অনলাইনের মাধ্যমে নতুন করে বদলি প্রক্রিয়া শুরু করেছে ডিপিই।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলছেন, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে বদলির আবেদন করে বিধি মোতাবেক উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় অফিসের সব কার্যক্রম শেষ করে আবেদনগুলো অধিদপ্তরে জমা আছে। এক বছর অতিক্রম হলেও তাদের বদলির বিষয়টির সুরাহা হয়নি। নীতিমালা মেনে প্রতিটি ধাপ পার হয়ে প্রায় শেষ হওয়া আবেদনগুলো নিয়ে আদেশ জারির পরই অনলাইন বদলি চালু করা হোক।

এদিকে ডিপিইতে আটকে থাকা বদলির বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে নতুন মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বদলিপ্রত্যাশীরা। সেখানে তারা গত এক বছর ধরে অধিদপ্তরে আটকে থাকা বদলির ফাইলগুলো নিষ্পত্তির অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে তাদের সেই অনুরোধে এখনো সাড়া দেইনি ডিপিই। ফলে চরম হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন শিক্ষকরা।

প্রসঙ্গত, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সিটি করপোরেশন এলাকায় বদলির বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) দেখভাল করে। অন্যদিকে জেলা সদরে বদলির বিষয়টি দেখভাল করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

চকুরি

শেয়ার করুন:

আপনার মূল্যবান মতামত দিন