দাখিল ভোকেশনাল ইসলামের ইতিহাস (২) ৮ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট পরীক্ষার্থীদের ২০২২,২০২২ সালের দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের ইসলামের ইতিহাস (২) ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

দাখিল ভোকেশনাল ইসলামের ইতিহাস (২) ৮ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট পরীক্ষার্থীদের ২০২২,২০২২ সালের দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের ইসলামের ইতিহাস (২) ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

Assignment এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১০ম ভোকেশনাল দাখিল 2022 বিষয়: ইসলামের ইতিহাস (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 2 বিষয় কোডঃ 1325
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ভারত উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসার কিভাবে বিস্তার লাভ করেছিল বিশদভাবে ব্যাখ্যা প্রদান

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • চতুর্থ অধ্যায় ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের আগমন। ,
  • মুসলিম বিজয়ের পূর্বে আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থা।,
  • দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ মুহাম্মদ বিন কাশিমের নেতৃত্বে সিন্ধু ও মূলতান অভিযান।,
  • তৃতীয় পরিচ্ছেদ সুলতান মাহমুদের প্রধান অভিযান সমূহ ও ভারত অভিযানের ফলাফল,

নির্দেশনা :  

  • ভারত মহাদেশে মুসলমানদের আগমনের ধারণা।,
  • মুহাম্মদ বিন কাশিম কর্তৃক সিন্ধু ও মূলতান আক্রমনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ।,
  • সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের কারণ ও ফলাফল,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ভারত মহাদেশে মুসলমানদের আগমনের ধারণা।,

ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম বিজয় শুরু হয় প্রধানত ১২শ থেকে ১৬শ শতাব্দীতে। তবে ৮ম শতাব্দীতে মুসলমানেরা রাজপুত সাম্রাজ্যে (বর্তমান আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে) হামলা চালিয়ে পেরে উঠতে না পারলেও রাজপুতদের বিভিন্ন ছোট ছোট অঞ্চল দখল নেয়।

তবে দখলকৃত অঞ্চলগুলো বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। অতঃপর দিল্লি সালতানাত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলাম উপমহাদেশের বড় অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা জয় করেন যা ছিল তৎকালে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পূর্ব প্রান্ত।

১৪ শতকে খিলজি বংশের, আলাউদ্দিন খিলজি তার সাম্রাজ্যের সীমানা দক্ষিণে গুজরাত,রাজস্থান ও দাক্ষিণাত্য মালভূমি এবং তুগলক রাজবংশ তাদের সীমানা তামিলনাড়ু পর্যন্ত বাড়ায়।

কিন্তু দিল্লি সালতানাত ভেংগে গেলে ভারতীয় উপমহাদেশ জুড়ে অনেক গুলো নতুন সালতানাতে আবির্ভাব ঘটে, যার মধ্যে গুজরাত সালতানাত, মালওয়া সালতানাত, তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাণিজ্য পথের অধিকারী বাংলা সালতানাত

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • মুহাম্মদ বিন কাশিম কর্তৃক সিন্ধু ও মূলতান আক্রমনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ।,

ভারতবর্ষের উপর মুসলমানদের নজর পড়েছিল হযরত ওমর (রা) এর সময় থেকেই। কারণ এই উপমহাদেশের ধন-সম্পদ আর ঐশ্বর্য সম্পর্কে আরবদের জানতে বাকি ছিল না। ইসলামের আবির্ভাবের অনেক পূর্ব থেকেই আরব বণিকরা এদেশে ব্যবসার উদ্দেশ্যে নিয়মিত যাতায়াত করত। ইসলামের আবির্ভাবের পর অনেক সাহাবী ব্যবসায়ীও উপমহাদেশে অসংখ্য জাহাজ ভিড়িয়েছেন। এ সমস্ত কারণে মুসলমানদের কিংবা বাহিরাগতদের এ অঞ্চল বার বার প্রলুব্ধ করেছে বিজয়ের জন্য।

হযরত ওমর (রা) এর শাসনামলে ৬৩৭ সালে সমুদ্রপথে একদল সৈন্য ভারতবর্ষ অভিমুখে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং দূরতম অভিযানের জন্য এই মিশন বাতিল হয়ে যায়। এরপরেও একাধিকবার সিন্ধু জয়ের জন্য মুসলিমরা ব্যর্থ অভিযান চালিয়েছে। সর্বশেষ সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চল উমাইয়া খিলাফতের অধিকারে চলে আসে। দখলে আসে বেলুচিস্তান ও মাকরান অঞ্চলও। এরপর আর ভারতের দিকে মুসলমানরা নজর দেয়ার তেমন একটা সময় পায়নি।

শিল্পীর রংতুলিতে রাজা দাহির

চিঠিটা আগাগোড়া কয়েকবার পড়লেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। মাত্র কয়েক বছর আগে চোখের সামনে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে নিহত হতে দেখেও যে চোখে বিন্দুমাত্র দয়ার উদ্রেক হয়নি, আজ সিন্ধু দেশে এক মুসলিম বালিকার অসহায়ত্বের কথা শুনে সেই চোখ অশ্রু সজল হয়ে উঠল। তার ভেতরে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠলেও এই মুহূর্তে তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল ভিন্ন চিন্তা। তিনি চিন্তিত ছিলেন বোখারা আক্রমণ নিয়ে। এমন একটা পরিস্থিতিতে সিন্ধুর মতো বিশাল বাহিনীর সামনে দাঁড়ানোর জন্য যথেষ্ট সৈন্য-সামন্ত এবং অর্থ তার হাতে নেই।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

কিন্তু তিনি দমে গেলেন না। আপন ভাতিজা মুহাম্মদ বিন কাসিম এবং যুবায়েরকে পাঠিয়ে দিলেন দামেস্কে খলিফা ওয়ালিদ ইবনে মালেকের দরবারে। সাথে তিনি একখানা চিঠিও লিখে দিলেন খলিফা বারাবর। ক্ষিপ্রগতিতে ঘোড়া ছুটিয়ে মুহাম্মদ এবং যুবায়ের চলে গেলেন দামেস্কে খলিফা ওয়ালিদের দরবারে। খলিফা চিঠি পড়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। কারণ আরব কন্যার চিঠিটি ছিল খুবই আবেগপূর্ণ এবং নিজের সতীত্ব ও সম্ভ্রম রক্ষার আর্তনাদ।

চিঠি পড়ার পর ওয়ালিদ ইবনে মালেক অনুমতি দিতে দেরি করলেন না। তবে অধিকাংশ মুসলিম সৈন্য তখন ইরাক, তুর্কমেনিস্তান ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধরত ছিল। তাই মুসলিম জাহানের নতুন করে অভিযান পরিচালনার জন্য কোনো সৈন্য উদ্বৃত্ত ছিল না। এজন্য সৈন্য সংগ্রহের দায়িত্ব খলিফা মুহাম্মদ ইবনে কাসিমের হতে ছেড়ে দেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর মুহাম্মদ আর দেরি করলেন না। যুদ্ধের নাকারা বাজিয়ে দিলেন। দামেস্ক থেকে কিছু সৈন্য তার দলে নাম লেখাল। এরপর তিনি তীব্র বেগে ঘোড়া ছুটিয়ে দিলেন বসরা অভিমুখে। দামেস্ক থেকে সংগ্রহ করা ৫ হাজার সৈন্যও তার সাথে চলল।

বসরায় পৌঁছেই তিনি সৈন্য সংগ্রহে নেমে পড়লেন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে জনসাধারণকে জড়ো করে আরব কন্যা সেই আর্তনাদমাখা ঠিকানা পড়ে শোনাতে লাগলেন। জ্বালাময়ী ভাষণে যুদ্ধের জন্য আহ্বান জানালেন। বসরার অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ও বৃদ্ধরাও ঘর থেকে বের হয়ে আসলো এই জ্বালাময়ী ভাষণ শুনে। সৈন্যদের মিছিল শুরু হয়ে গেল বসরার অলিগলিতে। এদের অনেকেই প্রশিক্ষিত এবং পেশাদার সৈনিক ছিল না। এমনকি অনেকেই ছিল যারা ইতিপূর্বে কখনও যুদ্ধই করেনি। দূরদেশে আক্রমণকারী সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এক ১৭ বছর বয়সী তরুণের উপর ন্যস্ত হওয়ার দৃষ্টান্ত পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই বোধহয় প্রথম।

আরব কন্যার আর্তনাদে জ্বলে উঠলো পুরো বসরা নগরী। যার যতটুকু সামর্থ্য ছিল তা-ই দিয়ে সাহায্য করতে লাগল। নারীরা তাদের গলার হার, কানের দুল খুলে দিয়ে দিল। মুহাম্মদ বিন কাসিমের স্ত্রী জোবাইদা তো সমস্ত স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে তার হাতে তুলে দিলেন। এভাবেই যুদ্ধের সমস্ত ব্যয় ভার বহন করা হয়েছিল।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

উল্লেখ্য, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ মাকরানের শাসনকর্তা মুহাম্মদ ইবনে হারুনের মাধ্যমে ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে ২০ জন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাজা দাহিরের নিকট পাঠিয়েছিলেন যেন মুসলিম বিধবা নারী ও এতিম শিশুদের ফেরত দেয়া হয় এবং অপরাধী জলদস্যুদের বিচার করা হয়। কিন্তু এমতাবস্থায় মাকরানের শাসনকর্তা মুহাম্মদ ইবনে হারুনের কাছ থেকে একটি বার্তা এসে পৌঁছালো। জানা গেল- ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে যে ২০ জন লোকের যে প্রতিনিধিদল দেবলে পাঠানো হয়েছিল, তাদের মধ্যে মাত্র দুজন জীবন নিয়ে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে। বাকি সবার প্রাণনাশ করা হয়েছে। প্রতিশোধস্পৃহার আগুনে এ খবর যেন আরও তেল ঢেলে দিল।

মাত্র ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে সিন্ধু আক্রমণ করেন মুহাম্মদ বিন কাসিম

সর্বসাকুল্যে মুহাম্মদ বিন কাসিম ১২ হাজার সৈন্যের একটি কাফেলা নিয়ে সিন্ধু অভিমুখে যাত্রা করলেন। এর মধ্যে ৬ হাজার ছিল অশ্বারোহী, ৩ হাজার পদাতিক এবং বাকি ৩ হাজার রসদবাহী উটের সাথে ছিল। এদিকে এই খবর রাজা দাহির আগেই পেয়ে যান। তার প্রায় ৭০ হাজার সুপ্রশিক্ষিত সৈন্য তখন দেবল দুর্গ পাহারারত।

৭১১ সালের নভেম্বরে মুহাম্মদ বিন কাসিম শিরাজ হয়ে মাকরানে পৌঁছালেন। মাকরানের সীমান্ত অতিক্রম করার সময় লাসবানের পার্বত্যাঞ্চলে তাকে অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। কারণ পাহাড়ের খাজে খাজে সিন্ধু রাজার তীরন্দাজ সৈন্যরা অবস্থান করছিল। এসব বাধা অতিক্রম করে তিনি যাত্রা অব্যাহত রাখেন।

প্রথমেই তিনি দেবল দুর্গ অবরোধ করলেন। কয়েক মাস অবরোধ করে রাখার পর দেবল দুর্গ মুসলমানদের অধিকারে চলে আসে। রাজা দাহির তার সৈন্য-সামন্ত নিয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেন রাওয়ার দুর্গে। এরপর বিন কাসিম মাত্র ৪ হাজার সৈন্য দেবলে রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। উল্লেখ্য, রাজা দাহিরের উপরে স্থানীয় বৌদ্ধ, জেঠ, মেঠদের ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। মুহাম্মদ বিন কাসিমের এই অভিযানে তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। জেঠ, মেঠ ও বৌদ্ধ সৈন্যরাও যোগ দেয় মুহাম্মদের দলে। আবার অনেক হিন্দু সৈন্যও রাজা দাহিরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মুহাম্মদের সৈন্যদের সাথে যোগদান করে। কাজেই মুহাম্মদ বিন কাসিম মাত্র ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ক্রমান্বয়ে সেই সৈন্যসংখ্যা বাড়তে থাকে। স্থানীয় সৈন্যদের সাহায্যে প্রায় বিনাযুদ্ধে বহু এলাকা জয় করতে থাকেন তিনি।

মুহাম্মদ বিন কাসিম তার বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে ঘোড়ার ক্ষুরের দাপটে ধুলা উড়িয়ে অগ্রসর হতে লাগলেন উত্তর থেকে পশ্চিম দিকে। রাওয়ারে পৌঁছানোর পূর্বেই দাহির তার ৫০ হাজার সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে মুহাম্মদ বিন কাসিমের অগ্রযাত্রা রোধ করতে আসেন। বিন কাসিম যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই সিন্ধু নদী অতিক্রম করেন। এসময় তার বাহিনীতে ঠিক কত সৈন্য ছিল ইতিহাসে এর সঠিক কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। তবে রাজা দাহিরের চেয়ে তার বাহিনীতে সৈন্যসংখ্যা ছিল অনেক কম এতে কোনো সন্দেহ নেই। সিন্ধু অতিক্রম করে মুহাম্মদ বিন কাসিম তার বাহিনী নিয়ে রাওয়ার দুর্গ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তাঁবু খাটান।

সেখানে উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েকদিনব্যাপী তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। অবশেষে রাজা দাহির পরাজিত ও নিহত হন। ৭১২ সালের ১২ জুন মুহাম্মদ বিন কাসিম চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন। দাহিরের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রানী বাঈ এবং তার পুত্র অবস্থান নেন রাওয়ার দুর্গের ভেতরে। কিন্তু সেখানও তিনি নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারলেন না। অবশেষে দুর্গের পতন হলে তিনি তার পুত্র ও সেবিকাদের নিয়ে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। রাওয়ার দুর্গ জয়ের মাধ্যমে সমগ্র সিন্ধু মুহাম্মদ বিন কাসিমের আয়ত্তে চলে আসে। কয়েক মাসব্যাপী চলা এই অভিযানে দেবল ও রাওয়ার দুর্গ জয়ের মাঝখানে মুহাম্মদ আরও কয়েকটি শহর জয় করেন, যেমন- ব্রাহ্মণ্যবাদ, বধু, নিরুন, মুলতান ইত্যাদি।

মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে সিন্ধু বিজয় ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। সিন্ধু বিজয়ের পরই অসংখ্য মুসলিম শাসক ভারত অভিযানের সুযোগ পেয়েছেন। সিন্ধু বিজয় ভারতীয় উপমহাদেশ আক্রমণের জন্য মুসলমানদের পথ খুলে দেয়। এজন্য সিন্ধুকে বলা হতো উপমহাদেশের ‘বাবুল ইসলাম’ বা ইসলামের প্রবেশপথ। যদিও মুহাম্মদ বিন কাসিমের বিজিত অঞ্চল মাত্র ৫০ বছর মুসলমানদের অধিকারে ছিল, তারপরেও এ বিজয়ের প্রভাব ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের কারণ ও ফলাফল,

রাজনৈতিক কারণ:

সুলতান মাহমুদের পিতা সবুক্তগীনের সময় থেকে গজনির সাথে পাঞ্জাবের হিন্দুশাহী বংশের বিরােধ চলছিল। পাঞ্জাবের হিন্দুশাহী রাজ্যের রাজা জয়পাল সবুক্তগীনের শক্র হওয়ায় সুলতান মাহমুদ জয়পালের সাথে শত্রুতা উত্তরাধিকার সূত্রেই পেয়েছিলেন। ভারতের অনেক রাজা জয়পালের সাথে মাহমুদ বিরােধী জোটে যােগদান করেন। সুতরাং মাহমুদকে তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করতে হয়। আবার ভারতের কোন কোন রাজা মাহমুদের সাথে বন্ধুত্ব সূত্রে আবদ্ধ হয়। এতে তাঁদের প্রতিবেশী রাজন্যবর্গ তাঁদের প্রতি বৈরী আচরণ শুরু করেন। মিত্রবর্গে স্বার্থ সংরক্ষণের জন্যও মাহমুদকে ভারতে অভিযান করতে হয়। পরাজিত রাজারা মাহমুদের সাথে সন্ধি করেন তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সুযােগ পেয়ে সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করেন। বিদ্রোহী রাজাদের সন্ধির শর্ত পালনে বাধ্য করার জন্যও সুলতান মাহমুদকে অভিযান দ্রোহীরাজাদের সন্ধির শত করতে হয়।

অর্থনৈতিক কারণ:

সুলতান মাহমুদ রাজধানী গজনিকে তিলােত্তমা নগরীতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন জ্ঞানী-গুণীর পৃষ্ঠপােষক। তাঁর ছিল একটি অত্যন্ত শক্তিশাল রাষ্ট্রীয় সৈন্যবাহিনী। তিনি দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তােলেন। এসবের জন্য তাঁর প্রচুর অর্থের প্রয়ােজন ছিল। গজনীর রাষতী কমাগার তাঁর চাহিদার যােগান দিতে পারছিল না। তাই তিনি বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহের প পরিকল্পনা করেন। তখন ভারত ছিল সম্পদশালী দেশ। এখানকার বিভিন্ন রাজ্যের কোষাগার ধনরত্নে পূর্ণ ছিল। ধর্মপ্রাণ বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গঅকাতরে মন্দিরগুলােতে দান করতাে। মন্দিরকে নিরাপদ বিবেচনা করে অনেক সময় রাজারাও তাতে ধনরত্ন সংরক্ষণ করতেন। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই সুলতান মাহমুদের নজর ভারতের উপর পড়ে।

এজন্য তিনি প্রায় প্রতি বছর ভারতে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ভারত থেকে প্রচুর ধন-রত্ন নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যান। প্রফেসর হাবিব, প্রফেসর নাজিম ও হেইগ প্রমুখ আধুনিক ঐতিহাসিকগণ সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক কারণকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই বলে মাহমুদকে লুণ্ঠনকারী বা অর্থলােলুপ তস্কর বলা যাবে না । কারণ ভারত থেকে সংগৃহীত অর্থ তিনি মানব কল্যাণে ব্যয় করেন। নিজের ভােগ-বিলাসের জন্য তিনি সে অর্থ ব্যবহার করেন নি।

সামরিক উদ্দেশ্যঃ

সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণের পাশাপাশি সামরিক উদ্দেশ্য ছিল। তাঁর রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য উত্তর-পশ্চিম সীমান্তপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও সিন্ধু দখল করা অত্যন্ত প্রয়ােজন ছিল। এ সকল অঞ্চল ছিল সামরিক দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ সমরবিদ হিসেবে অশ্বারােহী ও পদাতিক বাহিনী ছিল সুশৃংঙ্খল ও সমরনিপুণ। তিনি বুঝতে পারেন এ সকল অঞ্চল জয় করতে তাঁকে খুব একটা বাঁধার সম্মুখীন হতে হবে না। সুতরাং তিনি বার বার ভারত আক্রমণ করে তাঁর সামরিক উদ্দেশ্য হাসিল করেছিলেন।

ধর্মীয় উদ্দেশ্যঃ

সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের পশ্চাতে কোন ঐতিহাসিক ধর্মীয় উদ্দেশ্যও কার্যকর ছিল বলে মনে করেন। তাঁদের মতে তিনি ভারতে ইসলাম প্রচারে অভিলাষী ছিলেন। কিন্তু আধুনিক ঐতিহাসিকগণ এই মত সমর্থন করেন না। তাঁরা মনে করেন মাহমুদের যুগে শাসকগণ ইসলাম প্রচার করা তেমন কর্তব্য বলে মনে করতেন না। তিনি ভারত অভিযানে এসে কোন বিধর্মীকে বলপূর্বক ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেন নি। এছাড়া মাহমুদ হিন্দু মন্দির দখল করেছেন ধর্ম বিদ্বেষের কারণে নয়, বরং অর্থ পাওয়ার আশায়। এ সকল মন্দির ছিল যুগ যুগ ধরে সঞ্চিত সম্পদে পূর্ণ। সর্বোপরি তার সেনাবাহিনীতে হিন্দু সৈন্যের উপস্থিতি তার ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যকে অনুমােদন করে না।

সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের ফলাফলঃ

মাহমুদের ভারত অভিযানের প্রভাব সমগ্র উত্তর-পশ্চিম ভারতে অনুভূত হয়। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এই অভিযানের প্রভাব ছিল ব্যাপক। সুলতান মাহমুদ অভিযান করেছেন, জয়লাভ করেছেন এবং ধন-সম্পদ নিয়ে নিজের রাজ্য গজনিতে ফিরে গিয়েছেন। শুধু পাঞ্জাবের কিয়দংশ এবং মুলতান ছাড়া ভারতের আর কোন অঞ্চল তাঁর সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন নি এবং কোন স্থায়ী সাম্রাজ্যও প্রতিষ্ঠা করেন নি। কয়েকজনরাজা অবশ্য তাঁকে কর দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু ১০৩০ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে এই সকল রাজা কর প্রদান বন্ধ করেন। পাঞ্জাব ও মুলতান ছাড়া উত্তর ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের রাজাগণ তাঁদের স্ব স্ব রাজ্যে নিজেদের প্রভূত পুনরায় স্থাপন করেন। এই দিক দিয়ে বিবেচনা করলে আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, সুলতান মাহমুদে ভারত অভিযান সফল হয় নি। তবে এ কথাও সত্য যে, সুলতান মাহমুদের বিজয় স্থায়ী না হলেও তাঁর বিজয়ই পরবর্তীকালে মুসলমানদের ভারত বিজয়ের পথ সুগম করেছিল।

সুলতান মাহমুদের বার বার আক্রমণ উত্তর ভারতের রাজন্যবর্গের সামরিক শক্তি দুর্বল করে দিয়েছিল। সামরিক প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে একেবারেই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন বলে পরবর্তী মুসলমান আক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভবপর হয় নি। সুলতান মাহমুদের অভিযানের সময় ভারতীয় সামরিক শক্তি ও রণকৌশল মুসলমানদের সামরিক শক্তি ও রণকৌশলের তুলনায় যে কত দুর্বল তা প্রকটভাবে ধরা পড়ে। মাহমুদ ভারতের সমৃদ্ধ। জনপদ, নগর, দুর্গ ও মন্দির আক্রমণ করেন ধন-রত্ন লাভ করার জন্য। এই জন্য এ সকল লক্ষ্যস্থল থেকে তিনি প্রচুর সম্পদ নিজ রাজধানী গজনিতে নিয়ে যান। এর ফলে ভারত অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। অপরদিকে গজনি অর্জন করে আর্থিক সমৃদ্ধি। ভারতের আর্থিক দুর্বলতা তার সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের ফলাফল ছিল লক্ষ্যনীয়। সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের ফলাফল সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও লক্ষ্যনীয়। সুলতান মাহমুদ সম্পর্কে ঐতিহাসিক ডব্লিউ হেগ মন্তব্য করেন তিনিই প্রথম ভারতের মধ্যস্থলেইসলামের পতাকা উড্ডীন করেন। সুলতান মাহমুদের সৈন্যবাহিনীর সাথে অনেক সুফি-দরবেশ ও পণ্ডিত ব্যক্তি ভারতে আসেন। সুফি-দরবেশগণ ভারতে ইসলাম প্রচারে সহায়তা করে তাদের সান্নিধ্যে এসে বহু ভারতীয় ইসলাম গ্রহণ করে। পন্ডিত ব্যক্তিগণ ভারতের জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাথে ইসলামি চিন্তা চেতনার সমন্বয় সাধন করেন। উদাহরণ স্বরূপ বিখ্যাত পন্ডিত আল-বিরুনী দশ বছর ভারতে অবস্থান করেন। তিনি ভারতীয় পন্ডিতদের নিকট ভারতের দর্শন, সমাজ ব্যবস্থা ও কৃষি সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করেন। এর ফল স্বরূপ তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ কিতাব-উল-হিন্দ’ প্রণয়ন করেন। গ্রন্থটি ভারত ইতিহাসের অমূল্য উপকরণ। মাহমুদের অভিযানের ফলে ইসলামি সভ্যতা ও ভারতীয় সভ্যতার মধ্যে ভাব বিনিময় ঘটে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • গ) মইজ উদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরীর অভিযানের পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক অবস্থার বিবরণ।

আফগানিস্তান, কাশ্মীর ও কনৌজঃ

মৌর্য বংশের শাসনামল থেকেই আফগানিস্তান ছিল ভারতের একটি অংশ মুসলিম ঐতিহাসিকগণ এটিকে হিন্দুশাহী রাজ্য বলে অভিহিত করেন। সপ্তম শতাব্দিতে কর্কট রাজবংশীয় দুর্লভ বর্ধনে অধীনে কাশ্মীর ছিল উত্তর ভারতের অপর একটি স্বাধীন রাজ্য। বিজেতা, বিদ্যোৎসাহী ললিতাদিত্য মুক্তপীড় ছিলেন কাশ্মীরের রাজাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর। তিনি কনৌজ, কামরূপ, কলিঙ্গ ও গুজরাট জয় করেন বলে জানা যায়।কর্কট বংশের অপর একজন শাসক জয়পীড় পেঁৗড় ও কনৌজের নৃপতিদের পরাজিত করেন। অষ্টম শতাব্দির প্রথম দিকে কনৌজ ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ। রাজ্য হিসেবে পরিগণিত হত। উত্তর-ভারতের অন্যতম পরাক্রমশালী রাজা যশােবর্মণ কনৌজের হৃত গৌরব ও আধিপত্য পুনরুদ্ধার করেন। তিনি গৌড় জয় করে এর রাজাকে হত্যা করেন এবং কাশ্মীর রাজ ললিতাদিত্যের সহায়তায় তিব্বত অভিষান করেন। তিনি চীনে দূত প্রেরণ করেন। কাশ্মীরের রাজা ললিতাদিত্য কর্তৃক তিনি পরাজিত ও নিহত হন। যশােবর্মণ, সিন্ধুরাজ দাহিরের সমসাময়িক ছিলেন। অত:পর অষ্টম শতকের প্রথম দিকে কনৌজে গুরজর-প্রতিহার রাজবংশের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

সিন্ধু ও মালব-দিল্লি ও আজমীরঃ

সপ্তম শতকে সিন্ধু ছিল হর্ষবর্ধনের সাম্রাজ্যভূক্ত। পরবর্তীতে ‘চাচ সিন্ধুর জনৈক ব্রাহ্মণ মন্ত্রী সিন্ধুতে স্বাধীন রাজবংশের গােড়াপত্তন করেন। চাচের পুত্র রাজা দাহিরকে পরাজিত করে ইমাদউদ্দীন মুহাম্মদ বিন কাশিম ৭১২ সালে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তবে এ রাজ্য দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। প্রতিহার রাজপুতদের দ্বারা শাসিত মালব ছিল উত্তরভারতের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র। উজ্জয়িনী ছিল এ রাজ্যের রাজধানী। দ্বাদশ শতকে মুসলিম “”” । অভিযানের প্রাক্কালে দিল্লি ও আজমীরে শক্তিশালী চৌহান বংশীয় রাজপুত্রগণ রাজত্ব করত।

গুজরাট, আসাম ও নেপালঃ

মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে গুজরাট ছিল গুরজর প্রতীহার বংশের অধীনে। অত:পর তাদের আধিপত্য ক্ষুন্ন করে চালক্যও ভাগেলা বংশ পর্যায়ক্রমে গুজরাট শাসন করে। নবম শতাব্দিতে চান্দেলা বংশ বুন্দেলখন্ডে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। শেষ রাজা গন্ড ১০১৯ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মাহমুদের নিকট পরাজিত হন। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তসীমায় অবস্থিত একটি রাজ্য হল আসাম। এটি হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়। এ সময় রাজা শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার স্বাধীন নৃপতি। হর্ষবর্ধনের সমসাময়িক এই শাসকের মৃত্যুর পর বাংলায়মৗরাত্মক গােলযােগ ও বিশৃংঙ্খলা দেখা দেয়। নেপাল সপ্তম শতাব্দিতে উত্তর ভারতের অপর একটি স্বাধীন রাজ্য। মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সাথে নেপালের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *